সততা, সত্যবাদিতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, একাগ্রতা, ত্যাগ তিতিক্ষা, সহনশীলতা, সহিষ্ণুতা প্রভৃতি মানুষের বিশেষ গুণগুলো যার মধ্যে থাকে তাকেই মানুষ সৎ মানুষ বলে জানি। সৎ মানুষ কখনো কারো ক্ষতি করতে পারে না। সে তার আলোকিত জীবন দিয়ে সকলের মনের অন্ধকার দূর করে।
সমাজের অশান্তি দুর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য তার নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করে থাকে। স্নেহ-দয়া, মায়া-মমতা দ্বারা সকলের মঙ্গল করতে চেষ্টা করে। সমাজ থেকে যাতে অন্যায়-অবিচার দূর হয়, সবল যাতে দুর্বলের উপর অত্যাচার করতে না পারে, সে ব্যাপারে তারা সকলকে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করে। সমাজে যখনই সৎ মানুষের আবির্ভাব হয়, তখনই সমাজ হয়ে ওঠে শান্তির আধার, মঙ্গলের মোক্ষধাম। সুতরাং আমাদের সকলের মঙ্গলের জন্য সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, দেশের উন্নতি ও শৃঙ্খলা স্থাপনের জন্য সকলকে সৎ জীবনের অধিকারী হতে হবে। সৎ জীবন যাপনের মাধ্যমে সকলের সাথে ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা ইত্যাদি গড়ে তুলতে হবে। আর এভাবেই শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠন সম্ভব হবে।
সুতরাং বলা যায় সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে সৎ জীবন পরিচালনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।