শরীর ও মনকে সুস্থ রাখার নাম স্বাস্থ্যরক্ষা। আর এই স্বাস্থ্যরক্ষার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম পালন করতে হয়। যেমন-নিয়মিত খেলাধুলা, ব্যায়াম করা, পরিমিত আহার গ্রহণ করা, মাঝে মাঝে উপবাস থাকা, সুখে-দুঃখে সকল অবস্থায় মনকে প্রফুল্ল রাখা ইত্যাদি।
ধর্মচর্চায় শারীরিক সুস্থতার গুরুত্ব সম্পর্কে বলা যায়-
১. শরীর সুস্থ না থাকলে ধর্মচর্চায় মনোনিবেশ করা যায় না।
2.স্বাস্থ্যরক্ষা ধর্মের অঙ্গ এবং ধর্মচর্চা করার জন্য শরীরকে সবল রাখতে হয়।
৩. শরীর অসুস্থ হলে ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এবং ধর্মচর্চায় ব্যাঘাত ঘটে।
৪. শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে ব্যক্তি ধর্মচর্চার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।
'বেশি খাবি তো কম খা'- কথাটি বলেছেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। কথাটির তাৎপর্য হলো-
১. বেশি বা অপরিমিত খাবার খেলে আমরা অসুস্থ হয়ে পরি তাই পরিমিত খাবার খেতে হবে।
২. বেশি দিন সুস্থ থাকতে হবে এবং পরিমিত আহার করতে হবে।
৩. অপরিমিত খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
৪. পরিমিত খাবার দেহ ও মনকে সুস্থ রাখে।
৫. অপরিমিত আহার দেহ ও মনকে অসুস্থ করে তোলে। অসুস্থ শরীরে ধর্মসাধন হয় না। তাই আমাদের পরিমিত আহার করতে হবে।
৬. অপরিমিত আহার করলে জীবনের অবসান ঘটতে পারে। তাই পরিমিত আহার গ্রহণ করতে হবে।
নিয়মিত আসন অনুশীলন করলে শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকোষ ও স্নায়ুতন্ত্র, টিস্যু, পেশি সতেজ হয় এবং কর্মক্ষম থাকে। এতে শরীর সুস্থ থাকে এবং মন প্রশান্ত হয়। সর্বাঙ্গাসন এর তিনটি উপকারিতা হলো-
১. সকল প্রকার ব্যাধির বিনাশ ঘটে।
২. থাইরয়েড ও স্নায়ুমণ্ডলী সতেজ হয়।
৩. দেহ অত্যন্ত সক্রিয়, সবল ও কর্মঠ হয়।
গোমুখাসন এর তিনটি উপকারিতা হলো-
১. অনিদ্রা দূর হয়;
২. আসমান কাঁধ সমান হয়;
৩. মেরুদন্ড সোজা হয়।
নিয়মিত আসন অনুশীলন করলে শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকোষ ও স্নায়ুতন্ত্র, টিস্যু, পেশি সতেজ হয় এবং কর্মক্ষম থাকে বলে আমি নিয়মিত আসন অনুশীলন করব।
গোমুখাসন অনুশীলনের উপকারিতা নিচে দেওয়া হলো- ১. অনিদ্রা দূর হয়; ২. অসমান কাঁধ সমান হয়; ৩. মেরুদন্ড সোজা হয়; ৪. পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা দূর হয়; ৫.- উত্তেজনা প্রশমিত হয়; ৬. পায়ের বাত রোগের উপশম ঘটে।.
গোমুঘাসন অনুশীলনের পদ্ধতি সম্পর্কে ৫টি বাক্য লেখা হলো-প্রথমে পা-দুটিকে সামনে ছড়িয়ে দিয়ে বসতে হবে।
-বাম পা হাঁটুর কাছে ভাজ করে ওই পায়ের গোড়ালি ডান দিকের নিতম্বের পাশে স্পর্শ করাতে হবে।
-বাম পায়ের হাঁটুর উপর ডান পায়ের হাঁটু একই অবস্থায় থাকবে।
- ডান হাত সোজা মাথার উপরে তুলে এলে ডান কনুই থেকে ভাঁজ করে পিঠের দিকে রাখতে হবে।
-বাম হাত কনুই থেকে ভাঁজ করে পিঠের উপর দিকে আনতে হবে
এবং বাম হাতের আঙ্গুলগুলো দিয়ে ডান হাতের আঙ্গুলগুলো ধরার চেষ্টা করতে হবে।
গোমুঘাসন অনুশীলনের উপকারিতা সম্পর্কে নিচে লেখা হলো- ১. অনিদ্রা দূর হয়; ২. মেরুদন্ড সোজা হয়; ৩. পায়ের বাত রোগের উপশাস ঘটে
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allশরীর ও মনকে সুস্থ রাখার নাম স্বাস্থ্যরক্ষা।
যোগসাধনার একটি উপায় হলো যোগব্যায়াম।
পরিমিত আহার স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য উপকারী।
স্বাস্থ্যের জন্য আহারের পাশাপাশি সংযম প্রয়োজন।
পরিমিত আহার গ্রহণ আমাদের সংযম শেখায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!