উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা উভয় ক্ষেত্রে তীব্র বিরহ বেদনা থাকলেও পটভূমি ভিন্ন বিধায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। যেখানে কবির সাহিত্য সাধনার প্রধান সহায়ক ও উৎসাহদাতা স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে কবির জীবনে প্রচন্ড রিক্ততা নেমে আসে। কবিমন আচ্ছন্ন হয়ে থাকে রিস্ততার হাহাকারে। কোনোভাবেই কবি কাব্যসাধনায় মনোযোগ দিতে পারে না। সব সময় শুধু স্বামীর কথা মনে পড়ে।
উদ্দীপকে দেখা যায় গৃহবধূ জয়নব দীর্ঘ চার বছর ধরে তার স্বামীর প্রতীক্ষায় বসে থাকে। চার বছর আগে তার স্বামী অবৈধ পথে মালয়েশিয়া পড়ি জমায়। অনেকে বলে তার স্বামী সাগরে ডুবে মরেছে, কেউ বলে জঙ্গলে পথ হারিয়েছে। জয়নব কোনো কথাই বিশ্বাস করে না। তার বিশ্বাস একদিন তার স্বামী ঠিকই ফিরে আসবে। এখানে জয়নবের স্বামীর প্রতি অসীম ভালোবাসা এবং একইসাথে তীব্র বিরহ বেদনা ফুটে উঠেছে।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি তাঁর প্রিয়জনকে হারিয়ে কাতর হয়ে পড়েছেন। কোনো কিছুতেই তিনি কাব্যসাধনায় মনোনিবেশ করতে পারছেন না। কোনোভাবেই তাকে ভুলে থাকতে পারছেন না। রিক্ততার হাহাকারে তিনি তীব্র কষ্ট অনুভব করছেন। এমনকি কবি বসন্তবন্দন করবেন সেটাও বিরহ বেদনায় করতে পারছেন না। উদ্দীপকেও জয়নবের বিরহ বেদনা প্রকাশ পেয়েছে যা থেকে স্পষ্ট বলা যায়, প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অন্তরালে রয়েছে তীব্র বিরহ বেদনা।
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!