পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজে সত্য কথা বলার গুরুত্ব (পাঠ ৩)

ধর্মীয় উপাখ্যানে নৈতিক শিক্ষা - হিন্দুধর্ম শিক্ষা - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

300

সত্য ব্যক্তি জীবনকে সুন্দর করে। সত্যবাদীকে সকলে ভালোবাসে, বিশ্বাস, সম্মান ও শ্রদ্ধা করে। সত্যবাদী সকলেই আস্থার পাত্র। সত্যবাদীর সাহস সর্বদাই অধিক। এই সাহসের মূলে রয়েছে ব্যক্তির সৎ চিন্তা এবং পরিপূর্ণ বিবেকবোধ। আমাদের পরিবার, বিদ্যালয় এবং সমাজের সকলকে সত্য বলার অভ্যাস গঠন করা উচিত।
পরিবারিক জীবনে সত্যকথা বলার প্রয়োজনীয়তা অধিক। সত্যকথা বলার মাধ্যমে পরিবারে পরস্পর পরস্পরের কাছাকাছি আসা সহজ হয়। পরিবারে একে অন্যকে সহজে বুঝতে পারে। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তগ্রহণ করা সহজ হয়। তাছাড়া পরিবারে একে অন্যের উপর নির্ভর করা যায়। সত্যকথা বলার মাধ্যমে পারিবারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। যেকোনো জটিলতা সহজে কাটিয়ে উঠা যায়। সুতরাং আমরা পরিবারের সকলে সত্য কথা বলব এবং সৎ জীবন গড়ব। সৎ জীবনই আমাদের পরিবারের মূলভিত্তি।
বিদ্যালয়ে আমরা নানা কার্যক্রমে জড়িত হই। এসব কার্যক্রমে আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো দায়িত্ব পালন করি। শিক্ষক, সহপাঠীসহ অন্যান্য সকলের সাথে বিভিন্ন কাজ করি। এ ক্ষেত্রে আমাদের সত্যকথা বলার গুরুত্ব অধিক। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী সত্যবাদীকে খুব পছন্দ করে। সত্যবাদী সর্বদা স্পষ্টভাষী ও সৎসাহসী হয়ে থাকে। তাদের বিবেকবোধ অত্যন্ত সজাগ থাকে। এ গুণের কারণে সত্যবাদীকে সকলে পছন্দ এবং বিভিন্ন কাজে দায়িত্ব প্রদান করে।
সমাজে সত্যবাদীকে সকলে বিশ্বাস করে। সত্যবাদী সমাজের আদর্শ। সমাজে সত্যবাদী ব্যক্তির আদর্শকে অনেকেই অনুসরণ করে। সমাজের বিভিন্ন বিরোধ, দ্বন্দ্বসহ নানা সমস্যা সমাধানে সত্যবাদী ব্যক্তিই এগিয়ে আসেন।

একক কাজ: পরিবার ও বিদ্যালয়ে সত্যকথা বলার গুরুত্বসমূহ চিহ্নিত কর।
Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...