কাগজ ও ফেলনা জিনিস দিয়ে শিল্পকর্ম (ষষ্ঠ অধ্যায়)

চারু ও কারুকলা - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

837

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • বিভিন্ন প্রকার কাগজের নাম ও প্রকারভেদ উল্লেখ করতে পারব।
  • নানারকম উৎসবে ঘর সাজাতে পারব।
  • কাগজ কেটে বিভিন্ন প্রকার নকশা তৈরি করতে পারব। কাগজ দিয়ে ঝালর তৈরি করতে পারব।
  • বিভিন্ন ফেলনা জিনিস সংগ্রহ করার আগ্রহ বাড়বে।
  • ফেলনা জিনিসগুলো দিয়ে অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করতে পারব।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

তথ্য থেকে প্রশ্নের উত্তর দাও

রাজিব তার পড়ার ঘর সাজানোর জন্য বাজার থেকে রঙিন কাগজের সাথে কিছু জিনিস কিনে এনেছিল।

কাগজ সভ্যতার নিদর্শন। বর্তমান বিশ্বে কাগজের খুব বেশি ব্যবহার হয়। লেখালেখির জন্য কাগজ যেমন সরাসরি ব্যবহার করা হয়, তেমনি বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও নানাবিধ কাজে কাগজ ব্যবহার করা হয়। আমরা কাগজ দিয়ে বিভিন্ন প্রকার শিল্পকর্মও তৈরি করতে পারি। যেসব জিনিস সাধারণত কোনো কাজে লাগবে মনে হয় না, ফেলে দেওয়া হয়, আমরা চেষ্টা করলে তা দিয়েও সুন্দর সুন্দর শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারি।

বর্তমান যুগে কাগজ আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। কাগজ ছাড়া এক দিনও আমরা চলতে পারি না। বইখাতা, খবরের কাগজ, বিষয়-সম্পত্তির দলিলপত্র, চিঠিপত্র, ঘর সাজানো ও অনুষ্ঠানে সাজসজ্জার শিল্পকর্ম, পণ্যদ্রব্য অর্থাৎ যেসব জিনিস বাজারে বেচাকেনা হয় তার লেবেল, মোড়ক, বাক্স, কার্টুন থেকে শুরু করে মুদি দোকানের ঠোঙা পর্যন্ত হাজারো প্রয়োজনে কাগজ ব্যবহার হয়। কাগজের ব্যবহার এত ব্যাপক যে তার হিসেব দেয়া মুশকিল। বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজ। কত নামের, কত ধরনের শক্ত, নরম, মোটা, পাতলা, সাদা ও রঙিন কাগজ তৈরি হয় তারও হিসেব নেই। কিছু কিছু কাজ আছে যা আমরা প্রয়োজনের তাগিদে করে থাকি। আবার কিছু কিছু কাজ আছে আমরা মনের আনন্দে করি। প্রয়োজনেও লাগে। কাগজ কেটে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার্য জিনিস বা সাজসজ্জার জন্য যে সকল দ্রব্য তৈরি করে থাকি, এই কাজগুলোকে আমরা শিল্পকর্ম বলতে পারি।
তাহলে এবার আমরা কাগজ দিয়ে কী কী শিল্পকর্ম তৈরি করা যায় তা জানি এবং এসব তৈরি করতে কী কী উপকরণের প্রয়োজন তাও জানি।

Content added By

উপকরণ: কাগজ দিয়ে শিল্পকর্ম। এর প্রধান উপকরণ হলো বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন রঙের কাগজ। তাছাড়া লাগবে মোটা সুতা, সুতলি, কাগজ কাটার ধারালো ছুরি, ছোট-বড় কাঁচি, ময়দার ঘন আঠা ইত্যাদি।
কাগজের শিল্পকর্মে প্রধান উপকরণ বিভিন্ন রঙের কাগজ-সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি ইত্যাদি। কাজের উপযোগী কাগজ জোগাড় করে নিই। অন্যান্য উপকরণের মধ্যে রয়েছে মোটা সুতা, সুতলি, বাঁশের সরু কাঠি অথবা পাটকাঠি, কাগজ কাটার ধারালো ছুরি, ছোট-বড় কাঁচি, ময়দার ঘন আঠা ইত্যাদি।

Content added By

সাজসজ্জার কাজে ঝালর লাইন করে ঝুলানো হয়। ঝালরে বাতাস লেগে যখন ঢেউ খেলে যায়, তখন খুবই সুন্দর লাগে। লম্বাটে চার কোনা ও তিন কোনা রঙিন কাগজ ঝুলিয়ে দিলেই সাধারণ ঝালর তৈরি হয়ে যায়।
শিকল তৈরির কাগজ সমান লম্বা বা বিভিন্ন মাপের পরপর লাগিয়ে ঝালর তৈরি করা যায়। শুধু খেয়াল রাখব প্রত্যেক দুই খণ্ড কাগজের মাঝখানে ফাঁক যেন আগাগোড়া সমান থাকে। কোন রঙের পাশে কোন রং দেখতে ভালো ও সুন্দর হবে, সেটা ঠিক করে লাগাব। ছবি দেখে সহজেই এই ঝালর তৈরি করতে পারব। ঝালর তৈরি হলে সুতা বা সুতলির দুই মাথা টান করে দুদিকে কিছুর সাথে বেঁধে দিয়ে অনুষ্ঠানের সাজসজ্জার কাজ করতে পারব।

২৫ সেমি. লম্বা ও ১৮ সেমি. চওড়া এক খণ্ড পাতলা রঙিন কাগজ নিই। ঘুড়ি তৈরির কাগজেই ভালো হবে। কাগজটিকে এমনভাবে আট ভাঁজ করি, যাতে ভাঁজ করা কাগজ লম্বা দিকে সাড়ে সাত ইঞ্চি ও চওড়া দিকে সোয়া এক ইঞ্চি হয়ে যায়।

ছবি দেখে ভাঁজ করা কাগজের ওপর নকশা আঁকি। এবার ধারালো কাঁচি দিয়ে নকশাটি কেটে নিই। আস্তে আস্তে ভাঁজ খুলি। কী সুন্দর নকশা কাটা ঝালর তৈরি হয়ে গেল। এক টুকরো শক্ত কাগজের বোর্ডে নকশা কেটে একটি ফর্মা তৈরি করে নিলে কাগজ ভাঁজ করে এই ফর্মা বসিয়ে দাগ দিয়ে একই নকশার যত খুশি ঝালর তৈরি করতে পারব। এবার প্রয়োজন ও পছন্দের জায়গায় টান করে সুতলি টানাই। ঝালরের ওপরের কিনারায় আঠা লাগিয়ে সুতলি মুড়ে ঝালর লাগিয়ে যাই। সুতলি ছাড়াও ঘরের দেয়ালে, বেড়ার কাঠে কিংবা দরজার চৌকাঠে লাইন করে এই ঝালর লাগতে পারব।

Content added By

নকশা কাটা ঝালরের মতো, আমরা নকশা কাটা ফুলও তৈরি করতে পারি। ফুলের জন্য বর্গাকৃতি বা চারপাশ সমান চার কোনা কাগজ নিই। কাগজটি প্রথমে কোনাকুনি ভাঁজ করি। ছবি দেখে পর পর আরও তিনবার ভাঁজ করি। এবার ভাঁজ করা কাগজের ওপর ছবির মতো করে একটা সহজ নকশা এঁকে নিয়ে কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলি। আস্তে আস্তে খুলে দেখি কী সুন্দর নকশা কাটা ফুল হয়ে গেল। এভাবে আমরা ছোট-বড়

যেকোনো মাপের নকশা কাটা ফুল তৈরি করতে পারি। বড় কাগজ দিয়ে বড় ফুল, ছোট কাগজ দিয়ে ছোট ফুল। বড় ফুলে বেশি নকশা কাটতে হবে এবং ছোট ফুলে কম নকশা। ঘরের দেয়ালে, মঞ্চের পেছনে কাপড় অথবা শক্ত কাগজের ওপর এরকম নকশা কাটা ছোট-বড় ফুল বসিয়ে সাজাতে পারি। শুধু খেয়াল রাখব কোন রঙের ওপর কোন রঙের নকশা কাটা ফুল বসালে ভালো দেখা যায় ও বেশি সুন্দর লাগে। কাগজের বোর্ডে নকশার ফর্মা কেটে নিলে বারবার একই নকশার ফুল তৈরি করতে পারব।

Content added By

সাদা কাগজ নিয়ে রোল করি। রোলের অর্ধেক থেকে বেশি অংশ চওড়াতে কেটে নিই। রোলকে আলগা করে মুড়ে পাতার আকারে কেটে নিই। ভাঁজ করা কাগজ নিচের দিকে উল্টে নিই। রোলের মাঝখানে কাগজ নিচের পাখির মতো আসে এমনভাবে চেপে নিই। রোলকে লম্বা করে সাজিয়ে নিই, পাপড়িগুলো রোলের মাঝখানে আঙুল দিয়ে চাপ দিই। এভাবে ফুল হয়ে যাবে।
(ছবি দেখে চেষ্টা করি)

Content added By

একটা স্কয়ার (চারকোনা) ৬৬ ইঞ্চি, মাউন্ট বোর্ড কাগজ নিই। মাউন্ট বোর্ড কাগজটি অর্ধেক ভাঁজ করি এবং দশ সেমি. লম্বা কাটি, ভাঁজটি খুলে এবং উভয় দিকের শেষ প্রান্তে স্ট্যাপল পিন লাগাই।
বাতির শেড তৈরি হলো। (ছবি দেখে তৈরি করি)।

Content added By

যেসব জিনিস সাধারণত কোনো কাজে লাগে না, ফেলে দেওয়া হয়, আমরা চেষ্টা করলে তা দিয়েও সুন্দর সুন্দর শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারি। তাছাড়া প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় কিন্তু হেলাফেলা করে তাকাই না বা নজরে পড়ে না, এমন সব জিনিস দিয়েও আমরা শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারি। যেমন-ডিমের খোসা, মালা, ছোট-বড় নুড়ি পাথর, গাছের ছোটখাটো ডাল, গাছের পাতা, কাঠের টুকরা, ছেঁড়া বোর্ড, কাগজ ইত্যাদি। চারপাশে একটু ভালোভাবে তাকালে এমনি অনেক ফেলনা জিনিস পাব। একটু তাকালেই দেখবে ফেলনা জিনিসগুলো কত রকম কাজে লাগানো যায়। তাছাড়া নারিকেল পাতা, খেজুর পাতা ইত্যাদি দিয়েও নানারকম শিল্পকর্ম করতে পারি। আমরা কল্পনা, চিন্তাভাবনা এবং সুন্দর কিছু তৈরি করার ইচ্ছাটাকে ভালোভাবে কাজে লাগিয়ে দেখি না! এমনি দু-একটি ফেলনা জিনিস দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করার চেষ্টা করি।

ডিমের খোলস দিয়ে পুতুল

নিখুঁত একটি ডিম পরিষ্কার করে ধুয়ে নিই। হাঁসের ডিম হলেই ভালো, কারণ হাঁসের ডিমের খোলস একটু শক্ত হয়। ডিমের সরু মাথার ওপর দিকে খুব সাবধানে একটি ছিদ্র করি। ছিদ্রটির ব্যাস আধা ইঞ্চির বেশি না হলেই ভালো এবং ছিদ্রটি হবে সম্পূর্ণ গোল। ছিদ্র দিয়ে একটি কাঠি ঢুকিয়ে ডিমের ভেতরের কুসুম ও অন্য জিনিসগুলো আস্তে আস্তে বের করে আনি। খোলসে পানি ঢুকিয়ে ভেতরটা ভালো করে ধুয়ে খোলসটা শুকিয়ে নিই।
এবার এক খন্ড বোর্ড কাগজ নিয়ে ২৫ সেমি. ৩০ সেমি. ব্যাসের (১২.৭-১৫.২ ব্যাসার্ধ নিয়ে) একটি বৃত্ত আঁকি। বৃত্তের রেখা বরাবর কাঁচি দিয়ে কেটে বোর্ড দিয়ে একটি চাকতি তৈরি করি। এবার চাকতিটিকে সমান তিন ভাগ করি। এক খণ্ড তুলে নিয়ে চোখা মাথাটা সামান্য কেটে ফেলি, সোজা দুই কিনারা একটির ওপর অন্যটি তুলে ময়দার, লেই দিয়ে জোড়া দিই।

ডিমের খোসা ও কাগজ দিয়ে পুতুল তৈরি করি। আঠা দিয়ে জোড়া দিই। খেয়াল রাখব বোর্ড কাগজে সাদা মসৃণ পিঠ যেন বাইরের দিকে থাকে। জোড়া দিয়ে দেখি এক দিক চোখা, অপরদিক মোটা লম্বা চোঙার মতো একটা জিনিস তৈরি হয়ে গেল। এটির চোখা মাথাটি ডিমের খোলসের ছিদ্র দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে আঠা ও পাতলা সাদা কাগজ লাগিয়ে ভালো করে জোড়া দিই। ডিমের খোলসটি যেন চোঙার মাথায় সোজা হয়ে বসে যায়। আর জোড়ার কাগজ যেন ওপর থেকে চোখে না পড়ে। এবার ডিমের খোলসের ওপর পুতুলের চোখ, মুখ, নাক, চুল এবং বোর্ড কাগজের চোঙার উপর পুতুলের গলার মালা ও পোশাক এঁকে দিই। ফেলে দেয়ার জিনিস ডিমের খোলস দিয়ে সুন্দর একটা পুতুল হয়ে গেল।

Content added By

রাস্তাঘাটে চলাফেরা করার সময় ছোট-বড় পাথর আমাদের চোখে পড়ে। নানা রঙের নানা আকৃতির পাথর। কোনো কোনোটি দেখে আমরা বেশ মজা পাই। কোনোটা দেখে মনে হয় একদম একটা পেঁচা, কোনোটা আবার পাখির মতো, কোনোটিতে যেন মানুষের মুখের একটা আদল আছে, আবার কোনোটা দেখে মনে হয় বিড়ালের মতো ।

এরকম অনেক জীবজন্তু বা মানুষের চেহারার সঙ্গে মিলে যাওয়ার মতো নুড়ি পাথরের টুকরা একটু খুঁজলে পেয়ে যাব। যে পাথরগুলো আমাদের ভালো লাগবে সেগুলো তুলে নিয়ে আসব। ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিব। তারপর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখি পাথরটা কীসের মতো। পেঁচা, মানুষ, বিড়াল নাকি অন্য কোনো প্রাণীর মতো। যে আকৃতি ভাবব সেটাকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য একটু আঁকা-জোকা করব। চোখ, কান, মুখ আঁকব, তারপর দেখব কেমন সুন্দর একটা শিল্পকর্ম হয়ে গেল। ভাস্কর্যটি কাঠের মানানসই টুকরার ওপর পেলিগাম কিংবা আইকাজাতীয় শক্ত আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিব। বাহ! নুড়ি পাথরের ছোট ভাস্কর্য সহজেই হয়ে গেল!

ভাঙা কাপ, প্লেট ইত্যাদির টুকরো দিয়ে সুন্দর মোজাইক ছবি তৈরি করা যায়। দোয়াতের বাক্স, আইসক্রিমের কৌটা, প্লাস্টিকের ফেলে দেওয়া কৌটা, ফেলে দেওয়া ছোট টিন ইত্যাদি দিয়ে অনেক সুন্দর খেলনা ও পেনসিল বক্স তৈরি করা যায়। তোমরা ছবি দেখে তৈরি কর। বিভিন্ন পাখির পালক দিয়েও সুন্দর সুন্দর ছবি তৈরি করা যায়।

Content added || updated By

আমাদের চারপাশে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা রয়েছে। সব গাছই মানবজীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গাছের পাতা আমাদের নানাভাবে কাজে লাগে। আমরা শুধু তালপাতা ও খেজুর পাতা দিয়ে কিছু জিনিস তৈরি শিখব। যেগুলো আমাদের ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগবে।

তালপাতা, খেজুর পাতা ও নারকেল পাতা সংগ্রহ করব।

বাংলাদেশে প্রায় সবএলাকাতেই তালপাতা, নারকেল পাতা ও খেজুর পাতা কম-বেশি পাওয়া যায়। আমাদের এগুলো সংগ্রহ করা তেমন কষ্টসাধ্য হবে না। কিছু তৈরির পূর্বে সামান্য লবণ মিশিয়ে ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ করে নিলে তৈরি জিনিস সতেজ ও টেকসই হবে।

পাতা দিয়ে বাঁশি তৈরি

তালপাতা, খেজুর পাতা ও নারকেল পাতা একই পদ্ধতিতে রং করা যায়। কিছু পাতা সাদা ও কিছু পাতা রঙিন করলে তৈরিকৃত জিনিস আরও আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন হবে। বাজারে রঙের দোকানে এক জাতীয় গুঁড়ো রং পাওয়া যায়। সামান্য রং, পরিমিত পানি ও কয়েক ফোঁটা এসিটিক এসিড সহকারে ফুটন্ত পানিতে শুকনো পাতাগুলো কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। নামাবার পূর্বে পরিমাণমতো গুঁড়ো সাবান দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর কিছুক্ষণ ছায়ায় শুকিয়ে নিলে কাজের উপযোগী রঙিন পাতা হয়ে গেল। এসিড পাওয়া না গেলে পরিবর্তে সামান্য লবণ দিয়ে নামিয়ে নিব। এই পাতাগুলো দিয়ে নিচের ছবিগুলো দেখে চশমা, বাঁশি, ঘড়ি ইত্যাদি আমরা তৈরি করার চেষ্টা করি। (ছবি দেখে চেষ্টা করি)

Content added || updated By

ছবি দেখে এঁকে আইকা আঠা দিয়ে পালকগুলো বসিয়ে কাজটি করি।

Content added By
Content added By
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

১। কাগজের নকশার জন্য উপযোগী কাগজ কোনটি?
(ক) কার্ট্রিজ পেপার
(খ) মাউন্ট বোর্ড পেপার
(গ) রঙিন পোস্টার পেপার
(ঘ) আর্ট পেপার

২। পোস্টার পেপারের মাপ-
(ক) ২২ ইঞ্চি
(খ) ৩০ ইঞ্চি
(গ) ৩১ ইঞ্চি
(ঘ) ২৪ ইঞ্চি

৩। নকশা কী দিয়ে কাটা হয়?
(ক) যেকোনো পেপার
(খ) মাটি
(গ) বালি
(ঘ) চিনি

৪। ফেলনা জিনিস দিয়ে কী তৈরি করা যায়?
(ক) মাটির পুতুল
(খ) ভাস্কর্য
(গ) পোস্টার
(ঘ) সূচিশিল্প

৫। রঙিন কাগজ দিয়ে কী করা হয়?
(ক) উৎসবে ঘর সাজানো যায়
(খ) কুশন তৈরি করা যায়
(গ) খাবার তৈরি করা যায়
(ঘ) পোশাক বানানো যায়

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন

১।আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাগজের ব্যবহার সম্পর্কে দশ লাইনে একটি বর্ণনা দাও।
২। তোমার স্কুলে কোনো অনুষ্ঠান হলে কাগজ দিয়ে কীভাবে তুমি স্কুল সাজাতে পারবে সংক্ষেপে তার একটি বর্ণনা দাও।

ব্যবহারিক (Activity)

১।তোমার নিজের পছন্দের নকশা কেটে একটি নকশা কাটা ঝালর তৈরি করো। অবিকল একই নকশায় আরও ৩টি ঝালর তৈরি করে সুতলির মধ্যে লাগিয়ে টানিয়ে দেখাও।
২। তোমার পছন্দমতো তিনটি নকশা ব্যবহার করে তিনটি নকশা কাটা ফুল তৈরি করো।
৩। লম্বা লম্বা রঙিন কাগজ কেটে নানারকম ঝালর তৈরি করো।
৪। বিভিন্ন ধরনের কাগজের নাম লেখো। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাগজের ব্যবহার অপরিহার্য কেন তা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
৫। কাগজের তৈরি নকশা, ঝালর, শিকা, শেকল প্রভৃতি জিনিস সাজসজ্জার কাজে তুমি কীভাবে ব্যবহার করতে পার তার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
৬। তোমরা কোন কোন জাতীয় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ে ও পাড়ায় রঙিন কাগজ দিয়ে সাজসজ্জা কর?

ফেলনা জিনিস দিয়ে শিল্পকর্ম

১। ডিমের খোলস দিয়ে একটি পুতুল তৈরি করো।
২। নুড়ি পাথর দিয়ে একটি ছোট ভাস্কর্য তৈরি করো।
৩। নুড়ি পাথরে রং করে একটি পেপার ওয়েট তৈরি করো।
৪। গাছের ডাল দিয়ে একটি ভাস্কর্য তৈরি করো।
৫। দোয়াতের বাক্স দিয়ে একটি খেলনা তৈরি করো।
৬। পাখির পালক দিয়ে একটি খেলনা অথবা একটি ছবি তৈরি করো।
৭। বিভিন্ন ফেলে দেওয়া কৌটা দিয়ে খেলনা তৈরি করো।
৮। ফেলে দেওয়া টিনের কৌটা দিয়ে একটি পেনসিল বক্স তৈরি করো।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...