তোমাদের বয়সের অনেক ছেলে-মেয়ে বাসাবাড়িতে, কলকারখানায় কিংবা অন্য কোনো কর্মক্ষেত্রে কাজ করে। অনেক সময় এসব শিশু যথাযথ পারিশ্রমিক, খাবার ও স্বাস্থ্যসেবা পায় না। স্নেহ, মায়া, মমতা কী এসব শিশু তা জানে না। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন তাদের নিত্যসঙ্গী। অথচ তাদেরও আছে বিকশিত হবার অধিকার।
আমাদের তাদের প্রতি ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাদের লেখাপড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। বাসায় কোনো শিশু কাজ করলে তার কাজে সাহায্য করতে পারি। নিজের কিছু কাজ যেমন- ঘর, বিছানা, টেবিল গুছিয়ে রাখা, শুকনা কাপড় ভাঁজ করে রাখা ইত্যাদি নিজে করতে পারি। এতে শিশুটির উপর কাজের চাপ কমবে। কোনো সময়ে শিশুটি অসুস্থ হলে তার চিকিৎসা ও সেবাযত্ন করে তার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করতে পারি। এতে সে বন্ধু হয়ে উঠবে। খেলাখুলায় তাকে সাথি করতে পারি। শিশুটিকে নিজের পরিবারের সদস্য হিসাবে বিবেচনা করতে পারি। এতে তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করা হবে। ভেবে দেখো, এসব শিশুকে আমরা আর কীভাবে সাহায্য করতে পারি।
ভালো পরিবেশে শিশুরা বেড়ে উঠলে পরিবার ও সমাজের প্রতি তারা দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে। এসব শিশুর প্রতি ভালো আচরণের মাধ্যমে আমরা নিজেরাও মানবিক গুণসম্পন্ন একজন নাগরিক হয়ে উঠব। আমরা পরিবারের অন্যান্যদেরও তাদের প্রতি ভালো আচরণ করার জন্য বলব।
| কাজ: বাড়ির কাজে সহায়তাকারীর প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? |
Read more