জাতীয় শিল্পনীতি ২০১০-এ উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের সহায়তা

ব্যবসায় উদ্যোগ উন্নয়নে সহায়ক সেবা - ব্যবসায় উদ্যোগ - এসএসসি | NCTB BOOK

1.4k
উদ্দীপনামূলক
  • নারী ও পুরুষ ব্যবসায়ীরা যাতে সমাজে অর্থনৈতিক পরিবর্তন সংঘটনে সক্রিয় এজেন্ট হিসেবে নিজেকে চিহ্নিত করতে পারে সেজন্য উদ্যোক্তা সংস্কৃতির প্রসারে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ।
  • উৎপাদনশীল ও সেবা খাতের সফল উদ্যোক্তাদেরকে স্বীকৃতি, জাতীয় উদ্যোক্তা দিবস পালন, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষাক্রমের প্রবর্তন।
  • মানব পুঁজি বিকাশের বেশির ভাগ কার্যক্রম প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে এবং দেশব্যাপী শুরু করা যুব-সম্প্রদায়কে জীবনসংগ্রামের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে, দেশের উন্নয়ন ও সফলতা এবং সীমিত ভৌত সম্পদের বিষয়ে সচেতন করার উদ্দেশ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে জাতি গঠনমূলক ও উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্তি ও এ ধরনের শিক্ষাকে উৎসাহিতকরণ ।
সমর্থনমূলক
  • শিল্পক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে শিল্প পণ্যের অধিকতর উন্নয়নের উদ্দেশ্যে টেকসই ও নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা করা। কারিগরি প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, প্রযুক্তি উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং লাগসই প্রযুক্তি নির্বাচন ও প্রয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় শিল্প কারখানাসমূহকে সহায়তার লক্ষ্যে বিটাকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ।
  • দেশীয় বিনিয়োগকারীদের বিশেষ করে মাইক্রো, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিনিয়োগকারীদের কাছে সহজলভ্য স্থানীয় ও যথোপযুক্ত প্রযুক্তি গড়ে তোলার জন্য সরকার দেশীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক শিল্পকে স্থানীয় কারিগরি ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সাথে একযোগে কাজ করতে সুযোগ প্রদান ।
  • ৩০/০৬/২০১১ সালের মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে এরূপ শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিম্নরূপ কর অবকাশ প্ৰদান :
  • (ক) তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্থাপিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রথম দু'বছর আয়ের ১০০% ভাগ, পরবর্তী দু'বছর ৫০% ও শেষ (৫ম) বছর ২৫% ভাগ কর অবকাশ ।
  • (খ) রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর বিভাগ এবং তিন পার্বত্য জেলায় স্থাপিত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ৭ (সাত) বছর মেয়াদি কর অবকাশের মধ্যে প্রথম তিন বছর কর অবকাশের হার ১০০%, পরবর্তী ৩ বছর ৫০% ও শেষ বছরে (৭ম বছর) ২৫%।
সংরক্ষণমূলক
  • আইসিটি, লন্ড্রি, পর্যটন ও সেবা, বিউটি পারলার, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ইত্যাদি সেবামূলক খাতসহ মৎস্য, কৃষি ও হস্তশিল্প খাত এবং গবাদি পশু প্রতিপালন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া।
  • ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পের বিকাশে সহায়তাদান, তাঁতশিল্প রক্ষা, বেনারসি ও জামদানি পল্লীর মত রেশম পল্লী গড়ে তোলাসহ তাঁতি, কামার, কুমার, মৃৎশিল্প, বাঁশ, বেত, তামা, কাঁসা ও পাটি শিল্পে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া।

 

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও

রাঙ্গামাটি জেলার শাহনাজ ২০১১ সালে বাঁশ, বেত ও পাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরীর একটি প্রকল্প হাতে নেন। উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়ায় তিনি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শরনাপন্ন হন এবং প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু ঋণ নেন। কর অবকাশ সুবিধা পাওয়ার কারণে দিন দিন তার ব্যবসায়ের উন্নতি হতে লাগল।

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও

আরাফ ঈদুল আযহার ঈদে পশুর চামড়া কিনে তা দিয়ে চামড়াজাত বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কারখানা দিতে চান। এক্ষেত্রে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে।

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও

জনাব বিপু ৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ঢাকার অদূরে একটি সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করেন। অনুন্নত আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর কারণে তিনি ব্যবসায়ের কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাচ্ছেন না।

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...