৩.৪.২.৪ ফিতাকৃমি

দ্বিতীয় পত্র (দশম শ্রেণি) - পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং-১ - এসএসসি ভোকেশনাল | NCTB BOOK

1.2k

৩.৪.২.৪ ফিতাকৃমি (Tape Worm)

মুরগির মলের সাথে পরিণত বয়সের কৃমির অংশ বা সেগমেন্ট বের হয়ে আসে। কৃমির সেগমেন্টের মধ্যে ডিম থাকে। বিভিন্ন পোকামাকড়, যেমন শামুক, পিঁপড়া, মাছি ইত্যাদি কৃমির ডিম খেয়ে ফেলে। এদের দেহে ডিম থেকে কৃমির লার্ভা জন্মায়। মুরগি কৃমি আক্রান্ত শামুক, পিঁপড়া, মাছি ইত্যাদি খেয়ে ফেললে কৃমি দ্বারা আক্রান্ত হয়।

ফিতা কৃমির বিস্তার : 

বিভিন্ন ধরনের পোকা মাকড়ের মাধ্যমে এদের বিস্তার ঘটে।

লক্ষণ

 এ ধরনের কৃমি দ্বারা আক্রান্ত হলে পাখির দেহে যে লক্ষণগুলো দেখা যায় তা হলো-

  • দৈহিক বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটা। 
  • খাদ্য গ্রহণে অনীহা । 
  • পালক উসকো খুশকো হয়ে যাওয়া । 
  • পাতলা পায়খানা হওয়া । 
  • রক্তশূন্যতা দেখা দেয়া ।

চিকিৎসা 

নির্দিষ্ট মাত্রায় ডাইবিউটাইল-টিন-ডাইলাইউরেট পানি অথবা খাদ্যের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে মুরগির দেহ থেকে ফিতাকৃমি সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যায়।

প্রতিরোধ 

নিম্নলিখিতভাবে ফিতাকৃমির আক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়। যথা-

  • মুরগির বাসস্থানে সঠিক স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং বাসস্থানের আশেপাশে জীবাণুনাশক ব্যবহার করে পোকামাকড় ধ্বংস করে ফেলতে হবে। 
  • মাঝে মধ্যে চিকিৎসার অর্ধেক মাত্রায় কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে।

 

 

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...