Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ইংল্যান্ডে টিউলিপ ফুলের বাহারি রঙে মুগ্ধ হয়ে লেখক প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন। টিউলিপের বৈচিত্র্যময় রং ও সৌন্দর্যে অভিভূত হয়ে লেখক যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেন।

'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে ইংল্যান্ডের বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রকৃতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। লন্ডনে মে মাসজুড়ে টিউলিপ ফোটে। এ ফুল অনেকটা আমাদের দেশের ধুতুরা ফুলের মতো। লন্ডনে বিভিন্ন রঙের টিউলিপ ফুল দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে সাদা, লাল, বেগুনি, জাফরানি, ধুপছায়া, দুধে-আলতা, হলুদসহ বাহারি রঙের টিউলিপ। এসব রঙের সমারোহে সজ্জিত টিউলিপময় ইংল্যান্ড দেখে লেখকের যেন ভাষা হারিয়ে যায়।

অর্থাৎ, বিচিত্র রঙের টিউলিপ ফুলের সৌন্দর্য দেখে লেখকের মনের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে উক্ত মন্তব্যটির মাধ্যমে।

উত্তরঃ

'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক মুহম্মদ আবদুল হাই বসন্তকালে ইংল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি স্বদেশ ছেড়ে আট হাজার মাইল দূরে লন্ডনের একটি ছোট্ট ঘরে বসে কিছুটা বিষাদগ্রস্ত থাকলেও সেখানের বসন্ত-প্রকৃতির সৌন্দর্য অবলোকন করে মোহিত হয়ে যান। ইংল্যান্ডের বিচিত্র বসন্ত-প্রকৃতি তার অপরূপ শোভার মাধ্যমে লেখককে মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন করে তোলে।

ইংল্যান্ডের বসন্তকাল একটু ভিন্ন ধরনের। বসন্তকালে ইংল্যান্ডের প্রকৃতিকে লেখক বলেছেন 'সুন্দরের আগুন'। বসন্তকালে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের কারণে লেখক বারবার মুগ্ধ হয়েছেন। ইংল্যান্ডে মার্চ মাস শেষ হতে না হতেই তরুলতায় পাতার মুকুল দেখা যায়। ছোটো ছোটো গাছে পাতা থাকে না, শুধু ফল থাকে। বসন্তকালে চরিদিকের সারি সারি সাজানো ফুলের গাছ ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক দিয়ে লন্ডনের সেরা পার্ক হলো রিজেন্ট পার্ক। বসন্তকালে এখানে নানা রঙের এত গোলাপ একসঙ্গে পাশাপাশি ফোটে যে, তা দেখলে নিতান্ত বেরসিকের প্রাণও রসে ভরে উঠবে।

ছুটির দিনগুলোতে রিজেন্ট পার্ক ও কিউ গার্ডেনের মালিদের হাতে-গড়া গোলাপবাগের জান্নাতি পরিবেশ দেখে লেখকের মন জুড়িয়ে যায়। ফুলের মনোরম স্নিগ্ধ গন্ধে তাঁর কাছে বাতাসকেও মোহকর বলে মনে হয়। বসন্ত-প্রকৃতি দেখে লেখকের মন ভরে, চোখ জুড়ায়। ইংল্যান্ডের বসন্তকাল লেখককে স্বদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়।

সুতরাং, বলা যায় যে, ইংল্যান্ডের বসন্ত-প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের কারণেই লেখক মুগ্ধ হন এবং বসন্তকালের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য তাকে মোহিত করে তোলে।

48

Related Question

View All
উত্তরঃ

ক্যামব্রিজের মাঠগুলো অনন্ত বৈচিত্র্য আর অপরূপ সৌন্দর্যে চোখ ও মনের তৃষ্ণা জুড়িয়ে দেয়।

'বিলাতের প্রকৃতি' রচনায় ক্যামব্রিজের দিগন্ত প্রসারি মাঠগুলোর দু'পাশের গাছপালা, ফুলের বৈচিত্র্য আর লতাপাতার ঘন নীলিমা অপরূপ। মাঠগুলো খাড়া-উঁচু, সোজা-নিচু বা একটানা সমতল নয়। তাতে কোথাও বাজরার খেত। কোথাও সরিষা ফুলের মতো সারা মাঠে ছড়ানো ফিকে আর গাঢ় হলুদের বিছানা পাতা। তার পাশে গোচারণভূমি। তার নিচে বহু বিচিত্র শস্যখেত।

মূলত ক্যামব্রিজের মাঠগুলো অপরূপ শ্যামলে-সবুজে, বেগুনে-হলুদে, নীলে-লালে আর বিচিত্র আভায়-প্রভায় গায়ে গায়ে লেগে থেকে সৌন্দর্যের প্লাবন বইয়ে দেয়।

উত্তরঃ

স্বদেশের প্রতি স্মৃতিকাতরতায় ধোঁয়া আর মেঘে ঢাকা লন্ডন লেখকের বুকে পাথরের মতো চেপে বসেছিল।

'বিলাতের প্রকৃতি' রচনার লেখক মুহম্মদ আবদুল হাই লন্ডনে অবস্থান করছিলেন। লন্ডনে থাকাকালীন এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় জানালার বাইরে তাকিয়ে লেখক বিষণ্ণ হয়ে যান। চারপাশের বিভিন্ন বাড়ির চিমনি দিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া আর মেঘে ঢাকা লন্ডনের আকাশ দেখে লেখকের মনে পড়ে বাংলাদেশের কথা। তিনি স্মৃতি আর কল্পনায় ফিরে যান আট হাজার মাইল দূরে তাঁর রাজশাহীর বাসায়। সেখানে তাঁর পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজনের স্মৃতি মনে পড়ে তাঁর। সেখানকার বৃষ্টির মোহনীয় শব্দ তাঁর কানে বাজে সহস্র মাইল দূরে বসে। তাঁর কাছে বৃষ্টির সেই শব্দ গানের অনুরণনের মতো, যা সবাইকে নিদ্রাতুর করে দেয়। মা, মাতৃভাষা আর মাতৃভূমির প্রতি তাঁর ভালোবাসা আরও গাঢ় হয়ে ওঠে। তিনি আরও গভীরভাবে দেশপ্রেম অনুভব করেন। লন্ডনের বৃষ্টি তাঁকে স্বদেশে নিয়ে যায় কল্পনায়। ভাবালু হতে গিয়ে লেখক স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। তখন লন্ডনের মেঘাচ্ছন্ন সন্ধ্যা তাঁকে বিষাদগ্রস্ত করে দেয়।

ফলে দেখা যায়, স্বদেশ আর স্বজনের স্মৃতি প্রতিবেশীর চিমনির ধোঁয়া আর মেঘে ঢাকা লন্ডনের আকাশে মিশে লেখকের বুকে পাথরের মতো চেপে বসেছিল।

34
উত্তরঃ

ইংল্যান্ডের পার্কগুলোতে বিচিত্র ফুলের সমারোহ আর তার সৌন্দর্য উপভোগে মানুষের আনাগোনায় ইংরেজদের ফুলের প্রতি অনুরাগ প্রকাশ পায়।

'বিলাতের প্রকৃতি' রচনায় ইংল্যান্ডের প্রকৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়েছে নানাবিধ ফুলের সৌন্দর্য বর্ণনার মধ্য দিয়ে। সেখানে বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে বিচিত্রসব ফুল ফোটে। একেক মাসে একেক রকম ফুল। গোলাপ, টিউলিপ, উইলো, ডেইজি, লাইলাকসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। পার্কগুলো ছেয়ে যায় ফুলে ফুলে। মানুষ দলবেঁধে পার্কে আসে। তারা বিভিন্ন ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করে। ফুলের যত্ন করে।

ফুলের প্রতি ইংরেজদের ভালোবাসা ফুটে ওঠে নানাবিধ ফুলের চাষ ও লন্ডনের পার্কজুড়ে তাদের সমাবেশ দেখে।

উত্তরঃ

স্নিগ্ধ রোদে-ভরা মধুর গ্রীষ্মকাল নিয়ে ইংল্যান্ডের মানুষ থেকে প্রকৃতির বিপুল আয়োজনে ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালকে পৃথিবীজুড়ে খ্যাতি এনে দিয়েছে।

'বিলাতের প্রকৃতি' রচনায় ইংল্যান্ডের প্রকৃতির বিচিত্র রূপ তুলে ধরা হয়েছে। বসন্ত আর গ্রীষ্মকালে ইংল্যান্ডের প্রকৃতি অপরূপ শোভা ধারণ করে। শীতের প্রগাঢ় হিম আর শুষ্কতা কাটিয়ে গ্রীষ্মের স্নিগ্ধ রোদে ইংল্যান্ড সাজে মোহনীয় সাজে। সেখানের প্রকৃতি তখন ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। সবুজের সমারোহে চোখ জুড়িয়ে যায়। পার্কগুলো ছেয়ে যায় লাইলাক, ডেইজি, উইলো আর টিউলিপ ফুলে। একেক মাসে একেক রকম ফুল ফোটে। একেক ফুলের একেক শোভা, একেক বৈশিষ্ট্য। পার্কগুলোতে তখন মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। নানাবিধ ফুলের সৌন্দর্য আর সুরভি নিতে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই জড়ো হয় পার্কে। মৃদু রোদ গায়ে মেখে তারা প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করে। শহরের বাইরের গ্রাম আর মাঠগুলোকে মনে হয় গাঢ় সবুজে ঢাকা। শস্যখেতগুলো ভরে যায় হরেক রকম ও হরেক রঙের ফসলে। ইংল্যান্ডের জনজীবন ও প্রকৃতিজুড়ে তখন জীবনের আনন্দ আয়োজন যে কাউকেই মুগ্ধ করে তোলে।

ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালের প্রকৃতির এমন মনোরম শোভা দেখে যে কারো মনেই আনন্দের ছোঁয়া লাগে। যার ফলে ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে সারা দুনিয়াজুড়ে।

30
উত্তরঃ

মে মাসে ইংল্যান্ডের পার্কগুলোতে টিউলিপ ফুল ফোটে, যার সৌন্দর্য হৃদয়জুড়ানো।

'বিলাতের প্রকৃতি' রচনায় টিউলিপ ফুলের সৌন্দর্যের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যায় টিউলিপ ফুল বাংলাদেশের ধুতুরা ফুলের চেয়ে ছোটো। এর রংগুলো অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর কোনো জায়গায় ফুটে থাকে দুধের চেয়ে সাদা, কোনো জায়গায় রক্তের চেয়ে লাল। কোনোটায় বেগুনি, কোনোটায় জাফরানি, কোনোটায় ধূপছায়া। কোনোটা দুধে-আলতা মাখানো, কোনোটা হলুদ। কোনোটায় থাকে প্রজাপতির গায়ের রেখাটানা বিচিত্র রঙের কারুচিত্র। থাকের পর থাক। টিউলিপের এমন বিচিত্র রূপ যে কারো মনেই সৌন্দর্যের তৃষ্ণা মিটায়।
এভাবেই লন্ডনের পার্কগুলোতে টিউলিপ ফুল মোহনীয় আকর্ষণ ছড়িয়ে দেয় অপরূপ সৌন্দর্যের।

উত্তরঃ

নানা রকম গোলাপ ফুলের সৌন্দর্যে অপরূপ রঙে সেজে ওঠা রিজেন্ট পার্কের শোভা দেখে নিতান্ত বেরসিকের প্রাণেও রসের সঞ্চার হয়।

'বিলাতের প্রকৃতি' রচনাটি ইংল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মনোরম বর্ণনা তুলে ধরে। সেখানে বসন্ত আর গ্রীষ্মকাল প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্যে ভরে ওঠে। ইংল্যান্ডের পার্কগুলোতে যার পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। রিজেন্ট পার্ক তেমনই একটি পার্ক। প্রকৃতির সৌন্দর্যের দিক দিয়ে এটি লন্ডনের সেরা পার্ক। এ পার্কটির গোলাপ বাগানের খ্যাতি দুনিয়াজোড়া। জুন-জুলাই এ দুমাসে গোলাপ ফোটে। নানা রঙের নানা জাতের গোলাপ পাশাপাশি ফুটে থাকে। লন্ডনের মানুষ মন ভরে এর সৌন্দর্য উপভোগ করে। রৌদ্রস্নানরত মানুষের চোখ জুড়ায় এর রূপ দেখে। অপরিমেয় গোলাপ ফুলের রঙে চোখে নেশা লাগে আর ফুলের মনোরম স্নিগ্ধ গন্ধে বাতাস হয়ে ওঠে মোহকর। তখন রিজেন্ট পার্কের গোলাপবাগের জান্নাতি পরিবেশ দেখে মন জুড়িয়ে যায়। এই সৌন্দর্যের সমারোহে যেকোনো নিষ্প্রাণ বেরসিক লোকের মনেও আনন্দ আর রসের সঞ্চার না হয়ে পারে না।

তাই দেখা যায়, বসন্ত আর গ্রীষ্মে গোলাপ, লাইলাক, ডেইজি, টিউলিপসহ নানাবিধ ফুলের সৌন্দর্যে রিজেন্ট পার্কে যে শোভা প্রকাশ পায়। তবে গোলাপের সৌন্দর্য যেকোনো নীরস লোসে গানও তৃপ্তির খোরাক জোগায়।

35
উত্তরঃ

মা, মাতৃভাষা আর মাতৃভূমির প্রতি সুগভীর মমত্ববোধ ও অকৃত্রিম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে লেখক আলোচ্য কথাটি বলেছেন।

মানুষ মা ও মাতৃভূমির পরম আশ্রয়ে লালিত হয়। মাতৃভাষায় প্রথম কথা বলতে শেখে। মাতৃভূমির প্রকৃতির মমতাময় সান্নিধ্যে মানুষ বেড়ে উঠে ও বেঁচে থাকে। তাই লেখকের কাছেও বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষা মায়ের মতোই মিষ্টি ও মধুর। স্বদেশের প্রতি লেখকের রয়েছে গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা। তাই তাঁর কাছে পৃথিবীর অন্য কোনোকিছুই মা, মাতৃভাষা আর মাতৃভূমির মতো মধুর নয়।

মূলত, মা, মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মমত্ববোধ প্রকাশ করার জন্যই লেখক উক্ত কথাটি বলেছেন।

উত্তরঃ

'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে ইংল্যান্ডের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন ঋতুতে ইংল্যান্ডের বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি এত বেশি সুন্দর যে, তা শুধু ইংল্যান্ডের মানুষের মনেই নয়; বরং বিদেশিদের মনেও ইংল্যান্ডের প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করে।

মুহম্মদ আবদুল হাই 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে প্রকৃতির প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও মুগ্ধতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি এপ্রিল, মে ও জুন মাসে ইংল্যান্ডের সৌন্দর্য নিবিড়ভাবে অবলোকন করেছেন। এপ্রিল মাসে লন্ডন লাইলাক ফুলে ছেয়ে যায়। মে মাসে আধিক্য থাকে টিউলিপ, উইলো আর ডেইজির। আর জুন, জুলাই ও আগস্ট ইংল্যান্ডে গ্রীষ্মকাল। বসন্ত ও গ্রীষ্মের একেক মাসে একেক রকম ফুল ইংল্যান্ডের বৈশিষ্ট্য।
ইংরেজ জাতি ফুলের বড়ো ভক্ত। ফুলের বিচিত্র রং দেখে তারা ভীষণ আনন্দ পায়। তাদের এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশিদের মাঝেও। তারাও যেন ইংরেজদের মতো ইংল্যান্ডকে ভালোবেসে ফেলে। সেখানে শনি-রবিবারে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সি মানুষ পার্কে গিয়ে রোদ পোহায়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারোহ উপভোগ করে। বিচিত্র রঙে সারা ইংল্যান্ড যখন রাঙা হয়ে ওঠে, সবুজ-নীলের মিতালিতে ছেয়ে যায় চারপাশ: তখন লেখকের মতো বিদেশিদের মনেও ইংল্যান্ডের প্রতি ভালোবাসা জেগে ওঠে।

অর্থাৎ, ইংল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মানুষের মনে মুগ্ধতা ছড়ায়। সেখানকার মানুষ প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে জীবনকে নানাভাবে উপভোগের আয়োজন করে। স্নিগ্ধ-মধুর সেই প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকলে ইংল্যান্ডকে না ভালোবেসে পারা যায় না। এভাবেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য স্বদেশি-বিদেশি সবার মনেই ইংল্যান্ডের প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করে।

29
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews