আউটডোর গেমস (পাঠ-৩)

জীবনের জন্য খেলাধুলা - শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

1.1k

ঘরের বাইরে অর্থাৎ খেলার মাঠ বা বৃহৎ পরিসরের খোলা জায়গায় যেসব খেলাধুলা হয় তাকে আউটডোর গেমস বলে। যেমন- ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, গোল্লাছুট, দাড়িবান্ধা, এক্কাদোক্কা, কানামাছি, বউচি, ইদুর বিড়াল, অ্যাথলেটিকস্ ইত্যাদি।
ফুটবল: ফুটবল একটি আন্তর্জাতিক খেলা। বাংলাদেশেও ফুটবলের জনপ্রিয়তা কম নয়। ফুটবল খেলার মধ্য দিয়ে শারীরিক কর্মদক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, দলীয় একাত্মবোধ, পরস্পর সহযোগিতা, নেতৃত্বদান প্রভৃতি গুণ অর্জিত হয়।

নিয়মাবলি

১. খেলার মাঠ
ফুটবল খেলার মাঠ আন্তর্জাতিকভাবে দৈর্ঘ্যে ১১০ গজ এবং প্রস্থে ৭০ গজ হয়ে থাকে। তবে জুনিয়রদের জন্য দৈর্ঘ্যে ৮০ গজ ও প্রস্থে ৫০ গজ মাপের মাঠে ফুটবল খেলা যেতে পারে। গোলপোস্ট উচ্চতায় ৮ ফুট এবং এক পোস্ট থেকে অন্য পোস্টের দূরত্ব ২৪ ফুট। উভয় গোলপোস্ট থেকে পাশে ৬ গজ এবং মাঠের দিকে ৬ গজ দূরত্ব নিয়ে যে আয়তক্ষেত্র তৈরি হয় তাকে গোল এরিয়া বলে। উভয় গোলপোস্ট থেকে পাশে ১৮ গজ ও মাঠের দিকে ১৮ গজ দূরত্ব নিয়ে যে আয়তক্ষেত্র তৈরি হয় তাকে পেনাল্টি এরিয়া বলে। দুই গোলপোস্টের ঠিক মাঝখান থেকে মাঠের ভিতর ১২ গজ সামনে একটি পেনাল্টি স্পট থাকে। যেখান থেকে পেনাল্টি কিক মারা হয়। মধ্যমাঠে ১০ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত করা হয়, যেখান থেকে কিক অফ করে খেলা শুরু করা হয়। এছাড়া মাঠের কোনায় ১ গজের একটি কোয়ার্টার সার্কেল থাকে যেখান থেকে কর্নার কিক করা হয়।

২. খেলোয়াড় সংখ্যা: দুই দলে ১১জন করে মোট ২২জন খেলোয়াড় খেলে।
৩. রেফারি: খেলা পরিচালনার জন্য একজন রেফারি, দুজন সহকারী রেফারি ও একজন চতুর্থ রেফারি থাকেন।
৪. খেলার স্থিতিকাল: খেলার নির্ধারিত সময় ৯০ মিনিট। তবে ছোটোদের জন্য ৩৫+১০+৩৫ মিনিট খেলা হতে পারে।
৫. খেলা আরম্ভ: খেলার শুরুতে টসে জয়ী দলকে অবশ্যই মাঠের যে কোনো সাইড বেছে নিতে হবে। টসে পরাজিত দল রেফারির সংকেতের সাথে সাথে 'কিক অফ'-এর মাধ্যমে খেলা শুরু করবে।

কাজ-১: একটি ফুটবল খেলার মাঠ অঙ্কন কর।
কাজ-২: ফুটবল খেলার নিয়মাবলি খাতায় লিপিবদ্ধ কর।
Content added || updated By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...