Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

নিশানাথবাবুর অবসর জীবন দারিদ্র্যে ও দুঃখকষ্টে কাটছে।

নিশানাথবাবু নান্দিনা পাইলট হাইস্কুলের গণিতের শিক্ষক ছিলেন। দুই চোখে ছানি পড়ায় তিনি চাকরি থেকে অবসর নেন। এই অবসর গ্রহণের পর তিনি নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছিলেন। স্ত্রী ও কন্যা মারা যাওয়ায় একাকী দু-কামরার একটি পাকা দালানে ভাড়া থাকতেন। খাবারের জন্য তার ভরসা ছিল পাশের হোটেল। বিকালে নদীর পাশে হাঁটতে গেলেও সন্ধ্যায় নিজের ঘরে ফিরে আসার পর তার জীবন একঘেয়ে হয়ে উঠত।
অসুস্থ হলেও চিকিৎসা করার অর্থ কিংবা সেবা করার জন্য কোনো মানুষও ছিল না তার।

অবসর গ্রহণের পর এভাবেই দুঃখ-দৈন্য ও একাকিত্বের মধ্য দিয়ে নিশানাথবাবুর জীবন অতিবাহিত হচ্ছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় লেখক। তাঁর 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে স্কুল-শিক্ষক নিশানাথবাবুর চরিত্রের মহৎ ও নির্লোভ দিকটি ফুটে উঠেছে।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে নিশানাথবাবু গণিতের অবসরপ্রাপ্ত স্কুল-শিক্ষক। স্ত্রী, একমাত্র কন্যার মৃত্যু ও অবসর গ্রহণের পর তিনি খুব নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করেন। একদিন তাঁর ছেঁড়া চটিজোড়ার উঁচু হওয়া পেরেক ঠিক করতে একটি ধাতব পুরোনো চেরাগ দিয়ে বাড়ি দেন। আকস্মিকভাবে সেখান থেকে একটি দৈত্য বের হয়ে আসে। দৈত্য তার কাছে ইচ্ছা পূরণের কথা বললে তিনি তার কাছে অর্থসম্পদ না চেয়ে কেবল চটির উঁচু হয়ে থাকা পেরেকটি ঠিক করে দিতে বলেন। এখানে তাঁর নির্লোভমানসিকতার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। নিশানাথবাবু আর্থিক সংকটে চিকিৎসা করাতে পারছেন না দেখে তাঁর প্রাক্তন সহকর্মী চাঁদা তুলে তাঁকে দিলে তিনি বড়ো লজ্জা পান। দৈত্য স্বেচ্ছায় তাঁকে পরশপাথর দিতে চাইলেও তিনি তা নেন না। তাঁর চিকিৎসার অর্থের জন্য দৈত্য একটি সোনার বালতি দিলেও তিনি তা স্কুলের শিক্ষার্থীদের দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দেন। তাঁর নিজের আর্থিক সংকট থাকলেও অর্থসম্পদ, সোনা, ধনী হওয়ার লোভ তাকে গ্রাস করতে পারেনি।

অনাড়ম্বর, নির্লোভ, মহানুভবতার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে নিশানাথবাবুর চরিত্রের মধ্যে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
62

Related Question

View All
উত্তরঃ

নিশানাথবাবুর শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে দৈত্য নিশানাথবাবুকে সাহায্য করতে নিজেই আসে।

আরব্য প্রচলিত গল্প অনুযায়ী আলাউদ্দিনের চেরাগ বা প্রদীপে ঘষা দিলে ভেতর থেকে একটা দৈত্য আসে। সে দৈত্য চেরাগের মালিকের অধীনে হয়ে তার ইচ্ছা পূরণ করে। 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে ভুলবশত প্রদীপ ঘষায় দৈত্য আসলেও নিশানাথবাবু তার কাছে দুর্লভ কিছু চায় না। নিশানাথবাবুর এই নির্লোভ মানসিকতা দেখে দৈত্য মুগ্ধ হয়। নিশানাথবাবুর পরিবারে কেউ না থাকায় তার নিজের কাজ নিজেকেই করতে হতো। একদিন রাতে নিশানাথবাবুর জ্বর আসলে তিনি পানির জন্য ছটফট করতে থাকেন কিন্তু বাতের ব্যথায় বিছানা থেকে উঠতে পারছিলেন না। নিশানাথবাবুর এরকম পিপাসার্ত করুণ অবস্থা দেখে চেরাগ না ঘষা ছাড়াই তাকে পানি খাওয়ানোর জন্য দৈত্য চলে আসে।

মুমূর্ষু নিশানাথবাবুর প্রতি সহমর্মিতার জন্য দৈত্যকে তিনি না ডাকলেও দৈত্য নিজ থেকে সেবা করতে আসে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ তার লেখনীর মাধ্যমে অসাধারণ কল্পকাহিনি আমাদের উপহার দেন। 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে তিনি দৈত্য চরিত্রের সাথে শিক্ষক নিশানাথবাবুর সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে নিশানাথবাবুর নির্লোভ মানসিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পের নিশানাথবাবু সমাজের নির্লোভ ও সৎ মানুষের প্রতিচ্ছবি। তিনি খুব সাধারণভাবে জীবন-যাপন করেন। আলাউদ্দিনের চেরাগ পেলেও তিনি তা অপব্যবহার বা নিজের বিলাসিতার জন্য ব্যবহার করেননি। দৈত্য তাকে বারবার বিভিন্নভাবে টাকা, সোনা, পরশপাথর ইত্যাদি দিয়ে সাহায্য করতে চাইলেও তিনি তা নেননি। বরং দৈত্য থেকে পাওয়া বিশ সের ওজনের সোনার বালতিটি স্কুলে দিয়ে দিয়েছেন।
নিশানাথবাবুর নীতিনিষ্ঠ আচরণ সমাজের সৎ মানুষদের প্রতিনিধিত্ব করে। যারা লোভ বা স্বার্থপরতার বশবর্তী হয়ে কেবল নিজের সুবিধা চায়না। সমাজের কথা, অন্যের কথা ভাবে। পরশপাথর ও সোনা পাওয়ার পরও তিনি লোভ না করে ফিরিয়ে দিয়েছেন। যা নির্লোভ ও মহত্ত্বের বড়ো দৃষ্টান্ত।

নিশানাথবাবুর এই গুণগুলোর মধ্যে দিয়ে হুমায়ূন আহমেদ তাকে সমাজের সৎ ও নির্লোভ আদর্শ মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
73
উত্তরঃ

নিশানাথবাবুর আর্থিক দুরাবস্থা ও নির্লোভ মানসিকতা দেখে দৈত্য তাকে পরশপাথর দিয়েছিল।

নিশানাথবাবু সাধারণভাবে জীবন-যাপন করেন। তিনি একজন সৎ, সরল ও নির্লোভ মানুষ। নিজের পরিশ্রমও সততার উপর বিশ্বাস রাখেন। আর্থিক দুরাবস্থা থাকলেও লোভ তাকে গ্রাস করে না। গল্পে নিশানাথবাবু দুঃখী ও অভাবী হলেও সহজ ও অলৌকিকভাবে দৈত্যের কাছ থেকে ধন-সম্পদ নিতে চান না। দৈত্য তার এই সততা ও দুরাবস্থা দেখে পরশপাথরের মতো মূল্যবান পাথর দিতে চায়। দৈত্য মনে করে পরশপাথরের মতো দুর্লভ ও মূল্যবান জিনিস একজন সৎ ও নির্লোভমানুষেরই প্রাপ্য। নিশানাথবাবু এমনই একজন মানুষ যিনি এটার সঠিক ব্যবহার করবেন অন্যের ক্ষতিতে নয়।

সততা, ন্যায়নিষ্ঠাবান হওয়ায় দৈত্য পরশপাথর দেওয়ার জন্য নিশানাথ বাবুকে সঠিক লোক মনে করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিংশ শতাব্দীর গল্পে নতুন শৈলীর জনক হুমায়ূন আহমেদ। তিনি বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তী। তাঁর কল্পনাপ্রতিভা ও প্রকাশভঙ্গির নৈপুণ্যে গল্পে ফুটিয়ে তুলেছেন নিশানাথবাবুর নির্লোভ চরিত্র। যিনি আর্থিক কষ্টে থাকলেও থেকেছেন লোভহীন ও মহৎ।

নিশানাথবাবু একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক। কষ্ট করে জীবনযাপন করেন। তার কোন উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। আকস্মিকভাবে আলাউদ্দিনের চেরাগ ও দৈত্য পেয়ে তার সব ইচ্ছা পূরণ হওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি তা ব্যবহার করেননি। পেরেক পোতা জুতা দৈত্যকে ঠিক করে দিতে বলেছেন। অথচ তিনি চাইলে দৈত্যকে বলে নতুন ভালো জুতা নিতে পারত।

নিশানাথবাবুর চিকিৎসার জন্য দৈত্য তাকে সোনা বানানো পরশপাথর দিতে চাইলেও তিনি নিতে চান না। অথচ তিনি পরশপাথর দিয়ে সোনা বানিয়ে সেগুলো বিক্রি করে অর্থ-সম্পদ করে ধনী হতে পারতেন। নিশানাথবাবু একজন নির্লোভ মানুষ। সোনার বালতি পেয়েও তা স্কুলের জন্য দান করেন।

আত্মসম্মানবোধ ও মানবিকতার প্রবল জোর থাকায় তার চরিত্রে মহত্বের প্রকাশ ঘটেছে। তাই তিনি দরিদ্রতার মধ্যে দিয়ে জীবন অতিবাহিত করলেও অর্থ-সম্পদ পাওয়ার লোভ না করে মনুষ্যত্বের প্রবল শক্তিতে দারিদ্রকে পরাজিত করেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
86
উত্তরঃ

নান্দিনা পাইলট হাইস্কুলের অঙ্ক শিক্ষক নিশানাথবাবু। তিনি একাকী বেশ কষ্টে জীবনযাপন করেন।

হুমায়ূন আহমেদ 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে তুলে ধরেছেন একজন সাধারণ শিক্ষকের নির্লোভ মানসিকতার ছবি। তিনি একজন সাধারণ শিক্ষকের জীবনযাপনের ও লোভহীন মানসিকতা তুলে ধরেছেন। এই গল্পে দেখানো হয়েছে, দুই চোখে ছানি পড়ায় চাকরি থেকে রিটায়ার্ড নিয়ে নান্দিনা বাজারের কাছে একটি ঘরে থাকেন নিশানাথবাবু। স্ত্রী ও কন্যা মারা যাওয়ায় ইহজগতে তার আর কেউ ছিল না। বাড়িওয়ালার জিনিসপত্র ঠাসা ঘরে থেকে ও বাহিরে খাওয়া-দাওয়া করে তার জীবন চলত, সন্ধ্যায় চা খেতে ইচ্ছে হলে নিজেই চা বানিয়ে খান। অর্থাভাবে নতুন জুতা ও চোখের চিকিৎসা করতেও পারছেন না। তবুও তার মনে কোন দুঃখ নেই। তিনি ভাবেন তার থেকেও আরও অনেকে অনেক খারাপ পরিস্থিতিতে আছে মানুষ। এইজন্য সে শুকরিয়া আদায় করেন। নিশানাথবাবু একজন নির্লোভী মানুষ। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে না পারলেও তিনি দৈত্যর কাছ থেকে সাহায্য নিতে চান নি।

নিশানাথবাবু লোভহীন, অনাড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপন করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর লেখনীর মধ্যে ফুটে ওঠে শিক্ষা ও নৈতিকতা। 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে নিশানাথবাবুর চরিত্রের মধ্যে দিয়ে লেখক আমাদের আত্মসম্মানবোধ, নির্লোভ মানসিকতা ও মহত্ত্বের শিক্ষা দেন।

আলোচ্য গল্পে নিশানাথবাবু হাইস্কুলের একজন সাধারণ শিক্ষক। স্ত্রী ও কন্যার মৃত্যুর পর তিনি একা জীবনযাপন করেন। চোখে সমস্যা হওয়ায় রিটায়ার্ড নিয়েছেন। অর্থাভাবে ঠিকঠাক নিজের চিকিৎসা করতে পারছেন না। ভুলবশত প্রদীপের গায়ে ঘষা লাগায় দৈত্য আসে। তাকে কোন কিছু করার হুকুম দিতে বললেও নিশানাথবাবু কোন সুবিধা নিতে পান না। শীতের সময় নিশানাথবাবুর অসুস্থতা দেখে তার স্কুলের পুরানো শিক্ষকেরা চাঁদা তুলে তিনশো টাকা দিলে তিনি খুব লজ্জা পান। তার আত্মসম্মানবোধে লাগে এভাবে হাত পেতে টাকা নিতে। চেরাগের দৈত্য তাকে টাকাপয়সা দিতে চাইলেও তিনি না করে। তার আত্মসম্মানবোধের দিকটা প্রকাশ পায় এখানে। নিশানাথবাবুর সততা ও নির্লোভ মানসিকতা দেখে দৈত্য তাকে পরশপাথর দিতে চায়। যেন পরশপাথর দিয়ে কোন কিছু সোনা বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু নিশানাথবাবু সেটাও ফিরিয়ে দেন। এর মধ্যে দিয়ে তার নির্লোভ মানসিকতা প্রস্ফুটিত হয়। দৈত্যর দেওয়া সোনার বালতিও স্কুলে দান করে দিয়ে নিজের মহত্ত্বের পরিচয় দেন।

নিশানাথবাবু দরিদ্র হলেও তার মধ্যে লোভ, লালসা ছিল না। এত দরিদ্রতার মধ্যে সোনার বালতি পেয়েও নিজের চিকিৎসা না করে স্কুলের উন্নয়নে দিয়ে দেওয়ার মধ্যে নিশানাথবাবুর চরিত্র আমাদের মহৎ, নির্লোভ হবার শিক্ষা দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
77
উত্তরঃ

আলাউদ্দিনের চেরাগের দৈত্যের কাছে নিশানাথবাবু অর্থসম্পদ বা দামি কোনো বস্তু না চাওয়ায় দৈত্য বিস্ময় প্রকাশ করে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেন।

চটি জুতার পেরেক ঠিক করতে নিশানাথবাবু ধাতব চেরাগ দিয়ে বাড়ি দেন। সেই চেরাগের মধ্যে ছিল আলাউদ্দিনের দৈত্য। ঘষা খেয়ে চেরাগ থেকে দৈত্য বের হয়ে এসে নিশানাথবাবুকে কিছু চাইতে বললে তিনি জুতার পেরেক ঠিক করে দিতে বলেন। দ্বিতীয়বার দৈত্যকে মশারি খাটাতে বলে। দৈত্য নিশানাথবাবুকে চিকিৎসার জন্য এক কলস সোনার মোহর দিতে চাইলে তিনি না করে দেন। দৈত্য তার আরও কাজ করে দিতে চাইলে তিনি তাকে চা বানিয়ে দিতে বলেন। আরব্য-রজনীর গল্পগুলোতে দেখা যায় মানুষ অর্থসম্পদ, হীরা-জহরত পাওয়ার জন্য চেরাগের দৈত্যকে ব্যবহার করে। তাদের চাহিদার সীমা থাকে উচ্চে, যা তারা দৈত্যকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে পূরণ করতে চায়। কিন্তু নিশানাথবাবু লোভহীন।

তাই দৈত্য তাকে অদ্ভুত মানুষ মনে করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। তিনি তাঁর লেখনীর মধ্য দিয়ে সমাজের বিভিন্ন বিষয় ফুটিয়ে তুলেছেন। 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্প তেমনই আত্মসম্মানবোধ, নির্লোভ মানসিকতা ও মহত্ত্বের শিক্ষা দেয়। 

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পের নিশানাথবাবু দরিদ্র তবে প্রবল আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ও নির্লোভ একজন মানুষ। তাঁর চরিত্রের বিভিন্ন দিকের মাধ্যমে লেখক আমাদের নৈতিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। নিশানাথবাবু অবসর গ্রহণের পর একাকী নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করেন। তারপরও তিনি তাঁর অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট। তিনি মনে করেন তাঁর থেকেও অনেক মানুষ কষ্টে আছে। তাঁর এই আচরণের মধ্য দিয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার শিক্ষা পাওয়া যায়। 

দৈত্যকে ব্যবহার করে নিশানাথবাবু বিভিন্ন অর্থসম্পদ বা দামি বস্তু কুক্ষিগত করার সুযোগ থাকলেও তিনি তা করেননি। অনেক সুযোগ থাকলেও নিশানাথবাবু সততা বজায় রেখেছেন। পরশপাথরের মতো দামি পাথর ফিরিয়ে দিয়ে নির্লোভ মানসিকতার চূড়ান্ত পরিচয় দিয়েছেন। সোনার কলস পেলেও তা স্কুলে দান করে মহানুভবতার পরিচয় দেন। 

এই গল্পে দেখানো হয়েছে নির্লোভ মানুষের ছবি, দরিদ্র হলেও থেকেছেন মহৎ ও লোভহীন। মনুষ্যত্বের প্রবল শক্তি যে দারিদ্রদ্র্যকে পরাজিত করতে পারে তা এই গল্প থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। আত্মসম্মানবোধ, লোভহীন, মহৎ মানসিকতাবোধসম্পন্ন মানুষ হওয়া এই গল্পের মূলশিক্ষা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
73
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews