আমরা গত দুটি পাঠে দেখেছি কম্পিউটরে তথ্য উপাত্ত প্রবেশ করানোর জন্যে এক ধরনের ইনপুট ডিভাইসের দরকার হয়। আমরা আগেই বলেছি কী-বোর্ড কিংবা মাউস সেরকম ইনপুট ডিভাইস।
কী-বোর্ড দিয়ে বাংলায় বা ইংরেজিতে বা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় লেখা যায় অর্থাৎ কী-বোর্ডের একটি বোতাম চাপলে কম্পিউটারের ভেতর সেই বোতামের জন্যে নির্দিষ্ট অক্ষরটি ঢুকে যায়।
আমরা যে সবসময় অক্ষর বা শব্দ লিখি তা নয়- মাঝেমধ্যে আমাদের অন্য কিছু করতে হয়। যেমন-আমরা যদি একটা ছবি আঁকতে চাই তখন কী-বোর্ড দিয়ে সেটি করা যায় না। একটি মাউস নাড়িয়ে আমরা সেটা করতে পারি।
অনেক সময় পুরো একটা ছবিকে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো যায়। যদি ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবিটি তোলা থাকে তাহলে সেটা সরাসরি ক্যামেরা থেকে কম্পিউটারে দিয়ে দেওয়া যায়। যদি ছবিটি প্রিন্ট অবস্থায় থাকে, তাহলে সেটিকে স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো যায়। কাজেই ডিজিটাল ক্যামেরা আর স্ক্যানারও এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস।

ডিজিটাল ক্যামেরার মতো ভিডিও ক্যামেরা বা ওয়েব ক্যামও ইনপুট ডিভাইস, সেগুলো দিয়ে ভিডিও কম্পিউটারে প্রবেশ করানো যায়। যারা কম্পিউটারে গেম খেলে তারা অনেক সময় জয়স্টিক (joystick) ব্যবহার করে সেগুলো দিয়ে গেমের তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায় সেগুলোও ইনপুট ডিভাইস। তোমরা অনেকেই পরীক্ষার খাতায় বৃত্ত ভরাট করতে দেখেছ। যে যন্ত্রগুলো এই বৃত্ত ভরাট করা খাতা পড়তে পারে, সেগুলোও ইনপুট ডিভাইস-কারণ পরীক্ষার খাতার তথ্যগুলো এই যন্ত্রটি কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে দেয়। নিচে আরও কতগুলো ইনপুট ডিভাইসের ছবি দেখানো হলো।

| কাজ ১. যে সব ইনপুট ডিভাইসের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো ছাড়া অন্য কী কী ইনপুট ডিভাইস হতে পারে সেটা নিয়ে কল্পনা করে লিখ। ২. ইনপুট ডিভাইস শুধু তথ্য-উপাত্ত কম্পিউটারে দেওরা যায়। সেখান থেকে কোনো তথ্য ইনপুট ডিভাইসে বের হতে পারবে না। তুমি কি কোনো ইনপুট ডিভাইসের কথা কল্পনা করতে পারবে যেটা একই সাথে আউটপুট ডিভাইস হিসেবেও কাজ করবে? |
Read more