উত্তরঃ

রাষ্ট্রনীতি= রাষ্ট্রপরিচালনার নীতি প্রীতিভোজ= প্রীতি উপলক্ষ্যে ভোজ মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস

Nayan DHar
Nayan DHar
3 years ago
উত্তরঃ

দ্বন্দ্ব সমাস: ভাই ও বোন


দুটি বা ততোধিক পদ একত্রিত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করলে তাকে সমাস বলে। সমাসের মাধ্যমে বাক্য সংক্ষিপ্ত হয় এবং শ্রুতিমধুরতা বৃদ্ধি পায়। বাংলা ব্যাকরণে সমাস একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শব্দ গঠনের অন্যতম প্রধান উপায়।

দ্বন্দ্ব সমাস হলো এক প্রকার সমাস যেখানে সমস্যমান পদগুলোর প্রত্যেকটির অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর' ইত্যাদি অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়। এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই প্রধান হয়।

        
  • বৈশিষ্ট্যসমূহ:         
                  
    • একাধিক পদের মিলন ঘটে।
    •             
    • প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য বজায় থাকে।
    •             
    • ব্যাসবাক্যে সাধারণত 'ও', 'এবং', 'আর' ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়।
    •             
    • সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত কোনো লিঙ্গ বা বচন পরিবর্তন হয় না, তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা যায়।
    •         
        
  •     
  • প্রকারভেদ (সাধারণভাবে):         
                  
    • মিলনার্থক দ্বন্দ্ব: যেমন – ভাই-বোন, মা-বাবা, চা-বিস্কুট।
    •             
    • বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব: যেমন – দা-কুমড়া, অহিনকুল, আয়-ব্যয়।
    •             
    • বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব: যেমন – ছোট-বড়, জমা-খরচ, সাদা-কালো।
    •             
    • সমার্থক দ্বন্দ্ব: যেমন – হাট-বাজার, কাগজ-পত্র, ধূপ-ধুনো।
    •             
    • একশেষ দ্বন্দ্ব: সাধারণত দুটি সর্বনাম পদ মিলে হয় এবং অবশিষ্ট একটি পদ থাকে, যেমন – আমরা (তুমি, আমি ও সে)।
    •             
    • সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব: যেমন – সাত-পাঁচ, উনিশ-বিশ, নব্বই-নব্বই।
    •             
    • অলোপ দ্বন্দ্ব: যে দ্বন্দ্ব সমাসে ব্যাসবাক্যের কোনো পদ লুপ্ত হয় না, যেমন – দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, হাতে-কলমে।
    •         
        
  •     
  • উদাহরণ:         
                  
    • পিতা-মাতা = পিতা ও মাতা
    •             
    • দেশ-বিদেশ = দেশ ও বিদেশ
    •             
    • হাত-পা = হাত ও পা
    •         
        

'ভাইবোন' শব্দটি 'ভাই ও বোন' এই ব্যাসবাক্যের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে, যেখানে 'ভাই' এবং 'বোন' উভয় পদেরই অর্থের প্রাধান্য রয়েছে এবং 'ও' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। তাই এটি একটি মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

জীবন রূপ আনন্দ, রূপক কর্মধারয় সমাস


যখন উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, অর্থাৎ উপমেয়কে উপমানের সঙ্গে অভিন্ন মনে করা হয়, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে 'রূপ' বা 'স্বরূপ' শব্দটি উহ্য থাকে, যা ব্যাসবাক্যে প্রকাশিত হয়। 'জীবননন্দ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'জীবন রূপ আনন্দ'। এখানে 'জীবন' হলো উপমেয় এবং 'আনন্দ' হলো উপমান। জীবন এবং আনন্দকে অভিন্ন রূপে কল্পনা করা হয়েছে, অর্থাৎ জীবনই আনন্দ — এই ধারণা প্রকাশ পাওয়ায় এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।

        
  • রূপক কর্মধারয় সমাসের আরও কিছু উদাহরণ:
  •     
  • শোকানল: শোক রূপ অনল
  •     
  • বিষাদসিন্ধু: বিষাদ রূপ সিন্ধু
  •     
  • মনমাঝি: মন রূপ মাঝি
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ জল নেই যার — বহুব্রীহি সমাস

বাংলা ব্যাকরণে সমাস হলো একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করার প্রক্রিয়া। 'নির্ঝলা' একটি বহুব্রীহি সমাস। বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থই প্রধান না হয়ে একটি তৃতীয় বা নতুন অর্থ প্রধান হয়ে ওঠে।

'নির্ঝলা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'জল নেই যার'। এখানে 'নির্' (নেই) বা 'জল' (পানি) শব্দ দুটির অর্থ পৃথকভাবে প্রধান নয়, বরং 'জল নেই' এমন একটি অবস্থা বা গুণকে বোঝানো হচ্ছে যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, 'নির্ঝলা উপবাস' বলতে বোঝায় এমন উপবাস যেখানে জলও গ্রহণ করা হয় না।

বহুব্রীহি সমাসের বৈশিষ্ট্য:

        
  • সমস্যমান পদগুলো থেকে ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ পায়।
  •     
  • সাধারণত, এই সমাসে বিশেষণ পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হয়, যার নির্দিষ্ট গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে।

অন্যান্য উদাহরণ:

        
  • দশানন: দশ আনন যার (রাবণ)
  •     
  • নীলকণ্ঠ: নীল কণ্ঠ যার (শিব)
  •     
  • সুবুদ্ধি: সুন্দর বুদ্ধি যার (জ্ঞানী ব্যক্তি)

এটি অব্যয়ীভাব সমাস নয়, কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয় (যেমন: প্রতিদিন - দিন দিন)। কিন্তু 'নির্ঝলা' শব্দে 'নির্' উপসর্গ থাকলেও এর দ্বারা জলহীন কোনো ভিন্ন বস্তুকে বোঝানো হচ্ছে, শুধু জলের অভাবকে নয়, তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

করিৎকর্মা= কৃত কর্ম যার (বহুব্রীহি সমাস)।

Shudipta
Shudipta
11 months ago
259

সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন : দেশের সেবা = দেশসেবা, বই ও পুস্তক = বইপুস্তক, নেই পরোয়া যার বেপরোয়া। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের = সৃষ্টি। সমাস দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়। এটি শব্দ তৈরি ও প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। তবে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও প্রচুর পাওয়া যায়। সেগুলোতে সংস্কৃতের নিয়ম খাটে না।

সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।

 

সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ ।

সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। উদাহরণ-বিলাত – ফেরত রাজকুমার সিংহাসনে বসলেন। এখানে বিলাত-ফেরত, রাজকুমার ও সিংহাসন এ তিনটিই - সমাসবদ্ধ পদ। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়া ও রকম বিলাত হতে ফেরত, রাজার কুমার,সিংহ চিহ্নিত আসন এগুলো হচ্ছে ব্যাসবাক্য। এসব ব্যাসবাক্যে 'বিলাত’, ফেরত’, ‘রাজা, ‘কুমার,’ ‘সিংহ’, ‘আসন' হচ্ছে এক একটি সমস্যমান পদ। আর বিলাত-ফেরত, রাজকুমার এবং সিংহাসন সমস্ত পদ। বিলাত, রাজা ও সিংহ হচ্ছে পূর্বপদ এবং ফেরত, কুমার ও আসন হচ্ছে পরপদ। -

 

সমাস প্রধানত ছয় প্রকার : দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস ।

 

[ দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি : দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব। কিন্তু সাধারণভাবে ছয়টি সমাসেরই আলোচনা করা গেল। এছাড়া, প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি কয়েকটি অপ্রধান সমাস রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলোরও আলোচনা করা হয়েছে। ]

Related Question

View All
উত্তরঃ স্বাক্ষরতা কর্মসূচি সফল হয়েছে।

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'কর্মসূচী' বানানটি ভুল। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানবিধি অনুযায়ী, 'কর্মসূচি' হবে, যেখানে 'চ' এর সাথে হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সাধারণ ভুল যা অনেক বাংলা শব্দে দেখা যায়, যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এর পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহারের নিয়ম প্রচলিত। যেমন: গাড়ি, বাড়ি, সরকারি, বেসরকারি ইত্যাদি। বাংলা ব্যাকরণে শুদ্ধ বানান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক লেখায় এর সঠিক প্রয়োগ অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
501
উত্তরঃ এমন মাধুর্যপূর্ণ আচরণ সকলকে মুগ্ধ করবেই।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান অসঙ্গতি ছিল। প্রথমত, 'মুগ্ধ সৃষ্টি করা' একটি ভুল প্রয়োগ। 'মুগ্ধ' একটি বিশেষণ, যা সাধারণত 'করা' ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে 'মুগ্ধ করা' (আকৃষ্ট করা বা বিমোহিত করা) অর্থে ব্যবহৃত হয়, অথবা 'মুগ্ধতা' (বিশেষ্য) পদটি 'সৃষ্টি করা' ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'মুগ্ধতা সৃষ্টি করা' (বিমোহিত হওয়ার অনুভূতি তৈরি করা) অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। মূল বাক্যের ভাব অনুযায়ী 'সকলকে মুগ্ধ করবেই' হলো সবচেয়ে সঠিক ও সাবলীল প্রয়োগ। দ্বিতীয়ত, 'কোরবেই' শব্দটি অশুদ্ধ। এর সঠিক রূপ হলো 'করবেই' (প্রমিত বাংলা বানানে র-ফলা ছাড়া লেখা হয়)। এই পরিবর্তনগুলো বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ ও অর্থপূর্ণ করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

এখনকার বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গন লোকারণ্য ভারাক্রান্ত মনে হয়। 

Sultan Amit
Sultan Amit
2 years ago
169
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews