নীল নদ আর পিরামিডের দেশ (তৃতীয় অধ্যায়) (সৈয়দ মুজতবা আলী)

গদ্য - চারুপাঠ - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

7k

সন্ধ্যের দিকে জাহাজ সুয়েজ বন্দরে পৌঁছল।
সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ঘন নীলাকাশ কেমন যেন সূর্যের লাল আর নীল মিলে বেগুনি রং ধারণ করছে। ভূমধ্যসাগর থেকে একশ মাইল পেরিয়ে আসছে মন্দমধুর ঠান্ডা হাওয়া।
সূর্য অস্ত গেল মিশর মরুভূমির পিছনে। সোনালি বালিতে সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে সেটা আকাশের বুকে হানা দেয় এবং ক্ষণে ক্ষণে সেখানকার রং বদলাতে থাকে। তার একটা রং ঠিক চেনা কোন জিনিসের রং সেটা বুঝতে-না-বুঝতে সে রং বদলে গিয়ে অন্য জিনিসের রং ধরে ফেলে।
আমরা বন্দর ছেড়ে মরুভূমিতে ঢুকে গিয়েছি। পিছনে তাকিয়ে দেখি, শহরের বিজলি বাতি ক্রমেই নিষ্প্রভ হয়ে আসছে।
মরুভূমির উপর চন্দ্রালোক। সে এক অদ্ভুত দৃশ্য। সে দৃশ্য বাংলাদেশের সবুজ শ্যামলিমার মাঝখানে দেখা যায় না। সমস্ত ব্যাপারটা কেমন যেন ভূতুড়ে বলে মনে হয়। চলে যাচ্ছে দূর দিগন্তে, অথচ হঠাৎ যেন ঝাপসা আবছায়া পর্দায় ধাক্কা খেয়ে থেমে যায়।
মাঝে মাঝে আবার হঠাৎ মোটরের দুমাথা উঁচুতে ওঠে। জ্বলজ্বল দুটি ছোট সবুজ আলো। ওগুলো কী? ভূতের চোখ নাকি? শুনেছি ভূতের চোখই সবুজ রঙের হয়। না! কাছে আসতে দেখি উটের ক্যারাভান-এদেশের ভাষাতে যাকে বলে 'কাফেলা'।
উটের চোখের উপর মোটরের হেডলাইট পড়াতে চোখদুটো সবুজ হয়ে আমাদের চোখে ধরা দিয়েছে। ভয় পেয়ে গিয়েছিলুম। আর কেনই পাব না বলো? মরুভূমি সম্বন্ধে কতো গল্প, কতো সত্য, কতো মিথ্যে পড়েছি ছেলেবেলায়। তৃষ্ণায় সেখানে বেদুইন মারা যায়, মৃত্যু থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য বেদুইন তার পুত্রের চেয়ে প্রিয়তর উটের গলা কাটে, উটের জমানো জল খায় প্রাণ বাঁচাবার জন্য।
যদি মোটর ভেঙে যায়? যদি কাল সন্ধ্যে অবধি এ রাস্তা দিয়ে আর কোনো মোটর না আসে? স্পষ্ট দেখতে পেলুম এ গাড়ি রওনা হওয়ার পূর্বে পাঁচশ গ্যালন জল সঙ্গে তুলে নেয় নি, তখন কী হবে উপায়? মরুভূমির ভিতর দিয়ে যাচ্ছি। জাহাজে চড়ার সময় কি কল্পনা করতে পেরেছিলুম, জাহাজে চড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফোকটে মরুভূমির ভিতর দিয়ে চলে যাব?
কতোক্ষণ ঘুমিয়েছিলুম মনে নেই। যখন মোটরের হঠাৎ একটুখানি জোর ঝাঁকুনিতে ঘুম ভাঙল তখন দেখি চোখের সামনে সারি সারি আলো। কায়রো পৌঁছে গিয়েছি।
শহরতলিতে ঢুকলাম। খোলা জানালা দিয়ে সারি সারি আলো দেখা যাচ্ছে। এই শহরতলিতেই কতো না রেস্তোঁরা, কতো না ক্যাফে খোলা, খদ্দেরে খদ্দেরে গিসগিস করছে। রাত তখন এগারটা। আমি বিস্তর বড় বড় শহর দেখেছি। কায়রোর মতো নিশাচর শহর কোথাও চোখে পড়ে নি। কায়রোর রান্নার খুশবাইয়ে রাস্তা ম-ম করছে। মাঝে মাঝে নাকে এসে এমন ধাক্কা লাগায় যে মনে হয় নেমে পড়ে এখানেই চাট্টি খেয়ে যাই। অবশ্য রেস্তোঁরাগুলো আমাদের পাড়ার দোকানের মতো নোরা।
সবাই নিকটতম রেস্তোঁরায় হুড়মুড় করে ঢুকলুম। কারণ সবাই তখন ক্ষুধায় কাতর। তড়িঘড়ি তিনখানি ছোট ছোট টেবিল একজোড় করে চেয়ার সাজিয়ে আমাদের বসবার ব্যবস্থা করা হলো, রান্নাঘর থেকে স্বয়ং বাবুর্চি ছুটে এসে তোয়ালে কাঁধে বারবার ঝুঁকে ঝুঁকে সেলাম জানালো।

মিশরীয় রান্না ভারতীয় রান্নার মামাতো বোন অবশ্য ভারতীয় মোগলাই রান্নার। বারকোশে হরেক রকম খাবারের নমুনা। তাতে দেখলুম, রয়েছে মুরগি মুসল্লম, শিক কাবাব, শামি কাবাব আর গোটা পাঁচ-ছয় অজানা জিনিস। আমার প্রাণ অবশ্য তখন কাঁদছিল চারটি আতপ চাল, উচ্ছেভাজা, সোনামুগের ডাল, পটলভাজা আর মাছের ঝোলের জন্য। অত-শত বলি কেন? শুধু ঝোল-ভাতের জন্য। কিন্তু ওসব জিনিস তো আর বাংলাদেশের বাইরে পাওয়া যায় না, কাজেই শোক করে কী লাভ?
আহারাদি সমাপ্ত করে আমরা ফের গাড়িতে উঠলুম। ততক্ষণে আমরা কায়রো শহরের ঠিক মাঝখানে ঢুকে গিয়েছি। গন্ডায় গন্ডায় রেস্তোঁরা, হোটেল, সিনেমা, ডানস্ হল, ক্যাবারে। খদ্দেরে তামাম শহরটা আবজাব করছে। কতো জাত-বেজাতের লোক।
ঐ দেখ, অতি খানদানি নিগ্রো। ভেড়ার লোমের মতো কোঁকড়া কালো চুল, লাল লাল পুরু দুখানা ঠোঁট, বোঁচা নাক, ঝিনুকের মতো দাঁত আর কালো চামড়ার কী অসীম সৌন্দর্য। আমি জানি এরা তেল মাখে না। কিন্তু আহা, ওদের সর্বাঙ্গ দিয়ে যেন তেল ঝরছে।

ঐ দেখ, সুদানবাসী। সবাই প্রায় ছফুট লম্বা। আর লম্বা আলখাল্লা পরেছে বলে মনে হয়। দৈর্ঘ্য ছফুটের চেয়েও বেশি। এদের রং ব্রোঞ্জের মতো। এদের ঠোঁট নিগ্রোদের মতো পুরু নয়, টকটকে লালও নয়।
কায়রোতে বৃষ্টি হয় দৈবাৎ। তাও দু এক ইঞ্চির বেশি নয়। তাই লোকজন সব বসেছে হোটেল কাফের বারান্দায় কিংবা চাতালে। শুনলাম, এখানকার বায়স্কোপও বেশির ভাগ হয় খোলামেলাতে।
মোটর গাড়ি বড্ড তাড়াতাড়ি চলে বলে ভালো করে সব কিছু দেখতে পেলুম না। কিন্তু এইবার চোখের সামনে ভেসে উঠল অতি রমণীয় এক দৃশ্য। নাইল-নীল নদ।
চাঁদের আলোতে দেখছি, নীলের উপর দিয়ে চলেছে মাঝারি ধরনের খোলা মহাজনি নৌকা-হাওয়াতে কাত হয়ে তেকোণা পাল পেটুক ছেলের মতো পেট ফুলিয়ে দিয়ে। ভয় হয়, আর সামান্য একটুখানি জোর হাওয়া বইলেই, হয় পালটা এক ঝটকায় চৌচির হয়ে যাবে, নয় নৌকাটা পিছনে ধাক্কা খেয়ে গোটা আড়াই ডিগবাজি খেয়ে নীলের অতলে তলিয়ে যাবে।
এই নীলের জল দিয়ে এদেশের চাষ হয়। এই নীল তার বুকে ধরে সে চাষের ফসল মিশরের সর্বত্র পৌঁছে দেয়।
পিরামিড! পিরামিড!! পিরামিড!!!
চোখের সামনে দাঁড়িয়ে তিনটে পিরামিড? এই তিনটে পিরামিড পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো কীর্তিস্তম্ভ। যুগ যুগ ধরে মানুষ এদের সামনে দাঁড়িয়ে বিস্তর জল্পনা-কল্পনা করেছে, দেয়ালে খোদাই এদের লিপি উদ্ধার করে এদের সম্বন্ধে পাকা খবর সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছে।
মিশরের ভিতরে-বাইরে আরও পিরামিড আছে। কিন্তু গিজে অঞ্চলের যে তিনটি পিরামিডের সামনে আমরা দাঁড়িয়ে, সেগুলোই ভুবনবিখ্যাত, পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম।
প্রায় পাঁচশ ফুট উঁচু বলে, না দেখে চট করে পিরামিডের উচ্চতা সম্বন্ধে ধারণা করা যায় না। এমন কি চোখের সামনে দেখেও ধারণা করা যায় না, এরা ঠিক কতোখানি উঁচু। চ্যাপ্টা আকারের একটা বিরাট জিনিস আস্তে আস্তে ক্ষীণ হয়ে পাঁচশ ফুট উঁচু না হয়ে যদি চোঙ্গার মতো একই সাইজ রেখে উঁচু হতো, তবে স্পষ্ট বোঝা যেত পাঁচশ ফুটের উচ্চতা কতোখানি উঁচু।

তাই বোঝা যায়, এ বস্তু তৈরি করতে কেন তেইশ লক্ষ টুকরো পাথরের প্রয়োজন হয়েছিল। 'টুকরো' বলতে একটু কমিয়ে বলা হলো, কারণ এর চার-পাঁচ টুকরো একত্রে করলে একখানা ছোট-খাট ইঞ্জিনের সাইজ এবং ওজন হয়। কিংবা বলতে পার, ছ ফুট উঁচু এবং তিন ফুট চওড়া করে এ পাথর দিয়ে একটা দেয়াল বানালে সে দেয়াল লম্বায় ছশ পঞ্চাশ মাইল হবে।
সবচেয়ে বড় পিরামিডটা বানাতে নাকি এক লক্ষ লোকের বিশ বৎসর লেগেছিল। ফারাওরা (সম্রাটরা) বিশ্বাস করতেন, তাদের শরীর যদি মৃত্যুর পর পচে যায় কিংবা কোনো প্রকারের আঘাতে ক্ষত হয়, তবে তাঁরা পরলোকে অনন্ত জীবন পাবেন না। তাই মৃত্যুর পর দেহকে 'মমি' বানিয়ে সেটাকে এমন একটা শক্ত পিরামিডের ভিতর রাখা হতো যে, তার ভিতর ঢুকে কেউ যেন মমিকে ছুঁতে পর্যন্ত না পারে।

নিদ্রিতের চোখে যে রকম পড়ে, আমার চোখে ঠিক তেমনি এসে পড়লো পশ্চিমাকাশ থেকে চন্দ্রাস্তের রক্তচ্ছটা আর পূর্বাকাশ থেকে নব অরুণোদয়ের পূর্বাভাস।
রাস্তা ক্রমেই সরু হয়ে আসছে। রাস্তায় দুদিকে দোকানপাট এখনও বন্ধ। দু একটা কফির দোকান খুলি খুলি করছে। ফুটপাতে লোহার চেয়ারের উপর পদ্মাসনে বসে দু-চারটি সুদানি দারোয়ান তসবি জপছে, খবরের কাগজগুলোর দোকানের সামনে অল্প একটু ভিড়।
তরল অন্ধকার সরল আলোর জন্য ক্রমেই জায়গা করে দিচ্ছে। আধো ঘুমে আধো জাগরণে জড়ানো হয়ে সব কিছুই যেন কিছু কিছু দেখা হলো। সবচেয়ে সুন্দর দেখাচ্ছিল মসজিদের মিনারগুলোকে। এদের বহু মিনার দাঁড়িয়ে আছে আল্লাহর নামাজের ঘর মসজিদের উপর। মসজিদে যে নিপুণ মোলায়েম কারুকার্য আছে সে রকম করবার মতো হাত আজকের দিনে কারও নেই।
প্রকৃতির গড়া নীল, আর মানুষের গড়া পিরামিডের পরেই মিশরের মসজিদ ভুবন বিখ্যাত এবং সৌন্দর্যে অতুলনীয়। পৃথিবীর বহু সমঝদার শুধু এই মসজিদগুলোকেই প্রাণভরে দেখবার জন্য সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে কায়রোতে আসেন।

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

এটি পুষ্টিকর খাবার
এটি বাঙালির খাবার
এটি মুখরোচক খাবার
এটি থাই খাবার

নিষ্প্রভ - দীপ্তিহীন। নিস্তেজ।
ভূতুড়ে - ভূত-প্রেত সম্পর্কিত। রহস্যময়।
ক্যারাভান - কাফেলা।
বেদুইন - আরবের একটি যাযাবর জাতি।
নিষ্কৃতি - নিস্তার। রেহাই। অব্যাহতি।
ফোকটে - ফাঁকতালে।
রেস্তোরাঁ - হোটেল বিশেষ।
হুড়মুড় - ঠেলাঠেলি করে ঢোকা বা বের হওয়ার ভাব নির্দেশক
বারকোশ - কাষ্ঠনির্মিত কানা উঁচু বড় থালা।
গন্ডা - চারটি।
ক্যাবারে - নাচঘরে
তামাম - সমস্ত। পুরো।
আবজাব - গিজগিজ। ঠাসাঠাসি।
জাত-বেজাত - নানা জাতি।
খানদানি - বংশমর্যাদাযুক্ত। অভিজাত। উচ্চবংশীয়।
আল্লখাল্লা - লম্বা ঢিলা জামা বিশেষ।
দৈবাৎ - সহসা, হঠাৎ।
অতি রমণীয় - খুব সুন্দর।
কীর্তিস্তম্ভ - মহৎ অবদান স্মরণে নির্মিত সৌধ।
মমি - কৃত্রিমভাবে সংরক্ষিত মৃতদেহ।
চন্দ্রান্ত - চাঁদের অস্ত যাওয়া।
অরুণোদয় - সূর্যের উদয়।
পূর্বাভাস - ভাবী ঘটনার সংকেত। যা ঘটবে তার সংকেত।

Content added By

শিক্ষার্থীদের ভ্রমণে আগ্রহী করে তোলা এবং অন্য দেশের ইতিহাস-সংস্কৃতি সম্পর্কে জানানো।

Content added By

বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে মিশর। প্রাচীন কাল থেকে মিশরের নীল নদকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল ঐ সভ্যতা। মিশরের আবহাওয়া শুষ্ক বলে ঐ সভ্যতার অনেক নিদর্শন কালের কবলে হারিয়ে যায়নি। উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটির বিশেষ করে কায়রো শহরের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে পঠিত রচনায়। রচনাটি সৈয়দ মুজতবা আলীর 'জলে ডাঙ্গায়' গ্রন্থ থেকে সংক্ষিপ্ত ও পরিমার্জন করে সংকলন করা হয়েছে।
এই রচনায় এসেছে চারদিকে মরুভূমি-ঘেরা ঐতিহাসিক কায়রো শহর, কায়রোর অদূরে গিজে অঞ্চলে অবস্থিত পিরামিড ও মিশরের ভুবন বিখ্যাত মসজিদের প্রসঙ্গ। এসবের আকর্ষণে সারা বিশ্বের পর্যটকরা ছুটে যায় কায়রো অভিমুখে। কায়রো শহর আলোয় ভরে যায় রাতের বেলায়। রেস্তোঁরাগুলো থেকে ভেসে আসা নানা রকম খাবার-দাবারের সুগন্ধ বাড়িয়ে দেয় পথচারীদের ক্ষুধা। অদূরেই গিজে শহরে রয়েছে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার আকর্ষণ ও পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের একটি মিশরের পিরামিড। পিরামিড নির্মিত হয়েছিল মিশরের প্রাচীন সম্রাট ফারাওদের মৃতদেহ মমি হিসেবে কবরস্থ করে রাখার জন্য। পাথরের চাঁই দিয়ে তৈরি বিশালাকার সমাধিস্তম্ভ এটি। নীলনদ আর পিরামিডের পরেই মিশরের অতুলনীয় আকর্ষণ হচ্ছে সেখানকার ভুবন বিখ্যাত অপূর্ব সৌন্দর্যের মসজিদগুলো। এসবের টানেই সমঝদার আর ভ্রমণপিপাসু মানুষ ছুটে যায় মিশরে।

Content added By

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রম্যরচনা ও অনন্য গদ্যশৈলীর স্রষ্টা সৈয়দ মুজতবা আলী। তাঁর জন্ম আসামের করিমগঞ্জে ১৯০৪ সালে। রবীন্দ্রনাথের স্নেহসান্নিধ্যে পাঁচ বছর লেখাপড়ার পর তিনি শান্তিনিকেতন থেকে স্নাতক হন। এছাড়া তিনি আলীগড় কলেজ, বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় ও কায়রোর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যয়ন করেছেন।
মূলত রম্যরচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে খ্যাত এই লেখকের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছে 'শবনম', 'দেশে বিদেশে', 'পঞ্চতন্ত্র', 'চাচা কাহিনী', 'জলে ডাঙ্গায়'।
তিনি ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

Content added By

ক. নীল নদ আর পিরামিডের দেশ ভ্রমণের একটি দৃশ্যচিত্র অঙ্কন কর।
খ. তিনশো শব্দের মধ্যে তোমার ব্যক্তিগত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা লেখ।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...