Related Question
View Allলোকশিল্প আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। এসব পণ্য শুধু এদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার সাথেই যুক্ত নয়, শিল্প-সৌন্দর্যেও অনন্য। সুপরিকল্পিত উপায়ে, প্রসারের দিকে মনোযোগ দিলে এসব পণ্যদ্রব্যই হয়ে উঠতে পারে আমাদের দারিদ্র্য বিমোচনের মোক্ষম হাতিয়ার। বিদেশিদের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে রপ্তানির মাধ্যমে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। তাই লোকশিল্প সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের দায়িত্ব আমাদের সকলেরই।
লোক মিলু সংরক্ষন ও সমম্ন আরনের দাইত্ব আমাদের সকলের কেন?
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
এমএম
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
আমাদের লোকশিল্পের অন্যতম দৃষ্টান্ত নকশিকাঁথা। সাধারণত গ্রাম বাংলার মেয়েরা এ কাঁথা সেলাই করে থাকে। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে যখন সারাদিন বৃষ্টি হয় তখন মেয়েরা বসত এ কাঁথা সেলাই করতে। এক একটি কাঁথা সেলাই করতে প্রায় ছয় মাস লেগে যেত। নকশিকাঁথা সেলাই করার সময়ে মেয়েরা তাদের নিজের জীবনের সুখ-দুঃখের কথা একে অন্যের সঙ্গে বিনিময় করত। আন্তরিকতার ও জীবনঘনিষ্ঠতার কারণেই বলা হয়-কাঁথার সেলাই বা সুচের ফোঁড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের জীবনগাঁথা।
অতিথি হয়তো কবির বাড়িতে আসার পথ ভুল করতে পারেন তাই কবি তাকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে তার রথ (যাত্রা) থামাতে বলেছেন।
কবি তাঁর প্রিয় অতিথির আপ্যায়নের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছেন। তারপরও কবি কোনোভাবেই দ্বিধামুক্ত হতে পারছেন, যদি অতিথি বাড়ির পথ ভুল করে অন্য পথে চলে যায়, তাই কবির বাড়িতে অতিথির আসার পথে যেন কোনো ভুল না হয় সেজন্য কবি অতিথিকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে থামতে বলেছেন এবং বরাবর আসতে বলেছেন।
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
খাদি কাপড় মূলত মোটা। কারণ তুলার গোলা নিয়ে নাটাইয়ের মতো চড়কা ঘুরিয়ে হাতে খাদির সুতা তৈরি করা হয়। খালি হাতে সুতার সরু ও মসৃণতা ধরে রাখা যায় না। আর এটাই খাদি কাপড়ের মূল বৈশিষ্ট্য। কাপড় মোটা হলেও পরিধানে খুবই আরামদায়ক।
‘আমার বাড়ি’ কবিতায় প্রিয়জনকে কবির নিজের গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানাচ্ছেন | বন্ধু যদি কবির বাড়িতে বেড়াতে যায় তাহলে বন্ধুকে নানা যত্নআত্তি ও আদর –সমাদর করবেন |কবি তাকে শালি ধানের চিড়ে,বিন্নি ধানের খই,বাড়ির গাছের কবরি কলা এবং গামছা-বাঁধা দই দিয়ে আপ্যায়ণ করাবেন |প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেমন করে অতিথির প্রাণ জুড়াবেন তারও বর্ণনা দিয়েছেন কবি| এছাড়াও কবি বন্ধুকে নিজ বাড়ির পথও বাতলে দিয়েছেন| কোন পথে তার বাড়ি যেতে হবে ,কীভাবে বাড়ি চিনতে হবে |কবিতায় প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসার মনোভাব ও অতিথি সৎকারে বাঙ্গালি জীবনের সৌজন্যও ফুটে উঠেছে|
‘আমার বাড়ি’ প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসার মনোভাব ও অতিথি সৎকারে বাঙ্গালি জীবনের সৌজন্য ফুটে উঠেছে| আমার জীবনের সাথে কবিতার বেশ মিল রয়েছে| একবার ফেইসবুকে আমার একটা বন্ধু হয়েছিল | সে ঢাকা শহরে থাকত| সে কখনো গ্রাম দেখে নাই |আমি তাকে একবার আমাদের বাড়িতে তাকে নিমন্ত্রণ করেছিলাম | আমি তাকে বলেছিলাম , সে আসলে আমি তাকে আমাদের গাছের আম ,জাম ,কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল পেরে খাওয়াবো|
এরপর আমাদের পুকুরের চিংড়ি মাছ তাকে রান্না করে খাওয়াবো | আমাদের এলাকায় খেজুরের রস ও গুড়ের বিভিন্ন পিঠা তাকে খাওয়াবো | এরপর আমাদের বাগানে সবাই মিলে গরমের দিনে আড্ডা দিবো এবং আমাদের বাড়ির পাশের নদীতে গোসল করবো | আমি আমাদের বাড়িতে কিভাবে আসতে হবে তাও বলে দিয়েছিলাম তাকে|এসব বিষয়ের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার অনেক মিল রয়েছে |
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে একজন অসাধারণ নারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁর অগ্রগামী চিন্তাভাবনা, সাহসী কর্মকাণ্ড এবং নারীর অধিকার ও শিক্ষার প্রসারে উল্লেখযোগ্য অবদানের কারণে। তিনি বাংলা ভাষার প্রথম দিকের প্রগতিশীল নারীবাদী এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন। রোকেয়ার অসাধারণত্বের কয়েকটি কারণ হলো:
১. নারীর শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে সংগ্রাম
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সেই সময়ে নারীদের শিক্ষার প্রচলন করেছিলেন, যখন নারীশিক্ষা ছিল বিরল এবং অনেকক্ষেত্রেই সমাজ দ্বারা নিরুৎসাহিত করা হতো। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, নারীর উন্নতি শিক্ষার মাধ্যমেই সম্ভব। ১৯১১ সালে তিনি "সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল" প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে মুসলিম মেয়েরা শিক্ষার সুযোগ পেতে শুরু করে। এর মাধ্যমে তিনি মুসলিম নারীদের শিক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২. নারীবাদী লেখিকা হিসেবে অবদান
রোকেয়া ছিলেন একজন শক্তিশালী লেখিকা। তাঁর লেখা "সুলতানার স্বপ্ন" একটি বিশ্ববিখ্যাত নারীবাদী রচনা, যেখানে তিনি পুরুষ-শাসিত সমাজের বিপরীতে একটি নারীর শাসিত ইউটোপিয়া কল্পনা করেছেন। এই রচনায় রোকেয়া নারীর সম্ভাবনা, ক্ষমতা এবং স্বাধীনতার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাঁর অন্যান্য রচনাও নারীশিক্ষা, সমাজে নারীর ভূমিকা, এবং পুরুষতান্ত্রিকতার প্রতি সমালোচনা প্রকাশ করে।
৩. প্রগতিশীল সামাজিক চিন্তাধারা
রোকেয়া শুধু নারীশিক্ষা নিয়েই কাজ করেননি, তিনি নারীর সার্বিক উন্নয়ন এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার কথাও বলেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও জরুরি। এছাড়াও, তিনি নারীর প্রতি সামাজিক অবিচার, বৈষম্য, এবং পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেছেন।
৪. সাহস ও অগ্রগামী ভূমিকা
এক রক্ষণশীল সমাজে থেকেও রোকেয়া তাঁর চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রচলিত সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর কাজ এবং সাহসিকতা সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে এক অত্যন্ত অগ্রণী পদক্ষেপ ছিল, যেখানে নারীরা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে ভয় পেতেন।
৫. সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধা পেরিয়ে সফলতা অর্জন
রোকেয়া তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় সামাজিক প্রতিকূলতা ও বাধার মুখোমুখি হয়েছেন, তবে তা তাঁকে থামাতে পারেনি। তিনি শিক্ষার আলোকে নারীদের জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য সচেষ্ট ছিলেন এবং তাঁর এ কাজ নারীর ক্ষমতায়নের আন্দোলনের জন্য পথিকৃৎ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপসংহার:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন শুধু একজন লেখিকা বা শিক্ষাবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন নারী অধিকার আন্দোলনের এক অগ্রদূত। তাঁর সাহসী চিন্তাধারা এবং কর্মযজ্ঞ নারীর জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা তাঁকে বাঙালি সমাজে এবং নারীর অধিকার আন্দোলনে এক অসাধারণ ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
মুখ্য অর্থ:যেমন 'কাটা' শব্দ দিয়ে মূলত কোনো কিছু কেটে ফেলা বোঝায়। এখানে কেটে ফেলা হলো 'কাটা' শব্দের মুখ্য অর্থ। গৌণ অর্থ: মুখ্য অর্থের বাইরেও একটি শব্দের একাধিক অর্থ থাকতে পারে। এগুলোকে বলে শব্দের গৌণ অর্থ।
মুখ্য অর্থ এবং গৌণ অর্থ হলো শব্দের অর্থবোধক দুইটি পৃথক ধরন। এগুলো শব্দের অর্থ ব্যবহার এবং প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে।
মুখ্য অর্থ:
শব্দের প্রধান বা সাধারণ অর্থকে মুখ্য অর্থ বলা হয়। এটি হলো শব্দের সেই অর্থ, যা সাধারণভাবে বা প্রাথমিকভাবে বোঝানো হয়। একটি শব্দ যখন তার স্বাভাবিক, প্রচলিত বা সরাসরি অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে মুখ্য অর্থ বলে।
উদাহরণ:
- "সূর্য উদিত হলো।" এখানে "সূর্য" শব্দের মুখ্য অর্থ হলো সেই জ্যোতির্ময় বস্তু যা আমাদের পৃথিবীর আলোর প্রধান উৎস।
গৌণ অর্থ:
শব্দের গৌণ বা পরোক্ষ অর্থকে গৌণ অর্থ বলা হয়। এটি সেই অর্থ, যা একটি শব্দের মুখ্য অর্থ থেকে সরে এসে রূপক বা প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো শব্দ রূপক, প্রতীকী, বা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে নতুন বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটাকে গৌণ অর্থ বলা হয়।
উদাহরণ:
- "আমার জীবন থেকে সূর্য অস্ত গেছে।" এখানে "সূর্য" শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার মুখ্য অর্থ "আলোকদাতা নক্ষত্র" হলেও গৌণ অর্থে এটি জীবনের আনন্দ বা সুখের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উপসংহার: মুখ্য অর্থ শব্দের প্রাথমিক ও সাধারণ অর্থ নির্দেশ করে, আর গৌণ অর্থ হলো রূপক বা প্রসঙ্গগত ভিন্নতায় ব্যবহৃত অর্থ।
বিশেষ্য: শিক্ষার্থী, পথ, ধানখেত, পাখি
বিশেষণ: নীল-সাদা, সবুজ, সুন্দর
সর্বনাম: সে, দ্যাখ
ক্রিয়া: ফিরছিল, দাঁড়ালো, বলল, উড়ে যাচ্ছে
আবেগসূচক শব্দ: দ্যাখ
নিম্নে ৫টি যতিচিহ্নের নাম এবং তাদের বাক্যে প্রয়োগ দেখানো হলো:
১. অর্ধচ্ছেদ (;)
ব্যবহার: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুটি পৃথক বাক্যাংশকে যুক্ত করতে।
- উদাহরণ: আমি স্কুলে যাব; তারপর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করব।
২. দাঁড়ি (।)
ব্যবহার: বাক্যের শেষে ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: আজ খুব সুন্দর আবহাওয়া। সবাই মিলে ঘুরতে বের হব।
৩. কমা (,)
ব্যবহার: বাক্যে বিরতি বা তালিকা বোঝাতে।
- উদাহরণ: আমি বই, কলম, খাতা ও পেন্সিল কিনেছি।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?)
ব্যবহার: প্রশ্নসূচক বাক্যের শেষে।
- উদাহরণ: তুমি কি আজ স্কুলে যাবে?
৫. উদ্দীপক চিহ্ন (!)
ব্যবহার: আবেগ বা বিস্ময় বোঝাতে।
- উদাহরণ: কী সুন্দর একটা পাখি উড়ছে!
কানন শব্দের প্রতিশব্দগুলো হলো:
- বন
- বাগান
- অরণ্য
- উদ্যান
- বৃন্দাবন
সিন্ধু শব্দের প্রতিশব্দগুলো হলো:
- নদী
- সাগর
- সমুদ্র
- জলস্রোত
- জলরাশি
হাত শব্দের প্রতিশব্দগুলো হলো:
- কর
- পাণ্ডু
- অঙ্গুল
- হাতল
- হস্ত
প্রসঙ্গ অনুযায়ী এদের ব্যবহার ভিন্ন হতে পারে।
অদ্রি শব্দের প্রতিশব্দগুলো হলো:
- পর্বত
- পাহাড়
- গিরি
- গিরিপথ
- শৃঙ্গ
এগুলো সাধারণত পাহাড় বা উচ্চ ভূমি নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বহ্নি শব্দের প্রতিশব্দগুলো হলো:
- আগুন
- জ্বালানী
- অগ্নি
- শিখা
- প্রদীপ
এই শব্দগুলো সাধারণত আগুন বা জ্বলন্ত বস্তু নির্দেশ করে।
আমন্ত্রণপত্র
প্রিয় অভিভাবক,
আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি তিন দিনব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
বইমেলার সময়সূচী:
- তারিখ: ১০-১২ অক্টোবর ২০২৪
- স্থান: বিদ্যালয়ের মূল মাঠ
- সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা
এই বইমেলায় বিভিন্ন লেখকের বই, সাহিত্যকর্ম, সৃজনশীল প্রকাশনা এবং শিক্ষামূলক বই প্রদর্শিত হবে। এছাড়াও, মেলায় উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন খ্যাতনামা লেখক এবং অতিথিবৃন্দ। বইমেলা উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যেখানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পুরস্কার জিততে পারে।
আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষে আমাদের উষ্ণ আমন্ত্রণ রইল। আপনার উপস্থিতি আমাদের উৎসাহিত করবে এবং এই অনুষ্ঠানকে সফল করতে সাহায্য করবে।
শুভেচ্ছান্তে,
[বিদ্যালয়ের নাম]
শিক্ষক, বাংলা বিভাগ
[তারিখ]
ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রথম দিনের স্কুলের অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই ভিন্ন এবং উত্তেজনাপূর্ণ। সকালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলাম, মন ভরে ছিল নানা রকম ভাবনায়। নতুন ক্লাস, নতুন বন্ধুবান্ধব, নতুন বই—সবকিছু মিলিয়ে মনে হচ্ছিল যেন এক নতুন জগতে প্রবেশ করছি।
মা আমার জন্য নতুন স্কুল ড্রেস এবং ব্যাগ প্রস্তুত করেছিলেন। স্কুলে যাওয়ার পথে আমি একটু নার্ভাস ছিলাম। ছোটোদের ক্লাস থেকে নতুন ক্লাসে ওঠার অনুভূতি ছিল সত্যিই বিশেষ। স্কুলের গেটে পা রাখতে না রাখতেই পরিচিত গন্ধ, পরিচিত চেহারাগুলো দেখতে পেলাম, যদিও নতুন অনেককেই দেখলাম যাদের আগে কখনো দেখিনি।
প্রথম দিন সব শিক্ষকরাই আমাদের সাথে পরিচিত হলেন। শিক্ষকরা বললেন, ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া আরও গভীর হবে এবং আমাদের বেশি মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। আমাদের ক্লাসে নতুন নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে বিজ্ঞান। আমি প্রথমবারের মতো ‘বিজ্ঞান’ এবং ‘ইতিহাস’ নামে নতুন বিষয় পেলাম, যা আমাকে রীতিমতো উৎসাহী করে তুলেছিল।
সেদিন দুপুরের বিরতির সময় নতুন কিছু বন্ধুর সাথে পরিচিত হলাম। তারা সবাই খুবই বন্ধুসুলভ ছিল, যার ফলে আমার মনের ভেতরের সব ভয় কেটে গেল। বিরতির পর আমাদের গণিত ক্লাস ছিল। শিক্ষক প্রথমেই যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের নতুন কিছু ধারণা শিখালেন। শুরুটা সহজ হলেও আমি বুঝতে পারলাম, সামনে অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আসতে চলেছে।
স্কুল শেষে বাড়ি ফিরতে ফিরতে দিনটি মনে মনে ঝালাই করছিলাম। প্রথম দিনের স্কুলের অভিজ্ঞতা আমার মনে চিরকাল রয়ে যাবে, কারণ এটি শুধু একটি নতুন ক্লাসে প্রবেশের দিন ছিল না, বরং জীবনের আরেকটি ধাপের সূচনা।
উত্তর
রোজনামচা
তারিখ: ৫ অক্টোবর ২০২৪
স্থান: [বিদ্যালয়ের নাম]
আজ আমার ষষ্ঠ শ্রেণির প্রথম দিন। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চোখের সামনের জানালার দিকে তাকালাম। আজকের দিনটি খুবই বিশেষ। মনে হচ্ছিল, একটা নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে। আমি খুবই উত্তেজিত ছিলাম। নতুন ক্লাস, নতুন শিক্ষক, নতুন বন্ধু—সবকিছুই নতুন।
বিকেলের দিকে, মা আমাকে স্কুলে নিয়ে গেলেন। স্কুলের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আমার হৃদয় দ্রুত دھڑকছিল। ক্লাসের জন্য নতুন সহপাঠীদের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত হচ্ছিলাম। গেট খুলে যেতে, আমি স্কুলের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলাম। চারপাশে অনেক শিক্ষার্থী ছিল, সবাই নিজেদের মধ্যে গল্প করছিল।
ক্লাসরুমে ঢুকে দেখি, সবাই নতুন বই হাতে নিয়ে বসে আছে। আমি একটু ভয় পেতে লাগলাম, কারণ আমি জানতাম না আমার সঙ্গী কে হবে। হঠাৎ, একজন মেয়েটি এসে আমার পাশে বসলো। তার নাম জানালা। সে খুব হাসিখুশি। আমাদের পরিচয় হল এবং ধীরে ধীরে আমরা একে অপরের সাথে কথা বলা শুরু করলাম।
প্রথম ক্লাসে আমাদের বাংলা শিক্ষক আসলেন। তিনি আমাদের নতুন পাঠ্যবই সম্পর্কে কিছু বললেন এবং কিছু সুন্দর কবিতা পড়তে বললেন। আমি খুবই আগ্রহী ছিলাম। প্রথমে একটু অস্বস্তি হলেও পরে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে শুরু করলাম।
ছুটির সময়ে, আমি জানালা এবং আরও কয়েকজন বন্ধু নিয়ে খেলতে বের হলাম। আমরা একসাথে ক্রিকেট খেললাম। অনেক মজা হল! স্কুলের মাঠে হাসি-হাসির আওয়াজ ছিল। খেলাধুলার পর আমরা সবার সাথে বসে লাঞ্চ করলাম। স্কুলের খাবারও খুব সুস্বাদু ছিল।
বিকেলে ক্লাস শেষ হয়ে গেল। আমি বাড়িতে ফিরে আসার পথে খুব খুশি ছিলাম। নতুন বন্ধু, নতুন ক্লাস, নতুন বই—সব কিছুই আমার মনে আনন্দ নিয়ে এসেছে।
আজকের দিনটি সত্যিই আমার জীবনের একটি অসাধারণ দিন। আমি অপেক্ষা করছি আগামী দিনগুলোর জন্য, যাতে আরও নতুন কিছু শিখতে পারি এবং নতুন বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারি।
উত্তর
Ans
BUU
নিচের কবিতাংশটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উওর দাও।আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা বসে চাও,
Good question
Give me aanswer
উওর
উত্তর:
মাদার তেরেসা এবং রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সমান্তরালতা হলো মানবতার প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা এবং নিঃস্বার্থ সেবা। মাদার তেরেসা জাতি, ধর্ম, ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের জন্য কাজ করেছেন। তিনি ভালোবাসা ও সেবার মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র, এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের জীবনে শান্তি এনে দিয়েছেন। অন্যদিকে, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীশিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে সমাজের অবহেলিত নারীসমাজকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন। তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক বাধা অতিক্রম করে নারীদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছিলেন।
উভয়ের কাজেই মানবতার কল্যাণের গভীর চেতনা প্রতিফলিত হয়েছে। মাদার তেরেসা শারীরিক অসহায়ত্ব দূর করার জন্য সেবা দিয়েছেন, আর রোকেয়া সমাজের মানসিক দারিদ্র্য ও অবহেলার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তাই তাদের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ এবং মানবসেবার মানসিকতা তাদেরকে একই সারিতে দাঁড় করিয়েছে।
অনুচ্ছেদের 'মাদার তেরেসা' ও 'রোকেয়া' দু'জনই ভিন্ন ভিন্ন অনন্য মানুষ- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
অনুচ্ছেদের 'মাদার তেরেসা' ও 'রোকেয়া' দু'জনই ভিন্ন ভিন্ন অনন্য মানুষ- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উপরেরকবিতাংশে কবি সমাজ থেকেসব খারাপ জিনিস সরিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর ও শিশুর জন্যবাসযোগ্য করতে চান। তিনিপ্রতিজ্ঞা করেছেন, যতক্ষণ তিনি বেঁচে থাকবেন, পৃথিবীকে ভালো জায়গা করারজন্য কাজ করবেন। এটি 'বাঁচতে দাও' কবিতার সেইআহ্বানকে মনে করিয়ে দেয়, যেখানে কবি জীবনের জন্যএকটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করার কথাবলেছেন। এই আহ্বান শিশুদেরজন্য একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদএবং সুন্দর পৃথিবী গড়ার অনুরোধ।
ঘ. উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে 'বাঁচতে দাও' কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে। মন্তব্যটি প্রমাণ করো।
উত্তর : উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্য দিয়ে 'বাঁচতে দাও' কবিতার মূল সুর মানুষের অস্তিত্বকে বিপন্নতার হাত থেকে রক্ষা করার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
উদ্দীপকের নাজির সাহেব ছোটবেলায় গ্রামে যে সাঁতার কাটা শিখেছিলেন, শহরে থেকে ছেলেমেয়েদের তা শেখাতে পারছেন না বলে পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য আক্ষেপ করেছেন।
'বাঁচতে দাও' কবিতার কবিও বিশ্বাস করেন প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান অবলম্বন। কিন্তু মানুষের হাতেই প্রকৃতির বিভিন্ন সৌন্দর্য বিলীন হচ্ছে। ফলে বিপন্ন হচ্ছে মানুষ ও প্রাণীদের জীবন। অথচ একটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের সঙ্গে তার চারপাশের পরিবেশের বিভিন্ন নিয়ামকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। পৃথিবীতে যদি ফুল, পাখি না থাকে, সবুজ শ্যামল প্রকৃতি যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে, মানুষের অস্তিত্ব হবে হুমকির সম্মুখীন।
তাই বলা যায়, কবিতার উপর্যুক্ত ভাবটি উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের সঙ্গে এক হয়ে গেছে।
হ্যাঁ, উপরের কবিতাংশের মূলভাব এবং 'বাঁচতে দাও' কবিতার মূলভাব সমার্থক বলা যায়। দুইজায়গাতেই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার এবং সুন্দরপরিবেশ তৈরির আহ্বান রয়েছে। উপরের কবিতায় কবি শিশুদের জন্যএকটি ভালো পৃথিবী গড়ারপ্রতিজ্ঞা করেছেন। 'বাঁচতে দাও' কবিতায়ও জীবনেরপ্রতি শ্রদ্ধা রেখে সব খারাপজিনিস দূর করার আহ্বানজানানো হয়েছে। দু'টি কবিতাইসমাজকে সুন্দর, নিরাপদ ও সুখী করারকথা বলে। তাই বলাযায়, এদের ভাব একেঅন্যের সাথে মিলে যায়।
লোকশিল্প আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। এসব পণ্য শুধু এদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার সাথেই যুক্ত নয়, শিল্প-সৌন্দর্যেও অনন্য। সুপরিকল্পিত উপায়ে, প্রসারের দিকে মনোযোগ দিলে এসব পণ্যদ্রব্যই হয়ে উঠতে পারে আমাদের দারিদ্র্য বিমোচনের মোক্ষম হাতিয়ার। বিদেশিদের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে রপ্তানির মাধ্যমে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। তাই লোকশিল্প সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের দায়িত্ব আমাদের সকলেরই।
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!