বর্ণনামূলক/সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

মোটা কণাযুক্ত বেলে মাটিতে ফসলের চাষ করা যায় না। তবে বেলে মাটিতে প্রচুর কম্পোস্ট, গোবর ও সবুজ সার প্রয়োগ করে চিনা, কাউন, ফুটি, আলু, তরমুজ ইত্যাদি চাষ করা সম্ভব।

উত্তরঃ

বীজের গুণাবলি নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. বীজ বিশুদ্ধতা বজায় থাকবে।
২. বীজের জাত বিশুদ্ধতা বজায় থাকবে।
৩. বীজের গজানোর হার কমপক্ষে ৭০-৮০% হবে।
৪. বীজ তেজস্বী হবে।
৫. পরিমিত মাত্রায় বীজের আর্দ্রতা থাকবে।
৬. বীজের নির্দিষ্ট সুপ্তকাল থাকবে।
৭. বীজ পোকা ও রোগমুক্ত এবং পরিপক্ক হবে।

উত্তরঃ

ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে বীজের জাত বিশুদ্ধতা অত্যন্ত জরুরি। কোনো বীজের নমুনায় একই ফসলের অন্য জাতের বীজ থাকলে বীজের জাত বিশুদ্ধতা নষ্ট হয়। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বীজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করলে বীজের জাত বিশুদ্ধতা রক্ষা পায়।

উত্তরঃ

মাটি প্রধানত চারটি উপাদান দ্বারা গঠিত। যথা- ১. খনিজ পদার্থ, ২. জৈব পদার্থ, ৩. পানি ও ৪. বায়ু।

নিচে এ উপাদানগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো-

১. খনিজ পদার্থ: প্রাকৃতিক শক্তি তথা তাপ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ ও পানিপ্রবাহ ইত্যাদির প্রভাবে সময়ের ব্যবধানে আদি শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মাটির অজৈব বা খনিজ পদার্থ সৃষ্টি করেছে। মাটিতে খনিজ পদার্থের পরিমাণ আয়তন ভিত্তিতে শতকরা প্রায় ৪৫ ভাগ।

২. জৈব পদার্থ: জীবজন্তুর মৃতদেহ, বাড়ির গাছপালা, শাকসবজির অবশিষ্টাংশ, লতাপাতা, খড়কুটা, প্রাণীর মলমূত্র প্রভৃতি মাটিতে পচে জৈব পদার্থের সৃষ্টি হয়। মাটিতে আয়তনের ভিত্তিতে শতকরা ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে।

৩. পানি: মাটির বিভিন্ন কণার মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে পানি অবস্থান করে। আদর্শ মাটিতে পানির পরিমাণ হলো শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ।

৪. বায়ু: মাটির কণার ফাঁকে ফাঁকে বায়ু থাকে। আদর্শ মাটিতে বায়ুর পরিমাণু হলো শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ।

উত্তরঃ

বীজের বৈশিষ্ট্য: বীজের বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো-

১. কাঙ্ক্ষিত ফসলের বীজের সাথে অন্য ফসলের বীজ কিংবা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বস্তুকণা মিশ্রিত থাকবে না।
২. একই ফসলের অন্য জাতের বীজের মিশ্রণ থাকবে না, অর্থাৎ জাত বিশুদ্ধতা বজায় থাকবে।
৩. ভালো বীজের কমপক্ষে ৭০ ৮০% গজানোর ক্ষমতা থাকবে।
৪. বীজ তেজস্বী হবে এবং প্রতিকূল পরিবেশে ও তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠতে পারবে।
৫. পরিমিত আর্দ্রতা ও নির্দিষ্ট সুপ্তকাল বজায় থাকবে।
৬. পরিপক্ক এবং পোকা ও রোগ মুক্ত হবে।
৭. আকার-আকৃতি স্বাভাবিক হবে ও সমআকৃতি বজায় থাকবে।
৮. বীজের স্বতন্ত্র রং ও স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে।

বীজের প্রকারভেদ: বীজের প্রকারভেদ নিচে বর্ণনা করা হলো-

১. ব্যবহারের ভিত্তিতে বীজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

ক. উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ: নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বককে উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ বলে। যেমন- ধান, পাট, গম বীজ ইত্যাদি।

খ. কৃষিতাত্ত্বিক বীজ: উদ্ভিদের যেকোনো অংশ যা উপযুক্ত পরিবেশে আপন জাতের নতুন উদ্ভিদের জন্ম দিতে পারে, তাকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজ বলে। যেমন- আদা ও হলুদের কন্দ।

২. বীজাবরণের উপস্থিতির ভিত্তিতে বীজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

ক. অনাবৃত বীজ: এসব বীজে কোনো আবরণ থাকে না। যেমন- গম, ভুট্টা ইত্যাদি।

খ. আবৃত বীজ: এসব বীজের আবরণ থাকে। যেমন- ধান, সরিষা ইত্যাদি।

৩. বীজপত্রের সংখ্যা ভিত্তিতে বীজকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

যথা- ক. একবীজপত্রী বীজ: এসব বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে। যেমন- ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি।

খ. দ্বিবীজপত্রী বীজ: এসব বীজে দুটি বীজপত্র থাকে। যেমন-ছোলা, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

গ. বহুবীজপত্রী বীজ: এসব বীজে দুইয়ের অধিক বীজপত্র থাকে। যেমন- পাইন।

উত্তরঃ

উৎস অনুযায়ী সারকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

ক. জৈব সার যেসব সার জীবের দেহ থেকে প্রাপ্ত অর্থাৎ উদ্ভিদ বা প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রস্তুত করা যায়, তাদেরকে জৈব সার বলে। যেমন- গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল ইত্যাদি। গাছের প্রয়োজনীয় প্রায় সব খাদ্য উপাদানই জৈব সারে থাকে।

খ. রাসায়নিক সার যেসব সার কারখানায় প্রস্তুত করা হয়, সেগুলোকে রাসায়নিক সার বলে। যেমন- ইউরিয়া, টিএসপি, এমপি, জিপসাম, জিঙ্ক সালফেট ইত্যাদি।

উত্তরঃ

পৃথিবীর নরম উপরিভাগকে সাধারণভাবে মাটি বলে। কিন্তু মৃত্তিকা বিজ্ঞানীদের মতে ভূপৃষ্ঠের যে নরম স্তরে গাছপালা জন্মে ও গাছ পুষ্টি শোষণ করে বড় হয় তাকে মাটি বলে। মাটি মূলত একটি প্রাকৃতিক বস্তু এবং মিশ্র পদার্থ।

উত্তরঃ

মাটির উপাদান চারটি। যথা: ১. খনিজ পদার্থ বা অজৈব পদার্থ, ২. জৈব পদার্থ, ৩. পানি, এবং ৪. বায়ু।

উত্তরঃ

জীবজন্তুর মৃতদেহ, বাড়ির গাছপালা, শাকসবজির অবশিষ্টাংশ, লতাপাতা, খড়কুটা, প্রাণীর মলমূত্র প্রভৃতি মাটিতে পচে যে পদার্থের সৃষ্টি হয় তাকে জৈব পদার্থ বলে। জৈব পদার্থকে মাটির প্রাণ বলা হয়।

উত্তরঃ

মাটির বিভিন্ন প্রকার কণা বিভিন্ন অনুপাতে মিশে মাটির যে গঠন তৈরি করে তাকে মাটির বুনট বলে।

উত্তরঃ

মাটির বুনট যদি বেলে প্রকৃতির হয় তবে চীনা, কাউন, ফুটি, আলু, তরমুজ ভালো হবে। মাটির বুনটের অর্ধেক যদি বালিকণা এবং বাকি অর্ধেক পলি ও কর্দম কণার হয় তবে সে মাটিতে সব ধরনের ফসল ভালো জন্মাবে। আবার যে মাটিতে কর্দম কণা বেশি থাকে সে মাটিতে ধান, পাট, আখ ও শাকসবজি ভালো জন্মাবে। সুতরাং জমিতে ফসল উৎপাদন বুনটের উপর নির্ভরশীল।

উত্তরঃ

জমিতে অতিরিক্ত পানি জমলে গাছের শিকড় অঞ্চলে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। ফলে অনেক গাছ মারা যায়। এ কারণে জমি থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করতে হয়।

উত্তরঃ

পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের অভাব হলে মাছ দলবদ্ধভাবে পানির উপর ভেসে বেড়ায়। একে মাছের খাবি খাওয়া বলে।

উত্তরঃ

পানিতে অক্সিজেন হ্রাসের তিনটি কারণ হলো-
১. পানিতে গাছের পাতা ও ডালপালা পচা।
২. কাঁচা গোবর বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা।
৩. আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকা।

উত্তরঃ

মাছ চাষে লাভবান হতে চাইলে পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন করতে সূর্যের আলো অপরিহার্য। পুকুরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না পৌঁছলে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন হবে না। অর্থাৎ প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনের জন্য মাছ চাষে সূর্যালোক প্রয়োজন।

উত্তরঃ

সুস্থ বীজ সর্বদাই নীরোগ ও কীটমুক্ত হয়। বীজ রোগ অথবা পোকামাকড় দ্বারা আক্রান্ত হলে চারা রোগাক্রান্ত ও পরবর্তী পর্যায়ে ফসলের উৎপাদন হ্রাস পাবে এবং উৎপাদিত ফসল বীজ হিসেবে সংগ্রহ করা যায় না, তাই সুস্থ বীজের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

উত্তরঃ

ভালো বীজ পেতে হলে নিরোগ ও পোকামুক্ত জমিতে চাষ করতে হবে। ভালো করে ফসল কাটার পর পরিচ্ছন্নভাবে মাড়াই-ঝাড়াই করে বীজকে অন্যজাতের বীজ, ইট-পাথর কণা, আগাছার বীজ, চিটা ইত্যাদি থেকে মুক্ত করতে হবে। তারপরও বীজে ভেজাল থাকতে পারে। তাই বীজ বাছাই করা একান্ত প্রয়োজন।

উত্তরঃ

যে বীজে কাঙ্ক্ষিত সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তাকে ভালো বীজ বলে। যেমন- ভালো বীজের সাথে অন্য কোনো বীজ ও আবর্জনা মিশ্রিত থাকবে না। এর গজানোর ক্ষমতা ৭০-৮০% হবে, বীজগুলো সতেজ, সজীব ও স্বাস্থ্যবান হবে। রোগ ও পোকামাকড় মুক্ত ও নির্দিস্ট সুপ্তকাল থাকবে। বীজগুলো সম আকার- আকৃতির হবে।

উত্তরঃ

নমুনা বীজের চারা যদি সতেজ, সজীব ও স্বাস্থ্যবান হয় এবং প্রতিকূল অবস্থায় তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠতে পারে তবে সে বীজকে তেজস্বী বীজ বলে।

উত্তরঃ

পরাগরেণু দ্বারা ডিম্বক নিষিক্ত হয়ে যে বীজ উৎপন্ন হয় তাকে নিষিক্ত বীজ বলে। যেমন- ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি।

উত্তরঃ

জৈব সার ও রাসায়নিক সারের মধ্যে ২টি পার্থক্য-

জৈব সার

রাসায়নিক সার

১. জৈব সার জীবের দেহ হতে প্রাপ্ত।১. রাসায়নিক সার কলকারখানায় প্রস্তুত করা হয়।
২. জমিতে অনেক বেশি পরিমাণে প্রয়োগ করতে হয়।২. অল্প পরিমাণে প্রয়োগ করেই সুফল পাওয়া যায়।
উত্তরঃ

জমিতে জৈব সার প্রয়োগের ২টি সুবিধা হলো-
১. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
২. মাটির অনুজৈবিক কার্যবলি বাড়ায়।

উত্তরঃ

জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলার কারণসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো:
১. জৈব পদার্থের উপস্থিতি মাটিস্থ অণুজীবগুলোকে ক্রিয়াশীল করে। ফলে মাটিস্থ খাদ্য উপাদান গাছের গ্রহণ উপযোগী হয়।
২. জৈব পদার্থ মাটিতে হিউমাস সৃষ্টি করে, যা মাটির উর্বরতার জন্য খুবই দরকারী।
৩. জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
৪. জৈব পদার্থ মাটির গঠনকে উন্নত করে।

উত্তরঃ

জমিতে জৈব সার প্রয়োগের সুবিধাগুলো হলো-
১. জৈব সারে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদানই থাকে।
২. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
৩. মাটির অণুজীবের কার্যাবলি বাড়ায়।
৪. মাটির সংযুতির উন্নতি ঘটায়।
৫. মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৬. মাটিতে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে।

উত্তরঃ

ফসল চাষের কতকগুলো নির্দিষ্ট সময়ে পানি সেচ দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। যদি এ নির্দিষ্ট সময়ে পানি সেচ দেওয়া না যায় তবে গাছ মারা যাবে। এখন যদি বৃষ্টির উপর নির্ভর করে ফসল চাষ করা হয় এবং প্রয়োজনের সময় বৃষ্টিপাত না হয় তবে পানির অভাবে ফসলের ফলন কমে যাবে পানির চরম সংকটে ফসল মারা যাবে। তাই সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল হয়ে ফসল চাষাবাদ করা ঠিক নয়।

উত্তরঃ

বাড়ির আঙিনার আবর্জনাকে জৈব সারে রূপান্তর করলে নিচের সুবিধাগুলো পাওয়া সম্ভব হবে-
১. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে।
২. রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে যাবে, ফলে উৎপাদন খরচ কমে যাবে।
৩. জমির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেচ কম লাগবে।
৪. ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
৫. বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে।

উত্তরঃ

বেলে বুনটের মাটিকে ধান চাষের উপযোগী করতে করণীয় নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. মাটিতে প্রচুর পরিমাণে জৈব সার যেমন- গোবর সার, সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ও অন্যান্য জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।
২. জমির মাটির সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে এঁটেল মাটি মিশাতে হবে।
৩. জমিটিতে প্রচুর পরিমাণে সেচ প্রয়োগের পর আইল বেঁধে পানি জমা রেখে মাটির গুণাগুণ উন্নত করতে হবে।
৪. বৃষ্টিপাতের সময় পানিতে বাহিত হয়ে যে পলিমাটি গড়িয়ে আসবে তা জমিতে আটকে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

উত্তরঃ

ফসল চাষাবাদে দোআঁশ মাটি উত্তম হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. দোআঁশ মাটিতে অর্ধেক বালিকণা এবং বাকি অর্ধেক পলি ও কর্দম কণা থাকে, যা ফসল চাষের জন্য উপযোগী।
২. এ মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা মাঝারি ধরনের।
৩. এ মাটির নমনীয়তা ও সংশক্তি ক্ষমতা মাঝারি ধরনের।
৪. এ মাটিতে সহজে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় না।
৫. এ মাটিকে সহজেই গভীরভাবে চাষ দেওয়া যায়।
৬. এ মাটিতে ফসল চাষের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সহজেই পাওয়া যায়।
দোআঁশ মাটির উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই এ মাটি ফসল চাষের জন্য উত্তম।

উত্তরঃ

নিম্নলিখিত কারণে মাছ খাবি খায়-
১. পানিতে অক্সিজেনের অভাব হলে মাছ খাবি খায়।
২. CO2 এর পরিমাণ বেড়ে গেলে।
৩. বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে গেলে।
৪. পানিতে সূর্যালোকের অভার হলে।
৫. প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা অনুকূলে না হলে।

উত্তরঃ

ব্যবহারের ভিত্তিতে, বীজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

ক. উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ: উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, নিষিক্ত ও পরিপক্ষ ডিম্বককে উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ বলে। যেমন- ধান, পাট, গম ইত্যাদি বীজ।

খ . কৃষিতাত্ত্বিক বীজ: কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, উদ্ভিদের যেকোনো অংশ যা উপযুক্ত পরিবেশে আপন জাতের নতুন উদ্ভিদের জন্ম দিতে পারে, তাকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজ বলে। যেমন- আদা ও হলুদের কন্দ, মিস্টি আলুর লতা, কাঁকরোলের মূল, আখের কান্ড ইত্যাদি।

57

ফসল উৎপাদনে কৃষি উপকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি উপকরণগুলোর মধ্যে মাটি, পানি, বীজ, সার উল্লেখযোগ্য। কোন মাটিতে কোন ফসল জন্মাবে, ভালো বীজের বৈশিষ্ট্যগুলো কেমন, ফসলে সেচের দরকার আছে কি না, অতিরিক্ত পানি ফসলের ক্ষতি করছে কি না, জমিতে কী কী সার প্রয়োগ করা দরকার, এসব সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে বিস্তারিত জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • ব্যবহার অনুযায়ী উপযুক্ত মাটি শনাক্ত করতে পারব।
  • কৃষি ফলনে মাটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কৃষি ক্ষেত্রে পানির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বীজের বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারব।
  • সারের প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারব।
  • কৃষিতে রাসায়নিক সারের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব।
  • কৃষিকাজে সার ব্যবহারের উপযোগিতা মূল্যায়ন করতে পারব।
  • কৃষিকাজে পানির পরিমিত ব্যবহারে সচেতন হব।
  • রাসায়নিক সার অতিরিক্ত ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবজন্তুর মৃতদেহ, বাড়ির গাছপালা, শাকসবজির অবশিষ্টাংশ, লতাপাতা, খড়কুটা, প্রাণীর মলমূত্র প্রভৃতি মাটিতে পচে যে পদার্থের সৃষ্টি হয় তাকে জৈব পদার্থ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
773
উত্তরঃ

মাটির বুনট যদি বেলে প্রকৃতির হয় তবে চীনা, কাউন, ফুটি, আলু, তরমুজ ভালো হবে। মাটির বুনটের অর্ধেক যদি বালিকণা এবং বাকি অর্ধেক পলি ও কর্দম কণার হয় তবে সে মাটিতে সব ধরনের ফসল ভালো জন্মাবে। আবার যে মাটিতে কর্দম কণা বেশি থাকে সে মাটিতে ধান, পাট, আখ ও শাকসবজি ভালো জন্মাবে। সুতরাং জমিতে ফসল উৎপাদন বুনটের উপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
184
উত্তরঃ

মজিদের বাড়ির আবর্জনাগুলোকে সদ্ব্যবহারের সর্বোত্তম উপায় হলো এগুলো দিয়ে জৈব সার তৈরি করে জমিতে প্রয়োগ করা। জৈব সার তৈরির জন্য তাকে এমন একটি উঁচু জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেখানে পানি জমে না। এরপর উক্ত স্থানে আবর্জনাগুলো নিয়মিত জমাতে হবে। মাঝে মাঝে জমানো স্তরগুলো ওলটপালট করে দিতে। হবে। এতে করে অণুজীবের ক্রিয়ায় আবর্জনাগুলো পচে জৈব সার তৈরি হবে। তৈরিকৃত এ জৈব সার সে প্রয়োজনানুযায়ী তার ফসলের জমিতে প্রয়োগ করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
126
উত্তরঃ

কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে মজিদ বাড়ির আঙিনার আবর্জনাগুলোকে জৈব সারে রূপান্তরের 'সিদ্ধান্ত নেয়। এ সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের ফলে মজিদ যেসব সুবিধা পাবে তা হলো—

১. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে।
২. রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে যাবে। ফলে উৎপাদন খরচ কমে যাবে। ফলে উৎপাদন
৩. জমির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেচ কম লাগবে।
৪. ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
৫. বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে।

এসব সুবিধা প্রাপ্তির কারণে মজিদের কৃষি কাজ অনেক সহজ ও লাভজনক হবে। সহজেই সে তার উৎপাদনকালীন কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
173
উত্তরঃ

পৃথিবীর নরম উপরিভাগকে সাধারণভাবে মাটি বলে। কিন্তু মৃত্তিকা বিজ্ঞানীদের মতে ভূপৃষ্ঠের যে নরম স্তরে গাছপালা জন্মে ও গাছ পুষ্টি শোষণ করে বড় হয় তাকে মাটি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
158
উত্তরঃ

জৈব পদার্থকে মাটির জীবন বলার কারণসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো ;

১. জৈব পদার্থের উপস্থিতি মাটিস্থ অণুজীবগুলোকে ক্রিয়াশীল করে। ফলে মাটিস্থ খাদ্য উপাদান গাছের গ্রহণ উপযোগী হয়।
২. জৈব পদার্থ মাটিতে হিউমাস সৃষ্টি করে, যা মাটির উর্বরতার জন্য খুবই দরকারী।
৩. জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
৪. জৈব পদার্থ মাটির গঠনকে উন্নত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
152
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews