উত্তরঃ

পদাশ্রিত নির্দেশক: যে সকল অব্যয়বাচক শব্দাংশ পদের পরে যুক্ত হয়ে পদটিকে নির্দিষ্টতা দান করে, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। যেমন: -টি, -টা, -খানা, -খানি, -গাছি।

বচনের চিহ্ন: যে সকল শব্দাংশ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যাগত ধারণা (একবচন বা বহুবচন) প্রকাশ করে, সেগুলোকে বচনের চিহ্ন বলে। যেমন: -গুলি, -গুলো, -বৃন্দ, -গণ, -দল।

বিভক্তি: যে সকল বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি নামপদ বা ক্রিয়াপদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারকভেদে পদগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। যেমন: -কে, -রে, -এ, -য়, -তে, -দ্বারা, -দিয়ে।

বলক: বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত পরিভাষাগুলোতে 'অর্থহীন শব্দাংশ' হিসেবে 'বলক' নামক কোনো সুনির্দিষ্ট বা বহুল প্রচলিত ব্যাকরণিক উপাদান নেই, যা পদাশ্রিত নির্দেশক, বচনের চিহ্ন বা বিভক্তির মতো পদ বা বাক্যে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করে।


বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ধরনের অর্থহীন শব্দাংশ রয়েছে যা শব্দের অর্থ পরিবর্তন না করে তার ব্যাকরণিক রূপ বা পদগত কার্যকারিতা পরিবর্তন করে। এগুলোকে সাধারণত রূপমূল (Morpheme) বা ব্যাকরণিক প্রত্যয় (Grammatical Affixes) হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রশ্নে উল্লিখিত এই শব্দাংশগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

        
  •         পদাশ্রিত নির্দেশক (Definite Articles/Post-positional Particles):         

    পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এক প্রকার অব্যয়বাচক শব্দাংশ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে সেই পদটিকে নির্দিষ্টতা দান করে। এর নিজস্ব কোনো শাব্দিক অর্থ নেই, তবে এটি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা, প্রকার বা নির্দিষ্টতা প্রকাশে সহায়তা করে। এগুলো বাংলা ভাষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

            

    উদাহরণ:

            
                  
    • একবচনে: -টি, -টা, -খানা, -খানি, -গাছি, -গাছা, -টুকু, -টুকুন। (যেমন: বইটি, লোকটা, একখানা কাপড়, ছাগলটি)
    •             
    • বহুবচনে: -গুলো, -গুলি। (যেমন: বইগুলো, লোকগুলি)
    •         
            

    পদাশ্রিত নির্দেশক অনেক সময় সংখ্যাবাচক বিশেষণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরিমাণও নির্দেশ করে। যেমন: দুটি, তিনটে, পাঁচজন।

        
  •     
  •         বচনের চিহ্ন (Number Markers):         

    বচনের চিহ্ন হলো সে সকল শব্দাংশ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশ করে। অর্থাৎ, একটি বস্তুকে নির্দেশ করছে (একবচন) নাকি একাধিক বস্তুকে নির্দেশ করছে (বহুবচন), তা বোঝায়। বাংলা ভাষায় প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন বচনের চিহ্ন ব্যবহৃত হতে পারে।

            

    উদাহরণ:

            
                  
    • প্রাণীবাচক বহুবচনে: -গণ, -বৃন্দ, -দল, -মণ্ডলী। (যেমন: ছাত্রগণ, শিক্ষকবৃন্দ, পক্ষিদল, দেবমণ্ডলী)
    •             
    • অপ্রাণীবাচক বহুবচনে: -সমূহ, -সব, -কুল, -রাজি, -মালা, -পুঞ্জ, -দাম, -নিকর। (যেমন: পর্বতসমূহ, তারকারাজি, মেঘমালা, কুসুমপুঞ্জ)
    •         
            

    উল্লেখ্য, বাংলা ভাষায় অনেক সময় পদাশ্রিত নির্দেশক (-গুলো, -গুলি) বচনের চিহ্ন হিসেবেও কাজ করে। যেমন: বইগুলো, মানুষগুলি।

        
  •     
  •         বিভক্তি (Case Endings):         

    বিভক্তি হলো সে সকল বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা নামপদ (বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম) এবং ক্রিয়াপদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্থাপন করে। বিভক্তি সাধারণত পদের কারক এবং ক্রিয়ার কাল, পুরুষ ও বচন নির্দেশ করে। বিভক্তি না থাকলে বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয় না।

            

    উদাহরণ:

            
                  
    • নামপদের বিভক্তি (কারক বিভক্তি): প্রথমা (০/অ), দ্বিতীয়া (-কে, -রে), তৃতীয়া (-দ্বারা, -দিয়ে, -কর্তৃক), চতুর্থী (-কে, -রে), পঞ্চমী (-হতে, -থেকে, -চেয়ে), ষষ্ঠী (-র, -এর), সপ্তমী (-এ, -য়, -তে)। (যেমন: ছেলকে দাও, লাঠি দিয়ে মারো, বাড়ি থেকে এলে)
    •             
    • ক্রিয়াপদের বিভক্তি (ক্রিয়া বিভক্তি): -ই, -ছ, -ব, -লাম, -ছেন ইত্যাদি। (যেমন: করি, কর, করব, করেছিলাম, করছেন)।
    •         
            

    বিভক্তি পদের অর্থ পরিবর্তন না করে শুধুমাত্র তার ব্যাকরণিক ভূমিকা নির্ধারণ করে।

        
  •     
  •         বলক (Bolok):         

    বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত পরিভাষাগুলোতে 'অর্থহীন শব্দাংশ' হিসেবে 'বলক' নামক কোনো সুনির্দিষ্ট বা বহুল প্রচলিত ব্যাকরণিক উপাদান নেই, যা পদাশ্রিত নির্দেশক, বচনের চিহ্ন বা বিভক্তির মতো পদ বা বাক্যে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করে। বিভিন্ন ব্যাকরণবিদদের প্রচলিত গ্রন্থেও এই পদের ব্যবহার অত্যন্ত বিরল। যদি এটি কোনো বিশেষ প্রামাণ্য গ্রন্থ বা গবেষণাপত্রের অংশ হয়, তবে সেক্ষেত্রে এর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও প্রয়োগ থাকতে পারে। তবে সাধারণ বা একাডেমিক বাংলা ব্যাকরণে এটি স্বীকৃত পরিভাষা নয়। প্রশ্নটিতে উল্লিখিত এই পদটি হয়তো কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপট, আঞ্চলিক ব্যবহার, বা অপ্রচলিত পরিভাষাকে নির্দেশ করছে অথবা এটি একটি ভুল প্রয়োগ।

        
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অত্যন্ত


প্রদত্ত শব্দটি হলো "অত্যান্ত", যা একটি ভুল বানান। এর সঠিক প্রমিত বানান হলো "অত্যন্ত"।

বানান ভুলের কারণটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি বিষয়ক নিয়মের সাথে সম্পর্কিত। এটি য-ফলা সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ।

        
  • 'অত্যন্ত' শব্দটি 'অতি' এবং 'অন্ত' এই দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
  •     
  • স্বরসন্ধির একটি নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার (ি) বা ঈ-কারের (ী) পর যদি ই-কার বা ঈ-কার ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি আসে, তাহলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য-ফলা (্য) হয়।
  •     
  • এখানে 'অতি' শব্দের শেষ বর্ণ 'ই' (ি) এবং 'অন্ত' শব্দের প্রথম বর্ণ 'অ' (অ)। এই দুটি স্বরধ্বনি মিলে য-ফলা (্য) সৃষ্টি করেছে।
  •     
  • ফলস্বরূপ, 'ত' ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে য-ফলা যুক্ত হয়ে 'ত্য' গঠিত হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো 'আ-কার' (া) যুক্ত হওয়ার ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। তাই 'অত্যান্ত' বানানটি ভুল এবং 'অত্যন্ত' বানানটি সঠিক।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অর্থ: যার বিদ্যা, বুদ্ধি বা গুণ কম, সেই বেশি আড়ম্বর করে বা নিজেকে জাহির করে।

বাক্য রচনা: লোকটার নিজের জ্ঞান নেই, শুধু কথায় কথায় অন্যদের ছোট করে। এমন লোকেদের দেখলেই মনে হয়, খালি কলসি বাজে বেশি

প্রসঙ্গ: এই প্রবাদটি সমাজের এক শ্রেণির মানুষকে নির্দেশ করে যারা প্রকৃত জ্ঞান, দক্ষতা বা গভীরতা না থাকা সত্ত্বেও নিজেদের শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে উচ্চস্বরে কথা বলে, অনর্থক বিতর্ক সৃষ্টি করে অথবা অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক প্রদর্শন করে। কর্মজীবনে বা সামাজিক ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিদের প্রায়শই দেখা যায়, যারা প্রচারের আলোয় আসতে চায় কিন্তু তাদের কাজের গুণগত মান বা অর্জিত জ্ঞান প্রশ্নবিদ্ধ থাকে। প্রকৃত জ্ঞানী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সাধারণত বিনয়ী হন এবং তাদের কাজের মাধ্যমেই নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন। এই প্রবাদটি মানুষকে বিনয়ী হতে এবং অগভীর জ্ঞান নিয়ে অহংকার না করতে উৎসাহিত করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অর্থ: ছোট ত্রুটি বা মন্দ কাজ আড়াল করার ব্যর্থ চেষ্টা।

বাক্য রচনা: দুর্নীতি ঢাকার জন্য শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করে লাভ নেই, একদিন তা প্রকাশ পাবেই।


‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা’ একটি বহুল প্রচলিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হল সামান্য শাক বা সবজি দিয়ে একটি মাছকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করা, যা মূলত অসম্ভব কারণ শাকের পরিমাণ মাছকে পুরোপুরি আড়াল করার জন্য যথেষ্ট নয়। রূপক অর্থে, এটি কোনো গুরুতর দোষ, ত্রুটি, অন্যায় বা দুর্নীতিকে তুচ্ছ বা অপ্রতুল কোনো কিছু দিয়ে আড়াল করার ব্যর্থ প্রয়াসকে বোঝায়। এই বাগধারাটি সমাজে ঘটে যাওয়া ছোটখাটো অপরাধ বা বড় দুর্নীতির ঘটনাগুলোকে লুকানোর চেষ্টা করার প্রবণতাকে নির্দেশ করে, যেখানে আড়াল করার প্রচেষ্টা এতটাই দুর্বল যে তা সহজেই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে বোঝানো হয় যে সত্যকে বেশিদিন গোপন রাখা যায় না, তা কোনো না কোনো সময় প্রকাশ পাবেই।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং একটি মাত্র কর্তা সম্পর্কে একটি উক্তি প্রকাশিত হয়, তাকে সরল বাক্য বলে। এতে একটি উদ্দেশ্য এবং একটি বিধেয় থাকে।

        
  • উদাহরণ: ছেলেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।

জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে সংযুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। অপ্রধান খণ্ডবাক্য সাধারণত 'যে, যা, যিনি, তিনি, যখন, তখন, যদি, তবে, যেহেতু, সেহেতু' ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক দ্বারা প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

        
  • উদাহরণ: যখন বৃষ্টি থামল, তখন আমরা খেলতে গেলাম।

যৌগিক বাক্য: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: ও, এবং, আর, কিন্তু, অথবা, নতুবা, তবু, তথাপি, সুতরাং, বরং ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এই বাক্যগুলোর প্রতিটিই স্বাধীন এবং নিজেদের অর্থ প্রকাশে সক্ষম।

        
  • উদাহরণ: সে ধনী, কিন্তু সে কৃপণ।

বাক্যের পারস্পরিক রূপান্তর: বাক্যগুলোর অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে তাদের গঠনগত পরিবর্তন করাকে বাক্যের রূপান্তর বলে।

১. সরল থেকে জটিল:

        
  • সরল: ভালো ছেলেরা পুরস্কার পায়।
  •     
  • জটিল: যারা ভালো ছেলে, তারা পুরস্কার পায়।

২. জটিল থেকে সরল:

        
  • জটিল: যখন বিপদ আসে, তখন মানুষের জ্ঞান হয়।
  •     
  • সরল: বিপদকালে মানুষের জ্ঞান হয়।

৩. সরল থেকে যৌগিক:

        
  • সরল: সে অসুস্থ হওয়ায় বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি।
  •     
  • যৌগিক: সে অসুস্থ ছিল এবং তাই বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি।

৪. যৌগিক থেকে সরল:

        
  • যৌগিক: সূর্য উঠেছে এবং অন্ধকার দূর হয়েছে।
  •     
  • সরল: সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়।

৫. জটিল থেকে যৌগিক:

        
  • জটিল: যদিও সে গরিব, তবুও সে সৎ।
  •     
  • যৌগিক: সে গরিব, কিন্তু সে সৎ।

৬. যৌগিক থেকে জটিল:

        
  • যৌগিক: মন দিয়ে পড়ো, নতুবা ফেল করবে।
  •     
  • জটিল: যদি মন দিয়ে না পড়ো, তবে ফেল করবে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

মানুষের ভেতরের সুপ্ত জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও শক্তিকে জাগিয়ে তোলাকেই 'আত্মাকে জাগানো' বলা হয়েছে। এই জাগরণ কেবল আধ্যাত্মিক নয়, বরং আত্ম-উপলব্ধি, মানসিক বিকাশ এবং নৈতিক উন্নতির এক সম্মিলিত প্রক্রিয়া। যে ব্যক্তি নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকে চিনতে পারে, নিজের বুদ্ধিবৃত্তি ও মানবিক গুণাবলির স্ফুরণ ঘটাতে পারে, সেই প্রকৃত অর্থে আত্মাকে জাগাতে সক্ষম হয়।

যখন একজন ব্যক্তি নিজের আত্মাকে জাগিয়ে তোলে, তখন তার চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিধি বিস্তৃত হয়। সে পৃথিবীর জটিলতা, সৌন্দর্য এবং রহস্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারে। তার মন সংকীর্ণতা ও অজ্ঞতা থেকে মুক্ত হয়ে নতুন জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং সুযোগের প্রতি উন্মোচিত হয়। আত্মিক জাগরণ মানুষকে আত্মবিশ্বাসী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন করে তোলে, যা তাকে জীবনের পথচলায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে সাহায্য করে।

এই আত্মিক জাগরণের ফলেই ব্যক্তির সামনে বিশ্বের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সে নতুন দিগন্ত আবিষ্কার করে, অজানাকে জানতে আগ্রহী হয় এবং জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করে তোলে। বিশ্ব তখন তার কাছে কেবল একটি ভৌগোলিক সীমারেখা থাকে না, বরং জ্ঞান, সম্ভাবনা এবং সাফল্যের এক অফুরন্ত উৎস হিসেবে প্রতিভাত হয়। সুতরাং, বাহ্যিক সাফল্যের পেছনে ছোটার পাশাপাশি আত্মিক উন্নতির সাধনা করা অত্যাবশ্যক, কারণ এর মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি সত্যিকারের বিশ্বকে উপলব্ধি করতে এবং তার ভেতরের সুপ্ত সম্ভাবনাকে পূর্ণতা দিতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
(৩)

সারাংশ লিখুন:

সুতরাং দেখা যায় কন্যাকে এরূপ শিক্ষা দেওয়া হয় না, যাহাতে সে স্বামীর ছায়াতুল্যা সহচরী হইতে পারে। প্রভুদের বিদ্যার গতির সীমা নাই, স্ত্রীদের বিদ্যার দৌড় সচরাচর 'বোধোদয়' পর্যন্ত।

স্বামী যখন পৃথিবী হইতে সূর্য ও নক্ষত্রের দূরত্ব মাপেন, স্ত্রী তখন একটা বালিশের ওয়াড়ের দের্ঘ্য প্রস্থ (সেলাই করিবার জন্য) মাপেন! স্বামী যখন কল্পনা-সাহায্যে সুদূর আকাশে গ্রহনক্ষত্রমালা-বেষ্টিত সৌরজগতে বিচরণ করেন, সূর্যমন্ডলের ঘনফল তুলাদণ্ডে ওজন করেন এবং ধূমকেতুর গতি নির্ণয় করেন, স্ত্রী তখন রন্ধনশালায় বিচরণ করেন, চাউল ডাল ওজন করেন এবং রাঁধুনির গতি নির্ণয় করেন। বলি জ্যোতির্বেত্তা মহাশয়, আপনার পার্শ্বে আপনার সহধর্মিনী কই? বোধ হয়, গৃহিণী যদি আপনার সঙ্গে সূর্যমণ্ডলে যান, তবে তথায় হছিবার পূর্বেই পথিমধ্যে উত্তাপে বাষ্পীভূত হইয়া যাইবেন। তবে সেখানে গৃহিণীর না যাওয়াই ভালো!!

Add Explanation
182

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত সময় মধ্যযুগ বলে চিহ্নিত। এর মধ্যে ১২০০ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত দেড় শ বছরকে কেউ কেউ অন্ধকার যুগ বা তামস যুগ বলে অভিহিত করেছেন। বাংলাদেশে তুর্কি বিজয়ের মাধ্যমে মুসলমান শাসনামলের সূত্রপাতের পরিপ্রেক্ষিতে তেমন কোন উল্লেখযোগ্য সাহিত্য সৃষ্টি হয় নি অনুমান করে এ রকম সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি বাংলার সেন বংশের শাসক অশীতিপর বৃদ্ধ লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী নদীয়া বিনা বাধায় জয় করে এদেশে মুসলমান শাসনের সূত্রপাত করেন। ১৩৪২ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ গৌড়ের সিংহাসন দখল করে দিল্লির শাসনমুক্ত রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর পুত্র সেকান্দর শাহের আমলে বড়ু চণ্ডীদাসের আবির্ভাব হয়। বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজে বসবাস করতে হলে মানুষকে একে অপরের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হয় এবং সমাজে শত্রু-মিত্র উভয়ের সাথেই কোন না কোনভাবে মেলামেশা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় সেটি হল শিক্ষা। মানুষের বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষার মানদণ্ডটি অতীব জরুরি। কেননা, অশিক্ষিত বন্ধুর যত আন্তরিকতাই থাক না কেন, সে যে কোন মুহূর্তে নিজের অজ্ঞতাবশত অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বলা হয়, মূর্খ ব্যক্তি পশুর সমান। ভালোমন্দ বিচার করার যথাযথ ক্ষমতা তার নেই। অনেক সময় বন্ধুর ভালোর জন্য কিছু করলেও তার অজ্ঞতার কারণে তা বন্ধুর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। এজন্য তাকে দোষও দেওয়া যায় না। অন্যদিকে, শত্রুকে আমরা সাধারণত অনিষ্টের কারণ হিসেবেই বিবেচনা করি। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে দেখা যায়, একজন মুর্খ বন্ধু অজ্ঞতাবশত যা করতে পারে, একজন শিক্ষিত শত্রু সজ্ঞানে তেমনটি করতে পারে না। জ্ঞানের নির্মল পরশ অন্তত তাকে এ কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারে। যদি অনিষ্ট সে করে তবে সেটা হবে তার দুরাচার। আর মানুষ সব সময়ই শত্রুর দুরাচার সম্পর্কে সজাগ থাকে। ফলে শত্রুর এ চেষ্টা সফল নাও হতে পারে। কিন্তু বন্ধুর ব্যাপারে কোন সন্দেহ না থাকায় মানুষ এতটা সতর্ক থাকে না। অথচ এ অসতর্কতার ফাঁকে মূর্খ বন্ধুর অজ্ঞতাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

তাই বন্ধু নির্বাচনে জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা, জ্ঞান আলো এবং মূর্খতা অন্ধকারের সমতুল্য। আলোতে অনেক বিপদেও নিরাপদ থাকা যায়, অন্যদিকে অন্ধকারে সর্বদাই বিপদের আশঙ্কা থাকে

ABDUL MALEK
ABDUL MALEK
2 years ago
4.7k

"ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন, কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন।" 

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "যতদিন ছিলে" কবিতার একটি অংশ। 

**ভাব-সম্প্রসারণ:** 

এই উদ্ধৃতিটি একটি গভীর জীবনদর্শনের প্রতিফলন। এখানে 'ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন' বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, ব্যক্তিগত চিন্তা, অনুভূতি বা ভাবনাগুলোকে শুধুমাত্র মনস্তাত্ত্বিক বা আবেগগতভাবে না রেখে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। 'নিলীন' শব্দের মাধ্যমে এখানে অভ্যন্তরীণ চিন্তা বা অনুভূতির গভীরতা প্রকাশ করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র অন্তরেও লুকিয়ে থাকলে চলবে না। অন্যদিকে, 'কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন' বাক্যে বলা হচ্ছে যে, আমাদের দক্ষতা, কর্মক্ষমতা ও স্বাধীনতা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করা উচিত। কর্মক্ষেত্রে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিতে পারি এবং যে কাজ করতে পারি, তা যেন আমাদের স্বাধীনতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হয়। এখানে স্বাধীনতার সাথে সক্ষমতার সম্মিলন প্রস্ফুটিত হচ্ছে, যেখানে ব্যক্তি নিজের দক্ষতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করার স্বাধীনতা পায়। সংক্ষেপে, এই উদ্ধৃতিটি আমাদেরকে উৎসাহিত করে যে, আমাদের অভ্যন্তরীণ ভাবনা বা চিন্তাকে শুধু মনে সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব জীবনের কাজে লাগিয়ে কার্যকরীভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিজের সক্ষমতা ও স্বাধীনতা প্রমাণ করতে হবে।

উত্তরঃ

আমরা সবসময় ভাবের গহনায়, অনুভূতির গভীরতায় হারিয়ে থাকি, যেখানে কোনো এক নিস্তব্ধতা বা মাধুর্য লুকিয়ে থাকে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে, বাস্তব জীবনে সেই ভাবনার পরিবর্তে আমাদের প্রমাণিত করতে হয় আমাদের ক্ষমতা এবং স্বাধীনতার। সেখানে ভাবের বন্দি হয়ে থাকার সুযোগ নেই। আমরা যদি শুধু ভাবনায় নিমজ্জিত থাকি, তবে বাস্তবতার চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না।

এখানে "ভাবের ললিত ক্রোড়ে" বলতে বোঝানো হচ্ছে যে আমরা আমাদের ভাবনাগুলোকে এতটাই গুরুত্ব দিই যে সেগুলো আমাদের কর্মক্ষমতা বা স্বাধীনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বাস্তবিকভাবে আমাদের শক্তি এবং স্বাধীনতা আমাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। আমাদের উচিত আমাদের ভাবনার সাথে সাথে কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করা, যাতে আমাদের সক্ষমতা এবং স্বাধীনতা স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশ পায়।

এইভাবে, কবি আমাদের শেখাতে চাইছেন যে ভাবনা ও কর্মের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। ভাবনার সৌন্দর্য বা গভীরতা তার স্থানেই মূল্যবান, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও স্বাধীনতার প্রয়োগই আসল বিষয়।

Shamim Hossan
Shamim Hossan
1 year ago
2.1k
(ক)
তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ৭ প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
অথবা
উত্তরঃ

তরুণদের উচিত তাদের অমূল্য জীবনকে সার্থক করার জন্য তাদের অনন্ত শক্তিকে কাজে লাগানো।পূর্বপুরুষদের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে বসে না থেকে বরং বর্তমানের নতুন পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো ।তাদের বর্তমানের বেদনাকে উপেক্ষা করে ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ স্থাপন করার চেষ্টা করা উচিত।অতীতের প্রতি আসক্তি মানুষকে অন্ধ করে দেয়, বর্তমানের পরিস্থিতি বুঝতে বাধা দেয়, ফলে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ, বিগ্রহ-বিপ্লব এবং রক্ত-বন্যার মতো ঘটনা ঘটে।মানুষের উচিত অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা না করে বর্তমানের নব পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো।তরুণদের চিরকালই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.7k
উত্তরঃ

এ কালের দৃশ্যটি অত্যন্ত মন্দ এবং চিন্তামূলক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব করা উচিত পরিস্থিতির মধ্যে পর্যায়ক্রমে হেঁটে যাচ্ছে অস্ত্রোচ্চারণ, অন্ধ প্রতিদ্বন্দ্বীতা, স্বতন্ত্রতার অভাব, এবং নৈতিক মূল্যবোধের হারানো অবস্থা। এ দৃশ্যে অনুভব হচ্ছে ক্রুরতা, অসহ্য প্রহরণ, এবং অমানুষিক ব্যবহারের উত্কৃষ্ট উদাহরণ। প্রত্যাশা ও নিরাপদতা এ সময়ে অস্তিত্বে নেই। এই সময়ে সতর্কতা ও শান্তিপূর্ণতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.4k
উত্তরঃ

মাছের মায়ের কান্না বাগধারার অর্থ মিথ্যাশোক।

বাক্য: খেলার সময় একটু আঘাত পেয়েই সে মাছের মার কান্না করছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
2k
উত্তরঃ

কান পাতলা অর্থ যে সব বিশ্বাস করে
>সে একজন কান পাতলা মানুষ তাকে সব কথা বলতে নেই।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
830
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ৭ প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews