উত্তরঃ

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি একটি পেয়ালায় দুধ দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, হে আবু হুরায়রা! তুমি আহলুস সুফফার (সুফফাবাসীদের) কাছে যাও এবং তাদেরকে আমার কাছে ডেকে আনো। আমি তাদের কাছে গেলাম এবং তাদের ডাকলাম, অতঃপর তারা আসলো। তারা (ভিতরে আসার) অনুমতি চাইল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের অনুমতি দিলেন, অতঃপর তারা প্রবেশ করল। (বুখারী শরীফ)

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কাউকে (কারও বাড়িতে) আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং সে আমন্ত্রনকারীর সাথে (তার বাড়িতে) যায়, তবে তার জন্য এটাই (প্রবেশের) অনুমতি। (আবু দাউদ শরীফ)

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

অন্যের ঘরে প্রবেশের মাসনুন পদ্ধতি হলো প্রথমে সালাম দিয়ে অনুমতি চাওয়া, অনুমতি না পেলে ফিরে যাওয়া এবং প্রবেশের পূর্বে ঘরের ভেতরে উঁকি না মারা।


ইসলামে অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে শ্রদ্ধাবোধ ও শালীনতা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যের ঘরে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনুমতি চাওয়া এবং সালাম দেওয়া অপরিহার্য। এটি সূরা নূর-এর ২৭ ও ২৮ নং আয়াতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। এই মাসনুন পদ্ধতিগুলো সামাজিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তার ভিত্তি তৈরি করে। অনুমতি ছাড়া কারো ঘরে প্রবেশ করা অনধিকার প্রবেশ ও গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শামিল। এমনকি অনুমতি পাওয়ার পর ঘরে প্রবেশকালেও চোখ নিচু রাখা উচিত, যাতে ঘরের ভেতরের অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে দৃষ্টি না পড়ে। সর্বোচ্চ তিনবার অনুমতি চাওয়া যেতে পারে, এরপরও অনুমতি না পেলে ফিরে যাওয়া সুন্নাহসম্মত, এতে কোনো অপরাধ হয় না বরং ধৈর্য ও সহনশীলতার প্রকাশ ঘটে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

দَخَلْتُ এর তাহকীক:

  • মাজদার: دخول (দুخول)
  • সিগা: ওয়াহিদ মুতাকাল্লিম (একবচন, উত্তম পুরুষ)
  • কাল: মাযি মুতলাক মারুফ (সাধারণ অতীতকাল, কর্তৃবাচ্য)
  • ধাতু: د, خ, ل (দাল, খা, লাম)
  • বাব: নাসারা-ইয়ানসুরু (সহীহ)
  • অর্থ: আমি প্রবেশ করলাম।

دُعِيَ এর তাহকীক:

  • মাজদার: دعوة (দা’ওয়াত)
  • সিগা: ওয়াহিদ মুযাক্কার গায়েব (একবচন, নাম পুরুষ, পুংলিঙ্গ)
  • কাল: মাযি মুতলাক মাজহুল (সাধারণ অতীতকাল, কর্মবাচ্য)
  • ধাতু: د, ع, و (দাল, আইন, ওয়াও)
  • বাব: নাসারা-ইয়ানসুরু (নাকেস ওয়াওয়ী)
  • অর্থ: তাকে ডাকা হয়েছিল।

আরবি ব্যাকরণে "তাহকীক" (تحقيق) বলতে কোনো শব্দের, বিশেষত ক্রিয়াপদের, ব্যুৎপত্তিগত ও রূপগত বিস্তারিত বিশ্লেষণকে বোঝায়। এর মাধ্যমে শব্দের মূল (মাজদার), ক্রিয়াপদের ধরন (কর্তৃবাচ্য বা কর্মবাচ্য), কাল (অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ), বচন (একবচন, দ্বিবচন, বহুবচন), লিঙ্গ (পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ) এবং পুরুষ (উত্তম, মধ্যম, নাম পুরুষ) ইত্যাদি নির্ধারণ করা হয়। এই প্রক্রিয়া আরবি ভাষা ও ব্যাকরণের গভীরতা অনুধাবনে সহায়তা করে এবং কোরআন ও হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা ও মর্মার্থ বোঝার জন্য এটি অপরিহার্য। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী একটি শব্দের কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য ও অর্থগত নির্ভুলতা যাচাই করতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
86

Related Question

View All
উত্তরঃ

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিনের উপর মু’মিনের ছয়টি হক রয়েছে; যখন সে অসুস্থ হয় তখন তাকে দেখতে যাওয়া, যখন সে মারা যায় তখন তার জানাযায় শরীক হওয়া, যখন সে ডাকে তখন তার ডাকে সাড়া দেওয়া, যখন তার সাথে সাক্ষাৎ হয় তখন তাকে সালাম দেওয়া, যখন সে হাঁচি দেয় তখন তার ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা এবং যখন সে অনুপস্থিত থাকে বা উপস্থিত থাকে তখন তার জন্য কল্যাণ কামনা করা। - [নাসাঈ]

--

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ছোটরা বড়দের সালাম করবে, পথচারী বসা ব্যক্তিকে সালাম করবে এবং অল্প সংখ্যক লোক বেশী সংখ্যক লোককে সালাম করবে। - [বুখারী]

Muaz Man
Muaz Man
1 year ago
উত্তরঃ

    ‘وينصح له إذا غاب أو شهد’— এই বাক্যটির মর্মার্থ হলো, "যখন সে অনুপস্থিত থাকে অথবা উপস্থিত থাকে, তখন তাকে সৎ পরামর্শ দেবে।"

    এটি একজন মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের ছয়টি মৌলিক অধিকারের মধ্যে অন্যতম, যা মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন। এর দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, একজন মুসলিম তার অপর মুসলিম ভাইকে সর্বদা কল্যাণকামী থাকবে। তার অনুপস্থিতিতেও তার জন্য ভালো চিন্তা করবে এবং কোনো খারাপ কথা বলবে না বা তাকে অপদস্থ করবে না, বরং তার সম্মান ও অধিকার রক্ষা করবে। যখন সে উপস্থিত থাকে, তখনও তাকে সৎ পথে চলার জন্য ও ভালো কাজের জন্য উৎসাহিত করবে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য উপদেশ দেবে। এটি ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক ভালোবাসার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা মুসলিম সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

مَرِضَ (মারিদা):

        
  • মুল হরফ: م-ر-ض
  •     
  • সিগাহ: ফেলে মাযী, মারুফ, ওয়াহিদ মুযাক্কার গায়িব (একবচন, পুংলিঙ্গ, নামপুরুষ, অতীতকাল ক্রিয়া)
  •     
  • باب: باب سَمِعَ يَسْمَعُ থেকে (فَعِلَ يَفْعَلُ), মুজাররাদ সুলাসী।
  •     
  • অর্থ: সে অসুস্থ হল।

قَالَ (ক্বালা):

        
  • মুল হরফ: ق-و-ل
  •     
  • সিগাহ: ফেলে মাযী, মারুফ, ওয়াহিদ মুযাক্কার গায়িব (একবচন, পুংলিঙ্গ, নামপুরুষ, অতীতকাল ক্রিয়া)
  •     
  • باب: باب نَصَرَ يَنْصُرُ থেকে (فَعَلَ يَفْعُلُ), মুজাররাদ সুলাসী, আজওয়াফে ওয়াউয়ী (অসম মূলবর্ণবিশিষ্ট ক্রিয়া)।
  •     
  • অর্থ: সে বলল।

আরবী ব্যাকরণে ‘তাহকীক’ একটি মৌলিক ধারণা, যার মাধ্যমে কোনো আরবী শব্দ, বিশেষত ক্রিয়াপদের মূল অক্ষর, বাব (ধাতুরূপ), সিগাহ (কাল, পুরুষ ও বচন) এবং তার সঠিক অর্থ বিশ্লেষণ করা হয়। এটি ইলমে সরফ (আরবী রূপতত্ত্ব) এর অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা শব্দের গঠনগত পরিবর্তন ও রূপান্তর নিয়ে কাজ করে। এই বিশ্লেষণ আরবী ভাষা ও সাহিত্যের গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কারণ এটি শব্দের সঠিক ব্যবহার ও অর্থ উপলব্ধিতে সহায়তা করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
158
উত্তরঃ

হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন সে যেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে। আর তার ভাই অথবা তার সাথী যেন তাকে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলে। যখন তাকে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা হয়, তখন সে যেন বলে ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালকুম’। (বুখারী শরীফ)

হযরত উবাইদ ইবনে রিফাআ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: হাঁচির জবাব তিনবার পর্যন্ত দেওয়া যাবে। এর বেশি হলে (চতুর্থবার) তুমি চাইলে জবাব দিতে পারো, আর চাইলে নাও দিতে পারো। (আবু দাউদ ও তিরমিযী শরীফ)

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

হযরত আবু হোরায়রাহ (রা)-এর প্রকৃত নাম ছিল আবদুর রহমান ইবনে সাখর আদ-দাওসী। তিনি ৭ম হিজরী সনে (খায়বার বিজয়ের বছর) ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর থেকে রাসুলুল্লাহ (সা)-এর ওফাত পর্যন্ত প্রায় চার বছর তিনি রাসুল (সা)-এর সান্নিধ্যে ছিলেন। ইলম অর্জনের প্রতি তাঁর ছিল অগাধ ভালোবাসা। তিনি বেশিরভাগ সময় রাসুল (সা)-এর সাথে কাটাতেন এবং গভীরভাবে হাদিস মুখস্থ করতেন।


তিনি সর্বমোট ৫৩৭৪টি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা তাঁকে হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারীর মর্যাদা দান করেছে। তাঁর বর্ণনাকৃত হাদিসগুলো ইসলামি শরীয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য সুন্নাহ সংরক্ষণে তাঁর অবদান অপরিসীম। তিনি ৫৯ হিজরী সনে মদিনায় ইন্তেকাল করেন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

يُصْلِحُ: সে সংশোধন করে/সমাধান করে (মুদারি কাল)

يَرْحَمُ: সে রহম করে/দয়া করে (মুদারি কাল)

عَطَسَ: সে হাঁচি দিল (মাযী কাল)

شِئْتَ: তুমি চেয়েছিলে/ইচ্ছা করেছিলে (মাযী কাল)


আরবি ব্যাকরণে ক্রিয়াপদকে কাল (Tense) অনুযায়ী প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: মাযী (Perfect Tense বা অতীত কাল) এবং মুদারি (Imperfect Tense বা বর্তমান-ভবিষ্যৎ কাল)। মাযী ক্রিয়া অতীতকালে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার নির্দেশ করে, যেমন عَطَسَ (সে হাঁচি দিল) এবং شِئْتَ (তুমি চেয়েছিলে)। অন্যদিকে, মুদারি ক্রিয়া বর্তমানকালে কোনো কাজ চলমান অথবা ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজ সংঘটিত হবে এমন অর্থ প্রকাশ করে, যেমন يُصْلِحُ (সে সংশোধন করে/করবে) এবং يَرْحَمُ (সে রহম করে/করবে)। আরবি ক্রিয়ার সঠিক অর্থ ও প্রয়োগ বুঝতে এই কাল বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত হাদিস শরীফের অর্থ অনুধাবনের ক্ষেত্রে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
82
উত্তরঃ

প্রথম হাদিস:

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী বস্তু (জিহ্বা) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী বস্তু (লজ্জাস্থান)-এর জামানত দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের জামিন হব। (বুখারী)

ব্যাখ্যা: এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মুসলিমদেরকে তাদের জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করার নির্দেশ দিয়েছেন। জিহ্বার হেফাজত অর্থ হলো মিথ্যা কথা, গীবত, অশ্লীল ভাষা এবং অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা। আর লজ্জাস্থানের হেফাজত অর্থ হলো হারাম যৌন সম্পর্ক থেকে নিজেকে রক্ষা করা। এই দুটি বস্তুর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে জান্নাতে প্রবেশ করা সহজ হবে বলে হাদিসে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এটি মানুষকে নৈতিক ও চারিত্রিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উৎসাহিত করে।

দ্বিতীয় হাদিস:

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসেকী এবং তার সাথে যুদ্ধ করা কুফরী। (বুখারী ও মুসলিম)

ব্যাখ্যা: এই হাদিসে মুসলিম উম্মাহর পারস্পরিক সম্পর্ক ও আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। একজন মুসলিমকে গালি দেওয়া বা অপমান করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ, যা ফাসেকীর অন্তর্ভুক্ত। ফাসেকী হলো আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিচ্যুত হওয়া এবং বড় গুনাহে লিপ্ত হওয়া। আর একজন মুসলিম ভাইয়ের সাথে যুদ্ধ করাকে কুফরী বলা হয়েছে, যা ঈমানের পরিপন্থী কাজ এবং মারাত্মক অপরাধ। এই হাদিস মুসলিমদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্মান ও শান্তি বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেয় এবং সমাজে হানাহানি ও কলহ পরিহারের শিক্ষা দেয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

اضمن له الجنة এর মর্মার্থ হলো, "আমি তার জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হলাম" অথবা "আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দিলাম"। ইসলামি পরিভাষায়, এটি এমন একটি প্রতিশ্রুতি যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট আমলকারী অথবা বিশেষ কোনো গুণের অধিকারী ব্যক্তির জন্য জান্নাতের নিশ্চিত প্রাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন। এর উদ্দেশ্য হলো মুমিনদের সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির প্রতি অনুপ্রাণিত করা, যাতে তারা দুনিয়ায় নেক আমল করে পরকালে জান্নাত লাভ করতে পারে। এটি মুসলমানদের জন্য এক বিরাট সুসংবাদ ও অনুপ্রেরণার উৎস।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

১. المسلم (আল-মুসলিম)

আভিধানিক অর্থ: 'المسلم' শব্দটি 'আসলামা' (أسلم) ধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ আত্মসমর্পণ করা, অনুগত হওয়া বা শান্তি স্থাপন করা। তাই 'আল-মুসলিম' অর্থ হলো যিনি আত্মসমর্পণকারী বা অনুগত ব্যক্তি।

ইসলামী পরিভাষা: ইসলামী পরিভাষায় 'আল-মুসলিম' এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি আল্লাহ তাআলার একত্ববাদে, তাঁর ফেরেশতাগণে, কিতাবসমূহে, রাসূলগণে, পরকালে এবং তাকদীরের ভালো-মন্দে বিশ্বাস স্থাপন করেন। একইসাথে তিনি ইসলামের পঞ্চস্তম্ভ (শাহাদা, সালাত, যাকাত, সাওম ও হজ) যথাযথভাবে পালন করেন।

হাদিসের প্রেক্ষাপট: হাদিস শরীফে মুসলিমের সংজ্ঞা ও তার গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। যেমন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "প্রকৃত মুসলিম সেই ব্যক্তি যার মুখ ও হাতের অনিষ্ট থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে।" এই হাদিসটি একজন মুসলিমের সামাজিক দায়িত্ব ও আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরে।


২. فسوق (ফুসুক)

আভিধানিক অর্থ: 'فسوق' শব্দটি 'ফাসাকা' (فسق) ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ পথচ্যুত হওয়া, সীমা অতিক্রম করা, আনুগত্য থেকে বেরিয়ে যাওয়া।

ইসলামী পরিভাষা: ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় 'ফুসুক' হলো আল্লাহ তাআলার আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গিয়ে তাঁর আদেশ-নিষেধ অমান্য করা বা বড় কোনো পাপে লিপ্ত হওয়া। এটি শরীয়তের সীমালঙ্ঘন এবং আল্লাহ প্রদত্ত নৈতিক ও আইনগত বিধি-বিধানের বিরুদ্ধাচরণ।

কুরআন ও হাদিসের প্রেক্ষাপট: কুরআন ও হাদিসে 'ফুসুক'কে ঈমান ও তাকওয়ার (আল্লাহভীতি) বিপরীত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর দ্বারা সাধারণত গুরুতর পাপাচার বোঝানো হয়, যা একজন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণতা ও সৎকর্মশীলতার পথ থেকে বিচ্যুত করে। উদাহরণস্বরূপ, মিথ্যা বলা, গীবত করা, অপবাদ দেওয়া, যিনা করা, সুদ খাওয়া, মদ পান করা ইত্যাদি 'ফুসুক'-এর অন্তর্ভুক্ত। 'ফুসুক'কারীকে 'ফাসিক' বলা হয়। তবে, 'ফুসুক' সাধারণত কাউকে ইসলাম থেকে পুরোপুরি বের করে দেয় না, যদি না তা শিরক বা কুফর হয়। এটি নেক আমল নষ্ট করে এবং আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
94
উত্তরঃ

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীরা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো আমাদের সাথে কৌতুক করেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, আমি সত্য ছাড়া আর কিছু বলি না। (তিরমিযী)

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করবে না, তার সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করবে না এবং তার সাথে কোনো ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করবে না। (তিরমিযী)

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

“قال إنى لا أقول إلا حقا” – এই আয়াতাংশটির মর্মার্থ হলো, যিনি এই কথা বলছেন, তিনি সত্য ব্যতীত অন্য কোনো কথা বলেন না। এটি সাধারণত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে ব্যবহৃত হয়, যার মাধ্যমে তাঁর নবুওয়াতের সত্যতা ও পবিত্রতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর দ্বারা বোঝানো হয় যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর মুখ নিঃসৃত কোনো বাণী মনগড়াভাবে বলেননি, বরং ওহির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পূর্ণ সত্য কথাই প্রকাশ করেছেন। তাঁর প্রতিটি উক্তি, অর্থাৎ হাদিস শরীফ, আল্লাহর নির্দেশের প্রতিফলন এবং মানবজাতির জন্য নির্ভুল পথপ্রদর্শক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

অক্বুল (أقول):

        
  • মূলধাতু: ক্বাফ-ওয়াও-লাম (ق-و-ل)
  •     
  • সিগাহ: ওয়াহিদ মুতাকাল্লিম (একবচন, উত্তম পুরুষ)
  •     
  • বাব: ফাতাহা-ইয়াফতাহু (باب فَتَحَ يَفْتَحُ)
  •     
  • প্রকার: ফে’লে মুদারে’ মারুফ (বর্তমান/ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়া, কর্তৃবাচ্য)
  •     
  • অর্থ: আমি বলি/আমি বলবো।

লা তুমার (لا تمار):

        
  • মূলধাতু: মীম-রা-ইয়া (م-ر-ي)
  •     
  • সিগাহ: ওয়াহিদ মুযাক্কার হাজের (একবচন, পুরুষবাচক, মধ্যম পুরুষ)
  •     
  • বাব: মুফা’আলাহ (باب مفاعلة)
  •     
  • প্রকার: ফে’লে নাহি মারুফ (নিষেধসূচক ক্রিয়া, কর্তৃবাচ্য)
  •     
  • অর্থ: তুমি তর্ক করো না/তুমি ঝগড়া করো না।

আরবি ব্যাকরণের 'ইলমুস সরফ (রূপতত্ত্ব)' অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন হলো 'তাহকীক' বা শব্দ বিশ্লেষণ। এর মাধ্যমে একটি শব্দের মূলধাতু, প্রকার, বচন, লিঙ্গ, পুরুষ এবং তার ব্যাকরণগত রূপান্তর (সিগাহ ও বাব) চিহ্নিত করা হয়। এটি আরবি ভাষার সঠিক ব্যবহার ও অর্থ অনুধাবনের জন্য অপরিহার্য, বিশেষত কুরআন ও হাদীসের মতো ধর্মীয় গ্রন্থসমূহ অধ্যয়নের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। শব্দ তাহকীক করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীগণ শব্দের ব্যুৎপত্তি ও অন্তর্নিহিত অর্থ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করে, যা তাদের ভাষাজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
255
উত্তরঃ

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার উত্তম সাহচর্যের অধিকারী কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে আবার জিজ্ঞেস করল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে আবার জিজ্ঞেস করল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে আবার জিজ্ঞেস করল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার পিতা। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরাইশদের সাথে (নবীজি সা. এর) চুক্তির সময় আমার মা মুশরিক অবস্থায় আমার কাছে এসেছিলেন। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার মা আমার কাছে এসেছেন এবং তিনি (আমার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে) আগ্রহী। আমি কি তাঁর সাথে সম্পর্ক রাখব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁর সাথে সম্পর্ক রাখো। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

ইসলামে মাতার প্রতি বিশেষভাবে সম্মান ও অধিকারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, কারণ তাঁর ত্যাগ ও অবদানের কোনো তুলনা হয় না।


ইসলাম ধর্মে মায়ের অধিকার পিতার চেয়ে বেশি হওয়ার মূল কারণ হলো, মায়ের অপরিসীম ত্যাগ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। মা সন্তানকে দশ মাস গর্ভে ধারণ করেন, প্রসবের তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করেন এবং ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর দীর্ঘকাল ধরে লালন-পালন ও পরিচর্যা করেন। এই সমস্ত কষ্ট ও ত্যাগের কারণে আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর রাসূল (সা.) মায়ের মর্যাদাকে অনেক ঊর্ধ্বে স্থাপন করেছেন।

হাদিস শরিফে এসেছে, এক সাহাবি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, "আমার কাছে সদ্ব্যবহার পাওয়ার সবচেয়ে বেশি অধিকার কার?" রাসূল (সা.) বললেন, "তোমার মা-এর।" সাহাবি তিনবার একই প্রশ্ন করলে প্রতিবারই রাসূল (সা.) বললেন, "তোমার মা-এর।" চতুর্থবার জিজ্ঞাসা করার পর তিনি বললেন, "তোমার পিতার।" এই হাদিস স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, মা তিনগুণ বেশি সদ্ব্যবহার পাওয়ার অধিকারী।

এছাড়া, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে।" এটি মায়ের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও আনুগত্যের নির্দেশক। মায়ের সেবা ও সন্তুষ্টি অর্জন জান্নাত লাভের অন্যতম সহজ পথ হিসেবে বিবেচিত। তাই, ইসলামে নৈতিক ও মানবিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই মায়ের অধিকারকে পিতার চেয়ে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা মায়ের অতুলনীয় অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

أحق

তাহকীক:

এটি একটি 'ইসমুত তাফদীল' (اسم التفضيل) বা একটি 'ফে'ল' (فعل) উভয় অর্থেই ব্যবহার হতে পারে।

        
  • যদি এটি 'ইসমুত তাফদীল' হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এর মূল ধাতু (মাসদার) হলো حَقٌّ (হাক্কুন) বা حَقِيْقَةٌ (হাক্বিক্বাতুন)। এর অর্থ 'সবচেয়ে যোগ্য', 'সবচেয়ে উপযুক্ত', বা 'অধিকতর সত্য'। যেমন: أَحَقُّ الناس (মানুষের মধ্যে সবচেয়ে যোগ্য)।
  •     
  • যদি এটি 'ফে'ল' (ক্রিয়া) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এটি فعل ماض (ফে'ল মাযী - অতীতকালসূচক ক্রিয়া) বাব أَفْعَلَ (আফ'আলা) থেকে এসেছে। এর অর্থ 'সে হকদার হয়েছে', 'সে সত্য প্রমাণ করেছে' বা 'সে উপযুক্ত ছিল'। এর মূল ধাতুও ح ق ق।

قدمت مشركة

তাহকীক:

        
  • قَدَّمَتْ (ক্বাদ্দামাত): এটি فعل ماض (ফে'ল মাযী - অতীতকালসূচক ক্রিয়া)। এটি باب تَفْعِيلٍ (তাফঈল) থেকে এসেছে। এর মূল ধাতু হলো ق د م (ক্ব-দা-ম)। এর শেষে যে তা (تْ) আছে, তা فاعل (কর্তা) مؤنث (স্ত্রীলিঙ্গ) হওয়ার আলামত বা চিহ্ন। এর অর্থ 'সে (স্ত্রীলিঙ্গ) অগ্রসর হয়েছে' বা 'সে (স্ত্রীলিঙ্গ) পেশ করেছে'।
  •     
  • مُشْرِكَةٌ (মুশরিকাতুন): এটি اسم فاعل (ইসমুল ফায়েল - Active Participle), যা باب إِفْعَالٍ (ইফ'আল) থেকে এসেছে। এর মূল ধাতু হলো ش ر ك (শ-রা-কা)। এটি مؤنث (স্ত্রীলিঙ্গ) একবচন। এর অর্থ 'শিরককারিণী মহিলা' বা 'মুশরিক নারী'।
  •     
  • সম্পূর্ণ অর্থ: একজন মুশরিক নারী অগ্রসর হলো/উপস্থিত হলো।

قلت

তাহকীক:

এটি فعل ماض (ফে'ল মাযী - অতীতকালসূচক ক্রিয়া)। এটি বাব فَعَلَ (ফা'আলা) থেকে এসেছে এবং এটি একটি أَجْوَفْ (আজওয়াফ) ক্রিয়া (মধ্যম অক্ষর দুর্বল ধাতু)। এর মূল ধাতু হলো ق و ل (ক্ব-ওয়া-ল)। এর শেষে যে تُ (তু) আছে, তা فاعل (কর্তা) ওয়াহিদে মুতাকাল্লিম (একবচন উত্তম পুরুষ - 'আমি') হওয়ার আলামত বা চিহ্ন।

অর্থ: আমি বললাম।


আরবী ব্যাকরণে 'তাহকীক' (تحقيق) হলো কোনো শব্দ বা বাক্যাংশের ব্যাকরণগত ও রূপতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। হাদিস শরীফের মতো ইসলামী শাস্ত্র অধ্যয়নে তাহকীক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শব্দের সঠিক অর্থ, মূল ধাতু, রূপ (باب), কাল (tense), লিঙ্গ (gender), বচন (number) এবং বাক্যে তার অবস্থান (إعراب) নির্ধারণে সহায়তা করে। দাহখিল ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আরবি ভাষার গভীরতা ও হাদিসের সূক্ষ্ম অর্থ অনুধাবনের জন্য অপরিহার্য একটি অনুশীলন। এর মাধ্যমে তারা শব্দের উৎপত্তি ও গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করে, যা ভুল ব্যাখ্যা এড়াতে সহায়ক হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
90
উত্তরঃ

হাদিস শরিফের এই বাক্যটির অর্থ হলো, "মুমিন এক গর্ত থেকে দুবার দংশিত হয় না।" এর দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, একজন বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ মুমিন ব্যক্তি একবার কোনো ভুল বা ক্ষতির সম্মুখীন হলে সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে। সে একই ধরনের ভুল দ্বিতীয়বার করে না বা একই উৎস থেকে প্রতারিত হয় না।

ইসলাম শিক্ষা দেয় যে, মুমিন ব্যক্তিরা সতর্ক, সচেতন ও দূরদর্শী হবে। তারা কেবল ইহকালীন জীবনেই নয়, পরকালীন জীবনের জন্যও প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কোনো ব্যক্তি যদি একবার প্রতারিত হয় বা কোনো ক্ষতির শিকার হয়, তবে তার উচিত সেই ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। এই হাদিসটি মুমিনদেরকে প্রজ্ঞা, সতর্কতা এবং অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।

প্রকৃত মুমিন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য হলো, সে জীবনের প্রতিটি ঘটনাকে শিক্ষার উৎস হিসেবে দেখে। অতীত ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদেরকে আরও উন্নত করে তোলে। ফলে তারা বিচক্ষণতার সাথে জীবন পরিচালনা করে এবং একই ধরনের বিপদ বা ক্ষতির শিকার হওয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

المؤمن (আল-মু'মিন) শব্দটি أ-م-ن (আ-ম-ন) মূলধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ নিরাপত্তা, আস্থা বা বিশ্বাস স্থাপন করা। এটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর রাসূলগণের প্রতি, পরকালের প্রতি এবং তাকদিরের ভালো-মন্দের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করেন। একজন মু'মিন তার ঈমানের মাধ্যমে আত্মিক শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করেন এবং তার আমলের দ্বারা এই বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করেন।

لا يلدغ (লা ইয়ালদাগ) একটি আরবী ক্রিয়াপদ, যার আভিধানিক অর্থ "তাকে দংশন করা হয় না"। এটি একটি নেতিবাচক (لا - লা) এবং মাজহুল (passive voice) রূপের মুদারে (বর্তমান/ভবিষ্যৎ কাল) ক্রিয়া। এর মূলধাতু হলো لدغ (লাদাগ), যার অর্থ দংশন করা। এই শব্দটি একটি প্রসিদ্ধ হাদীসের অংশ: "لا يلدغ المؤمن من جحر واحد مرتين" (একজন মু'মিন একই গর্ত থেকে দুবার দংশিত হয় না)। হাদীসটিতে মু'মিনদের সতর্ক, বুদ্ধিমান এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণকারী হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।


হাদীস শরীফে ব্যবহৃত শব্দাবলী ও বাক্যসমূহের তাহকীক বা গভীর বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে কেবল শব্দের আভিধানিক অর্থই নয়, বরং এর ব্যুৎপত্তিগত দিক, ব্যাকরণগত গঠন এবং হাদীসের প্রেক্ষাপটে এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুধাবন করা যায়। এটি হাদীসের সঠিক মর্ম উপলব্ধি করতে এবং তা থেকে শরীয়তের বিধান ও নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করতে অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
101
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews