12°C তাপমাত্রায় সিলিন্ডারটিতে 104 টি N2 অণু রয়েছে।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

গড় মুক্ত পথ (\(\lambda\)) হলো একটি গ্যাসের অণু দ্বারা পরপর দুটি সংঘর্ষের মধ্যবর্তী সময়ে অতিক্রান্ত গড় দূরত্ব। যখন শুধুমাত্র একটি অণুকে গতিশীল বিবেচনা করা হয় এবং অন্যান্য অণু স্থির থাকে, তখন গড় মুক্ত পথ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত সূত্রটি হলো:

\(\lambda = \frac{1}{\pi d^2 n}\)

এখানে, \(\lambda\) হলো গড় মুক্ত পথ, \(d\) হলো অণুর ব্যাস এবং \(n\) হলো প্রতি একক আয়তনে অণুর সংখ্যা (সংখ্যা ঘনত্ব)।

উদ্দীপক থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, সিলিন্ডারের ব্যাস (AB) = 5 cm এবং দৈর্ঘ্য (BC) = 15 cm।

সুতরাং, সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ \(r = \frac{5}{2} = 2.5 \text{ cm} = 0.025 \text{ m}\)।

সিলিন্ডারের আয়তন \(V = \pi r^2 L = \pi (0.025 \text{ m})^2 (0.15 \text{ m})\)

\(V = 3.14159 \times 0.000625 \text{ m}^2 \times 0.15 \text{ m}\)

\(V \approx 2.9452 \times 10^{-4} \text{ m}^3\)

সিলিন্ডারটিতে অণুর সংখ্যা \(N = 10^4\) টি।

অতএব, সংখ্যা ঘনত্ব \(n = \frac{N}{V} = \frac{10^4}{2.9452 \times 10^{-4} \text{ m}^3} \approx 3.3953 \times 10^7 \text{ molecules/m}^3\)।

নাইট্রোজেন (\(N_2\)) অণুর আনুমানিক ব্যাস \(d = 3.75 \times 10^{-10} \text{ m}\) (এটি একটি আদর্শ মান হিসেবে ধরে নেওয়া হলো)।

এখন, গড় মুক্ত পথের সূত্র প্রয়োগ করে পাই:

\(\lambda = \frac{1}{\pi d^2 n}\)

\(\lambda = \frac{1}{3.14159 \times (3.75 \times 10^{-10} \text{ m})^2 \times 3.3953 \times 10^7 \text{ m}^{-3}}\)

\(\lambda = \frac{1}{3.14159 \times 14.0625 \times 10^{-20} \text{ m}^2 \times 3.3953 \times 10^7 \text{ m}^{-3}}\)

\(\lambda = \frac{1}{1.4977 \times 10^{-11}}\)

\(\lambda \approx 6.68 \times 10^{10} \text{ m}\)

সুতরাং, উদ্দীপকের তথ্যানুসারে, শুধুমাত্র একটি অণুকে গতিশীল বিবেচনা করে গড় মুক্ত পথের মান হবে \(6.68 \times 10^{10} \text{ m}\)। এই অত্যন্ত বৃহৎ গড় মুক্ত পথ নির্দেশ করে যে প্রদত্ত সিলিন্ডারে গ্যাসটি অত্যন্ত বিরল অবস্থায় রয়েছে, যেখানে অণুগুলো একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার আগে অনেক দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে পারে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসের অণুর মূলগড় বর্গবেগ (Root Mean Square Velocity) সরাসরি গ্যাসের পরম তাপমাত্রা এবং আণবিক ভরের উপর নির্ভরশীল। সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে এর আয়তন হ্রাস করা হলেও, যদি গ্যাসের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে, তবে অণুগুলোর মূলগড় বর্গবেগ দ্বিগুণ হবে না।

উদ্দীপকে প্রদত্ত সিলিন্ডারটির দৈর্ঘ্য (BC) হলো 15 cm এবং এর তাপমাত্রা 12°C। প্রশ্নানুসারে, সিলিন্ডারটির দৈর্ঘ্য এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা হলে নতুন দৈর্ঘ্য হবে \(15 - \frac{1}{3} \times 15 = 15 - 5 = 10\) cm। এতে সিলিন্ডারের আয়তন হ্রাস পাবে, ফলে গ্যাসের অণুগুলো কম জায়গায় বিচরণ করবে এবং তাদের মধ্যে সংঘর্ষের হার বাড়বে। তবে, গ্যাসের অণুসমূহের গড় গতিশক্তি শুধুমাত্র তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। যদি তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে, তবে অণুগুলোর গড় গতিশক্তি এবং ফলস্বরূপ মূলগড় বর্গবেগও অপরিবর্তিত থাকবে।

গ্যাসের অণুর মূলগড় বর্গবেগের সূত্রটি হলো:

\[v_{rms} = \sqrt{\frac{3RT}{M}}\]

যেখানে,

        
  • \(R\) = সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক (Universal Gas Constant), একটি ধ্রুবক।
  •     
  • \(T\) = গ্যাসের পরম তাপমাত্রা (Absolute Temperature)।
  •     
  • \(M\) = গ্যাসের আণবিক ভর (Molar Mass)।

এই সূত্র থেকে দেখা যায়, মূলগড় বর্গবেগ \(v_{rms}\) কেবল গ্যাসের পরম তাপমাত্রা \(T\) এবং আণবিক ভর \(M\) এর উপর নির্ভরশীল। উদ্দীপকে তাপমাত্রার পরিবর্তনের কথা বলা হয়নি, শুধুমাত্র সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্য হ্রাস করার কথা বলা হয়েছে। যদি তাপমাত্রা 12°C-এ অপরিবর্তিত থাকে, তবে \(T\) এবং \(M\) উভয়ই ধ্রুবক থাকবে। ফলস্বরূপ, গ্যাসের অণুর মূলগড় বর্গবেগও অপরিবর্তিত থাকবে।

সুতরাং, গাণিতিক বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্ট যে, উদ্দীপকের সিলিন্ডারটির দৈর্ঘ্য এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেলেও গ্যাসের অণুর মূলগড় বর্গবেগ দ্বিগুণ হবে না, বরং অপরিবর্তিত থাকবে, কারণ এর জন্য তাপমাত্রার পরিবর্তন প্রয়োজন।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
65

Related Question

View All
উত্তরঃ কোনো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল এবং বলের ক্রিয়াকালের গুণফলকে বলের ঘাত বলে। এটি বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের সমান।
Satt AI
Satt AI
2 months ago
766
উত্তরঃ

হ্যাঁ, ঘর্ষণ বল একটি অসংরক্ষণশীল বল (Non-conservative force)।

যে সকল বল দ্বারা কৃতকাজ বস্তুর গতিপথের উপর নির্ভরশীল এবং একটি পূর্ণচক্রে কৃতকাজের পরিমাণ শূন্য হয় না, তাদের অসংরক্ষণশীল বল বলে। ঘর্ষণ বল সর্বদা গতির বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে এবং এর দ্বারা কৃতকাজ কখনো পুনরুদ্ধার করা যায় না। ঘর্ষণ বলের কারণে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে, অর্থাৎ শক্তি অপচয় ঘটে। এ কারণেই ঘর্ষণ বলকে অসংরক্ষণশীল বল বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
875
উত্তরঃ

প্রথম মাঝি সোজাসুজি নদীর অপর পাড়ে পৌঁছানোর জন্য তার লব্ধি বেগের অনুভূমিক উপাংশ (স্রোতের দিকের উপাংশ) শূন্য হতে হবে। এর অর্থ হলো, মাঝির স্রোতের সাপেক্ষে বেগের যে অনুভূমিক উপাংশটি স্রোতের গতিকে প্রশমিত করবে, তার মান স্রোতের বেগের মানের সমান ও বিপরীত হতে হবে। যদি মাঝি স্রোতের দিকের সাথে \(\alpha\) কোণে যাত্রা শুরু করে, তাহলে তার বেগের অনুভূমিক উপাংশ হবে \(u \cos\alpha\)।

উদ্দীপক অনুযায়ী, স্রোতের বেগ (v) = 5 kmh-1 এবং প্রথম মাঝির স্রোতের সাপেক্ষে বেগ (u) = 10 kmh-1। সোজাসুজি নদী পার হওয়ার শর্তানুযায়ী, লব্ধি বেগের অনুভূমিক উপাংশ শূন্য হতে হবে। অর্থাৎ, স্রোতের বেগের দিককে ধনাত্মক ধরে, মোট অনুভূমিক উপাংশ \(v + u \cos\alpha = 0\) হবে।

এই শর্তটি ব্যবহার করে আমরা \(\alpha\) এর মান নির্ণয় করতে পারি:

\(v + u \cos\alpha = 0\)

\(5 + 10 \cos\alpha = 0\)

\(10 \cos\alpha = -5\)

\(\cos\alpha = -\frac{5}{10}\)

\(\cos\alpha = -\frac{1}{2}\)

\(\alpha = \cos^{-1}\left(-\frac{1}{2}\right)\)

\(\alpha = 120^\circ\)

সুতরাং, \(\alpha\) কোণের মান \(120^\circ\) হলে প্রথম মাঝি সোজাসুজি নদীর অপর পাড়ে পৌঁছাবে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
829
উত্তরঃ

নদীর প্রস্থ (\(d\)) = 10 km

স্রোতের বেগ (\(u\)) = 5 kmh-1

মাঝিদের স্থির পানিতে নৌকার বেগ (\(v\)) = 10 kmh-1

কোন মাঝি নদীর অপর পাড়ে আগে পৌঁছাতে পারবে তা নির্ণয় করার জন্য উভয় মাঝির নদী পার হতে প্রয়োজনীয় সময় গণনা করতে হবে। যে মাঝির সময় কম লাগবে, সে-ই আগে পৌঁছাবে।

প্রথম মাঝির ক্ষেত্রে:

প্রথম মাঝি স্রোতের সাথে \(\alpha\) কোণে যাত্রা করে। উদ্দীপকের চিত্র অনুযায়ী, \(\alpha\) কোণটি লম্ব দিকের সাথে উপরের দিকে (স্রোতের বিপরীত দিকে) তৈরি হয়েছে। এক্ষেত্রে, মাঝি যদি নদীটি সরাসরি অপর পাড়ে (ন্যূনতম দূরত্বে) অতিক্রম করতে চায়, তবে তাকে এমনভাবে নৌকা চালাতে হবে যেন স্রোতের কারণে তার যে সরণ হয়, তা নৌকার বেগের আনুভূমিক উপাংশ দ্বারা প্রশমিত হয়।

ধরি, মাঝি স্রোতের সাথে লম্ব বরাবর দিক থেকে \(\alpha\) কোণে নৌকা চালায়। ন্যূনতম দূরত্বে নদী পার হওয়ার জন্য নৌকার বেগের স্রোতের দিকের উপাংশকে স্রোতের বেগের সমান ও বিপরীত হতে হবে। অর্থাৎ,

\(v \sin \alpha = u\)

\(10 \sin \alpha = 5\)

\(\sin \alpha = \frac{5}{10} = 0.5\)

\(\alpha = \sin^{-1}(0.5) = 30^\circ\)

নদী পার হওয়ার জন্য লম্ব বরাবর কার্যকরী বেগ হবে: \(v_y = v \cos \alpha\)

\(v_y = 10 \cos 30^\circ = 10 \times \frac{\sqrt{3}}{2} = 5\sqrt{3}\) kmh-1

প্রথম মাঝির নদী পার হতে প্রয়োজনীয় সময় (\(t_1\)) হবে:

\(t_1 = \frac{d}{v_y} = \frac{10}{5\sqrt{3}} = \frac{2}{\sqrt{3}}\) ঘন্টা

\(t_1 \approx \frac{2}{1.732} \approx 1.1547\) ঘন্টা

দ্বিতীয় মাঝির ক্ষেত্রে:

দ্বিতীয় মাঝি স্রোতের সাথে লম্বভাবে নদী পার হতে যাত্রা করে। অর্থাৎ, সে তার নৌকাকে নদীর প্রস্থ বরাবর সরাসরি অপর পাড়ের দিকে চালনা করে। এক্ষেত্রে, তার নৌকার বেগই নদীর প্রস্থ বরাবর কার্যকরী বেগ হিসেবে কাজ করবে।

নদী পার হওয়ার জন্য লম্ব বরাবর কার্যকরী বেগ হবে: \(v_y = v = 10\) kmh-1

দ্বিতীয় মাঝির নদী পার হতে প্রয়োজনীয় সময় (\(t_2\)) হবে:

\(t_2 = \frac{d}{v_y} = \frac{10}{10} = 1\) ঘন্টা

এই ক্ষেত্রে মাঝি স্রোতের কারণে কিছুটা দূরে ভেসে যাবে, কিন্তু নদী পার হতে তার সবচেয়ে কম সময় লাগবে।

গাণিতিক বিশ্লেষণ ও মতামত:

প্রথম মাঝির নদী পার হতে সময় লাগে প্রায় 1.1547 ঘন্টা, যেখানে দ্বিতীয় মাঝির সময় লাগে 1 ঘন্টা।

যেহেতু \(t_2\) (\(1\) ঘন্টা) < \(t_1\) (\(1.1547\) ঘন্টা), দ্বিতীয় মাঝি প্রথম মাঝির চেয়ে আগে নদীর অপর পাড়ে পৌঁছাতে পারবে। দ্বিতীয় মাঝি ন্যূনতম সময়ে নদী পার হওয়ার কৌশল অবলম্বন করায় তার সময় কম লাগবে, যদিও সে স্রোতের কারণে ভেসে যাবে এবং সরাসরি অপর পাড়ে পৌঁছাবে না।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
672
উত্তরঃ

ভেক্টর অপারেটর নেবলা (∇) দ্বারা কোনো স্কেলার ফাংশনকে (যেমন: বিভব, তাপমাত্রা) স্থান সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলে যে ভেক্টর ক্ষেত্র পাওয়া যায়, তাকে গ্রাডিয়েন্ট বলে। এটি স্কেলার ফাংশনটির মানের সর্বাধিক পরিবর্তনের হার ও দিক নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
814
উত্তরঃ

ভেক্টরের ডাইভারজেন্সের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

        
  • এটি একটি স্কেলার রাশি, যা কোনো ভেক্টর ক্ষেত্র থেকে স্কেলার ক্ষেত্রে রূপান্তরিত করে।
  •     
  • এটি কোনো ভেক্টর ক্ষেত্রের নির্দিষ্ট বিন্দুতে একক আয়তন থেকে নির্গত বা অভিসারী ফ্লাক্সের (flux) পরিমাণ নির্দেশ করে।
  •     
  • ধনাত্মক ডাইভারজেন্স (positive divergence) ঐ বিন্দুতে একটি উৎসের (source) উপস্থিতি বোঝায়, যেখানে ক্ষেত্র রেখাগুলো উৎপন্ন হয় বা বাইরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
  •     
  • ঋণাত্মক ডাইভারজেন্স (negative divergence) ঐ বিন্দুতে একটি সিঙ্কের (sink) উপস্থিতি বোঝায়, যেখানে ক্ষেত্র রেখাগুলো প্রবেশ করে বা ভেতরের দিকে একত্রিত হয়।
  •     
  • যদি ডাইভারজেন্সের মান শূন্য হয়, তবে ঐ ভেক্টর ক্ষেত্রকে সোলেনয়ডাল ক্ষেত্র (solenoidal field) বলা হয়, অর্থাৎ ঐ বিন্দুতে কোনো উৎস বা সিঙ্ক নেই, কেবল ক্ষেত্র রেখার অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ থাকে।

ডাইভারজেন্স মূলত একটি ভেক্টর অপারেটর যা কোনো ভেক্টর ক্ষেত্রের (যেমন: তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র বা তরল প্রবাহ ক্ষেত্র) কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে ঐ ক্ষেত্রের উৎস বা সিঙ্কের উপস্থিতি এবং শক্তি পরিমাপ করে। এর মাধ্যমে একটি ভেক্টর রাশির "প্রসারিত" বা "সংকুচিত" হওয়ার প্রবণতা বোঝা যায়, যা ক্ষেত্রটির ঘনত্ব পরিবর্তনকে সূচিত করে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews