কর্তব্যবোধের ধারণা (পাঠ -৫)

হিন্দুধর্মের স্বরূপ ও বিশ্বাস - হিন্দুধর্ম শিক্ষা - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

315

যা কিছু করা হয় তাই কর্ম। আর যে সকল কর্ম অনুশীলন করা আবশ্যক তাই কর্তব্য। অর্থাৎ যা করা উচিত তাই আমাদের কর্তব্য। কর্তব্যের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ এবং মমত্ব জাগ্রত হওয়াকে বলে কর্তব্যবোধ। মাতা-পিতার আদেশ পালন, শিক্ষকের উপদেশ পালন, বৃদ্ধ মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের পরিচর্যা ও ভরণপোষণ, মাতা-পিতা কর্তৃক সন্তান লালন-পালন প্রভৃতি কর্তব্যবোধের উদাহরণ। আমাদের পরিবার ও সমাজে প্রত্যেকেরই নিজ নিজ কর্তব্য রয়েছে।
মাতা-পিতার কর্তব্য সন্তানকে সুষ্ঠুভাবে লালন পালন করা। সন্তানকে স্নেহ-যত্নে বড় করে তোলা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষিত করে তোলা। পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া। আবার সন্তানের কর্তব্য মাতা-পিতার আদেশ ও উপদেশ মেনে চলা। তাদের বিভিন্ন কাজে সহায়তা করা। মাতা-পিতার সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকা।
কর্তব্য পালন ধর্মের অঙ্গ। ছাত্রের কর্তব্য অধ্যয়ন করা। সংস্কৃতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ছাত্রানং অধ্যয়নং তপঃ। অর্থাৎ ছাত্রের একমাত্র কর্তব্য অধ্যয়ন করা। নিষ্ঠার সাথে কর্তব্য পালন করলে জীবনে অনেক বড় হওয়া যায়। যেমন-একজন শিক্ষার্থী যথাযথ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে। কর্তব্য পালনে যারা অবহেলা করে এবং অসচেতন থাকে তারা জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারে না।

একক কাজ: ছাত্র হিসেবে তোমার কর্তব্যসমূহ চিহ্নিত কর।
Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...