
মা দুর্গার ছেলে গণেশ ও কার্তিক। গণেশের দেহটি মোটাসোটা; ইঁদুর তাঁর বাহন। অপরদিকে কার্তিকের সুঠাম বলিষ্ঠ
দেহ; তাঁর বাহন ময়ূর। মা দুর্গা ঘোষণা করলেন, যে আগে পৃথিবী ঘুরে এসে মাকে প্রণাম করতে পারবে তাকেই তিনি গলার হার দেবেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হলো। গণেশ দেখলেন তাঁর বাহন ইঁদুরকে নিয়ে কার্তিকের বাহন ময়ূরকে হারানো সম্ভব নয়। তখন গণেশের মনে হলো, মাতা জগত্ৰুপিণী; তিনিই পৃথিবী। তাঁর চারিদিকে ঘুরে আসলেই পৃথিবী ঘোরা হয়ে যাবে। এই চিন্তা করে গণেশ ভক্তিভরে মায়ের চারিধার ঘুরে এসে মাকে প্রণাম করলেন। অপরদিকে কার্তিক দ্রুত গতিতে পৃথিবী ঘুরে এসে দেখেন গণেশের গলায় মা হারটি পরিয়ে দিয়ে গণেশকে কোলে নিয়ে বসে আছেন। এ ঘটনার কারণ জানতে চাইলে মা দুর্গা কার্তিককে বললেন, গণেশ অত্যন্ত জ্ঞানী। সে জানে মাতাই পৃথিবী। তাই তাঁর চারপাশে ঘুরলে পৃথিবী ঘোরা হয়। গণেশের এ মাতৃভক্তি জগতে অমর হয়ে রয়েছে। সকল ছেলে-মেয়েরই উচিত মাতা-পিতাকে দেবতা জ্ঞানে ভক্তি করা, সেবা করা।
নতুন শব্দ : ধর্মবিশ্বাস, কর্তব্য, বাহন, প্রতিযোগিতা, জগত্ৰুপিণী, মাতৃভক্তি।
Read more