মানুষ যখন জন্মগ্রহণ করে তখন সে সৎ, সুজন বা দুর্জন ইত্যাদি কোন গুণাবলি নিয়েই জন্ম গ্রহণ করে না। জন্মের পর পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কারণে ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন গুণের সমাবেশ ঘটে। মানুষ প্রবৃত্তির দাস। মানুষের মনে দু'ধরণের প্রবৃত্তি রয়েছে। সৎ প্রবৃত্তি ও অসৎ প্রবৃত্তি। সৎ প্রবৃত্তির ফলে মানুষ যে কাজ করে তাকে সৎ কাজ বলা হয় আর অসৎ প্রবৃত্তির মানুষ সব সময় অসৎ কাজ করে। সৎ কাজের ফলে ব্যক্তি সৎ মানুষরূপে চিহ্নিত হয়। সকলে তাকে ভালোবাসে ও শ্রদ্ধা করে। আর এসব গুণাবলি অর্জনে পরিবারের ভূমিকাই প্রধান। পরিবারের কর্তাব্যক্তি যদি সদ্গুণের অধিকারী হন তাহলে অন্যান্য সদস্যরাও সদ্গুণের অধিকারী হয়। যেহেতু পরিবারকে বলা হয় সমাজের প্রথম স্তর। সুতরাং সে স্তরকে সুন্দর, সুদৃঢ় করতে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে ধৈর্য, সংযম, সহনশীলতা, ক্ষমা, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণাবলি অর্জনের সাথে সাথে হিংসা, দ্বেষ, লোভ, লালসা প্রভৃতি অসৎ আচরণগুলো বর্জন করে সৎ ও ন্যায়ের পথে নিজে চালিত করতে হবে।
| একক কাজ: সততা ও সৎ জীবন সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী? কয়েকজন সৎ মানুষের নাম লিখ? |
নতুন শব্দ: আন্তরিকতা, স্পষ্টবাদিতা, সদাচার, সত্যনিষ্ঠা, গুণান্বিত, উপায়ান্তর, মৃত্যুশয্যা, সিংহদরজা, বিসর্জন, প্রজাবৎসল, তিতিক্ষা, কীর্তিত, মনোরঞ্জন, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা, দ্বেষ।