১৯০৬ সালে ব্রিটিশ সরকার বৈপ্লবিক আন্দোলনকে সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন হিসেবে, চিহ্নিত করে। ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবীদের লক্ষ্য ছিল প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যা করা। ভূনিয়াম, প্রযুক্ত চাকী বিহারের ফোর্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করলে অন্য এক ইংরেজের স্ত্রী এবং কন্যা নিহত হয়। ক্ষুদিরাম ধরা পড়েন, বিচারে তার ফাঁসি হয়। প্রকৃত চাকী আহহত্যা করেন।
Content added By
- চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের জন্য নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় ন্যাশনাল ইন্সটিটিউটের শিক্ষক মাস্টার সূর্যসেন।
- বিপ্লবী সূর্যসেন তার দল ও সাধারণ মানুষের কাছে মাস্টার দা নামে পরিচিত।
- ১৯৩০ সালের ১৮ই এপ্রিল অস্ত্রাগারটি লুণ্ঠন করা হয়।
- সূর্যসেনের ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি ফাঁসি কার্যকর করে ইংরেজ সরকার।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মঙ্গল পাণ্ডে
শের আলী
সূর্যসেন
ক্ষুদিরাম
তেভাগা
নকশাল
স্বদেশি
অসহযোগ
১৮ই জুন ১৯৩০
১২ই জানুয়ারি ১৯৩৪
১৮ই এপ্রিল ১৯৩০
১৮ই এপ্রিল ১৯৩৪
স্বদেশি (Swadeshi)
তেভাগা (Tebhaga)
টংক (Tonk)
ভারতছাড় (Quit India)
চট্টগ্রাম বিপ্লবী বাহিনী গঠন
আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন
হিন্দু- মুসুলমানের ঐক্য দৃঢ়করণ
নির্যাতন মূলক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
- পাহাড়তলী রেলওয়ে ক্লাব আক্রমণের নেতৃত্ব দেন বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯৩২ সালে সেপ্টেম্বরে প্রীতিলতার নেতৃত্বে পাহাড়তলী ইউরোপীয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- এই ক্লাবের গেটে লেখা ছিল- এখানে কুকুর এবং ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
ইলা মিত্র
গওহর আশালতা
ধরিত্রী দেবী
কল্পনা চাকমা
জাহানারা ইমাম
বেগম রোকেয়া
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
তেভাগা আন্দোলনে
খেলাফত আন্দোলনে
ভারত ছাড়ো আন্দোলনে
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
ইলা মিত্র
গওহর আশালতা
ধরিত্রী দেবী
কল্পনা দত্ত
মনােরমা মাসিমা
ভগিনী নিবেদিতা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
- ভারতের রাজনৈতিক সমস্যা নিরসনে ত্রিপস মিশন (১৯৪২) বার্থ হয়।
- মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। "ভারত ছাড়" (Quit India Movement) দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় ৮ই আগস্ট থেকে।
- এটি "আগস্ট আন্দোলন" নামেও পরিচিতি।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১৯১৭ সালে
১৯২৭ সালে
১৯৩৭ সালে
১৯৪২ সালে
জওহরলাল নেহেরু
কায়েদে আযম
মহাত্মা গান্ধী
মাওলানা হামিদ খান ভাসানী
জওহরলাল নেহেরু
কায়েদে আযম
মহাত্মা গান্ধী
মাওলানা হামিদ খান ভাসানী
- আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ ও ইলা মিত্র।
- তেভাগা আন্দোলনের সময়য়াল ১৯৪৬-৪৭ খ্রিস্টাব্দ।
- এই আন্দোলন রংপুর ও তীব্র আকার ধারণ করে ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিল উৎপন্ন ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ পাবে মালিক এবং দুই ভাগ পাবে চাষা
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
তেভাগা আন্দোলন
নানকার বিদ্রোহ
টঙ্ক আন্দোলন
ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন
বাংলার উত্তর এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন
কৃষি উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন
কৃষি উৎপাদনের তিন ভাগের এক ভাগের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন
কৃষি উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত ভূস্বামীদের আন্দোলন
সূর্য সেন (Surya Sen)
ইলা মিত্র (Ila Mitra)
তিতুমীর (Titu Mir)
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার (Pritilata Waddedar)
বাংলার উত্তর এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে
বাংলার দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহে