নিত্যকর্মের গুরুত্ব ও প্রভাব (পাঠ ২)

নিত্যকর্ম ও যোগাসন - হিন্দুধর্ম শিক্ষা - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

426

নিত্যকর্ম করলে নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায়। সময়ের কাজ সময়ে শেষ হয়; কোনো কাজই একেবারে অসমাপ্ত পড়ে থাকে না। কাজে নিষ্ঠাবান হওয়া যায় এবং শৃঙ্খলা বজায় থাকে। নিয়মিত ব্যায়াম, খেলাধুলা এবং আহার গ্রহণে শরীর ভালো থাকে। শরীর সুস্থ থাকলে মন ভালো থাকে। মন ভালো থাকলে পরিবেশকে ভালো লাগে এবং সকল কাজে ধৈর্যের সাথে মনোনিবেশ করা যায়। নিয়মিত পিতা-মাতাকে প্রণাম করলে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি সুগভীর হয়। মানুষের প্রতি প্রীতি জন্মে। নিয়মিত অধ্যয়ন করলে ভালো ফলাফল করা যায়। জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় এবং জীবনে সফলতা আসে। নিয়মিত পূজা ও উপাসনা দ্বারা ঈশ্বরের বিভিন্ন শক্তিকে সন্তুষ্ট করা হয়। তাই আমরা গৃহে দেবতার বিগ্রহ বা প্রতিমা স্থাপন করে প্রতিদিন পূজা করি।
আবার বিশেষ বিশেষ সময়ে বিশেষ বিশেষ দেবতার পূজা করি। এভাবে নিয়মিত পূজা ও উপাসনার ফলে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি সুগভীর হয় এবং ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা যায়।
আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত একটি সুন্দর জীবন যাপনের পথ অনুসন্ধান করা। সুতরাং আমরা নিত্যকর্মের নিয়মাবলি মেনে চলব এবং নিজের কাজে নিষ্ঠাবান থাকব। আমাদের হৃদয়ে থাকবে সুগভীর ঈশ্বরভক্তি।

দলীয় কাজ:

  • নিত্যকর্ম মেনে চলার পক্ষে পাঁচটি যুক্তি লেখ।
  • নিত্যকর্ম মেনে না চললে কী কী অসুবিধা হতে পারে?- তার একটি তালিকা তৈরি কর।

নতুন শব্দ: নিষ্ঠাবান, সমৃদ্ধ, সান্নিধ্য, ধৈর্য, প্রীতি, অধ্যয়ন, অনুসরণ।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...