কপিরাইট

ব্যবসায়ের আইনগত দিক - ব্যবসায় উদ্যোগ - এসএসসি | NCTB BOOK

809

কপিরাইটও একটি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ যা রক্ষা করার ব্যবস্থা না করলে এর স্বত্বাধিকারী বা মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কপিরাইটের মাধ্যমে সাহিত্য,শিল্পকর্ম ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীকে তার সৃষ্ট মেধাসম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়। গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, যন্ত্র সংঙ্গীত, ভাস্কর্য, স্থাপত্যকলা কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়। বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যারও কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যখন কোনো পুস্তকের লেখক এবং প্রকাশকের মধ্যে বইটি মুদ্রণ ও বাজারজাতকরণের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের চুক্তি হয় একেই কপিরাইট চুক্তিপত্র বলা হয়। চুক্তিপত্রে সময়, রয়েলটির পরিমাণ প্রভৃতি উল্লেখ থাকে। চুক্তিপত্র রেজিষ্ট্রি করা থাকলে চুক্তি ভঙ্গের জন্য লেখক কোর্টে প্রতিকার চাইতে পারে। ব্র্যান্ডের পণ্য, খেলা, তারকাদের নাম প্রভৃতি কপিরাইট চুক্তির মাধ্যমে বিপণন করা যায়। প্রকৃত পক্ষে কপিরাইট চুক্তি পণ্য বাজারজাতকরণের একটি জনপ্রিয় উপায়। উপমহাদেশে ১৯১২ সালে প্রথম কপিরাইট আইন প্রণীত হয়। বাংলাদেশে কপিরাইট আইন ২০০০ প্রচলিত আছে যা সর্বশেষ ২০০৫ সালে সংশোধন করা হয়। মোট কথা মেধাসম্পদ সংরক্ষণের উপায়গুলো যথাযথভাবে ব্যবহার করলে ব্যবসায় উদ্যোক্তা অনেকাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। কপিরাইট আইন ২০০৫ অনুযায়ী লেখক বা শিল্পীর জীবনকালীন ও মৃত্যুর পর ৬০ বছর পর্যন্ত কপিরাইট সংরক্ষিত থাকে।

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও :

জনাব শাহজাহান ও শাহ আলম দুই বন্ধু। জনাব শাহজাহান ভারত থেকে ফটোগ্রাফীর ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে আবহমান বাংলার বিভিন্ন বিষয়ে ছবি তুলে এনেছেন। তার সৃষ্ট কর্মের গুরুত্বপূর্ণ ছবিগুলো চুক্তির মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন। জনাব শাহ আলম বিভিন্ন খেলনা সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি আমদানি করেন। পথিমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় তার পণ্য বিনষ্ট হওয়ায় তিনি হতাশায় পড়েন। পরবর্তীতে চুক্তিবদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় নতুনভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করেন এবং বর্তমানে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...