রবীন্দ্রসংগীত
তাল: দাদরা
পর্যায়: বিচিত্র
আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা,
আলো নয়ন-ধোওয়া আমার, আলো হৃদয়-হরা ॥
নাচে আলো নাচে, ও ভাই, আমার প্রাণের কাছে
বাজে আলো বাজে, ও ভাই, হৃদয়বীণার মাঝে
জাগে আকাশ, ছোটে বাতাস, হাসে সকল ধরা।
আলোর স্রোতে পাল তুলেছে হাজার প্রজাপতি।
আলোর ঢেউয়ে উঠল নেচে মল্লিকা মালতী ॥
মেঘে মেঘে সোনা, ও ভাই, যায় না মানিক গোনা
পাতায় পাতায় হাসি, ও ভাই, পুলক রাশি রাশি
সুরনদীর কূল ডুবেছে সুধা-নিঝর-ঝরা ॥


|
রবীন্দ্রসংগীত
তাল: দাদরা
পর্যায়: স্বদেশ
আমি ভয় করব না ভয় করব না।
দু বেলা মরার আগে মরব না, ভাই, মরব না ॥
তরীখানা বাইতে গেলে মাঝে মাঝে তুফান মেলে-
তাই ব'লে হাল ছেড়ে দিয়ে ধরব না, কান্নাকাটি ধরব না ।
শক্ত যা তাই সাধতে হবে, মাথা তুলে রইব ভবে-
সহজ পথে চলব ভেবে পড়ব না, পাঁকের 'পরে পড়ব না।
ধর্ম আমার মাথায় রেখে চলব সিধে রাস্তা দেখে
বিপদ যদি এসে পড়ে সরব না, ঘরের কোণে সরব না ॥


|
রবীন্দ্রসংগীত
তাল: দাদরা
রাগ: বেহাগ-খাম্বাজ
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আকির এই ডালে ডালে।
পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিল তালে তালে ॥
উড়িয়ে দেবার মাতন এসে কাঙাল তারে করল শেষে,
তখন তাহার ফলের বাহার রইল না আর অন্তরালে ।
শূন্য করে ভরে দেওয়া যাহার খেলা
তারি লাগি রইনু বসে সকল বেলা।
শীতের পরশ থেকে থেকে যায় বুঝি ওই ডেকে ডেকে
সব খোওয়াবার সময় আমার হবে কখন কোন্ সকালে ॥


|
রবীন্দ্রসংগীত
তাল: কাহারবা
রাগ: বেহাগ
পর্যায়: পূজা
আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে তোমারি নাম সকল তারার মাঝে ।
সে নামখানি নেমে এল ছুঁয়ে, কখন আমার ললাট দিল ছুঁয়ে,
শান্তি ধারায় বেদন গেল ধুয়ে- আপন আমার আপনি মরে লাজে ॥
মন মিলে যায় আজ এই নীরব রাতে তারায়-ভরা ওই গগনের সাথে।
অমনি করে আমার এ হৃদয় তোমার নামে হোক-না নামময়,
আঁধারে মোর তোমার আলোর জয়, গভীর হয়ে থাক্ জীবনের কাজে


|
নজরুলসংগীত
তাল: দাদ্রা
ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি
আমার দেশের মাটি ॥
এই দেশেরই মাটি জলে এই দেশেরি ফুলে ফলে
তৃষ্ণা মিটাই মিটাই ক্ষুধা, পিয়ে এরি দুধের বাটি ॥
এই মায়েরই প্রসাদ পেতে মন্দিরে এর এঁটো খেতে
তীর্থ করে ধন্য হতে আসে কত জাতি।
এই দেশেরই ধূলায় পড়ি মাণিক যায় রে গড়াগড়ি
ও ভাই বিশ্বে সবার ঘুম ভাঙালো এই দেশেরি জিয়ন-কাঠি ॥
এই মাটি এই কাদা মেখে এই দেশেরি আচার দেখে
সভ্য হল নিখিল ভুবন দিব্য পরিপাটি।
সন্ন্যাসীনি সকল দেশে জ্বাললো আলো ভালবেসে
আঁধার রাতে একলা জাগে আগলে রে এই শ্মশান ঘাটি ॥
এইচ. এম. ভি. এন. ৭০৯৭ ।। শিল্পী: গোপাল সেন




|
নজরুলসংগীত
তাল: দাদরা
চল্ চল্ চল্। চল্ চল্ চল্।
ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী-তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল্ রে চল্ রে চল্ ॥
ঊষার দুয়ারে হানি' আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত
আমরা টুটাব তিমির রাত
বাধার বিন্ধ্যাচল ॥
নব নবীনের গাহিয়া গান
সজীব করিব মহাশশ্মান
আমরা দানিব নূতন প্রাণ
বাহুতে নবীন বল ॥
চলরে নও জোয়ান
শোন রে পাতিয়া কান
মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে-দুয়ারে
জীবনের আহ্বান।
ভাঙ্ রে ভাঙ্ আগল
চল্ রে চল্ রে চল্ ॥
এইচ. এম. ভি. এন ৭১৫৫। শিল্পী: ধীরেন্দ্রনাথ দাস। মার্চ-সংগীত। ছায়াছবি: চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন। তাল: দাদ্রা
[১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য-সমাজের দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান করতে এসে কবি এ গানটি রচনা করেন।।



|
নজরুলসংগীত
তাল: দাদরা
উভয়ে দাও শৌর্য, দাও ধৈর্য,
হে উদার নাথ, দাও প্রাণ।
স্ত্রী: দাও অমৃত মৃত জনে
পুরুষ: দাও ভীত চিত জনে
উভয়ে: শক্তি অপরিমাণ।
হে সর্বশক্তিমান ॥
স্ত্রী: দাও স্বাস্থ্য, দাও আয়ু,
স্বচ্ছ আলো, মুক্ত বায়ু,
উভয়ে দাও চিত্ত অনিরুদ্ধ,
দাও শুদ্ধ জ্ঞান।
হে সর্বশক্তিমান ॥
স্ত্রী: দাও দেহে দিব্য কান্তি,
পুরুষ: দাও গেহে নিত্য শান্তি,
উভয়ে : দাও পুণ্য প্রেম ভক্তি, মঙ্গল কল্যাণ।
স্ত্রী : ভীতি নিষেধের ঊর্ধে স্থির,
পুরুষ: রহি যেন চির-উন্নত শির
উভয়ে : যাহা চাই যেন জয় করে পাই,
গ্রহণ না করি দান।
হে সর্বশক্তিমান।



|
নজরুলসংগীত
তাল: তাল-ফেরতা
যায় ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্ ঢেউ তুলে
দেহের কূলে কে চঞ্চলা দিগঞ্চলা
মেঘ-ঘন-কুন্তলা।
দেয় দোলা পূব-সমীরণে
বনে বনে দেয় দোলা ॥
চলে নাগরী দোলে ঘাগরী
কাঁখে বরষা-জলের গাগরী
বাজে নূপুর-সুর-লহরী
রিমিঝিম্, রিম্ ঝিম্, রিম্ ঝিম্
চল-চপলা ॥
দেয়ারী তালে কেয়া কদম নাচে
ময়ূর-ময়ূরী নাচে তমাল-গাছে।
এলায়ে মেঘ-বেণী কাল-ফণী
আসিল কি দেব-কুমারী
নন্দন-পথ-ভোলা ॥



|
লোকসংগীত
কথা: সংগ্রহ
সুর: গিরীণ চক্রবর্তী
তাল: কাহারবা
বেলা দ্বিপ্রহর ধু ধু বালুচর
ধূপেতে কলিজা ফাটে
পিয়াসে কাতর।
আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া
দেরে তুই আল্লাহ মেঘ দে ॥
আসস্মান হইল টুডা টুডা
জমিন হইল ফাডা
মেঘ রাজা ঘুমাইয়া রইছে
মেঘ দিব তোর কেডা ॥
হালের গরু বাইন্দা
গিরস্থ মরে কাইন্দা
ঘরের রমণী কান্দে
ডাইল খিচুড়ি রাইন্দা ॥
আম পাতা লড়ে চড়ে
কাডল পাতা ঝরে
পানি পানি কইরা বিলে
পানি কৌড়ী মরে ॥
ফাইটা ফাইটা রইছে যত
খালা বিলা নদী
পানির লাইগা কাইন্দা মরে
পঙ্খি জলধি ॥
কপোত কপোতী কান্দে
খোপেতে বসিয়া
শুকনা ফুলের কলি পড়ে
ঝরিয়া ঝরিয়া ।


ভাটিয়ালি
কথা ও সুর: আবদুল লতিফ
তাল: কাহারবা
ও পদ্মা নদীরে ... ...
সর্বনাশা পদ্মা নদী তোর কাছে শুধাই
বল আমারে তোর কিরে আর কূল কিনারা নাই
ও নদীর কূল কিনারা নাই ।
পারের আশায় তাড়াতাড়ি,
সকাল বেলায় ধরলাম পাড়ি
আমার দিন যে গেল সন্ধ্যা হল তবু না কূল পাই
কূল কিনারা নাই ও নদীর কূল কিনারা নাই ।
পদ্মারে তোর তুফান দেইখা পরান কাঁপে ডরে
ফেইলা আমায় মারিস না তোর সর্বনাশা ঝড়ে।
একে আমার ভাঙ্গা তরী
মাল্লা ছয়জন সল্লা করি
আমার নায়ে দিল কুড়াল মারি কেমনে পারে যাই
কূল কিনারা নাই ॥
[তাল ছাড়া গাইতে হবে।




ভাওয়াইয়া
তাল: দ্রুত দাদরা
কথা ও সুর: আবদুল করিম
আজি ভাল্ করিয়া বাজান রে দোতোরা
সুন্দরী কমলা নাচে ॥
ওরে কমলার নাচনে বাগিচার পিছনে
চাঁন্দ ঝলমল হাসেরে ॥
ওরে, হেলিয়া নাচে দুলিয়া নাচে রে,
ও তার মাটিতে পাও না পড়ে।
ওরে গগন নামিয়া নাচে ও,
যেন খঞ্জন পংখী নাচে রে ॥
ওমন সুন্দরী কমলা নাচে,
আজি ভাল্ করিয়া বাজান রে ঢাকুয়া।
সুন্দরী কমলা নাচে।
ঘুরিয়া নাচে ঢলিয়া পড়ে রে,
ওর তার দ্যাহায় বসন নাই।
ওরে পূবালী বাতাসে যেন ও,
উয়ার ক্যাশে খেলা করে রে ॥




বাউল গান
কথা: লালন সাঁই
তাল: দ্রুত দাদরা
ও যার আপন খবর আপনার হয়না
একবার আপনারে চিনতে পারলেরে।
যাবে অচেনারে চেনা ।
ও সাঁই নিকট থেকে দূরে দেখায়
যেমন কেশের আড়ে পাহাড় লুকায় দেখনা
আমি ঘুরে এলাম সারা জগত্ রে
তবু মনের গোল তো যায় না ॥
ওসে অমৃত সাগরের সুধা
সুধা খাইলে জীবের ক্ষুধা তৃষ্ণা রয়না
ফকির লালন মরলো জল পিপাসায় রে
কাছে থাকতে নদী মেঘনা ॥




দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গান
তাল: দাদরা
ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা
ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি
সে যে আমার জন্মভূমি, সে যে আমার জন্মভূমি ॥
চন্দ্র-সূর্য-গ্রহতারা, কোথায় উজল এমন ধারা
কোথায় এমন খেলে তড়িৎ এমন কালো মেঘে
তার পাখির ডাকে ঘুমিয়ে উঠি পাখির ডাকে জেগে ।
এত স্নিগ্ধ নদী কাহার, কোথায় এমন ধূম্র পাহাড়
কোথায় এমন হরিৎ ক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে
এমন ধানের উপর ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে ॥
পুষ্পে পুষ্পে ভরা শাখী কুঞ্জে কুঞ্জে গাহে পাখি
গুঞ্জরিয়া আসে অলি পুঞ্জে পুঞ্জে ধেয়ে
তারা ফুলের ওপর ঘুমিয়ে পড়ে ফুলের মধু খেয়ে ॥
ভায়ের মায়ের এত স্নেহ কোথায় গেলে পাবে কেহ
ওমা তোমার চরণ দুটি বক্ষে আমার ধরি
আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি ॥


রজনীকান্ত সেনের গান
তাল: দাদরা
মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেরে ভাই।
দীন দুখিনী মা যে তোদের, তার বেশি আর সাধ্য নাই ॥
ওই মোটা সুতোর সঙ্গে মায়ের অপার স্নেহ দেখতে পাই।
আমরা এমনি পাষাণ, তাই ফেলে ওই পরের দোরে ভিক্ষে চাই ।
ওই দুঃখী মায়ের ঘরে, তোদের সবার প্রচুর অন্ন নাই
তবু তাই বেচে কাঁচ, সাবান, মোজা কিনে করলি ঘর বোঝাই ॥
আয়রে আমরা মায়ের নামে, এই প্রতিজ্ঞা করব ভাই-
'পরের জিনিস কিবো না, যদি মায়ের ঘরের জিনিস' পাই ।


|
অতুলপ্রসাদ সেনের গান
তাল: দাদরা
মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা!
তোমার কোলে তোমার বোলে কতই শান্তি ভালোবাসা ॥
কী যাদু বাংলা গানে-
গান গেয়ে দাঁড় মাঝি টানে।
গেয়ে গান নাচে বাউল, গান গেয়ে ধান কাটে চাষা ॥
ওই ভাষাতেই নিতাই গোরা,
আনল দেশে ভক্তিধারা-
আছে কই এমন ভাষা, এমন দুঃখ-শ্রান্তি-নাশা? ।
বিদ্যাপতি, চণ্ডী, গোবিন,
হেম, মধু, বঙ্কিম, নবীন-
ওই ফুলেরই মধুর রসে বাঁধল সুখে মধুর বাসা ॥
বাজিয়ে রবি তোমার বীণে
আনল মালা জগৎ জিনে-
তোমার চরণ-তীর্থে মা গো জগত করে যাওয়া-আসা ॥
ওই ভাষাতেই প্রথম বোলে
ডাব্বু মায়ে 'মা' 'মা' ব'লে
ওই ভাষাতেই বলব 'হরি' সাঙ্গ হলে কাঁদা-হাসা॥




|
দেশাত্মবোধক গান
কথা: ফজল-এ-খোদা
সুর: ওস্তাদ আবেদ হোসেন খান
তাল: দ্রুত দাদরা
যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে
যে দেশেতে কলমি কমল কনক হয়ে হাসে
সেই আমাদের জন্মভূমি মাতৃভূমি বাংলাদেশ ॥
যে দেশেতে বজরা পানসি উজান ভাটি চলে,
যে দেশেতে মাঝি মাল্লা নতুন কথা বলে
সেই আমাদের জন্মভূমি মাতৃভূমি বাংলাদেশ ॥
যে দেশেতে নদ নদীরা এক সাগরে মেশে
আমরা সবাই নিত্য খুশি সে দেশ ভালবেসে।
যে দেশেতে কাঁখের কলসী নদীর ঘাটে আসে
যে দেশেতে খুশির জোয়ার সকল বারো মাসে
সেই আমাদের জন্মভূমি মাতৃভূমি বাংলাদেশ ॥



দেশাত্মবোধক গান
কথা: মাসুদ করিম
সুর: ধীর আলী মিয়া
তাল: দাদরা
ধানে ভরা গানে ভরা
আমার এদেশ ভাই
ফুলে ভরা ফলে ভরা
এমন দেশ আর নাই।
রাখাল যেমন বাজায় বাঁশি
রাখালী গায় বারোমাসী
এমন জারি-সারি-ভাটিয়ালী
কোথায় গেলে পাই ॥
আমি দেশের ক্ষেতখামারে
আশার স্বপন গড়ি
মাঠের সোনা ঘরে তুলে
আমি গোলা ভরি।
এই দেশেতে জন্ম আমার
সেই তো জানি গর্ব আমার
এসো এই দেশেরই তরে মোরা
জীবন দিয়ে যাই।



দেশাত্মবোধক গান
কথা: মনিরুজ্জামান মনির
সুর: আলাউদ্দিন আলী
তাল: দাদরা
সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি
ও আমার বাংলাদেশ
প্রিয় জন্মভূমি ॥
জল সিঁড়ি নদী তীরে
তোর খুশির কাঁকন যেন বাজে
ও কাশবনে ফুলে ফুলে
তোর মধুর বাসর বুঝি সাজে
তোর একতারা হায় করে বাউল
আমায় সুরে সুরে।
আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে
তোর রাখাল হৃদয় জানি হাসে
ও পদ্ম কাঁপা দীঘি-ঝিলে
তোর সোনার স্বপন খেয়া ভাসে
তোর এই আঙিনায় ধরে
রাখিস আমায় চিরতরে ॥



দেশাত্মবোধক গান
কথা ও সুর: আবু জাফর
তাল: কাহারবা
এই পদ্মা এই মেঘনা
এই যমুনা সুরমা নদী তটে
আমার রাখাল মন
গান গেয়ে যায়
এ আমার দেশ
এ আমার প্রেম
আনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে
কত আনন্দ বেদনায়
মিলন বিরহ সংকটে ॥
এই মধুমতি ধান সিঁড়ি নদীর তীরে
নিজেকে হারিয়ে যেন
পাই ফিরে ফিরে
এক নীল ঢেউ কবিতার প্রচ্ছদ পটে
আনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে ॥
এই পদ্মা এই মেঘনা
এই হাজার নদীর অববাহিকায়
এখানে রমনীগুলো নদীর মত
নদী ও নারীর মত কথা কয়।
এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়ে'
নির্ভয় নীল আকাশ রয়েছে নুয়ে'
যেন হৃদয়ের ভালবাসা হৃদয়ে ফুটে
আনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে ॥




জাতীয় সংগীত
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে-
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি ॥
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো-
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো
মরি হায়, হায় রে-
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি ॥



Read more