Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোরটি মেজোমামার হবু শ্বশুরবাড়ি ভেবে ভুল চৌধুরী বাড়িতে চলে যায়। সেই চৌধুরীদের গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে সে ট্রেনের ভদ্রলোকের কাছে অবগত হয়। পরবর্তীসময়ে যা সে নিজেই অবলোকন করে।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোরটি ভুলক্রমে যে অঞ্চলের চৌধুরী বাড়ি চলে যায়, সেই অঞ্চলটি ছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। ভুল ট্রেনে চেপে যে ভদ্রলোকের সাথে কিশোরটির পরিচয় হয় তিনি তাকে জানান, সেখানে ঘুরে দেখার মতো অনেক কিছুই আছে। মাইল তিনেকের মধ্যে আছে পদ্মবিল। সেখানে আছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। শহরের পশ্চিমে আছে বিরাট মাঠ। সেখানে ছেলেরা খেলাধুলা করে। মাঠের ওদিকটাতেই কিছুটা জঙ্গলের মতো আছে। আগে ঘন জঙ্গল থাকলেও বর্তমানে দু-একটি পাতলা ঝোপঝাড় ছাড়া আর কিছু নেই। এখন ছেলেরা সেখানে পিকনিক করতে যায়। গল্পের কিশোরটি পরদিন সেই বাড়ির ছেলেদের সাথে পদ্মবিলে পাখি শিকার করতে যায়। বিলের সৌন্দর্য দেখে সে মোহিত হয়।

বিল, মাঠ, জঙ্গলের সমারোহে চৌধুরীদের গ্রাম ছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের গল্পকথকের পরীক্ষা থাকার কারণে তার মেজোমামার বিয়েতে অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ছোটোমামার পরামর্শে বিয়ের দিন সরাসরি কনের বাড়িতে উপস্থিত হওয়ার জন্য তাড়াহুড়োয় ভুল ট্রেনে উঠে পড়ে ভুল বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাকে।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে গল্পকথক কিশোরটির মেজোমামার বিয়ে নিয়ে ঘটনাপ্রবাহ আবর্তিত হয়। ছোটোমামা বিয়ের তিন দিন আগে সবাইকে নিয়ে মামাবাড়ি গেলেও স্কুলে পরীক্ষা থাকার কারণে তাকে থেকে যেতে হয়। মামার বিয়েতে অংশ নেওয়া তার জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। যদিও মেজোমামার বিয়ে তার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরের দিন, কিন্তু মামাবাড়ি যাওয়ার ট্রেনের সময়সূচির জন্য তার যাওয়া অনিশ্চয়তায় পড়ে। এমন পরিস্থিতি থেকে তাকে উদ্ধার করেন ছোটোমামা।

ছোটোমামা গল্পকথককে মামাবাড়ি না গিয়ে সরাসরি কনের বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে সে বিয়ে বাড়িতেই বরযাত্রীর সাথে যুক্ত হতে পারবে। তার আর মেজোমামার বিয়ে থেকে বঞ্চিতও হতে হবে না। ছোটোমামার পরামর্শ অনুযায়ী সে সতেরো তারিখ দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেনের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। ছোটোমামা স্টেশনের নাম ভুলে গিয়েছিলেন। তিনি জানান, বারোটি স্টেশন পরে নেমে 'চৌধুরী বাড়ি'র কথা বললেই লোকে চিনিয়ে দেবে। চৌধুরীরা সেখানকার নামকরা লোক। এমন ঠিকানা ও গন্তব্য মাথায় নিয়ে গল্পকথক স্টেশনে পৌছায়। তার ট্রেন ছিল সাড়ে বারোটায়। ভুল করে সে বারোটার ট্রেনে উঠে পড়ে।

ট্রেনে চেপে একজন ভদ্রলোকের সাথে তার পরিচয় হয়। ভদ্রলোক তাকে ডেকে পাশে বসান। বিভিন্ন গল্প করতে করতে গল্পকথকের গন্তব্য জানতে চাইলে সে বারোটি স্টেশন পরে নেমে চৌধুরীদের কথা জানায়। ঘটনাক্রমে সেই ভদ্রলোকও সেখানেই যাচ্ছিলেন। একই বাড়ির একই বিয়েতে তাদের একত্রে গমন তাদের মধ্যে আন্তরিকতার সৃষ্টি করে। গল্পকথক কনের বাড়ির একজন আত্মীয় পেয়ে আশ্বস্ত হয়। ট্রেনের ভদ্রলোক তাকে চৌধুরী বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বরের ভাগ্নে হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। তার পরীক্ষা থাকার কারণে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বিয়েতে আসার কারণও জানানো হয়। কনের বাড়ির সবাই তাকে সাদরে গ্রহণ করে। বিয়ের সন্ধ্যায় বরযাত্রী এলে দেখা যায়, এই বর গল্পকথকের মামা নয়। বরযাত্রীও তাকে চিনতে পারে না। এমতাবস্থায় তার মামাবাড়িতে টেলিগ্রাম পাঠালে পরদিন ছোটোমামা এসে পড়েন। ছোটোমামার সঙ্গে চৌধুরী ও ট্রেনের ভদ্রলোকের অনেকক্ষণ আলাপের পরে বিষয়টি খোলাসা হয়।

গল্পকথকের ট্রেন ছিল সাড়ে বারোটায়, যে ট্রেনে চেপে সে মেজোমামার হবু শ্বশুরবাড়ি যাবে। ভুল করে সে বারোটার ট্রেনে উঠে পড়ে, যেটি ছিল বিপরীতগামী। ঘটনার এমনই দৈবপাকে গল্পকথককে মেজোমামার বিয়েতে অংশ নিতে গিয়ে বিপাকের মধ্যে পড়তে হয়। সাড়ে বারোটায় চিটাগাং লাইনের ট্রেনের বদলে ভুল করে বারোটায় ময়মনসিংহ লাইনের ট্রেনে চড়াতেই ছিল তার বিপাকের সূত্রপাত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
68

Related Question

View All
উত্তরঃ

বরের ভাগ্নে হিসেবে বিয়ের একদিন আগেই উপস্থিত হওয়া 'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোরটির প্রতি চৌধুরীদের আতিথেয়তা ছিল আন্তরিক। চৌধুরীরা হবু আত্মীয় হিসেবে সৌহার্দ নিয়ে তাকে বরণ করে।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে কিশোর ছেলেটির পরীক্ষা থাকায় সে বাড়ির সবার সঙ্গে মেজো মামার বিয়েতে যেতে পারে না। ছোটোমামার পরামর্শক্রমে সে বিয়ের দিন দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেনে কনের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়ে ভুল করে বারোটায় ভুল ট্রেনে উঠে পড়ে। সেই ট্রেনে পরিচয় হওয়া এক ভদ্রলোকের সাথে দৈবভাবে তার হবু আত্মীয় বাড়ির সবকিছুই মিলে যাওয়ায় সে ভুল চৌধুরী বাড়িতে উপস্থিত হয়। বরের ভাগ্নে হিসেবে তারা সানন্দে গ্রহণ করে তাকে। তাকে আন্তরিকতার সাথে আদর-আপ্যায়ন করে। যত্ন করে খাওয়াদাওয়া করায়। কিশোরটির ভাষায় যা বিয়ের খাবারকেও হার মানায়। সেই বাড়ির সমবয়সি ছেলেরা তাকে নিয়ে পদ্মবিলে শিকারে চলে যায়। অনেক আনন্দ-ফূর্তি করে তারা। এমনকি তার ভুল করে ভুল বিয়ে বাড়িতে এসে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ হলেও চৌধুরীরা তার সাথে মার্জিত আচরণ করে। তারা তার মামাবাড়িতে টেলিগ্রাম পাঠিয়ে ছোটোমামাকে ডেকে এনে বিষয়টি খোলাসা করে।

পরিশেষে বলা যায়, 'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোর ছেলেটি নিজের মামার শ্বশুরবাড়ি ভেবে ভুল চৌধুরীদের বাড়িতে উপস্থিত হলেও তাদের আতিথেয়তা ছিল সৌহার্দপূর্ণ। তারা তাকে বরের ভাগ্নে হিসেবে আন্তরিকতা নিয়েই গ্রহণ করেছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোর ছেলেটির মেজো মামার বিয়ে। বিয়ের তিন দিন আগে ছোটো মামা সবাইকে নিয়ে গেলেও পরীক্ষার কারণে কিশোরটি যেতে পারবে না। ছোটোমামা তখন কিশোর ছেলেটিকে সরাসরি কনের বাড়িতে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিলে কিশোরটি মামার বিয়েতে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্‌বুদ্ধ হয়।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে কিশোর ছেলেটির স্কুলে পরীক্ষা চলছে। এমন সময়ে তার মেজো মামার বিয়ে ঠিক হয়। মেজোমামা ও ছোটোমামা তাদের বাড়িতে আসেন নিমন্ত্রণের জন্য। মেজোমামা একদিন পর চলে যান। ছোটোমামা বিয়ের তিন দিন আগে সবাইকে নিয়ে যাওয়ার জন্য থেকে যান। কিন্তু কিশোর ছেলেটি তার পরীক্ষা থাকার কারণে বাদ পড়ে যায়। এমতাবস্থায় ছোটোমামা মেজোমামার বিয়েতে যাওয়ার একটি পরামর্শ দেন। পরামর্শটি শুনে কিশোর ছেলেটি আশান্বিত হয়।

মেজোমামার বিয়ে সতেরো তারিখে। কিশোরটির পরীক্ষা শেষ হবে ষোলো তারিখে। ফলে আগের দিন পরীক্ষা শেষ হলেও মামার বিয়েতে উপস্থিত থাকা অনিশ্চিত হয়ে যায় ছেলেটির জন্য। সতেরো তারিখে সাড়ে বারোটার ট্রেনে চড়লেও পৌছাতে সন্ধ্যা সাতটা বাজবে। ততক্ষণে তার মামা বরযাত্রীসহ বিয়েতে রওনা হয়ে যাবেন। কিশোরটির কাছে মনে হয় বরযাত্রী হিসেবে না যেতে পারলে বিয়েতে যাওয়ার কোনো মানে নেই। এমন সময়ে ছেলেটির মনোবাসনা পূরণে এগিয়ে আসেন ছোটোমামা। কিশোরটিকে মামাবাড়ি না গিয়ে সরাসরি কনের বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ছোটোমামার পরামর্শ শুনে কিশোরটি আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে ওঠে।

ছোটোমামা ছেলেটিকে সতেরো তারিখ সাড়ে বারোটার ট্রেন ধরে সোজা কনের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বলেন। সরাসরি সেখানে গিয়ে সে বরযাত্রীর সাথে মিলিত হতে পারবে। তাহলে তার বিয়ে উপভোগ করা কিংবা বিরিয়ানি খাওয়া কোনোটাই বাদ যাবে না। ছোটোমামা কনের বাড়ির স্টেশনের নাম ভুলে যান। অনেক ভেবেচিন্তে ছোটোমামা আরেকটা বুদ্ধি বের করেন। তিনি জানেন, ঢাকা থেকে বারোটি স্টেশন পরে কনের বাড়ি। সেখানে চৌধুরীদের নাম বললেই লোকে চিনিয়ে দেবে। চৌধুরীরা ওই এলাকার নামকরা লোক। মেজোমামা চৌধুরীদের মেয়েই বিয়ে করছেন। কিশোরটি যদি ঢাকা থেকে গুনে গুনে বারোটি স্টেশন পরে নেমে চৌধুরীদের পরিচয় দেয়, সহজেই সে মেজোমামার হবু শ্বশুরবাড়ি পৌছাতে পারবে।

ছোটোমামার পরামর্শ মন দিয়ে শুনে কিশোরটি উদ্বুদ্ধ হয়। সে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে মামার বিয়েতে উপস্থিত হতে পারার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
114
উত্তরঃ

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের গল্পকথক ভুল করে ভুল চৌধুরী বাড়িতে উপস্থিত হলেও সেখানে তার ভ্রমণ ছিল আনন্দময়। সেই বাড়িতে তার সমবয়সি ছেলেরা তাকে নিয়ে পদ্মবিলে পাখি শিকারে যায়। পাখি শিকারে গিয়ে তার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের গল্পকথকের মেজোমামার বিয়ে। পরীক্ষার কারণে সেই বিয়েতে বিচ্ছিন্নভাবে অংশ নিতে গিয়ে সে উপস্থিত হয় ভুল বিয়েবাড়িতে। সেই বাড়ির লোকজন তাকে আন্তরিকভাবেই গ্রহণ করে। বরের ভাগ্নে হিসেবে আদর-আপ্যায়ন করে। সেই বাড়ির ছেলেরা তাকে নিয়ে পাখি শিকার করতে যায় বিলে। বিলটির নাম পদ্মবিল হলেও সেখানে পদ্ম ছিল না। স্থানে স্থানে শাপলা আর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি ছিল শুধু। শিকারের নামে প্রাণী হত্যা মন্দ কাজ হিসেবে উল্লেখ করেও তার রেহাই হয় না। বুলু-টুলুরা চার-পাঁচটা বক মারার পরেই গল্পকথকের হাতে বন্দুক দিয়ে শিকার করতে বলে। গল্পকথক না চাইলেও জোর করে তাকে শুট করতে হয়। সে শুট করতে জানে না। তবুও জোর করে শুট করতে হলে কম্পিত হাতে ট্রিগার চাপে। সেই গুলি গিয়ে লাগে বাঁ পাশে কিছুটা দূরে দাঁড় করিয়ে রাখা তাদের মোটরকারের চাকায়। সশব্দে চাকাটি ফেটে যায়। বুলু-টুলু গাড়ির পিছন থেকে বাড়িত চাকা এনে লাগিয়ে নেয়। অতঃপর তারা বাড়ি ফেরে।

গল্পকথকের অনাকাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ ও পাখি শিকারের অভিজ্ঞতা ছিল ভিন্নরকম অভিজ্ঞতার। বন্দুক চালানোর অনভিজ্ঞতা নিয়েও শুট করেছিল। যার গুলি লেগে গাড়ির চাকা ফেটে গিয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের গল্পকথক একটি কিশোর ছেলে হওয়ায় ট্রেনের ভদ্রলোক তাকে সহানুভূতির চোখে দেখেন। তাদের গন্তব্য একই জায়গায় হওয়ায় তাদের মধ্যে একটি আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে যার প্রকাশ ঘটে।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোর ছেলেটির মেজোমামার বিয়ে। স্কুলে পরীক্ষা থাকার কারণে সে পরিবারের বাকি সবার সাথে মামাবাড়ি যেতে পারে না। ছোটোমামা তাকে সরাসরি কনের বাড়িতে উপস্থিত হওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়। তার পরামর্শ অনুযায়ী গল্পকথক সরাসরি কনের বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা দেয়। তার ট্রেন দুপুর সাড়ে বারোটায়। সাড়ে এগারোটায় সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখে ট্রেন ছেড়ে দিচ্ছে। তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে ওঠে। কিশোরটি যে কামড়ায় চড়ে, সেখানে বেশি ভিড় ছিল না। একজন ভদ্রলোক তাকে ডেকে পাশে বসায়। এরপর দুজনের মধ্যে রসাত্মক ও আন্তরিক একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে চেপে কিশোরটি পাশে থাকা ভদ্রলোকের ঘড়িতে দেখতে পায় কেবল বারোটা বাজে। তার ট্রেন ছিল সাড়ে বারোটায়। ভদ্রলোকের ঘড়িতে সময় বারোটা দেখালে সে দ্বিধান্বিত হয়। ভদ্রলোকের ঘড়ির সময় সম্পর্কে সে সন্দিহান হয়ে পড়ে। ঘড়ি সচল নাকি অচল এই বিষয়ে ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলে তাদের মধ্যে পরবর্তী কথোপকথন রসাত্মক হয়ে ওঠে। বয়স্ক একজন ভদ্রলোকের সঙ্গে কিশোর একটি ছেলের মধ্যে অনায়াস ও কৌতুকপূর্ণ কথোপকথন তাদের উভয়ের আন্তরিকতার পরিচয় দেয়। পরবর্তীকালে কিশোরটি তখন তার ছোটোমামার ট্রেনের সময় নির্ধারণে ভুল হতে পারে ভেবে নেয়। এরপর ভদ্রলোকের সাথে গল্পকথকের আলাপচারিতায় প্রকাশ পায় তারা একই গন্তব্যে যাচ্ছে।

সেই স্টেশন থেকে পরবর্তী গন্তব্যের কথা জানতে চাইলে চৌধুরীদের প্রসজা আসে। কিশোরটির মেজোমামা সেখানকার চৌধুরীদের মেয়ে বিয়ে করছেন। কিশোরটি সেই চৌধুরী বাড়িতে যাচ্ছে। ভদ্রলোক জানান, তিনিও চৌধুরী বাড়িতেই যাচ্ছেন। চৌধুরী তার আত্মীয় হন। তার মেয়ের বিয়েতে যোগদানের জন্য তিনি যাচ্ছেন। ভদ্রলোক ও কিশোরটির গন্তব্য একই জায়গায়, একই বাড়িতে হওয়ায় তাদের মধ্যে আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায়।

পরিশেষে বলা যায়, তাড়াহুড়ো করে ভুল ট্রেনে চেপে বসলেও সেখানে একজন ভদ্রলোকের সঙ্গে সহজ ও অনায়াস সম্পর্ক তৈরি হওয়ায় গল্পকথকের পরবর্তী যাত্রা সহজ ও সুন্দর হয়। বয়সের ব্যবধান ঘুচে যায় উভয়ের সৌহার্দপূর্ণ মানসিকতায়। তাদের গন্তব্য একই জায়গায় হওয়ায় তাদের মধ্যকার আন্তরিকতা আরও বৃদ্ধি পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
92
উত্তরঃ

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে বিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য কিশোর ছেলেটির অপেক্ষার তর আর সইছে না।

গল্পের কিশোরটির স্কুলে পরীক্ষা থাকার জন্য সে মামার বিয়েতে সকলের সাথে যেতে পারেনি। মেজো মামার বিয়ের আয়োজনে যেন সে উপস্থিত থাকতে পারে এইজন্য তার ছোটো মামা তাকে একটি পরামর্শ দেয়। বিয়ের দিন দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেনে চড়ে সোজা মেয়ের বাড়িতে যেতে বলেন; তাহলে সেখানে সে পরিবার ও বিয়ে বাড়ির সকলের সাথে মিলতে পারবে। পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরের দিন ট্রেনে উঠার জন্য তার অপেক্ষার তর সহ্য হচ্ছিল না। সে খুবই উচ্ছসিত ছিল বিয়ে বাড়ি দ্রুত পৌছানোর জন্য।

মেজো মামার বিয়েতে সঠিক সময়ে উপস্থিত থাকতে চাওয়ার আনন্দে কিশোরের ট্রেনের জন্য অপেক্ষার তর সইছিল না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

খান মোহাম্মদ ফারাবী একজন সৃষ্টিশীল মেধাবী লেখক। তাঁর 'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে আমার ট্রেনের ভদ্রলোক চরিত্রটিকে বেশি ভালো লেগেছে তার আন্তরিকতাপূর্ণ ব্যবহারের কারণে।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পের কিশোর ছেলেটি বেশি তাড়াহুড়োর জন্য সাড়ে বারোটার চিটাগাং লাইনের ট্রেনে না-উঠে বারোটার ময়মনসিংহ লাইনের ট্রেনে উঠে পড়ে। সে ট্রেনের যে কামরায় ওঠে সেখানে বেশি ভিড় ছিল না। সে কামড়ার এক ভদ্রলোক তাকে ডেকে পাশে বসায়। ভদ্রলোকের ঘড়ির সময় দেখে কিশোর তাকে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন করলে তাদের মধ্যে একটা হাস্যরসাত্মক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিশোর ছেলেটি তার গন্তব্য স্টেশনের নাম না-জানলে ভদ্রলোকটি কিশোর ছেলেটির কথামতো গণনা করে তাকে সেই স্টেশনের নাম বলে। তাকে সাথে করে চৌধুরীদের বিয়ে বাড়ি নিয়ে যায় এবং সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এখানে চরিত্রটির দায়িত্বজ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়।

গল্পকথকের বিয়ে বাড়ি সহজে পৌছানো, যাত্রা সহজ ও সুন্দর হয় ভদ্রলোকটির সৌহার্দপূর্ণ মানসিকতার জন্য। বয়সের ব্যবধান থাকলেও ছোটো একটি ছেলের প্রতি আন্তরিকতা দেখানোর জন্য ট্রেনের ভদ্রলোকের চরিত্রটিকে আমার ভালো লেগেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
65
উত্তরঃ

গল্পকথক পদ্মবিলে শিকার করতে যেতে না চাইলেও বুলু ও টুলুর জোরাজুরিতে শেষপর্যন্ত শিকার করতে যেতে হয়।

কিশোর ছেলেটি চৌধুরী বাড়ি যাওয়ার সময় জানতে পারে বিয়ের তারিখ একদিন পিছিয়েছে। রাত্রে সেখানে বিশ্রাম করলেও পরের দিন সকালে চৌধুরী বাড়ির দুইজন ছেলে এসে কিশোরকে পদ্মবিলে শিকার করতে যেতে বলে। কিশোরটি নানা রকম অজুহাত, যুক্তিতর্ক দেখায় বনে যেয়ে প্রাণিহত্যা না করার জন্য। তবে ছেলে দুইটি ছিল নাছোড়া বান্দা। তারা তাকে বনে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও বেশি পীড়াপীড়ি শুরু করে।

বুলু ও টুলুর পীড়াপীড়িতে কিশোর ছেলেটি যুক্তি দিয়েও অবশেষে হার মেনে তাদের সাথে পদ্মবিলে শিকার করতে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

খান মোহাম্মদ ফারাবীর 'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্প থেকে হাস্যরসের মাধ্যমে ঝোঁকের বশে কোনো কাজ না করার শিক্ষা পেয়েছি।

'মামার বিয়ের বরযাত্রী' গল্পে দেখা যায়, কিশোর ছেলেটি তার মামার বিয়েতে যাওয়ার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে থাকে। কনে বাড়ির ঠিকানা না জেনে কেবল বারো স্টেশন পর নেমে চৌধুরী বাড়ি যাবে ভেবে বাড়ি থেকে রওনা হয়। সঠিক তথ্য না জেনে অনুমাননির্ভর ঠিকানায় গিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে কী পরিমাণ বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয় তা আলোচ্য গল্পে দেখা যায়।

সাড়ে বারোটার ট্রেনে না-উঠে কিশোর ছেলেটি তাড়াহুড়া করে স্টেশন ছেড়ে যাওয়া বারোটার ট্রেনে উঠে পড়ে। সে যে কোন সময়ের ট্রেনে উঠেছে, সেটি কোন রুটের ও কী নাম তা সে একবারও খেয়াল করার প্রয়োজন মনে করে না। তাকে ট্রেনে আট-আনা জরিমানাও দিতে হয়। ট্রেনের কামরায় এক ভদ্রলোকের সহযোগিতায় সে অন্য এক চৌধুরী সাহেবের বাড়িতে উপস্থিত হয়। কাকতালীয়ভাবে সেই চৌধুরী সাহেবের মেয়েরও বিয়ে হচ্ছিল। ঝোঁকের বশে ভুল ট্রেনে উঠে পড়া, ভুল ঠিকানায় পৌছানো ও বরযাত্রীরা- তাকে চিনতে না পারা এসবকিছু মিলে সে এক বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। উপরন্তু মামার বিয়েতে ছেলেটির যে আনন্দ করার কথা ছিল তা সে করতে পারে না।

কোনো কাজ সঠিক তথ্য না জেনে করা উচিত নয়। তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করলে তার ফল যে ভালো হয় না বরং দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা এই গল্পটি পড়ে আমি শিক্ষা পেয়েছি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
72
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews