৪. অণুজীববিদ্যা ও জীনতত্ত্ব (Microbiology & Genetics)

জীববিজ্ঞান (Biology) - সাধারণ বিজ্ঞান -

4
Please, contribute by adding content to ৪. অণুজীববিদ্যা ও জীনতত্ত্ব (Microbiology & Genetics).
Content

অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology) হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি বিশেষ শাখা, যেখানে খালি চোখে দেখা যায় না এমন অণুজীব—যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া এবং আর্কিয়া নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় । এই বিদ্যা অণুজীবের গঠন, জীবনপ্রক্রিয়া, বাস্তুতন্ত্র এবং মানুষের জীবনে (রোগ সৃষ্টি বা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ) এদের ভূমিকা নিয়ে কাজ করে।

Content added By
Content updated By

অনুজীব

অনুজীব বা জীবাণু বলতে সূক্ষ্মজীব বঝায়। মাটি, পানি, বায়ু এবং পরিবেশে এমন অনেক জীব রয়েছে যেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না। কেবলমাত্র অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এদের অস্তিত্ব বোঝা যায়। এ সব জীবকেই অনুজীব বলা হয়। ভাইরাস, রিকেটসিয়া, ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি অনুজীবের অন্তর্ভুক্ত। এদের বেশির ভাগই পরজীবী এবং পোষক দেহ রোগ সৃষ্টি করে। যেসব জীবাণু রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথোজেনিক (Pathogenic) বলা হয়। প্রাণীদেহে জীবাণুজাত বিষ নিষ্ক্রিয়কারী রাসায়নিক পদার্থের নাম অ্যান্টিবডি।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ভাইরাস (Virus)

ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ। ভাইরাস হলো অতি আণুবীক্ষণিক, অকোষীয় রাসায়নিক বস্তু যা প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিড দ্বারা গঠিত। ভাইরাসের দেহে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই। পোষক দেহের অত্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করে। পোষক দেহের বাহিরে জড় পদার্থের ন্যায় আচরণ করে। জীব ও জড়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী হল ভাইরাস। যে সকল ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে, তাদেরকে বলা হয় ব্যাকটেরিওফাজ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ভাইরাসঘটিত রোগ

ক) উদ্ভিদের দেহে রোগ

ভাইরাস তামাকের মোজাইক রোগ, ধানের টুংগ্রো রোগের জন্য দায়ী।

খ) প্রাণিদেহে রোগ

রোগের নাম

জীবাণুর নাম

সংক্রমণের মাধ্যম

গুটি বসন্ত (Smallpox)Variolaবায়ু
জল বসন্ত (Chickenpox)Varicellaবায়ু
ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu)Influenza Virusবায়ু
হংকং ভাইরাসSARS Virusবায়ু
হামMeasles Virusবায়ু
মাম্পসMumps virusবায়ু
পোলিওPolio myelitisদূষিত খাদ্য, পানি
জন্ডিস (Jaundice)Hepatitis Virus.যৌন, রক্ত, দূষিত খাদ্য, পানি
এইডস (AIDS)HIV Virusযৌন, রক্ত
বার্ড ফ্লু (Bird Flu)H5N1হাস, মুরগী, কবুতর, পাখি
সোয়াইন ফ্লু (Swine Flu)H1N1শুকর
জলাতঙ্ক (Street Virus)Rabies virusকুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বানরসহ অধিকাংশ হিংস্র প্রাণীর কামড়
ইবোলা (Ebola)Ebolavirusবানর, বাদুড়
ডেঙ্গুDengue Virus - DENVএডিস মশা
হার্পিস*Herpes simplexছোয়াচে
মুরগীর রানীক্ষেত বা নিউক্যাসেলAvulavirus Paramyxoviridae

*হার্পিস রোগের চিকিৎসায় অ্যাসিক্লোভার (Acyclover) নামক ঔষধ ব্যবহৃত হয়।

নিপাহ ভাইরাস (Nipah Virus)

নিপাহ ভাইরসের অস্তিত্ব পাওয়া যায় মালয়েশিয়ায় ১৯৯৯ সালে। এই রোগ প্রতিরোধের জন্য কিছু বিষয় অনুসরণ করা উচিত। যথা-

(১) খেজুরের কাঁচা রস পান না করা।

(২) গাছ থেকে যে কোন ধরনের আংশিক ফল ভক্ষণ না করা

(৩) ফলমূল পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালভাবে ধৌত করা

(৪) আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসলে পানি দিয়ে হাত ভালভাবে ধৌত করতে হবে।

ইবোলা ভাইরাস (Ebola Virus)

মধ্য আফ্রিকার উত্তরাংশে কঙ্গো উপত্যকায় প্রবাহিত ইবোলা নদীর নামানুসারে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালে কঙ্গোতে সর্বপ্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। ইবোলা ভাইরাস-এর লক্ষণ জ্বর, গলা ব্যথা, পেশী ব্যথা এবং মাথা ধরা। ইবোলা ভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ লাইবেরিয়া।

সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস (Swine Flu Virus)

সোয়াইন ফ্লুতে সর্বপ্রথম আক্রান্ত হয় মেক্সিকোর শিশু এদগার হার্নান্দেজ। বাংলাদেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী সনাক্ত করা হয় ১৮ জুন ২০০৯ সালে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সোয়াইন ফ্লুর নাম পরিবর্তন করে রাখে Influenza A.

ইনফুয়েঞ্জা (Influenza)

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সুপ্তবস্থা (Incubation Period) অত্যন্ত কম।

SARS (Severe acute respiratory syndrome)

২০০২ সালে চীনে সর্বপ্রথম সার্স ভাইরাস ধরা পড়ে।

এইডস (AIDS)

মানবদেহে HIV (Human Immunodeficiency Virus) এর আক্রমণে এইডস (AIDS-Acquired Immune Deficiency Syndrome) রোগ হয়। এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকণিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) লোপ পায়। HIV সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। মানবদেহে HIV ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডস এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। এইডস রোগের কোনো নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই। পেনিসিলিন বা অন্য কোনো এন্টিবায়োটিক দ্বারাই AIDS রোগ সারানো সম্ভব নয় অর্থাৎ এইডস-এর এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা নেই। ফলে এইডস-এর পরিণাম নিশ্চিত মৃত্যু। AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায় না। রক্ত সঞ্চালন, যৌন সংগমের মাধ্যমে এ রোগ সংক্রামিত হয়। গর্ভবতী মহিলা এ রোগে আক্রান্ত হলে তার সন্তানের মধ্যে এ রোগ হতে পারে। স্তনদুগ্ধ পানের মাধ্যমে আক্রান্ত মহিলার দেহ থেকে শিশুর AIDS হতে পারে। অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা এইডস সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এইডস প্রতিরোধে প্রয়োজন জনসচেতনতা। প্রতি বছর ১লা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়। ১৯৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের প্রথম 'এইডস' রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। দক্ষিণ আফ্রিকায় সবচেয়ে বেশি এইডস আক্রান্ত রোগী আছে।

পোলিও (Polio)

পোলিও ভাইরাস স্নায়ুকে আক্রমণ করে।

ডেঙ্গুজ্বর (Dengue Fever)

ডেঙ্গু ফিভার ভাইরাস Flavivirus জিনের Flaviviridae পরিবারের একটি RNA ভাইরাস। ডেঙ্গুজ্বর ভাইরাসের বাহক মশা এডিস এজিপটাই (Aedes aegypti)। উচ্চজ্বর, পেশী-হাড়-মাথা ব্যথা, র‍্যাশ, শরীরের বিভিন্ন স্থান হতে রক্তপাত হওয়া ডেঙ্গুজ্বরের লক্ষণ।

ভেক্টর: যে সকল প্রাণী এক মানবদেহ থেকে অন্য মানবদেহে রোগ জীবাণু বহন করে নিয়ে যায় তাদেরকে ভেক্টর বলে। যেমন; মশা একটি ভেক্টর।

বাহক

রোগ

বাহক

রোগ

এডিস মশাডেঙ্গু জ্বরকিউলেক্স মশাফাইলেরিয়া বা গোদ
অ্যানোফিলিস মশাম্যালেরিয়াবাদুড়নিপাহ

জিকা ভাইরাস (Zika Virus)

পশ্চিম গোলার্ধে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকার একটি ভাইরাস জিকা। ১৯৪৭ সালে উগান্ডার জিকা বনে সর্বপ্রথম এই ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, ফলে বনের নামানুসারে এই ভাইরাসটির নামকরণ করা হয়েছে। এটি একটি মশাবাহিত ভাইরাস। এই ভাইরাসটি এডিস প্রজাতির মশার মাধ্যমে ছড়ায়। জ্বর, মাথা ব্যথা, চোখ লাল, ত্বক লাল লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এই ভাইরাসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

ভাইরাসঘটিত রোগের প্রতিষেধক

রোগের নাম

টীকার আবিষ্কারক

দেশ

সময়কাল (খ্রি.)

জলাতঙ্কলুই পাস্তুরফ্রান্স১৮৮৫
পোলিওজোনাস সক[*]যুক্তরাষ্ট্র১৯৫৪
বসন্তএডওয়ার্ড জেনারযুক্তরাজ্য১৭৯৬

[*]১৯৯৫ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের La Jolla শহরে মারা যান।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)

ব্যাকটেরিয়া অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব। নিউক্লিয়াস আদি প্রকৃতির (Prokaryotic) অর্থাৎ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, নিউক্লিওলাস অনুপস্থিত। সিউডো নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোম থাকে, যদিও এটি তেমন সুগঠিত নয়। এতে হিস্টোন প্রোটিন থাকে না। জলে-স্থলে বাতাসের সর্বত্র অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া আছে। আমাদের অস্ত্র Escherichia coli ব্যাকটেরিয়া থাকে।

যে সকল ব্যাকটেরিয়া অক্সিজেনের উপস্থিতি ছাড়া বাঁচতে পারে না, তাদের অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া বলে। যে সকল ব্যাকটেরিয়া বায়ুর উপস্থিত ছাড়া বাঁচ থাকতে পারে, তাদের অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া বলে।

বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন। ব্যাকটেরিয়া আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষীয় আণুবীক্ষণিক জীব। যে সকল ব্যাক্টেরিয়া অক্সিজেনের উপস্থিতি ছাড়া বাচতে পারে না, তাদের অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া বলে। যে সকল ব্যক্টেরিয়া বায়ুর উপস্থিতি ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে, তাদের অ্যানারোবিক ব্যাক্টেরিয়া বলে। যে সব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথজেনিক (Pathogenic) বলা হয়। প্রাণিদেহে জীবাণুজাত বিষ নিষ্ক্রিয়কারী রাসায়নিক পদার্থের নাম অ্যান্টিবডি।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পানির পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির জন্য
পানিকে সুস্বাদু করার জন্য
পানিতে মিশ্রিত অদ্রবণীয় কণাসমূহকে দ্রবীভূত করার জন্য
ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করার জন্য

ব্যাক্টেরিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব

শীম জাতীয় উদ্ভিদে Rhizobium ব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেনকে নাইট্রেটে পরিণত করে। আমাদের অন্তে Escherichia coli ব্যাকটেরিয়া থাকে। শুকনো মাধ্যমে খাবার সংরক্ষণ করা যায় কারণ পচনকারী জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না। নিষ্পিষ্ট মসলায় লবণ মিশিয়ে অনেকদিন রাখা যায় কারণ লবণ পচনকারী জীবাণুর বংশ বিস্তার রোধ করে।

পাস্তুরাইজেশন (Pasteurization)

দুধে ল্যাক্টোজ থাকে। দুধের ব্যাক্টোরিয়া ল্যাক্টোজকে ল্যাকটিক এসিডে পরিণত করে। ফলে দুধ টক হয়। দুধকে জীবাণুমুক্ত করার প্রক্রিয়াকে পাস্তরায়ন বলে। ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর এ প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। আবিষ্কারকের নামানুসারে এ পদ্ধতির নামকরণ করা হয়েছে পাস্তুরায়ন। আমরা দইয়ের সাথে এক ধরনের প্রচুর ব্যাক্টেরিয়া খাই।

Content added By
Content updated By

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ

ব্যাকটেরিয়া গরু মহিষের যক্ষ্মা, ভেড়ার অ্যানথ্রাক্স, ইদুরের প্লেগ এবং মুরগীর কলেরা ইত্যাদি রোগ সৃষ্টি করে। ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদের গমের টুন্ডুরোগ, ধানের ব্লাইট, আখের আঠাঝড়া রোগ, টম্যাটোর ক্যাংকার, আলুর পচা রোগ, ভূট্টার বোটা পচা রোগ ইত্যাদি সৃষ্টি করে।

ব্যাকটেরিয়া মানুষের বহুবিধ রোগ সৃষ্টি করে। যেমন:

রোগের নাম

রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম

রোগ বিস্তারের মাধ্যম

যক্ষ্মাMycobacterium tuberculosisবায়ু
নিউমোনিয়াStreptococcus pneumoniaeবায়ু
ডিপথেরিয়াCorynebacterium diptheriaeবায়ু
হুপিংকাশিBordetella pertussisবায়ু
মেনিনজাইটিসNeisseria meningitidisবায়ু
গনোরিয়াNeisseria gonorrhoeaeযৌন
সিফিলিসTreponema pallidumযৌন
টাইফয়েডSalmonella typhiখাদ্য, পানি
প্যারাটাইফয়েডSalmonella paratyphiখাদ্য, পানি
কলেরাVibrio choleraeখাদ্য, পানি
রক্ত আমাশয়Shigella dysenteriaeখাদ্য, পানি
কুন্ঠ / লেপ্রোসিMycobacterium lepraeদীর্ঘদিন রোগীর সংস্পর্শে
ধনুষ্টংকারClostirdium tetaniক্ষতস্থান দিয়ে
প্রেগYersenia pestisইদুর
অ্যানথ্রাক্সBacillus anthracis
  • রবার্ট কচ যক্ষ্মা এবং কলেরার জীবাণু আবিষ্কার করেন।
  • ডিপথেরিয়া রোগে দেহের গলা আক্রান্ত হয়।
  • অ্যানথ্রাক্স শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ হতে।

ব্যাকটেরিয়া হতে প্রতিষেধক তৈরি করা হয়। যেমন-

রোগ

টীকার নাম

টীকার আবিষ্কারক

যক্ষ্মা

B.C.G

ক্যালসাট ও গুয়েচিন
ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার

D.P.T

ধনুষ্টংকার

T.T

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জীবাণুমুক্তকরণ (Sterilization) হলো এমন একটি ভৌত বা রাসায়নিক প্রক্রিয়া যা অণুজীব (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, স্পোর) এবং প্রিয়ন সহ সমস্ত ধরনের জীবনকে ধ্বংস বা অপসারণ করে কোনো বস্তুকে সম্পূর্ণরূপে জীবাণুমুক্ত করে । এটি সার্জিক্যাল সরঞ্জাম ও খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় । প্রধান পদ্ধতিগুলোর মধ্যে অটোক্লেভ (উচ্চ তাপ ও চাপ), শুষ্ক তাপ, রাসায়নিক, বিকিরণ এবং পরিস্রাবণ অন্তর্ভুক্ত ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Please, contribute by adding content to ভাইরাসের ধরণ ও স্ট্রেইন (Virus Types & Strains).
Content

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Please, contribute by adding content to অ্যান্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিন (Antibiotics & Vaccines).
Content

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জীনতত্ত্ব (Genetics)

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতির রীতিনীতি (অর্থ্যাৎ বংশানুক্রমিক গুণাবলীর উৎপত্তি, প্রকৃতি, বৃদ্ধির সময় ও তাদের আচরণ) সম্পর্কে আলোচিত হয়, সে শাখাকে জীনতত্ত্ব বলে বা জেনেটিক্স বলে। উইলিয়াম বেটসন সর্বপ্রথম ‘জেনেটিক্স' শব্দটি প্রয়োগ করেন।

Content added By
Content updated By

বংশগতি (Heredity)

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল

অস্ট্রিয়ার ধর্মযাজক মেন্ডেলকে জেনেটিক্স বা বংশগতির জনক বলা হয়। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ৩৪ প্রকারের মটরশুটি গাছ পরীক্ষা করেন এবং অবশেষে বংশগতির দুটি সূত্র আবিষ্কার করেন, যা মেন্ডেলের সূত্র নামে অভিহিত।

মেন্ডেলের..অন্য নামঅনুপাত
প্রথম সূত্রপৃথকীকরণ সূত্র বা Law of Segaration৩ : ১
দ্বিতীয় সূত্রস্বাধীনভাবে সঞ্চারণের সূত্র বা Independent Assortment৯ : ৩ : ৩ : ১

মা ও বাবার কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য সন্তান-সন্ততি পেয়েই থাকে।মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য যে প্রক্রিয়ায় সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয়, তাকে বংশগতি বলা হয়। বংশগতি একটি রক্ষণশীল প্রক্রিয়া। একই পূর্বপুরুষ থেকে সৃষ্ট সন্তানদের মধ্যে আকৃতি, গঠন-প্রকৃতি ও শারীরবৃত্তীয় সাদৃশ্য থাকলেও প্রত্যেকেরই কিছু স্বাতন্ত্র্য ও পার্থক্য থাকে। এ পার্থক্যগুলোকে পরিবৃত্তি (Variation) বলে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ক্রোমোজোম (Chromosome)

নিউক্লিয়াসের ভিতর অবস্থিত নিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত যে সব তম্ভর মাধ্যমে জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয়, তাকে ক্রোমোসোম বলে। ১৮৮৮ সালে বিজ্ঞানী ওয়ালডেয়ার (Waldeyer) কোষ বিভাজনের প্রোফেজ দশায় প্রাপ্ত দণ্ডাকার গঠনের ক্রোমাটিনের নাম দেন ক্রোমোসোম। ক্রোমোসোমকে জীবের বংশগতির ধারক ও বাহক বলা হয়। ক্রোমোসোমে DNA, RNA, প্রোটিন প্রভৃতি থাকে। ক্রোমোসোম দুই প্রকার। যথা: (ক) অটোসোম, (খ) সেক্স- ক্রোমোসোম।

যে সকল ক্রোমোসোম জীবের দৈহিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে অটোসোম বলে। আবার যে ক্রোমোসোম জীবের যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে সেক্স ক্রোমোসোম বলে। মানুষের দেহকোষে ২৩ জোড়া (৪৬টি) ক্রোমোসোম থাকে। মানুষের দেহকোষে যে একই ধরনের ২২ জোড়া ক্রোমোসোম থাকে, তাদের অটোসোম বলে। মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম একজোড়া। পুরুষের দেহে XY সেক্স ক্রোমোসোম থাকে আর মহিলার দেহে XX সেক্স ক্রোমোসোম থাকে। ধান গাছে ১২ জোড়া ক্রোমোসোম থাকে। কুনোব্যাঙ এর ১১ জোড়া এবং গরুর থাকে ৩০ জোড়া।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acids)

নিউক্লিওটাইডের পলিমারকে নিউক্লিক এসিড বলে। নিউক্লিক এসিড দুই ধরনের। যথা- DNA (Deoxiribonucleic Acid) এবং RNA (Ribonucleic Acid)

নিউক্লিওটাইড: নিউক্লিক এসিড এর মনোমার। যেমন; ATP, ADP, AMP, GTP ইত্যাদি।

নিউক্লিওটাইডনাইট্রোজেন বেস + পেন্টোজ সুগার + ফসফেট গ্রুপ
নিউক্লিওসাইডনাইট্রোজেন বেস + পেন্টোজ সুগার

নাইট্রোজেন বেস প্রধানত দুই ধরনের যথা:

পিউরিন বেসঅ্যাডিনিন, গুয়ানিন
পাইরিমিডিন বেসসাইটোসিন, থাইমিন, ইউরাসিল
Content added By
Content updated By

ডি.এন.এ ও আর.এন.এ (D.N.A & R.N.A)

জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA। এটি নিউক্লিয়াসে থাকে। Restriction enzyme এর সাহায্যে প্লাজমিড ডি.এন.এ কে ছেদন করা হয়। ওয়াটসন ও ক্রিক দুজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ১৯৫৩ সালে মানুষের বংশগতির ধারক ডিএনএ অণুর আণবিক গঠন আবিষ্কার করেন। ডিএনএ অণু আবিষ্কারের জন্য তাঁরা ১৯৬৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। ওয়াটসন ও ক্রিক সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন যে ডিএনএ অণু দ্বিসূত্রক এবং হেলিক্যাল (সর্পিল) আকৃতি বিশিষ্ট।

নিউক্লিক এসিডDNARNA
পিউরিন বেসঅ্যাডিনিন ও গুয়ানিন
পাইরিমিডিন বেসসাইটোসিন ও থাইমিনসাইটোসিন ও ইউরাসিল
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জেনেটিক কোড

জেনেটিক ইনফরমেশনের মূল একক অনুলিপন। ড. হরগোবিন্দ খোরানা জেনেটিক কোড (কৃত্রিম জীন) আবিষ্কার করেন। উন্নতজাতের শস্যবীজ উদ্ভাবনে 'জেনেটিক ম্যাপ' ব্যবহৃত হয়। দুটো প্রজাতির সম্মিলনে সৃষ্ট জীবের জাতকে সংকর বলে।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং

Genetic Engineering অর্থ হলো জীন প্রকৌশল। প্রাণী ও উদ্ভিদের বংশ বিস্তার বিষয়ক বিজ্ঞান জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

Content added By
Content updated By

প্রোটিন সংশ্লেষণ

প্রোটিন সংশ্লেষণ হলো কোষের রাইবোসোমে ডিএনএ-র (DNA) জেনেটিক তথ্য ব্যবহার করে অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে প্রোটিন বা পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরির জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া। এটি মূলত দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়: নিউক্লিয়াসে ডিএনএ থেকে mRNA তৈরির প্রক্রিয়াকে ট্রান্সক্রিপশন এবং সাইটোপ্লাজমে রাইবোসোমে mRNA-র কোড অনুযায়ী প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াকে ট্রান্সলেশন (অনুবাদ) বলা হয় ।

Content added By
Content updated By

ট্রান্সলেশন (Translation): mRNA অণং নিউক্লিয়াস থেকে রাইবোজোমে স্থানান্তরিত হয় এবং সংশ্লিষ্ট অ্যামাইনেো এসিড উৎপাদন করে। tRNA তে নিউক্লিয়োটাইডের ৩টি ট্রিপলেট থাকে যা mRNA এর কোডনের সম্পূরক। একে অ্যান্টিকোডন (anticodon) বলা হয়। অ্যামিনো অ্যাসিড tRNA এর মাধ্যমে পলিপেপটাইড চেইন এর সাথে যুক্ত হয়ে প্রোটিন তৈরিতে অংশগ্রহণ করে।

Content added By
Content updated By

মিউটেশন (Mutation)

কোন জীবের এক বা একাধিক বৈশিষ্ট্যের আকস্মিক বংশগত পরিবর্তনকে মিউটেশন বলে। জীনের DNA এর নিউক্লিওটাইড অনুক্রমের স্থায়ী পরিবর্তনের কারণে মিউটেশন হয়। মিউটেশন দুই রকমের। যথা -

ক) স্বতঃস্ফুর্ত (Spontaneous): সূর্যের বিভিন্ন রশ্মি (আল্টাভায়োলেট রে), বিভিন্ন পারমাণবিক রশ্মি (গামা রে, বিটা রশ্মি), অধিক তাপমাত্রা ও বিভিন্ন রোগের কারণে দীর্ঘদিন স্টেরয়েড সেবন করলে স্বতঃস্ফূর্ত মিউটেশন হতে পারে। স্বতঃস্ফুর্ত মিউটেশনের হার অত্যন্ত কম।

খ) আবিষ্ট (Induced): মিউটাজেনিক এজেন্ট প্রয়োগের মাধ্যমে আবিষ্ট মিউটেশন ঘটানো হয়। উদ্ভিদে জেনেটিক ভেরিয়েশন সৃষ্টি করে প্রজনন কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য এ ধরনের মিউটেশন ঘটানোর প্রয়োজন পড়ে।

Content added By
Content updated By

জৈবপ্রযুক্তি (Biotechnology)

যে প্রযুক্তির সাহায্যে কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব এর উদ্ভাবন বা উক্ত জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা যায়, সে প্রযুক্তিকে জৈব প্রযুক্তি বলে । এটি DNA transplant মেথডে করা হয়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

টিস্যু কালচার প্রযুক্তি (Tissue Culture)

সাধরণভাবে উদ্ভিদ টিস্যুকালচার বলতে উদ্ভিদের যেকোন বিভাজনক্ষম অঙ্গ থেকে (যেমন: শীর্ষমুকুল, কক্ষমুকুল, কচিপাতা ইত্যাদি) বিছিন্ন কোন টিস্যু সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত মিডিয়ামে কালচার (আবাদ) করাকেই বোঝায়। এরূপ কালচার পদ্ধতির মাধ্যমে উল্লিখিত টিস্যু থেকে নতুন চারা উদ্ভিদ উৎপাদন করা টিস্যু কালচার পদ্ধতির প্রাথমিক উদ্দেশ্য।

Content added By
Content updated By

পিসিআর (PCR= Polymerase Chain Reaction)

পিসিআর বা পলিমারেজ চেইন বিক্রিয়া একটি বায়োকেমিক্যাল প্রযুক্তি যার মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে এক বা কয়েক কপি ডিএনএ কে লাখো বা কোটি গুণে উৎপাদন করা যায়। ১৯৮৩ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী ক্যারি মুলিস এ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। ক্যারি মুলিস বলেন যে চেইন রি-অ্যাকশন মানে একটি ধাপে যে পরিমাণ ডিএনএ কপি তৈরি হবে পরবর্তী ধাপে সেগুলোই ব্যবহুত হবে কপি তৈরির উপাদান হিসেবে। তিনি দেখান যে, এক কপি ডিএনএ হতে পিসিআর পদ্ধতিতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লাখো বা কোটি ডিএনএ কপি তৈরি সম্ভব।

Content added By
Content updated By

ক্লোনিং (Cloning)

কোন জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ার হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে। ড. ইয়ান উইলমুট প্রথম ক্লোন পদ্ধতিতে একটি ভেড়ার জন্ম দেন। সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম দেওয়া হয়েছিল তার নাম 'ডলি'। ৫ জুলাই, ১৯৯৬ ডলির জন্ম হয়। আর্থাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩ ডলি মারা যায়। বিশ্বের প্রথম ক্লোন বানর শাবকের নাম টেট্রা। ২৬ ডিসেম্বর ২০০২ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ক্লোন মানব শিশু 'ইড' (কন্যা সন্তান) এর জন্ম হয়। WHO মানব শিশু ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে।

টেস্ট টিউব শিশু (Test Tube Baby)

যে সকল দম্পতি কোনো কারণে সন্তান জন্ম দিতে পারে না, সেই দম্পতির স্ত্রীর ডিম্বাণু শরীর থেকে বের করে এনে স্বামীর শুক্রাণুর সাথে টেস্ট টিউবের মধ্যে রেখে নিষিক্ত করে ২/৩ দিন পর নিষিক্ত ডিম্বাণু ও শুক্রাণু স্ত্রীর জরায়ুতে স্থান করা হলে যে শিশু জন্মগ্রহণ করে, তাকে টেস্টটিউব বেবি বলে। বিশ্বের প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউন ইংল্যান্ডের ওল্ডহেম শহরের কারশো নামক হাসপাতালে ১৯৭৮ সালের ২৫ জুলাই জন্মগ্রহণ করে। ২০০১ সালের ৩০ মে বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব শিশু 'হিরা, মনি ও মুক্তা' এর জন্ম হয়। বাংলাদেশের মোঃ আবু হানিফ ও ফিরোজা বেগম টেস্ট টিউবের মাধ্যমে সর্বপ্রথম সন্তান ধারণ করেন। টেস্ট টিউব বেবি' পদ্ধতির জনক রবার্ট এডওয়ার্ডস।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নৃবিজ্ঞান (Anthropology)

আক্ষরিক অর্থে নৃবিজ্ঞান হলো মানুষ বিষয়ক বিজ্ঞান। কিন্তু মানুষ বিষয়ক অন্যান্য বিজ্ঞানের চেয়ে এর পরিধি ব্যাপকতর। লক্ষ কোটি বছরের মানুষের বিবর্তন এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের গবেষণাও এর আওতায় পড়ে। নৃবিজ্ঞানের প্রধান শাখা হলো দৈহিক নৃবিজ্ঞান। দৈহিক নৃবিজ্ঞানের একটি উপশাখায় পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাব ও পরবর্তীকালে তাদের শারীরিক বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

Content added By
Content updated By

বিবর্তন (Evolution)

ইংরেজ জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin) সর্বপ্রথম বিবর্তনের ধারণা দেন। ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ "The Origin of Species" এ প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন যা বৈজ্ঞানিক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।

বিবর্তন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রম পরিবর্তনকে বুঝায়। কোনো জীবের বংশধরদের মাঝে যে জীনরাশি ছড়িয়ে পড়ে তারা বংশপ্রবাহে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে। জিনের পরিব্যক্তির মাধ্যমে জীবের নির্দিষ্ট কোনো বংশধরে নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব ঘটতে পারে বা পুরানো বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটতে পারে। যদিও এক প্রজন্মে জীবের বৈশিষ্ট্যের যে পরিবর্তন হয়, তা খুব সামান্য। কিন্তু কালক্রমে জীবগোষ্ঠীতে সেই পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য হয়ে দেখা দেয়, এবং এমনকি একসময় তা নতুন প্রজাতি উদ্ভবের কারণও হয়ে দাড়াতে পারে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Please, contribute by adding content to বংশগতির বাহক ও ক্রোমোজোম তত্ত্ব (Heredity & Chromosome Theory).
Content

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...