পরিবেশগত সমস্যার কারণে বাংলাদেশের জনগণের নানা প্রকার সমস্যা হয়। এ রকম সমস্যা কি আমরা হতে দিতে পারি? এ বিষয়ে জাতিসংঘ থেকে অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সরকারও বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমাদের সবারই, এমনকি শিশুদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা-
- অযথা গাছ কাটব না।
- ১ বার ব্যবহার যোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করব।
- রিসাইক্লিং করা শুরু করব।
- যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলব না।
- যেসব গাড়ি থেকে কালোধোঁয়া বের হয় সেগুলো চলাচল বন্ধ করার জন্য সচেতন করব।
- লোকালয়ের কাছে শিল্পকারখানা না গড়তে সচেতন করব।
- বাড়ির বর্জ্য যথাস্থানে ফেলব। নর্দমায় কখনো শক্ত বর্জ্য ফেলব না।
- অযথা মাইক বাজিয়ে শান্তি নষ্ট করব না।
- হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার ও অফিস এলাকায় শব্দদূষণ করব না।
- পাহাড় কাটব না।
- নদী, খাল, হ্রদ বা সমুদ্রসহ ছোটো-বড় কোনো জলাধারে ময়লা ফেলব না।
- বন, পাহাড়, নদীসহ কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করব না।
- গাছ লাগাব ও গাছের যত্ন নেব।
- প্রকৃতির কাছাকাছি থাকব।
- মানুষের সৃষ্ট পরিবেশ দূষণের কারণগুলো জানব ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেব।
- উন্নয়নমূলক কাজে প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেব।
- নিজের খাবার, পোশাক ও অন্যান্য জিনিস নির্বাচন ও ব্যবহারে পরিবেশের ভারসাম্যের কথা বিবেচনা করব।
Content added By
Read more