বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক-
-
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
খ
সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত
-
গ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
-
ঘ
কাদের নেওয়াজ
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক - মাইকেল মধুসূদন দত্ত
অমিত্রাক্ষর ছন্দ
যে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কাব্যের একটি বিশেষ ছন্দরূপ যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল।
ছন্দ
চরণান্তিক মিল বাংলা পদ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য; কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দে চরণান্তিক মিল থাকে না। এছাড়া অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কবিতার প্রতিটি পঙক্তিতে চৌদ্দটি অক্ষর থাকা আবশ্যিক । কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দে প্রথম যে কাব্যটি রচনা করেন তা হলো তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য; এটি ১৮৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। অতঃপর তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন যা ১৮৬১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ যা “মেঘনাদ ও বিভীষণ” নামে পরিচিত তা নিম্নরূপ। এ থেকে অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্বরূপ বোঝা যায়:
| “ |
"এতক্ষণে" - - অরিন্দম কহিলা বিষাদে "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ? - - শূলী - শম্ভূনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী? নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন - ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে" |
” |
Related Question
View All-
ক
আত্মবিলাপ
-
খ
কবি মাতৃভাষা
-
গ
মাতৃভাষা
-
ঘ
আত্মপরিচয়
-
ক
অতুল প্রসাদ সেন
-
খ
দ্বিজেন্দ্র লাল রায়
-
গ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
-
ঘ
রজনীকান্ত সেন
-
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
খ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
-
গ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
-
ঘ
আলাওল
-
ক
রাবন
-
খ
মেঘনাদ
-
গ
রাম
-
ঘ
বিভীষণ
-
ক
পত্রকাব্যে
-
খ
নাটকে
-
গ
সনেটে
-
ঘ
মহাকাব্যে
-
ক
কায়কোবাদ
-
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
গ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
-
ঘ
আলাওল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
