Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ছেলেটি বড়ো হয়ে ওঠার পর আমগাছের সাথে আর নিয়মিত খেলতে আসত না বলে আম গাছটি প্রায়ই একলা দাঁড়িয়ে থাকত।

শৈশবে ছেলেটি প্রতিদিনই আমগাছের কাছে আসত। সেসময় আমগাছের সাথে সে নানা খেলায় মেতে উঠত। কিন্তু শৈশবকাল অতিক্রম করার পর স্বাভাবিকভাবেই তার খেলার ঝোঁক কমে আসে। ব্যস্ততা বাড়তে থাকে। ফলে আমগাছের কাছে সে পূর্বের মতো প্রতিদিন আসত না। তাই আমগাছটিকে প্রায়ই একলা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত। ছেলেটির বয়স বাড়ার সাথে তার জীবনযাপন প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়ে গেলে গাছটি একলা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে থাকত ছেলেটির জন্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে দেখা যায় একটি আমগাছ একটি ছেলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে তার সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে। যা তাকে করে তুলেছে মহত্ত্বের অধিকারী।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পটি একটি আমগাছ ও একটি ছেলেকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। গল্পটিতে দেখা যায় একটি ছেলের শৈশবে সে একটি নিঃসঙ্গ আমগাছের ছায়ায় আপন মনে খেলাধুলা করত। আমগাছটি তার একাকী জীবনে বালকটির সংস্পর্শ পেয়ে আনন্দিত হতো। বালকটির উপস্থিতি তাকে উৎফুল্ল করত। ধীরে ধীরে বালকটি বড়ো হয়ে উঠতে থাকলে তার জীবনযাপনের ধারা পালটে যায়। সে আর আমগাছের সাথে খেলতে আসে না। দীর্ঘদিন পর যখন ছেলেটি আমগাছটির কাছে আসে, তখন তার খেলাধুলা করার সেই সরল জীবন আর নেই। সে তার দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে আমগাছের কাছে সাহায্য চাইতে আসে। গাছটি তখন তার আমগুলো ছেলেটিকে দিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে ছেলেটির বাড়ি বানানোর প্রয়োজন হলে নিজের ডালপালা দিয়ে দেয়। আরও অনেকদিন পরে বিষণ্ণ ছেলেটির মন ভালো করতে নৌকা বানানোর প্রয়োজন হলে আমগাছটি নিজের কান্ডটাও দিয়ে দেয়। আরও বহুদিন পরে নিজের অবশিষ্ট থাকা গুঁড়িতেই ছেলেটিকে আশ্রয় দেয় আমগাছটি। ছেলেটির জীবন প্রক্রিয়ার সাথে নিজেকে বিলিয়ে দিতে দিতে নিঃস্ব হয়ে গেলেও গাছটির বিন্দুমাত্র অনুশোচনা থাকে না। অন্যের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে পারাতেই ছিল তার আনন্দ। গল্পটি পড়ে উপলব্ধি হয়, যারা মহৎ, তাদের কাছে অপরের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মাঝে কোনো অনুশোচনা থাকে না, বরং এতেই তাদের জীবন সার্থক হয়ে ওঠে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
73

Related Question

View All
উত্তরঃ

ছেলেটি ছোটো থাকাকালীন আমগাছের সঙ্গে ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সম্পর্ক। বড়ো হতে গিয়ে যা তার প্রয়োজনীয়তায় রূপ নেয়।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে একটি ছেলে একটি আমগাছের ছায়ায় খেলা করত। তার ডালে দোল খেত। তার আম পেড়ে খেত। আমগাছটির সঙ্গে লুকোচুরি খেলত। ক্লান্ত হয়ে পড়লে তার ছায়ায়ই ঘুমিয়ে যেত। নিঃসঙ্গ গাছটি ছেলেটির সঙ্গ উপভোগ করত। সে নিজেকে সুখী মনে করত।

ছেলেটিকে দেখলেই আনন্দিত হতো। ছেলেটির ছিল অল্পবয়স। সামান্য প্রয়োজন আর সরল মন। সে তখন গাছের সঙ্গে খেলা করেই আনন্দ পেত। তার মধ্যে বাড়তি কোনো প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের।

ছোটোবেলায় আমগাছের সঙ্গে ছেলেটির সরল ও নিঃস্বার্থ সম্পর্ক থাকে। বড়ো হতে গিয়ে সেখানে জায়গা নেয় জীবনের জটিলতা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিঃসঙ্গ আমগাছটির ছায়ায় একটি ছেলে খেলতে এসে তাকে সঙ্গ দিত। ছেলেটির প্রতি আমগাছটির ছিল অসীম মমতা। ফলে সে ছেলেটিকে তার সবকিছু বিলিয়ে দিতে পারলেই সুখী হতো।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পের আমগাছটির ছায়ায় একটি ছোটো ছেলে খেলা করত। তার ঝরাপাতা দিয়ে মুকুট বানিয়ে রাজা সাজত। তার কাণ্ড বেয়ে উপরে উঠে ডাল ধরে দোল খেত, আম খেতো। মাঝে মধ্যে তারা লুকোচুরি খেলত। তারপর এইসব করে ক্লান্ত হয়ে গেলে তার ছায়ায় ঘুমিয়ে যেত। গাছটি ছিল একা। তার নিঃসঙ্গ জীবনে ছেলেটি আনন্দ নিয়ে আসত। সে ছেলেটির সঙ্গ উপভোগ করত। এভাবে ছেলেটির প্রতি তার স্নেহ-মমতা ও ভালোবাসা জন্মে যায়। সে ছেলেটির জন্য নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকে। দেখতে দেখতে ছেলেটি বড়ো হয়ে যায়। অনেক দিন পর পর আসে। তবুও গাছটি তাকে পূর্বের ন্যায়ই ভালোবাসত। দীর্ঘদিনের ব্যবধানে এলেও তার প্রতি গাছটির মমতা কমত না। বড়ো হয়ে ছেলেটি তার কাছে নিজ প্রয়োজনে আসত। আমগাছ তাকে ভালোবাসা হিসেবেই বিবেচনা করত। সে ছেলেটিকে সাহায্য করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠত। এভাবে ছেলেটির প্রয়োজন মাফিক তার আম, ডালপালা, কান্ড সবই সে দিয়ে দেয়। নিজেকে নিঃস্ব করে বিলিয়ে দেওয়াতেও তার ছিল অপরিসীম আনন্দ।

ছেলেটি আমগাছটির নিঃসঙ্গ জীবনে আনন্দ নিয়ে এসেছিল বলে ছেলেটির প্রতি তার ছিল ভীষণ কৃতজ্ঞতা। আর ছিল অসীম মমতা, স্নেহ ও ভালোবাসা। ফলে ছেলেটির জন্য সে তার সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েও আনন্দ পেত, সুখী হতো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
72
উত্তরঃ

ছেলেটি জীবনে চলতে চলতে ক্লান্ত। বৃদ্ধ বয়সে একটু বিশ্রামের প্রয়োজনে সে নিরিবিলি জায়গা খুঁজছিল।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে একটি ছেলের জীবন পরিক্রমা দেখানো হয়েছে। শৈশব থেকে তার বার্ধক্য পর্যন্ত উঠে এসেছে গল্পে। যে দুরন্ত ছেলেটি একদিন আমগাছের ছায়ায় নানাবিধ খেলা খেলত, তরতরিয়ে গাছে উঠে যেত, সেই ছেলেটি এখন বার্ধক্যে নিস্তেজ প্রায়। হাঁটার শক্তিও তার কমে এসেছে। বয়স তাকে জীর্ণ করে দিয়েছে। তার এখন একটু বিশ্রাম প্রয়োজন। তার বাকি সব প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। জীবনের যাত্রায় সে এখন পরিশ্রান্ত। কোথাও কোনো নিরিবিলিতে বসে একটু জিরিয়ে নিতে পারলেই তার শান্তি।

জীবনের পরিক্রমায় বার্ধক্যে উপনীত হয়ে ছেলেটির মধ্যে যে ক্লান্তি চেপেছে, তা থেকে একটু জিরিয়ে নিতেই সে নিরিবিলি জায়গা খুঁজছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ছেলেটির জীবনের ধাপে ধাপে আমগাছটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছেলেটির জীবনব্যাপী তার প্রয়োজন অনুযায়ী আমগাছটি তার সবকিছু বিলিয়ে দিতে থাকে। এভাবে আমগাছটি ছেলেটির পুরো জীবন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে যায়।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পের আমগাছ ও ছেলেটি পরস্পরের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে যায়। পুরো জীবনব্যাপী তারা ছিল পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ছেলেটির ছোটোবেলায় সে আমগাছটির সঙ্গে খেলা করত, তার নিঃসঙ্গ জীবনে আনন্দ নিয়ে আসত। ছেলেটির প্রতি আমগাছটির কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা ছিল অসীম। ছেলেটি বড়ো হয়ে যখন নানান জিনিস কেনার জন্য টাকা চায়, আমগাছ তখন বিক্রি করে টাকা পাবে বলে তার সব আম ছেলেটিকে বিলিয়ে দেয়। অনেক দিন পর ছেলেটি আসে বাড়ি বানানোর সাহায্য চাইতে। আমগাছ তার ডালপালাগুলো ছেলেটিকে দিয়ে দেয় বাড়ি বানানোর জন্য। আবার অনেক দিন পর ছেলেটি আসে। তার মনে শান্তি নেই। সে একটি নৌকা বানিয়ে কোথাও ভেসে যেতে চায়। গাছটি তার কাণ্ডটা ছেলেটিকে দিয়ে দেয় নৌকা বানিয়ে ভেসে বেড়ানোর জন্য। আরও বহুদিন পরে ছেলেটি আসে বৃদ্ধ হয়ে। তার তখন চাই একটু বিশ্রাম। কোথাও বসে সে জিরোতে চায়। সর্বস্ব হারিয়ে শুধু গুঁড়ি নিয়ে বেঁচে থাকা গাছটি তখন তার গুঁড়ি পেতে দেয় ছেলেটির আরামের জন্য।

ছেলেটির পুরো জীবন ধরেই আমগাছটি তাকে নানাভাবে সাহায্য করে। এতে সে নিজে নিঃস্ব হয়ে যায়, তবুও ছেলেটির আনন্দে সুখী হয়। এভাবেই ছেলেটির জীবন প্রক্রিয়ায় আমগাছটি একজন ত্রাতা হয়ে ওঠে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
65
উত্তরঃ

ছেলেটি তার জীবনব্যাপী বিভিন্ন প্রয়োজনে আমগাছটির কাছ থেকে আম, ডালপালা, কাণ্ড, গুঁড়িসহ নানাবিধ জিনিস নিয়ে সুবিধা ভোগ করে।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে আমগাছ ও ছেলেটির সম্পর্ক ছিল প্রকৃতির মতোই সহজাত। তারা পরস্পর মমতার বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। একসময় ছেলেটি বড়ো হতে থাকলে জীবনের জটিলতায় বিভিন্ন প্রয়োজন মিটানোর জন্য আমগাছের দ্বারস্থ হয়। আমগাছ তার আম বিক্রি করে ছেলেটিকে টাকার প্রয়োজন মিটাতে বলে। এরপর ছেলেটি গাছটির ডালপালা কেটে নিয়ে বাড়ি বানায়। আরও অনেক দিন পরে তার কাণ্ড কেটে নিয়ে নৌকা বানিয়ে ভেসে যায় বহু দূর। শেষমেশ বৃদ্ধ হয়ে গাছের গুঁড়িতে এসে বিশ্রাম নেয়।

তাই দেখা যায়, ছেলেটি পুরো জীবনব্যাপীই গাছটিকে ব্যবহার করতে থাকে বিভিন্ন প্রয়োজনে। আর গাছটিও ছেলেটিকে ভালোবেসে নিজেকে বিলিয়ে দিতে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমগাছ ও ছেলেটি ছিল পরস্পর ভালোবাসা ও মমতার বন্ধনে আবদ্ধ। যদিও ছেলেটি বড়ো হতে হতে আমগাছকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে, আমগাছটি থাকে নিঃস্বার্থ।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে একটি আমগাছ ও একটি ছেলের গল্প বলা হয়েছে। ছেলেটির ছোটোবেলায় তাদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল ভালোবাসার সম্পর্ক। ছেলেটি আমগাছের ছায়ায় খেলা করতে করতে তারা পরস্পরের সঙ্গে ভালোবাসার বন্ধনে জড়িয়ে যায়। সময়ের পরিক্রমায় ছেলেটি বড়ো হয়ে ওঠে। নিজের জীবনের ব্যস্ততায় আটকে যায়। বড়ো হয়ে দীর্ঘদিনের ব্যবধানে ছেলেটি আমগাছের কাছে আসে। সে তখন আর খেলাধুলা বা ভালোবাসার আকর্ষণে আসে না। নিজের প্রয়োজনে আসে। কখনো তার টাকার প্রয়োজনে আম পেড়ে নিয়ে যায় বিক্রি করবে বলে, কখনো ডালপালা কেটে নিয়ে বাড়ি বানায়, কখনো কাণ্ডটাই নিয়ে যায় নৌকা বানিয়ে ভেসে বেড়াবে বলে। গাছটি সানন্দেই তার সবকিছু ছেলেটির জন্য উৎসর্গ করে দেয়। এমনকি যখন আর কিছুই থাকে না, তখনো সে তার গুঁড়িটা পেতে দেয় বৃদ্ধ ও ক্লান্ত ছেলেটিকে জিরানোর জন্য। ছেলেটিকে দেখে তার আনন্দ লাগে, তাকে উপকার করতে পেরে সুখী হয়। কিন্তু ছেলেটির মধ্যে শৈশবের সারল্য আর থাকে না। সে বড়ো হতে হতে বুড়ো হয়ে যাওয়া পর্যন্ত গাছটিকে ব্যবহার করে নিজের প্রয়োজন মিটানোর জন্য। অবশ্য ছেলেটির মধ্যেও গাছটির প্রতি কোথাও একটা মমতা ও স্মৃতিকাতরতা কাজ করে বলেই সে শেষ মুহূর্তে গাছটির কাছেই আসে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য।

আমগাছটির মধ্যে ছেলেটির জন্য ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। ছেলেটিরও আমগাছটির জন্য ভালোবাসা থাকলেও সে তার প্রয়োজনে আমগাছকে ব্যবহার করে স্বার্থপরতার পরিচয় দেয়। তবুও তাদের মধ্যে একটা বন্ধন থেকে যায় আমৃত্যু।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
57
উত্তরঃ

বেশ কিছুদিন পর ছেলেটিকে পেয়ে আমগাছের সারা শরীর খুশিতে নেচে উঠেছিল।

ছেলেটি বড়ো হয়ে যাওয়ার ফলে আমগাছের থেকে সাহায্যস্বরূপ একদিন আম নিয়ে যাওয়ার পর অনেকদিন আর গাছের কাছে আসেনি। ছেলেটিকে দেখতে না পাওয়ায় আমগাছটি বিষণ্ণ হয়ে থাকে। অনেকদিন পর ছেলেটি যখন পুনরায় গাছের কাছে সাহায্যের জন্য আসে তখন আমগাছটির সারা শরীর খুশিতে নেচে ওঠে।

ছেলেটির সংস্পর্শ পছন্দ করত বলেই আমগাছটি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকত ছেলেটির জন্য। ছেলেটির আগমনে গাছটি আনন্দিত হয়ে উঠত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পের ছেলেটিকে স্বার্থপর মনে হলেও জীবনের প্রয়োজনে তাকে আমগাছরূপী বিশ্বস্ত বন্ধুর সাহায্য নিতে হয়েছিল। যদিও আমগাছটি তাকে সাহায্য করতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ছেলেটি সে বিষয়ে উদাসীন থাকায় তাকে আত্মমগ্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পটি অসম বন্ধুত্বের। একটি ছেলের শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত তার জীবন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে থাকা একটি আমগাছের মহত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে গল্পটিতে। ছেলেটির শৈশবে সে আমগাছের ছায়ায় খেলাধুলা করতে করতে বড়ো হয়ে ওঠে। নিঃসঙ্গ আমগাছটি ছেলেটির সংস্পর্শ ভালোবাসত। কিন্তু বড়ো হয়ে ওঠার সাথে সাথে ছেলেটির আমগাছের কাছে যাতায়াত কমে যেতে থাকে। একসময় আর তার খেলাধুলার বয়স থাকে না। তার অর্থের প্রয়োজন হয়, গৃহের প্রয়োজন হয়, জীবনের নানাবিধ চাহিদা তাকে ঘিরে ধরে। এসব প্রয়োজন মিটাতে গিয়ে কখনো কখনো তাকে তার পুরোনো বন্ধু আমগাছটির শরণাপন্ন হতে হয়। আমগাছ ছেলেটির প্রয়োজনে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে থাকে। ছেলেটি আমগাছের সাহায্য নিলেও সে গাছটির ব্যাপারে উদাসীন থেকেছে। গাছটি যখন নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে বন্ধুর জন্য, ছেলেটি তখন আত্মচিন্তায় বিভোর। সেক্ষেত্রে ছেলেটিকে স্বার্থপর মনে হলেও আমগাছের উদারতা ও বন্ধুর জন্য আত্মবিসর্জনে ছেলেটির আত্মমগ্ন চরিত্রের ত্রুটি ঢাকা পড়ে যায়।

আমগাছের থেকে ক্রমাগত সহযোগিতা লাভ করলেও তার নিঃস্ব হওয়ার ব্যাপারে উদাসীন থাকায় ছেলেটিকে স্বার্থপর মনে হলেও গল্পে আমগাছের মহত্ত্বকেই প্রধান করে দেখানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে ছেলেটির আত্মমগ্ন চরিত্রকে জীবনযাপনের জটিলতায় বিপর্যস্ত হিসেবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
64
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews