2500 kg ভরের একটি বস্তুকে কৃত্রিম উপগ্রহে পরিণত করার জন্য একে ভূ-পৃষ্ঠ হতে 4×104 km উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হলো, অতঃপর এতে প্রয়োজনীয় গতিশক্তি সরবরাহ করা হলো। পৃথিবীর ভর এবং ব্যাসার্ধ যথাক্রমে 6×1024 kg এবং 6.4×106 m 

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ যে সর্বনিম্ন বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র ত্যাগ করে অসীমে চলে যায়, তাকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলে।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর পৃষ্ঠ হতে কোনো বস্তুকে গভীরে নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণ (gravitational acceleration, g)-এর মান হ্রাস পায়। এর প্রধান কারণ হলো, বস্তুর উপর আকর্ষণকারী পৃথিবীর কার্যকর ভর (effective mass) হ্রাস পায়।

যখন কোনো বস্তুকে পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে গভীরে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন বস্তুটির চারপাশের সমস্ত ভর এটিকে আকর্ষণ করে। কিন্তু অভিকর্ষজ ত্বরণের গণনায় শুধুমাত্র বস্তুটির নিচের গোলাকার অংশের ভর কার্যকরভাবে আকর্ষণ করে। গভীরতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বস্তুটির নিচে থাকা পৃথিবীর অংশের আয়তন ও ভর উভয়ই কমতে থাকে। ফলে বস্তুটির উপর পৃথিবীর মোট আকর্ষণ বল এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মানও হ্রাস পায়। পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

ভূ-পৃষ্ঠ হতে উল্লিখিত উচ্চতায় কোনো বস্তুকে উঠাতে কৃতকাজ হলো বস্তুর অভিকর্ষীয় বিভব শক্তির পরিবর্তন। অভিকর্ষীয় বিভব শক্তির সূত্রানুযায়ী, যদি কোনো বস্তুকে পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে \(h\) উচ্চতায় উঠানো হয়, তবে কৃতকাজ \(W = GMm \left( \frac{1}{R} - \frac{1}{R+h} \right) = \frac{GMmh}{R(R+h)}\), যেখানে \(G\) মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, \(M\) পৃথিবীর ভর, \(m\) বস্তুর ভর, \(R\) পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এবং \(h\) উচ্চতা।

উদ্দীপক হতে প্রাপ্ত মানসমূহ হলো: বস্তুর ভর \(m = 2500 \text{ kg}\), উচ্চতা \(h = 4 \times 10^4 \text{ km} = 4 \times 10^7 \text{ m}\), পৃথিবীর ভর \(M = 6 \times 10^{24} \text{ kg}\) এবং পৃথিবীর ব্যাসার্ধ \(R = 6.4 \times 10^6 \text{ m}\)। আমরা জানি, মহাকর্ষীয় ধ্রুবক \(G = 6.673 \times 10^{-11} \text{ N m}^2 \text{ kg}^{-2}\)। এই মানগুলো সূত্রে প্রতিস্থাপন করে পাই:

\[ W = \frac{(6.673 \times 10^{-11}) \times (6 \times 10^{24}) \times (2500) \times (4 \times 10^7)}{(6.4 \times 10^6) \times (6.4 \times 10^6 + 4 \times 10^7)} \] \[ W = \frac{4.0038 \times 10^{25}}{(6.4 \times 10^6) \times (46.4 \times 10^6)} \] \[ W = \frac{4.0038 \times 10^{25}}{296.96 \times 10^{12}} \] \[ W \approx 1.3489 \times 10^{11} \text{ J} \] অতএব, উপগ্রহটিকে উল্লিখিত উচ্চতায় নিতে প্রয়োজনীয় কৃতকাজের পরিমাণ হলো \(1.3489 \times 10^{11} \text{ Joule}\)।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

ভূ-পৃষ্ঠ হতে কোনো কৃত্রিম উপগ্রহকে স্থির দেখানোর জন্য সেটিকে ভূ-স্থির উপগ্রহ (Geostationary satellite) হতে হয়। ভূ-স্থির উপগ্রহের কক্ষপথ অবশ্যই নিরক্ষীয় তলে থাকতে হবে এবং এর আবর্তনকাল পৃথিবীর নিজ অক্ষের উপর আবর্তনকালের (প্রায় ২৪ ঘণ্টা) সমান হতে হবে। অর্থাৎ, উপগ্রহটি পৃথিবীর সাথে একই কৌণিক বেগে আবর্তন করে। এই নির্দিষ্ট শর্তগুলো পূরণ করলেই কেবল উপগ্রহটিকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে স্থির বলে মনে হবে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃত্রিম উপগ্রহটিকে ভূ-স্থির উপগ্রহের শর্ত পূরণ করে কিনা, তা গাণিতিকভাবে যাচাই করতে হবে। এর জন্য উপগ্রহটির কক্ষপথের আবর্তনকাল নির্ণয় করতে হবে এবং তা পৃথিবীর আবর্তনকালের সাথে তুলনা করতে হবে। উদ্দীপকে উপগ্রহের ভর, পৃথিবীর ভর, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এবং উপগ্রহের উচ্চতা দেওয়া আছে। এই উপাত্তগুলো ব্যবহার করে উপগ্রহটির কক্ষপথের আবর্তনকাল নির্ণয় করে ভূ-স্থির উপগ্রহের শর্ত পূরণ হয় কিনা, তা পরীক্ষা করা সম্ভব।

উদ্দীপক থেকে প্রাপ্ত উপাত্তসমূহ:

        
  • বস্তুর ভর, \(m = 2500 \text{ kg}\)
  •     
  • ভূ-পৃষ্ঠ হতে উচ্চতা, \(h = 4 \times 10^4 \text{ km} = 4 \times 10^7 \text{ m}\)
  •     
  • পৃথিবীর ভর, \(M = 6 \times 10^{24} \text{ kg}\)
  •     
  • পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, \(R = 6.4 \times 10^6 \text{ m}\)
  •     
  • মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, \(G = 6.67 \times 10^{-11} \text{ N m}^2 \text{ kg}^{-2}\)

উপগ্রহটির কক্ষপথের ব্যাসার্ধ, \(r = R + h = 6.4 \times 10^6 \text{ m} + 4 \times 10^7 \text{ m} = 46.4 \times 10^6 \text{ m} = 4.64 \times 10^7 \text{ m}\)

কেপলারের ৩য় সূত্রানুযায়ী উপগ্রহের আবর্তনকাল \(T\) এর সূত্র হলো:

\[ T = 2\pi\sqrt{\frac{r^3}{GM}} \]

মান বসিয়ে পাই,

\[ T = 2\pi\sqrt{\frac{(4.64 \times 10^7 \text{ m})^3}{(6.67 \times 10^{-11} \text{ N m}^2 \text{ kg}^{-2}) \times (6 \times 10^{24} \text{ kg})}} \]

\[ T = 2\pi\sqrt{\frac{9.9899 \times 10^{22}}{4.002 \times 10^{14}}} \]

\[ T = 2\pi\sqrt{2.4962 \times 10^8} \]

\[ T = 2\pi \times (1.580 \times 10^4) \text{ s} \]

\[ T \approx 9.927 \times 10^4 \text{ s} \]

আবর্তনকালকে ঘণ্টায় রূপান্তর করলে পাই:

\[ T = \frac{9.927 \times 10^4}{3600} \text{ ঘণ্টা} \]

\[ T \approx 27.57 \text{ ঘণ্টা} \]

আমরা জানি, ভূ-স্থির উপগ্রহের আবর্তনকাল পৃথিবীর আবর্তনকাল (২৪ ঘণ্টা) এর সমান হয়। উদ্দীপকের উপগ্রহটির আবর্তনকাল প্রায় ২৭.৫৭ ঘণ্টা, যা ২৪ ঘণ্টার সমান নয়। যেহেতু উপগ্রহটির আবর্তনকাল পৃথিবীর আবর্তনকালের সমান নয়, তাই এটি পৃথিবীর সাপেক্ষে স্থির থাকবে না এবং ভূ-পৃষ্ঠ হতে এটিকে স্থির বলে মনে হবে না। বরং এটিকে পৃথিবীর সাপেক্ষে পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে ঘুরতে দেখা যাবে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
59

Related Question

View All
উত্তরঃ কোনো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল এবং বলের ক্রিয়াকালের গুণফলকে বলের ঘাত বলে। এটি বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের সমান।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
748
উত্তরঃ

হ্যাঁ, ঘর্ষণ বল একটি অসংরক্ষণশীল বল (Non-conservative force)।

যে সকল বল দ্বারা কৃতকাজ বস্তুর গতিপথের উপর নির্ভরশীল এবং একটি পূর্ণচক্রে কৃতকাজের পরিমাণ শূন্য হয় না, তাদের অসংরক্ষণশীল বল বলে। ঘর্ষণ বল সর্বদা গতির বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে এবং এর দ্বারা কৃতকাজ কখনো পুনরুদ্ধার করা যায় না। ঘর্ষণ বলের কারণে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে, অর্থাৎ শক্তি অপচয় ঘটে। এ কারণেই ঘর্ষণ বলকে অসংরক্ষণশীল বল বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
859
উত্তরঃ

প্রথম মাঝি সোজাসুজি নদীর অপর পাড়ে পৌঁছানোর জন্য তার লব্ধি বেগের অনুভূমিক উপাংশ (স্রোতের দিকের উপাংশ) শূন্য হতে হবে। এর অর্থ হলো, মাঝির স্রোতের সাপেক্ষে বেগের যে অনুভূমিক উপাংশটি স্রোতের গতিকে প্রশমিত করবে, তার মান স্রোতের বেগের মানের সমান ও বিপরীত হতে হবে। যদি মাঝি স্রোতের দিকের সাথে \(\alpha\) কোণে যাত্রা শুরু করে, তাহলে তার বেগের অনুভূমিক উপাংশ হবে \(u \cos\alpha\)।

উদ্দীপক অনুযায়ী, স্রোতের বেগ (v) = 5 kmh-1 এবং প্রথম মাঝির স্রোতের সাপেক্ষে বেগ (u) = 10 kmh-1। সোজাসুজি নদী পার হওয়ার শর্তানুযায়ী, লব্ধি বেগের অনুভূমিক উপাংশ শূন্য হতে হবে। অর্থাৎ, স্রোতের বেগের দিককে ধনাত্মক ধরে, মোট অনুভূমিক উপাংশ \(v + u \cos\alpha = 0\) হবে।

এই শর্তটি ব্যবহার করে আমরা \(\alpha\) এর মান নির্ণয় করতে পারি:

\(v + u \cos\alpha = 0\)

\(5 + 10 \cos\alpha = 0\)

\(10 \cos\alpha = -5\)

\(\cos\alpha = -\frac{5}{10}\)

\(\cos\alpha = -\frac{1}{2}\)

\(\alpha = \cos^{-1}\left(-\frac{1}{2}\right)\)

\(\alpha = 120^\circ\)

সুতরাং, \(\alpha\) কোণের মান \(120^\circ\) হলে প্রথম মাঝি সোজাসুজি নদীর অপর পাড়ে পৌঁছাবে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
811
উত্তরঃ

নদীর প্রস্থ (\(d\)) = 10 km

স্রোতের বেগ (\(u\)) = 5 kmh-1

মাঝিদের স্থির পানিতে নৌকার বেগ (\(v\)) = 10 kmh-1

কোন মাঝি নদীর অপর পাড়ে আগে পৌঁছাতে পারবে তা নির্ণয় করার জন্য উভয় মাঝির নদী পার হতে প্রয়োজনীয় সময় গণনা করতে হবে। যে মাঝির সময় কম লাগবে, সে-ই আগে পৌঁছাবে।

প্রথম মাঝির ক্ষেত্রে:

প্রথম মাঝি স্রোতের সাথে \(\alpha\) কোণে যাত্রা করে। উদ্দীপকের চিত্র অনুযায়ী, \(\alpha\) কোণটি লম্ব দিকের সাথে উপরের দিকে (স্রোতের বিপরীত দিকে) তৈরি হয়েছে। এক্ষেত্রে, মাঝি যদি নদীটি সরাসরি অপর পাড়ে (ন্যূনতম দূরত্বে) অতিক্রম করতে চায়, তবে তাকে এমনভাবে নৌকা চালাতে হবে যেন স্রোতের কারণে তার যে সরণ হয়, তা নৌকার বেগের আনুভূমিক উপাংশ দ্বারা প্রশমিত হয়।

ধরি, মাঝি স্রোতের সাথে লম্ব বরাবর দিক থেকে \(\alpha\) কোণে নৌকা চালায়। ন্যূনতম দূরত্বে নদী পার হওয়ার জন্য নৌকার বেগের স্রোতের দিকের উপাংশকে স্রোতের বেগের সমান ও বিপরীত হতে হবে। অর্থাৎ,

\(v \sin \alpha = u\)

\(10 \sin \alpha = 5\)

\(\sin \alpha = \frac{5}{10} = 0.5\)

\(\alpha = \sin^{-1}(0.5) = 30^\circ\)

নদী পার হওয়ার জন্য লম্ব বরাবর কার্যকরী বেগ হবে: \(v_y = v \cos \alpha\)

\(v_y = 10 \cos 30^\circ = 10 \times \frac{\sqrt{3}}{2} = 5\sqrt{3}\) kmh-1

প্রথম মাঝির নদী পার হতে প্রয়োজনীয় সময় (\(t_1\)) হবে:

\(t_1 = \frac{d}{v_y} = \frac{10}{5\sqrt{3}} = \frac{2}{\sqrt{3}}\) ঘন্টা

\(t_1 \approx \frac{2}{1.732} \approx 1.1547\) ঘন্টা

দ্বিতীয় মাঝির ক্ষেত্রে:

দ্বিতীয় মাঝি স্রোতের সাথে লম্বভাবে নদী পার হতে যাত্রা করে। অর্থাৎ, সে তার নৌকাকে নদীর প্রস্থ বরাবর সরাসরি অপর পাড়ের দিকে চালনা করে। এক্ষেত্রে, তার নৌকার বেগই নদীর প্রস্থ বরাবর কার্যকরী বেগ হিসেবে কাজ করবে।

নদী পার হওয়ার জন্য লম্ব বরাবর কার্যকরী বেগ হবে: \(v_y = v = 10\) kmh-1

দ্বিতীয় মাঝির নদী পার হতে প্রয়োজনীয় সময় (\(t_2\)) হবে:

\(t_2 = \frac{d}{v_y} = \frac{10}{10} = 1\) ঘন্টা

এই ক্ষেত্রে মাঝি স্রোতের কারণে কিছুটা দূরে ভেসে যাবে, কিন্তু নদী পার হতে তার সবচেয়ে কম সময় লাগবে।

গাণিতিক বিশ্লেষণ ও মতামত:

প্রথম মাঝির নদী পার হতে সময় লাগে প্রায় 1.1547 ঘন্টা, যেখানে দ্বিতীয় মাঝির সময় লাগে 1 ঘন্টা।

যেহেতু \(t_2\) (\(1\) ঘন্টা) < \(t_1\) (\(1.1547\) ঘন্টা), দ্বিতীয় মাঝি প্রথম মাঝির চেয়ে আগে নদীর অপর পাড়ে পৌঁছাতে পারবে। দ্বিতীয় মাঝি ন্যূনতম সময়ে নদী পার হওয়ার কৌশল অবলম্বন করায় তার সময় কম লাগবে, যদিও সে স্রোতের কারণে ভেসে যাবে এবং সরাসরি অপর পাড়ে পৌঁছাবে না।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
656
উত্তরঃ

ভেক্টর অপারেটর নেবলা (∇) দ্বারা কোনো স্কেলার ফাংশনকে (যেমন: বিভব, তাপমাত্রা) স্থান সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলে যে ভেক্টর ক্ষেত্র পাওয়া যায়, তাকে গ্রাডিয়েন্ট বলে। এটি স্কেলার ফাংশনটির মানের সর্বাধিক পরিবর্তনের হার ও দিক নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
796
উত্তরঃ

ভেক্টরের ডাইভারজেন্সের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

        
  • এটি একটি স্কেলার রাশি, যা কোনো ভেক্টর ক্ষেত্র থেকে স্কেলার ক্ষেত্রে রূপান্তরিত করে।
  •     
  • এটি কোনো ভেক্টর ক্ষেত্রের নির্দিষ্ট বিন্দুতে একক আয়তন থেকে নির্গত বা অভিসারী ফ্লাক্সের (flux) পরিমাণ নির্দেশ করে।
  •     
  • ধনাত্মক ডাইভারজেন্স (positive divergence) ঐ বিন্দুতে একটি উৎসের (source) উপস্থিতি বোঝায়, যেখানে ক্ষেত্র রেখাগুলো উৎপন্ন হয় বা বাইরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
  •     
  • ঋণাত্মক ডাইভারজেন্স (negative divergence) ঐ বিন্দুতে একটি সিঙ্কের (sink) উপস্থিতি বোঝায়, যেখানে ক্ষেত্র রেখাগুলো প্রবেশ করে বা ভেতরের দিকে একত্রিত হয়।
  •     
  • যদি ডাইভারজেন্সের মান শূন্য হয়, তবে ঐ ভেক্টর ক্ষেত্রকে সোলেনয়ডাল ক্ষেত্র (solenoidal field) বলা হয়, অর্থাৎ ঐ বিন্দুতে কোনো উৎস বা সিঙ্ক নেই, কেবল ক্ষেত্র রেখার অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ থাকে।

ডাইভারজেন্স মূলত একটি ভেক্টর অপারেটর যা কোনো ভেক্টর ক্ষেত্রের (যেমন: তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র বা তরল প্রবাহ ক্ষেত্র) কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে ঐ ক্ষেত্রের উৎস বা সিঙ্কের উপস্থিতি এবং শক্তি পরিমাপ করে। এর মাধ্যমে একটি ভেক্টর রাশির "প্রসারিত" বা "সংকুচিত" হওয়ার প্রবণতা বোঝা যায়, যা ক্ষেত্রটির ঘনত্ব পরিবর্তনকে সূচিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews