জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলা সন ১৩২৭ সালের ২০ চৈত্র; ইংরেজি সন ১৯২০ সালের ৭ মার্চ; আরবি সন ১৩৩৮ হিজরি এর ২৭ জমাদিউস সানী; জন্ম বার ছিলো মঙ্গলবার এবং জন্ম সময় ছিলো রাত ৮ টায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম গ্রহণ করেন গোপালগঞ্জে (ঠিকানাঃ গ্রাম- টুঙ্গিপাড়া; ইউনিয়ন- পাটগাতি; মহকুমা- গোপালগঞ্জ; জেলা- ফরিদপুর)।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ১১টি সেক্টরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, ১০ এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে। ১১ এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিমি এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। উল্লেখ্য, উভয় প্রান্তের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১২.১৬ কিমি (এর মধ্যে ১১.৯৫ কিমি জাজিরা প্রান্তে) ।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন । তাই ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয় ৷
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যৌথভাবে আমেরিকা, মেক্সিকো ও কানাডায় ।
ঐতিহাসকি ৭ই মার্চ রোববার ছিলো। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স - ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি উক্ত ভাষণ দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ করেন। উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। ঐতিহাসিক এই ভাষণটি ১২টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়। আর ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ‘ঐতিহাসিক দলিল' হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো তাজিং ডং (১,২৮০ মিটার উঁচু), যার অপর নাম বিজয়। এই পর্বতশৃঙ্গটি সাইচল পর্বতসারি, রুমা, বান্দরবানে অবস্থিত। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো কেওক্রাডং (রুমা, বান্দরবান) ১,২৩০ মিটার উঁচু, এসআরটিম এবং জিপিএস অনুযায়ী ৯৮৬ মিটার।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ।
বাংলা সনের প্রবর্তনের সময় ধরা হয় ১৫৫৬ সাল থেকে, প্রবক্তা ছিলেন মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মোহাম্মদ আকবর। ৯৬৩ হিজরী সালের মহররম মাস ছিল বাংলা বৈশাখ মাস, এজন্য বৈশাখ মাসকেই বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং ১লা বৈশাখের নববর্ষ ধরা হয়।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকনাম ছিলো খোকা।
ICDDRB- International Centre for Diarrhoea Disease Research, Bangladesh.
২ নং সেক্টর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!