পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এসব বনের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় একটি দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ ভূমিতে বন থাকা অপরিহার্য। আমাদের দেশে বর্তমানে বনের পরিমাণ মোট আয়তনের ১৭ ভাগ। সুতরাং দেশের বনজ সম্পদ বাড়ানোর জন্য কৃষি বন এবং সামাজিক বনের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। এবার দেখা যাক এসব বন কীভাবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখে।
১. বনের গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন পরিবেশে ছেড়ে দেয়।
ফলে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২. এসব বনের গাছপালা বাতাসে জলীয়বাষ্প সরবরাহ করে। ফলে পরিবেশ ঠান্ডা থাকে। এ জলীয় বাষ্প মেঘ ও বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে।
৩. আবহাওয়ার চরমভাবাপন্নতা হ্রাস করে। বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. এসব বন মাটিকে উর্বর করে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ রক্ষা করে।
৫. জীবজন্তুর খাদ্য উৎপাদন করে এবং আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে।
৬. ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস থেকে পরিবেশ রক্ষা করে।
৭. টর্নেডো, ঝড় জলোচ্ছ্বাস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে জনপদ রক্ষা করে।
৮. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়তা করে।
কাজ: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কৃষি ও সামাজিক বনের অবদান সম্পর্কীয় মানচিত্র তৈরি কর। ![]() |
নতুন শব্দ: পরিবেশের ভারসাম্য, চরমভাবাপন্ন, জীববৈচিত্র্য।
Read more
