ফুটবল মূলত পা দিয়ে খেলা হয়। তাই পায়ের সাহায্যে বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনার ওপরই ফুটবল খেলার দক্ষতা নির্ভর করে। কাজেই পা সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান থাকা দরকার। পায়ের পাতার তিনটি দিক আছে।
১) পায়ের ভেতরের দিক (ইনসাইড)
২) পায়ের বাইরের দিক (আউটসাইড)
৩) পায়ের পাতার ওপরের দিক (ইনস্টেপ)
এছাড়া পায়ের আঙুলের দিককে টো এবং পায়ের পেছনের দিককে হিল (গোড়ালি) বলে।

ক) কিকিং: পায়ের বিভিন্ন অংশ দিয়ে নানা রকম কিক মারা যায়। ইনসাইড কিক সহজ এবং খুব সহজে আয়ত্ত করা যায়। ইনসাইড কিক মারার সময় নন-কিকিং ফুট ফুটবলের লাইনের সামান্য পেছনে এবং বল থেকে ৬-৮ ইঞ্চি দুরে স্থাপন করে বলের ওপর দৃষ্টি রেখে পায়ের বাঁকানো অংশ দিয়ে কিক মারতে হয়। যে পা দিয়ে কিক মারবে তার বিপরীত পায়ের ওপর দেহের ভর রেখে দুই হাত সামান্য প্রসারিত করে কিক করবে। কিক করার পর কিকিং ফুট ফুটবলের দিকে এগিয়ে যাবে। এছাড়া নিচু সোজা কিক শুধু পায়ের উপরের অংশ ব্যবহার করে বলের মাঝখানে কিক মারতে হয় এই কিককে লো হার্ড কিক বলে।

খ) হেডিং: মাথা দিয়ে বল খেলাকে হেডিং বলে। হেড করার সময় বল এর দিকে দৃষ্টি রেখে দেহকে সামান্য পেছনে এনে ঘাড় শক্ত করে মাথার সামনের অংশ (কপাল) দিয়ে হেড করতে হয়। হেড করে বলকে সামনে, পেছনে ও পাশে পাঠানো যায়।
