পৃথিবীতে জন্ম নেবার পর থেকেই মানুষের মধ্যে তৈরি হয় একটি মধুর সম্পর্ক, তার নাম ভালোবাসা। কিন্তু এই ভালোবাসার মাঝে আরও একটি বাস্তব তা হলো বিরহ-বিচ্ছেদ, আমরা কমবেশি সবাই জানি। আর এই বিরহ-বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ হিসেবে ঘটনার অন্তরালে থাকে অনেক অজানা কাহিনি, যা বাস্তব জীবনের অগ্রগতিতে বাধ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং জীবনের পথচলার গতি থামিয়ে দেয় l

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

বসন্তের প্রতি কবির তীব্র বিমুখতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আলোচ্য কবিতায় শীতকালীন প্রকৃতির রিক্ত রূপের সঙ্গে ব্যক্তিহৃদয়ের শোকানুভূতির তুলনার মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও মানবমনকে সম্পর্কিত করা হয়েছে।
কবির প্রিয়তম স্বামীর মৃত্যু হয় শীতকালে। প্রিয়জনের এভাবে অকালে চলে যাওয়ার বিষয়টিকে শোকে মুহ্যমান কবি যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। আর তাই সময় পরিক্রমায় প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবির মন জুড়ে থাকে বিদায়ী শীতের রিক্ততার ছবি। আলোচ্য কবিতাটিতে শীতের এই রিক্ততার সাথেই বিরহকাতর কবিমন যেন একাত্ম হয়ে উঠেছে। এভাবেই প্রকৃতির নিঃস্ব ও রিক্ত রূপের সঙ্গে শোকার্ত কবিমন সম্পর্কিত হয়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি বিচ্ছেদবেদনার প্রসঙ্গ তুলে ধরার সূত্রে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুগামী।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ব্যক্তিজীবনের বেদনাঘন অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। কবির সাহিত্য সাধনার প্রধান সহায়ক ও উৎসাহদাতা স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের অকাল প্রয়াণে ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর সেই বেদনাদগ্ধ ও রিক্ত অভিব্যক্তিরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে আলোচ্য কবিতাটিতে।
উদ্দীপকের বক্তব্যে পারস্পরিক ভালোবাসাকে মধুর বলে অভিহিত করা হয়েছে। তবে এই মধুর সম্পর্কের মাঝে বিচ্ছেদবেদনার একটি বিষয় থাকে বলে সেখানে মত প্রকাশ করা হয়েছে। একারণে অনেক সময় স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অগ্রগতিও স্তিমিত হয়ে পড়ে। একইভাবে, 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাতেও কবি তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনের রিক্ততার অনুভূতিকে রূপায়িত করেছেন। প্রিয়তম স্বামীর বিরহ-বেদনায় কবির জীবনে ছন্দপতন ঘটে। তিনি ডুবে যান সীমাহীন বিষণ্ণতায়। অর্থাৎ আলোচ্য কবিতা এবং উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই বিচ্ছেদবেদনার প্রসঙ্গটি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপিত হয়েছে। এদিক থেকে উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার অনুগামী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাবসত্যকে সম্পূর্ণরূপে তুলে ধরতে পারেনি বলেই আমি মনে করি।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবিমন প্রিয়তম স্বামীর অকাল প্রয়াণের বেদনায় ভারাক্রান্ত। স্বামীর এই আকস্মিক মৃত্যুকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। এ কবিতায় শোকাচ্ছন্ন কবির এই হৃদয় যাতনার কথকতা বাণীরূপ পেয়েছে। এছাড়া প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের নিবিড় সম্পর্কের দিকটিও তাৎপর্যমণ্ডিত হয়ে উঠেছে কবিতাটিতে।
উদ্দীপকে বিচ্ছেদবেদনার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। সেখানে ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়েছে বিচ্ছেদকে। উদ্দীপকের বক্তা মনে করেন, ভালোবাসার সম্পর্কের মাঝে একটি রূঢ় বাস্তবতা হলো বিচ্ছেদবেদনা। অজানা নানা অনভিপ্রেত কাহিনি ও ঘটনাই এর মূল কারণ। পাশাপাশি এর দ্বারা স্বাভাবিক্ জীবনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। আলোচ্য কবিতাটিতেও এ বিষয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। তাঁর সাহিত্য সাধনার প্রধান সহায়ক এবং প্রিয়তম স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুতে কবির জীবনে নেমে আসে দুঃসহ বিষণ্ণতা। সে বিষণ্ণতাকে কবি যেন কিছুতেই কাটিয়ে উঠতে পারছেন না। শোকাতুর কবিমনে তাই ঋতুরাজ বসন্তের মোহনীয় রূপ রেখাপাত করতে পারেনি। এছাড়া কবিতাটিতে বসন্ত-প্রকৃতির বর্ণনার মধ্য দিয়ে প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কও উন্মোচিত হয়েছে। উদ্দীপকের বক্তব্যে আলোচ্য কবিতার বিচ্ছেদবেদনার দিকটি উঠে এলেও মানবমনের ওপর প্রকৃতির প্রভাবের দিকটি উপেক্ষিতই থেকে গেছে। সেদিক বিবেচনায় উদ্দীপকটি এ কবিতার ভাবসত্যকে সম্পূর্ণ তুলে ধরতে পারেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
19

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

“দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?”

“এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ

এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”

কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-

“অলখের পাথার বাহিয়া

তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান? ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।”

কহিলাম, “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি ।”

কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে-

“নাই হলো, না হোক এবারে-

আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া-

রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।”

কহিলাম : “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” 

কহিল সে পরম হেলায়- 

"বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় 

ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?

মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” 

“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” 

কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”

কহিল সে কাছে সরে আসি -

“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-

গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে

রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে ।”

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews