সাধারণ জীববিজ্ঞান ও কোষবিদ্যা (General Biology & Cytology)

জীববিজ্ঞান (Biology) - সাধারণ বিজ্ঞান -

3
Please, contribute by adding content to সাধারণ জীববিজ্ঞান ও কোষবিদ্যা (General Biology & Cytology).
Content

জীববিজ্ঞান (Biology)

Biology শব্দটি এসেছে দটি গ্রীক শব্দ (Bios যার অর্থ জীবন এবং logos অর্থ জ্ঞান) থেকে। ফরাসি প্রকৃতিবিদ জঁ বাতিস্ত লামার্ক জীবিত বস্তু সংক্রান্ত অনেকগুলো শাস্ত্রের ধারক নাম হিসেবে ‘Biology’ শব্দের প্রচলন করেন। জীবের ধরন অনুযায়ী জীববিজ্ঞানকে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যথা- উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany) এবং প্রাণিবিজ্ঞান (Zoology)।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জীববিজ্ঞানের বিকাশ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা প্রাচীনকালে পর্যবেক্ষণভিত্তিক জ্ঞান থেকে শুরু হয়ে আধুনিক আণবিক জীববিদ্যা ও জিনতত্ত্বে রূপ নিয়েছে। অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে ডারউইনের বিবর্তনবাদ, মেন্ডেলের বংশগতি, এবং বর্তমানে CRISPR প্রযুক্তির মাধ্যমে জিন এডিটিং, এই বিজ্ঞান জীবনের গঠন, কার্যকারিতা ও বিবর্তনের রহস্য উন্মোচন করে চিকিৎসা ও কৃষিক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে

জীববিজ্ঞানের বিকাশের প্রধান পর্যায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:

প্রাচীন ও ধ্রুপদী পর্যায়: অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিদ্যার জনক বলা হয়, যিনি প্রথম জীবের শ্রেণিবিন্যাস করেন। প্রাচীনকালে চিকিৎসা ও উদ্ভিদের ব্যবহারিক জ্ঞান ছিল বিকাশের সূচনা ।

অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কার (১৭-১৮ শতাব্দী): রবার্ট হুক কর্তৃক কোষ (Cell) আবিষ্কার জীববিজ্ঞানের ধারাই পাল্টে দেয় ।

বিবর্তনবাদ ও বংশগতি (১৯ শতাব্দী): চার্লস ডারউইন 'প্রাকৃতিক নির্বাচন' (Natural Selection) মতবাদের মাধ্যমে জীবনের বৈচিত্র্য ব্যাখ্যা করেন। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির সূত্রাবলি আবিষ্কার করেন, যা জেনেটিক্সের ভিত্তি স্থাপন করে।

আধুনিক ও আণবিক পর্যায় (২০-২১ শতাব্দী): ১৯৫৩ সালে ওয়াটসন ও ক্রিক কর্তৃক DNA-এর ডাবল হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কার জীববিজ্ঞানের বিকাশে নতুন যুগের সূচনা করে।

বর্তমান যুগ (সংশ্লেষিত জীববিজ্ঞান): বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, স্টেম সেল গবেষণা, এবং AI-এর ব্যবহারে চিকিৎসাবিজ্ঞান (রোগ নিরাময়) ও কৃষি (উন্নত জাতের ফসল) দ্রুত উন্নত হচ্ছে ।

জীববিজ্ঞানের বিকাশের মূল ক্ষেত্রসমূহ:

১. আণবিক জীববিজ্ঞান: জীবের মৌলিক অণু (DNA, RNA, প্রোটিন) নিয়ে গবেষণা ।
২. উন্নয়নমূলক জীববিজ্ঞান (Developmental Biology): জাইগোট থেকে পূর্ণাঙ্গ জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশের প্রক্রিয়া অধ্যয়ন ।
৩. ইভোলিউশনারি বায়োলজি (Evo-devo): বিবর্তনের সাথে বিকাশের সম্পর্ক স্থাপন ।
একবিংশ শতাব্দীতে জীববিজ্ঞানের বিকাশ মানবজাতির স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জীবের নামকরণ (Nomenclature)

কোনো বিশেষ জীব বা জীবকুলের নির্দিষ্ট নামে সনাক্তকরণের পদ্ধতিকে বলা হয় নামকরণ। প্রতিটি জীবই কোনো বিশেষ অঞ্চলে আঞ্চলিক ভাষা অনুসারে। বিশেষ বিশেষ নামে পরিচিত। এরূপ আঞ্চলিক নামকরণ প্রথা বিশেষ জীবটির সনাক্তকরণের ব্যাপারে সমস্যা সৃষ্টি করে। সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম নামকরণের একটি প্রথা প্রবর্তন করেন। এটি দ্বিপদ নামকরণ প্রথা (Binomial Nomenclature System) নামে। পরিচিত ক্যারোলাস লিনিয়াসকে ‘শ্রেণিবিদ্যা’ এর জনক বলা হয়। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Systema Naturae Species Plantarum, Genera Plantarum Philosophia Botanica প্রভৃতি।

নামকরণের নিয়মাবলি-

- প্রত্যেক জীবের একটি বৈজ্ঞানিক নাম থাকবে এবং তার দুটি অংশ থাকবে। দ্বিপদ নামের প্রথম অংশ ঐ জীবের গণ (Genus) এর নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি (Species) নামের নির্দেশক।

- বৈজ্ঞানিক নামটি অবশ্যই ল্যাটিন বা ল্যাটিনকৃত হতে হবে।

- দ্বিপদ নামকরণ ছাপা অক্ষরে হলে সর্বদা ইতালিক হরফে (ডান দিকে বাঁকা করে) হবে (Bufo melanostictus, কুনোব্যাঙ)।

- দ্বিপদ নামকরণ হাতে লিখলে ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিটি অংশের নিচে (একটি গণ, অপরটি প্রজাতির) আলাদা আলাদাভাবে দাগ টানতে হবে। (Homo sapiens - মানুষ)।

- গণ নামটি বিশেষ্য ও এর আদ্যক্ষর অবশ্যই বড় হরফে লিখতে হবে এবং প্রজাতি নামটি বিশেষণ যার আদ্যক্ষরটি ছোট হরফে লিখতে হবে। (শাপলা ফুল - Nymphaea nouchali)

- আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে সর্বপ্রথম প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক নামই স্বীকৃতি পাবে।

- যে বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম কোনো জীবের বিজ্ঞানসম্মত বর্ণনা দিবেন, তার নাম উক্ত জীবের দ্বিপদ নামের শেষে সংযোজিত হবে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিভিন্ন শাখার জনক

শাস্ত্র

জনক

শাস্ত্র

জনক

বিজ্ঞানথেলিসরসায়নজাবির ইবনে হাইয়ান
শ্রেণিবিদ্যাক্যারোলাস লিনিয়াসমনোবিজ্ঞানউইলহেম উন্ড
জীবাণুবিদ্যালুই পাস্তুরআধুনিক মনোবিজ্ঞানসিগমন্ড ফ্রয়েড
অ্যানাটমিআদ্রে ভেসালিয়াসভূগোলইরাতেস্থিনিস
চিকিৎসাবিজ্ঞানহিপোক্রেটিসআধুনিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানকোপার্নিকাস
হোমিওপ্যাথিস্যামুয়েল হ্যানিম্যানদর্শনশাস্ত্রসক্রেটিস

শাখা

আলোচ্য বিষয়

শাখা

আলোচ্য বিষয়

Morphologyবাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কিত বিদ্যা বা অঙ্গ সংস্থানবিদ্যাAnthropologyমানুষের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান
Anatomyশারীরস্থান বিদ্যাEntomologyকীটপতঙ্গ সম্পর্কিতবিদ্যা
Physiologyশারীরবিদ্যাMicrobiologyঅণুজীব বিষয়ক বিজ্ঞান
Embryologyভ্রূণ সম্পর্কিত বিদ্যাVirologyভাইরাস সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Geneticsবংশগতি বিদ্যাBacteriologyব্যাক্টেরিয়া সম্পর্কিতবিজ্ঞান
Cytologyকলাস্থানবিদ্যাFaicologyশৈবাল সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Histologyটিস্যু তত্ত্বMycologyছত্রাক সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Ecologyবাস্তুসংস্থানবিদ্যParasitologyপরজীবী সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Evolutionবিবর্তনবিদ্যাHelminthologyকৃমি সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Taxonomyশ্রেণীবদ্ধবিদ্যাToxicologyবিষ সম্পর্কিত বিদ্যা
Herpetologyউভচর ও সরীসৃপ বিষয়কOrnithologyপাখি সম্পর্কিত বিদ্যা
Palynologyপরাগরেণু বিদ্যাPaleontologyজীবাশ্ম বিদ্যা
Geologyভূতত্ত্ববিদ্যাIchthyologyমাছ সম্পর্কিত বিদ্যা

চিকিৎসা বিজ্ঞান (Medical Science)

বিজ্ঞানের শাখা

আলোচ্য বিষয়

Osteologyহাড় বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
Opthalmologyচোখ বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
Oncologyটিউমার সংক্রান্ত বিজ্ঞান
Paediatricsশিশুদের (Children) চিকিৎসা বিজ্ঞান
Psychologyমনোবিজ্ঞান। 'অবসেশন' শব্দটি এই শাখার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত
Neurologyস্নায়ু সম্পর্কিত চিকিৎসা বিজ্ঞান
Dermatologyচর্ম বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
Radiologyরঞ্জন রশ্মি সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ফলিত প্রাণিবিজ্ঞান (Applied Zoology)

বিজ্ঞানের শাখা

আলোচ্য বিষয়

এপিকালচার (Apiculture)মৌমাছি পালন বিজ্ঞান
এভিকালচার (Aviculture)পাখি পালন বিজ্ঞান
পিসিকালচার (Pisciculture)মৎস্যচাষ বিজ্ঞান
প্রনকালচার (Prawn cultue)চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
পার্ল কালচার (Pearl cullure)মুক্তা চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
ফ্রগ কালচার (Frog culture)ব্যাঙ চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
অ্যানিম্যাল হাজবেনড্রি (Animal husbandry)গবাদি পশুপালন বিদ্যা
পোলট্রি ফার্মিং (Paultry Farming)হাসমুরগি পালন বিদ্যা
হর্টিকালচার (Horticulture)উদ্যান পালন বিদ্যা
সেরিকালচার (Sericulture)রেশম চাষ বিজ্ঞান
লাক কালচার (Lac Culture)লাক্ষা চাষ বিজ্ঞান

মৌমাছি (Bee)

উপকারী পতঙ্গের মধ্যে মৌমাছি অন্যতম। একটি রাণী মৌমাছি ১০০০ বার ডিম পাড়ে। প্রতি চাকে একটি রাণী মৌমাছি এবং কয়েকটি পুরুষ মৌমাছি থাকে। কর্মী মৌমাছি এরা প্রকৃতপক্ষে স্ত্রী মৌমাছি কিন্তু এরা বন্ধ্যা। কর্মী মৌমাছি ফুল থেকে পুষ্পসার বা নেষ্টার সংগ্রহ করে। মৌমাছিদের পাকস্থলীতে এ রস থেকে পানি অপসারিত হয়ে মধুতে পরিণত হয়। কর্মী মৌমাছির দেহে অবস্থিত মোম গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত পদার্থ থেকে মোম তৈরি হয়। মৌমাছি মূলত বসন্তকালে ফুল হতে মধু আহরণ করে।

রেশম পোকা (Silk Worm)

উপকারী পতঙ্গের মধ্যে রেশম পোকা অন্যতম। রেশম পোকার গুটি থেকে উন্নত মানের সুতা তৈরি হয় যা বস্ত্রশিল্পে ব্যবহৃত হয়। বিপুল ও সোনালী উন্নত জাতের রেশম পোকা।

পেস্ট (Paste)

ক্ষতিকারক পতঙ্গকে পেস্ট বলে। যেমন: ধান হলুদ মাজরা পোকা ও পামরী পোকা, পাটের বিছাপোকা ও চেলে পোকা, আখের ডগার মাজরা পোকা প্রভৃতি। পামরী পোকা (শুককীট ও পূর্ণাঙ্গ পোকা) ধানপাতার সবুজ অংশ খেয়ে ফেলে। এতে পাতা শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের অভাবে ধানের ফলন কমে যায়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিজ্ঞানীদের পরিচয়

এরিস্টটল (Aristotle)

গ্রিক বিজ্ঞানী এরিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি সর্বপ্রথম প্রাণিবিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের একটা শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি লেছবছ নামে একটা দ্বীপে একাধারে পাঁচ বছর অবস্থান করে প্রাণিদের উপর গবেষণা করেন। প্রাণিদের সম্বন্ধে তিনি 'Historia animalium' নামে একখানা জ্ঞানগর্ভ ও তথ্যবহুল পুস্তক রচনা করেন।

থিওফ্রাসটাস (Theophrastus)

গ্রিক বিজ্ঞানী থিওফ্রাসটাকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি বিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটলের ছাত্র ছিলেন। তিনি সমস্ত উদ্ভিদকে Tress (বৃক্ষ), Shrubs (গুল্য), Undershrubs (উপগুল্ম), Herbs (বীরুৎ) এই চারভাগে ভাগ করেন। 'On the History of Plants' এবং 'On the Causes of Plants' গ্রন্থগুলো তাঁর উল্লেখযোগ্য রচিত গ্রন্থ।

আল বিরুনী (AL Biruni)

বিশ্বখ্যাত শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত আল বিরুনী ছিলেন একজন আরব বিজ্ঞানী। তাঁর প্রকৃত নাম আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনী। গজনীর সুলতান মাহমুদের সময়ে তিনি ভারতবর্ষে বেড়াতে আসেন। তিনি 'কিতাবুল তারিকিল হিন্দ' নামে বিশ্ববিখ্যাত একখানা গ্রন্থ রচনা করেন।

ইবনে সিনা (Ibn Sina)

তিনি একজন বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ছিলেন। রসায়নবিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যায় এবং ভাষা বিদ্যায় তার অসামান্য পারদর্শিতা ছিল। তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রের উপর 'আলকানুন' নামক ১৪ খণ্ডাংশের একটি বই লিখেন। এছাড়াও ইবনে সিনা কিতাব আশ শিফা, কিতাব আল ইশারাৎ নামক গ্রন্থ গুলো রচনা করেন।

এনথনি ফন লিউয়েনহুক (Anthony Von Leeuwenhoek)

ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েনহুক ১৬৮৩ সালে সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন। অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে তিনি ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন।

আন নাফীস (An Nafis)

আন নাফীস একজন আরব বিজ্ঞানী। তিনি সর্বপ্রথম মানুষের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি সম্বন্ধে সঠিক বর্ণনা প্রদান করেন। তাঁর প্রকৃত নাম আবু হাসান আলী ইবনে আন নাফীস।

উইলিয়াম হার্ভে (William Harvey)

উইলিয়াম হার্ভে ছিলেন একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী। তিনি ১৬২৮ সালে রক্ত সঞ্চালন প্রকিয়া আবিষ্কার করেন। তিনি প্রাণিদের রক্ত সঞ্চালন এবং রেচন প্রক্রিয়ার সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করেন, এজন্য তাকে শারীরবিদ্যার জনক বলা হয়। `On the motion of the heart and blood in animals' গ্রন্থটি তাঁর লিখা।

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (Alexander Fleming)

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ছিলেন একজন অণুজীববিদ। আলোকজেন্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে Penicillium নামক ছত্রাক হতে Penicillin অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। অতিশক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা রোগ নিরাময় ব্যবস্থাকে কেমোথেরাপি বলে।

ডেভিড প্রেইন (David Prain)

ডেভিন প্রেইন ছিলেন একজন ইংরেজ চিকিৎসক। বাংলাদেশ ও এর আশেপাশের অঞ্চলের গাছপালার বিবরণ সংক্রান্ত তাঁর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়, প্রথম খণ্ডটি 'Bengal Plants' এবং ২য় খণ্ডটি Flora of Sundribans'.

সালিম আলী (Salim Ali)

সালিম আলী ভারতের 'The Birdman of India' নামে পরিচিত বিশিষ্ট পক্ষীবিদ। তিনি ভারতের সকল পাখিকে বিজ্ঞান ভিত্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে 'The Indian Birds' নামে একখানা তথ্যবহুল গ্রন্থ রচনা করেন। পাখিদের সম্বন্ধে আরোও অনেক গ্রন্থ রচনার জন্য ১৯৮৩ সালে ভারত সরকার সালিম আলীকে গবেষণার স্বীকৃতি স্বরুপ পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করেন।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Please, contribute by adding content to বৈজ্ঞানিক নাম ও পরিভাষা (Scientific Names & Terminology).
Content

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কোষ (Cell)

জীব দেহের গঠন ও কাজের এককের নাম হচ্ছে কোষ। ১৬৬৫ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক সর্বপ্রথম কোষ আবিষ্কার করেন। কার্যপ্রণালীর উপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার। যথা: দেহকোষ এবং জনন কোষ (উদাহরণ- শুক্রাণু ও ডিম্বাণু)। নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার। যথা: আদিকোষ এবং প্রকৃত কোষ। কোনো কোনো জীব একটি মাত্র কোষ দিয়ে গঠিত। এদেরকে বলা হয় এককোষী বা আদিকোষ জীব। যেমন: অ্যামিবা, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমোডিয়াম প্রভৃতি। কোনো কোনো জীব একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত। এদেরকে বলা হয় বহুকোষী জীব। যেমন: মানুষ, আম, জাম ইত্যাদি। প্রাণীদেহের দীর্ঘতম কোষ নিউরন। সবচেয়ে বড় কোষ উট পাখির ডিম। সবচেয়ে ছোট কোষ Mycoplasma golisepticum-নামক ব্যাকটেরিয়ার কোষ।

Content added By
Content updated By

প্রাণিকোষ ও উদ্ভিদ কোষের পার্থক্য

বৈশিষ্ট্য

প্রাণিকোষ (Animal Cell)

উদ্ভিদ কোষ (Plant Cell)

কোষ প্রাচীরনেই।সেলুলোজ নির্মিত
প্লাস্টিডনেই।থাকে
কোষ গহবরনিম্নশ্রেণীর প্রাণী ব্যতীত থাকে না।এক বা একাধিক
সেন্ট্রোসোমসর্বদা থাকে।সাধারণত থাকে না।
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাঁধা
সবগুলো

কোষের শ্রেণিবিভাগ

  • কার্যপ্রণালীর উপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার। যথা-

(১) দেহকোষ

(২) জনন কোষ : উদাহরণ- শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।

  • নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার। যথা-

(১) আদিকোষ : উদাহরণ- ব্যাকটেরিয়া।

(২) প্রকৃত কোষ : উদাহরণ- অ্যামিবা, মানবদেহের কোষসমূহ।

Content added By
Content updated By

কোষপ্রাচীর (Cell wall)

জড় ও শক্ত যে প্রাচীর দিয়ে উদ্ভিদ কোষ পরিবেষ্টিত থাকে তাকে কোষপ্রাচীর বলে। প্রাণীকোষে কোষ প্রাচীর নেই। ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিন নামক কার্বোহাইড্রেট দিয়ে গঠিত। প্রোটিন, লিপিড ও পলিমার দিয়ে ব্যাক্টেরিয়ার কোষপ্রাচীর গঠিত। উদ্ভিদ কোষে সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, পেক্টোজ, লিগনিন, সুবেরিন প্রভৃতি কার্বহাইড্রেট দিয়ে কোষ প্রাচীর গঠিত।

Content added By
Content updated By

সাইটোপ্লাজম (Cytoplasm)

প্লাজমা মেমব্রেন থেকে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন পর্যন্ত বিস্তৃত সঞ্জীব, দানাদার অর্ধতরল প্রোটপ্লাজমীয় পদার্থকে সাইটোপ্লাজম বলে। সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোজম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, প্লাস্টিড, গলজি বডি ইত্যাদি। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত অঙ্গাণুগুলোর মধ্যে প্লাস্টিড সবচেয়ে বড়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitocondria)

মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু। শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। মাইটোকন্ড্রিয়ায় ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, সামান্য পরিমাণে RNA, DNA, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। আদিকোষ (যেমন- ব্যাকটেরিয়া)- তে মাইটোকন্ড্রিয়া অনুপস্থিত। শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া এর অভ্যন্তরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে পাওয়ার হাউস বলা হয়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

রাইবোসোম (Ribosome)

অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকার গায়ে, নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর গায়ে, মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরে অথবা সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়ানো অঙ্গাণুগুলোকে রাইবোসোম বলে। ১৯৫৫ সালে প্যালাডে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন। রাইবোসোম এর প্রধান কাজ হল প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। এজন্য রাইবোসোম কে প্রোটিন ফ্যাক্টরী বলা হয়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নিউক্লিয়াস (Nucleus)

১৮৩১ সালে রবার্ট ব্রাউন নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন। পেশী কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে। প্রাণীর বহুনিউক্লিয়াসযুক্ত কোষকে বলা হয় সিনসাইড্রিয়াম। লোহিত কণিকা, অণুচক্রিকা ইত্যাদি কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না। নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক ও প্রাণশক্তি বলা হয়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

প্লাস্টিড (Plastid)

উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজমে প্লাস্টিড থাকে। প্রাণিকোষ, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ায় প্লাস্টিড থাকে না। প্লাস্টিড দুই প্রকার। যথা: লিউকোপ্লাস্ট এবং ক্রোমাটোপ্লাস্ট।

ক) লিউকোপ্লাস্ট: বর্ণহীন কারণ এতে রঞ্জক পদার্থ থাকে না। মূল, ভূমিম্নস্থ কাণ্ড যেসব অঙ্গে সূর্যালোক পৌঁছায় না, সেসব অঙ্গে লিউকোপ্লাস্ট থাকে।

খ) ক্রোমাটোপ্লাস্ট: ক্রোমাটোপ্লাস্ট সবুজ বা অন্যান্য বর্ণের হয়। ক্রোমাটোপ্লাস্ট দুই প্রকার। যথা-

১. ক্লোরোপ্লাস্ট: ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতর সবুজ বর্ণ কণিকা ক্লোরোফিল থাকে। সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করা এর কাজ। ক্লোরোফিল অণুর উপাদান ম্যাগনেসিয়াম।

২. ক্রোমোপ্লাস্ট: এর ভিতর সবুজ বর্ণকণিকা ক্লোরোফিল থাকে না তবে অন্য বর্ণ থাকে। এটির জন্য পুষ্প রঙিন ও সুন্দর হয়। পাকা ফলের রং জ্যান্থোফিলের আধিক্যের কারণে হলুদ, ক্যারোটিন জন্য কমলা, লাইকোপিনের জন্য লাল হয়। এসব বর্ণকণিকার কোনটিই না থাকলে ফুলের বর্ণ সাদা হয়। টমেটো বা যে কোনো ফল বা সবজি প্রথম দিকে সবুজ থাকে ক্লোরোফিলের কারণে। এ সময় সামান্য পরিমাণে ক্যারোটিন, জ্যান্থোফিল, লাইকোপিনও থাকে। ধীরে ধীরে নতুন করে ক্লোরোফিল তৈরি বন্ধ হয়ে যায়, আর পূর্বেরগুলোও নষ্ট হয়ে যায়। অপরদিকে রঙিন ক্যারোটিন এবং জ্যান্থোফিল ইত্যাদির পরিমাণ বাড়তে থাকে। টমেটোতে বিদ্যমান ক্রমবর্ধিষ্ণু লাইকোপিন টমেটোকে ধীরে ধীরে লাল করে ফেলে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কোষ বিভাজন (Cell Division)

যে প্রক্রিয়ায় একটি সজীব কোষ বিভাজিত হয়ে দুই বা ততোধিক নতুন কোষ উৎপন্ন হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে। যে কোষ বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ উৎপন্ন করে তাকে মাতৃকোষ বলে। মাতৃকোষ বিভাজনের ফলে যে নতুন কোষ উৎপন্ন হয় তাকে অপত্য কোষ বলে। শরীরে কোনো স্থানে কোষের দ্রুত, অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন হলে তাকে ক্যান্সার বলে। জীবদেহে তিন প্রকার কোষ বিভাজন ঘটে। যথা:

ক) অ্যামাইটোসিস বা দ্বি-বিভাজন: নিউক্লিয়াসটির নিউক্লিয় সামগ্রী প্রথমে সরাসরি দুইটি অংশে বিভক্ত হয় এবং কোষটিও মধ্যভাগ বরাবর দুইভাগে বিভক্ত হয়। প্রোক্যারিওটিক কোষ যেমনঃ ব্যাকটেরিয়া, ঈস্টে এ বিভাজন দেখা যায়।

খ) মাইটোসিস: অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান। প্রতি বিভাজনে একটি মাতৃকোষ হতে দুটি অপত্য কোষ তৈরি হয়। দেহকোষে এ বিভাজন হয়।

গ) মিয়োসিস: অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক। প্রতি বিভাজন একটি মাতৃ কোষ হতে চারটি অপত্য কোষ তৈরি হয়। শুধুমাত্র জনন মাতৃকোষে এ বিভাজন হয়।

চিত্র: কোষ বিভাজন

নিষেক: পুরুষ ও স্ত্রী জননকোষ একীভবনের পর এগুলোর নিউক্লিয়াসের পরস্পর মিলনকে নিষেক বলে। নিষেকের ফলে উৎপন্ন কোষকে গ্যামেট বলে। জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে ব্লাস্টোসিস্টে প্রথিত হওয়াকে ইমপ্লানটেশন বলে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উদ্ভিদের মূলের অগ্রভাগে, কান্ড, ভ্রুনমুকুল ইত্যাদিদে মাইটোসিস বিভাজন ঘটে। মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রকৃত কোষ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষে পরিণত হয়।
-
-

কলা বা টিস্যু (Tissue)

একই উৎস থেকে উদ্ভূত এবং একই আকৃতির বা ভিন্ন আকৃতির কোষগুলো যখন মিলিতভাবে কোন নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে তখন এমনি সমষ্টিগত কোষকে একত্রে কলা বা টিস্যু বলে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উদ্ভিদ টিস্যু

উদ্ভিদ দেহে দুই ধরনের কলা দেখা যায়। যথা- ভাজক কলা এবং স্থায়ী কলা।

ক) ভাজক কলা: যে কলার কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম, তাকে ভাজক কলা বলে। উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে এ কলা অবস্থান করে। মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে উদ্ভিদের বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়।

খ) স্থায়ী কলা: যে কলার কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম, তাকে স্থায়ী কলা বলে। খাদ্য উৎপাদন, খাদ্য সঞ্চয়, খাদ্য- পানি - খনিজ লবণ পরিবহন, বিভিন্ন অঙ্গের দৃঢ়তা প্রদান ইত্যাদি স্থায়ী কলার কাজ। উদ্ভিদ জাইলেম কলার মাধ্যমে মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে।

চিত্রঃ ভাজক কলা , স্থায়ী কলা

Content added By
Content updated By

প্রাণী টিস্যু

প্রাণীটিস্যু( Animal Tissue) প্রধানত চার ধরণের হয়- আবরণী টিস্যু,যোজক টিস্যু,পেশি টিস্যু এবং স্নায়ু টিস্যু।

কলা গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা মাতৃকার বৈশিষ্ট্য, পরিমাণ, উপস্থিতি, অনুপস্থিতির ভিত্তিতে কলা প্রধানত চার প্রকার হয়। যথা- আবরণী কলা, যোজক কলা, পেশি কলা এবং স্নায়ু কলা।

ক) আবরণী কলা (Epithelial Tissue)

এই কলার কোষগুলো সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তিপর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে। এই কলার মাতৃকা থাকে না। কোষের আকৃতি, প্রাণী দেহে অবস্থান ও কাজের প্রকৃতি ভেদে এ কলা তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

১) আঁইশাকার (Squamous)

২) ঘনাকার (Cuboidal)

৩) স্তম্ভাকৃতি (Columnar)

খ) যোজক কলা (Connective Tissue)

যোজক কলায় মাতৃকার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কোষের সংখ্যা কম। গঠন ও কাজের ভিত্তিতে যোজক কলা প্রধানত তিন ধরনের হয়। যথা- ফাইব্রাস, স্কেলেটাল এবং তরল যোজক কলা।

গ) পেশি কলা (Muscular Tissue)

ভ্রুণীয় মেসোডার্ম হতে উৎপন্ন সংকোচন প্রসারণশীল বিশেষ ধরনের কলাকে পেশি কলা বলে। দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ও চলন নিয়ন্ত্রণ করে এই কলা। অবস্থান, গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে পেশি কলা তিন ধরনের। যথা- ঐচ্ছিক, অনৈচ্ছিক এবং হৃদপেশি (Cardiac Tissue)।

১) ঐচ্ছিক পেশি টিস্যু: ঐচ্ছিক পেশি প্রাণির ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত হয়। এই পেশি অস্থিতন্ত্রে সংলগ্ন থাকে। যেমন- মানুষের হাড় ও পায়ের পেশিসমূহ।

২) অনৈচ্ছিক পেশি টিস্যু: এই পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণির ইচ্ছাধীন নয়। অনৈচ্ছিক পেশি প্রধানত দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদির সঞ্চালনে অংশ নেয়। যেমন- অন্ত্রের ক্রমসংকোচন।।

৩) হৃদপেশি: মেরুদণ্ডী প্রাণিদের হৃৎপিণ্ড যে বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত, তাকে কার্ডিয়াক পেশি বলে। হৃৎপিণ্ডের সকল হৃৎপেশি একত্রে সমন্বিতভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়।

ঘ) স্নায়ু কলা (Nervous Tissue)

যে বিশেষ কলা দিয়ে স্নায়ুতন্ত্র গঠিত তাকে স্নায়ু কলা বলে। স্নায়ু কলা যে বিশেষ কোষ দ্বারা গঠিত তাকে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Please, contribute by adding content to উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের পার্থক্য (Difference between Plant & Animal Cell).
Content

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...