প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, চলো আমরা মজা করে কবিতাটি আবৃত্তি করি। এ জন্য প্রথমেই আমাদের উপস্থিত বন্ধুদের দুই দলে ভাগ করে নিতে হবে। 'ক' দলের বন্ধুরা কবিতার একটি অংশ সমবেতভাবে আবৃত্তি করবে, সাথে সাথে 'খ' দলের বন্ধুরা পরের নির্ধারিত অংশ আবৃত্তি করবে। এ নিয়মটি আমরা পরের বার উল্টে দিতে পারি। তাহলে চলো বৃন্দ-আবৃত্তিটি করি।
ক-দল
এই তো দ্যাখো ফুল বাগানে গোলাপ ফোটে
রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে
নীল আকাশের সোনালি চিল মেলছে পাখা
জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে রোজই
মধ্যদিনে নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু
বালির ওপর কত্ত কিছু আঁকছে শিশু
কাজল বিলে পানকৌড়ি নাইছে সুখে
গহিন গাঙে সুজন মাঝি বাইছে নাও
নরম রোদে শ্যামা পাখি নাচ জুড়েছে
শিশু, পাখি, ফুলের কুঁড়ি- সবাইকে আজ
খ-দল
ফুটতে দাও
ছুটতে দাও
মেলতে দাও
খেলতে দাও
ডাকতে দাও
আঁকতে দাও
নাইতে দাও
বাইতে দাও
নাচতে দাও
বাঁচতে দাও
এবার চলো যে কোনো একজন কবিতাটির ভাবার্থ পাঠ করে শোনাই। লক্ষ করো, কবিতাটির আবৃত্তি ও পাঠের মধ্যে কী কী পার্থক্য রয়েছে। এবার নিচের ছকে পাঠ ও আবৃত্তির মধ্যে পার্থক্যগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করো (প্রথমটি করে দেয়া আছে)।
| আবৃত্তির বৈশিষ্ট্য | পাঠের বৈশিষ্ট্য |
১ | আবৃত্তি কবিতা বা ছড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য | পাঠ সাধারণত গদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য |
২ |
|
|
৩ |
|
|
৪ |
|
|
৫ |
|
|
Read more