পেটেন্ট

ব্যবসায়ের আইনগত দিক - ব্যবসায় উদ্যোগ - এসএসসি | NCTB BOOK

778

পেটেন্ট হলো এক ধরনের মেধাসম্পদ। পেটেন্টের মাধ্যমে এরূপ আবিষ্কারের জন্য আবিষ্কারককে তার স্বীকৃতিস্বরূপ একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একচেটিয়া মালিকানা প্রদান করা হয়। এক্ষেত্রে পণ্য বা সেবার উদ্ভাবক বা আবিষ্কারক ও সরকারের মধ্যে চুক্তি হয়। আবিষ্কারককে পেটেন্টটি প্রদানের অর্থ হলো এই নির্দিষ্ট সময়ে অন্য কেউ এটি তৈরি, ব্যবহার এবং বিক্রয় করতে পারবে না। অনেক সময় কোন অসাধু ব্যবসায়ী বা প্রতিযোগী বিধি লঙ্ঘন করে নকল পণ্য বাজারে বিক্রয় করে উদ্ভাবনকারীকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পেটেন্ট করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিল্পোদ্যোক্তার পরিশ্রমলব্ধ উদ্ভাবন নকল বা অন্য কোনো উপায়ে তৈরি বা বিক্রি করে যাতে আর্থিক সুবিধা অর্জন না করতে পারে তার ব্যবস্থা করা। ব্যবসায় জগতে প্রকৃত উদ্ভাবক এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে পেটেন্ট ধারণার উৎপত্তি হয়েছে। বস্তুত এ বিষয়ে শিল্পোদ্যোক্তার সচেতনতার অভাব বা অবহেলার কারণে অনেক সময় প্রতারিত হয়েছে। বাংলাদেশে ১৯১১ সালের পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন চালু আছে।

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও

জনাব সায়েম নিত্য নতুন মোবাইল গেইমস তৈরি করেন। তার প্রস্তুতকৃত গেমসসমূহ বাজারজাত করার জন্য তিনি APP BAZAR এর সাথে চুক্তিবদ্ধ। বাজারজাতকৃত গেমসসমূহের মূল্যের 65% তিনি APP BAZAR থেকে পেয়ে থাকেন। এছাড়া তিনি একটি বিমা কোম্পানির সাথে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে ১০ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ৫ বছর পর দিনি হঠাৎ মৃত্যুবরণ করলে তাঁর স্ত্রী বিমা কোম্পানির নিকট বিমাকৃত অর্থ দাবি করে।

উদ্দীপকটি পড় এবং নিচের দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

মি. রাহাত তার কারখানা হতে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করেন এবং সরকারে সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে একক সুবিধা লাভ করেন।

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...