Please, contribute by adding content to
অন্যান্য আন্দোলন ও তথ্য.
Content
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
অধ্যাপক শামসুজ্জোহা
সার্জেন্ট জহরুল হক
আসাদুজ্জামান আসাদ
ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট মতিউর রহমান
ভাষা আন্দোলন
কৈবর্ত বিদ্রোহ
আলীগড় আন্দোলন
ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন
ভারত বিরোধী
ব্রিটিশ বিরোধী
জমিদার বিরোধী
তালুকদার বিরোধী
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে
তেভাগা আন্দোলনে
সত্যাগ্রহ আন্দোলনে
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে
বাংলার উত্তর এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
- মুসলমানদের অধিকার আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন।
- সৈয়দ আমীর আলী কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন।
আমীর আলী রচিত বইয়ের নামঃ
- The Spirit of Islam
- A short History of the Saracens.
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সৈয়দ আমীর আলী
সৈয়দ নিসার আলী
নবাব আব্দুল লতিফ
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
নওয়াব আবদুল লতিফ
মওলানা মোহাঃ আলী
সৈয়দ আমীর আলী
আবুল কালাম আজাদ
নওয়াব স্যার সলিমউল্লাহ
নওয়াব আতিকউল্লাহ
নওয়াব আবদুল লতিফ
সৈয়দ আমীর আলী
- দানশীলতার জন্য দানবীর বা বাংলার হাতেম তাই নামে পরিচিত হাজী মুহাম্মদ মুহসীন।
- তিনি সমাজ সেবক হলেও সমাজ সংস্কারক নন।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
রাজা রাজমোহন রায়
ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর
হাজী মুহম্মদ মহসীন
বেগম রোকেয়া
রাজা রামমোহন রায়
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
হাজী মুহাম্মদ মুহসীন
বেগম রোকেয়া
রাজা রাম মোহন রায়
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বেগম রোকেয়া
হাজী মুহম্মদ মহসিন
রাজশাহী
মুর্শিদাবাদ
হুগলী
মেদেনীপুর
রাজশাহী
মুর্শিদাবাদ
হুগলী
মেদেনীপুর
- ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ “মোহামেডান লিটারেরি সোনাইটি" প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
Content added || updated By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নবাব আবদুল লতিফ
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
সৈয়দ আমীর আলী
স্যার সলিমুল্লাহ
আমীর আলী
নবাব আবদুল লতিফ
স্যার সৈয়দ আহমদ খান
খাজা আবদুল গণি
নবাব আবদুল লতিফ
সৈয়দ আহমদ খান
নবাব সলিমুল্লাহ
স্যার সৈয়দ আহমদ খান
স্যার সৈয়দ আহমদ
নবাব সলিমুল্লাহ
নবাব আব্দুল লতিফ
মীর মােশরারফ হােসেন
ওয়ারেন হেস্টিংস
সৈয়দ আমীর আলী
নওয়াব আব্দুল লতিফ
নওয়াব স্যার সলিমউল্লাহ
হাজী মোহাম্মদ মহসীন
- ১৯১৮ সালে প্রবর্তিত আইনের উদ্দেশ্য ছিল সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা।
- এই আইনের প্রতিবাদে জালিয়ানওয়ালাবাগে অসংখ্য মানুষ সমবেত হয়।
Content added By
- হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়- ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সালে ২০০০ মানুষ হতাহত হয়।
- হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাইটহুড (১৯১৫) উপাধি ত্যাগ করেন ১৯১৯ সালেই।
- জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে গুলি চালিয়ে যায় এক হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Revolution
Martyrdom
War
Sacrifice
বিবিঘর হত্যাকাণ্ড
জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড
জম্মু হত্যাকাণ্ড
বিহার হত্যাকাণ্ড
বঙ্গভঙ্গ
জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড
ভারত প্রতিরক্ষা আইন পাশ
মহাত্মা গান্ধীকে আটক
কোনটিই নয়
১৯০৮ খ্রিঃ
১৯০৯ খ্রিঃ
১৯১৮ খ্রিঃ
১৯১৯ খ্রিঃ
Partition of Bengal
Press Act of 1910
Jallianwala Bagh
Salt Laws.
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিওয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। অসহযোগ হল গণ আইন অমান্য করা।
- ১৯২০ সালে কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশনে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলন যুগপৎভাবে পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। ফলে, হিন্দু-মুসলিম ঐক্য গঠন হয় ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে।
- ১৯২২ সালে ৫ ফেব্রুয়ারি চৌরিচৌরা গ্রামে (উত্তরপ্রদেশ) উত্তেজিত জনতা থানায় আগুন লাগিয়ে দিলে ২২ জন পুলিশ সদস্য মারা যায়।
- ১৯২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন মোহনদাস করমচাদ গান্ধী।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
শেরে-বাংলা এ কে ফজলুল হক
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
Knighthood
Rai Bahadur
Kaiser-e-Hind
Hind Kesari
- খেলাফত আন্দোলনের সূচনা ঘটে ১৯১৯ সালে।
- নেতৃতে ছিলেন- আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী।
- উসমানীয় খেলাফতের অবসান ঘটে স্বৈরশাসক কামাল আতাতুর্কের হাতে ১৯২৪ সালে।
Content added By
- ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে স্বরাজ পার্টি গঠিত হয়।
- বাংলায় মুসলমানদের সাথে চিত্তরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে বঙ্গীয় কংগ্রেস কমিটি একটি সমঝোতায় এই সমঝোতাটি 'বাংলা চুক্তি বা 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি নামে পরিচিত।
- বাংলায় হিন্দু-মুসলমানের সম্পর্ক উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে বেঙ্গল প্যাক্ট।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
একটি চুক্তি
রাজনৈতিক দল
কারখানার নাম
একটি বিশ্ববিদ্যালয়
ফজলুল হক
নাজিমুদ্দিন
সুভাষ বসু
চিত্তরঞ্জন দাস
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ভারতবাসীর অধিকারের পূর্ণ প্রতিফলন না ঘটায় শাসনতান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের জন্য ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদানের আইন করা হয়।
উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যঃ
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান নিশ্চিতকরণ।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার প্রবর্তনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
- বার্মাকে (মায়ানমার) ভারতবর্ষ হতে পৃথকীকরণ (১৯৩৭)।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থাকরণ।
Content added || updated By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
২ আগস্ট ১৯৩৫
২৫ আগস্ট ১৯৩৫
৭ নভেম্বর ১৯৩১
১২ নভেম্বর ১৯৩১