বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ থেকে ১৯ কোটির মধ্যে (২০২২/২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী), যার প্রায় ৯৯% বাঙালি এবং বাকি ১% বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিয়ে গঠিত, যাদের মধ্যে চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, ত্রিপুরা এবং গারো প্রধান, যারা পার্বত্য চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বাস করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
- আদমশুমারিঃ একটি দেশের জনসংখ্যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা করার পদ্ধতিকে আদমশুমারি বলে।
- বর্তমানে আদমশুমারিকে বলা হয় গণশুমারি।
- সর্বশেষ গণশুমারি হয় ১৫-২১ জুন, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
- স্লোগানঃ জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন।
- শুমারির তারিখঃ ১৫- ২২ জুন, ২০২২ খ্রি.
- গণনা পদ্ধতি Modified Defacto
- মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাক্ষ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন ।
- পুরুষ: ৮,১৭,১২, ৮২৪ জন (৪৯.৫%)
- মহিলা: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন (৫০%)
- তৃতীয় লিঙ্গ; ১২, ৬২৯ জন
- পুরুষ-নারীর অনুপাতঃ ৯৯ : ১০০
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১১৯ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে), ২৫২৮ (প্রতি মাইলে)
- ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা মুসলিম- ৯১.৪%, হিন্দু- ৭.৯৫%, বৌদ্ধ- ০.৬১%, খ্রিস্টান-০.৩০%, অন্যান্য- ০.১২%
- জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ১.২২%
- স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৩০ দশমিক ৬৮ দশমিক
- খানার সংখ্যা ৪ কোটি ১০ লাক্ষ, গড় সদস্য- ৪ জন।
- ভারতবর্ষে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর আমলে।
- বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।
- পরবর্তী ৭ম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে ২০৩১ সালে।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
A megacity is typically characterized as a (27) territory with an aggregate populace in abundance of (28) million individuals. According to 2019 world population review, it is perhaps unsurprising that the majority of the most populous cities in the world are in the two most densely populated countries in the world, (29) . (30) is the largest city in the world. Dhaka is the (31) largest megacity in Bangladesh. It has become the (32) of all concerns officially, semi-officially or un officially. People from all cerners rush towards Dhaka in search of (33). This over population (34) the present condition of the city..
উপজাতি নিয়ে কিছু তথ্য জেনে নিই
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি- চাকমা।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি- মারমা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট উপজাতি বসবাস করে- ১১ টি।
- বাংলাদেশে উপজাতির ভাষার সংখ্যা- ৩২ টি।
- প্রকৃতি পুজারি উপজাতি- মুন্ডা ও মনিপুরী।
- উপজাতীয় বর্ষবরণ উৎসবকে সামগ্রিকভাবে বলা হয়- বৈসাবি।
- বিশ্ব আদিবাসী দিবস- ৯ আগস্ট।
- লিখিত বর্ণমালা নেই যে উপজাতির- সাঁওতাল।
- মগ উপজাতি পাহাড়ি এলাকায় পরিচিত- মারমা নামে।
- মগ উপজাতি সমতল এলাকায় পরিচিত- রাখাইন নামে।
- মগদের আদি নিবাস ছিল- আরাকান।
- জলকেলি যাদের উৎসব- রাখাইনদের।
- ত্রিপুরাদের ভোজানুষ্ঠানকে বলে -সামৌং।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী চাষ পদ্ধতি - জুমচাষ (বিকল্প পদ্ধতি সল্ট চাষ)
- গারোদের ভাষার স্থানীয় নাম- মান্দি ভাষা।
- পাঙনরা যে ভাষায় কথা বলে- মৈ তৈ মণিপুরী ভাষায়।
- যে উপজাতির মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বহুবিবাহ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন রয়েছে- হাজং।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার- ১.০০%
- চাকমা ভাষায় লিখিত উপন্যাসের নাম- ফেবো।
- উপজাতিদের জীবন-প্রণালী নিয়ে লিখিত উপন্যাস- কর্ণফুলী ।
- যে উপজাতি মুসলমান- পাঙন।
- ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সংগঠনের নাম- শান্তি বাহিনী।
- শান্তিবাহিনীর বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম- জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।
- যে দুটি উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক- গারো ও খাসিয়া।
- ক্ষুদ্রজাতি সত্তা, নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ৭টি
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান: পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।
- ধর্ম : বৌদ্ধ।
- প্রধান উৎসব বিজু, কঠিন চিবর দান।
- ভাষা: চাকমা।
- জনসংখ্যায় প্রথম স্থানে রয়েছে চাকমারা।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান : ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল ।
- ধর্ম খ্রিষ্টান
- ভাষা: মান্দি/অবেং
- প্রধান উৎসব : ওয়ানগালা (ধর্মীয় ও সামাজিক)
- পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতিসত্তার জনগোষ্ঠীর বাস রয়েছে। দেশের (41) সিলেট জেলায় (42) জনগোষ্ঠীর বাস। খ্যাং ও তঞ্চঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস (43) জেলায়। পটুয়াখালী ও বরগুনায় বাস করে (44) জনগোষ্ঠীর মানুষ। এদের একাংশ আবার (45) জেলায় রয়েছে। সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বাস করে (46) জেলায়। (47) জেলায় ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা জনগোষ্ঠী বসবাস করে। ময়মনসিংহ অঞ্চলে বাস করে (48) জনগোষ্ঠী।
- অবস্থান : রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, পাবনা ও রংপুর।
- ধর্ম খ্রিস্টান
- প্রধান উৎসব : সোহরাই
- ভাষা: সাওঁতালী
- দেবতাদের নাম : সিং বোঙ্গা, মারাং বকু, ওরাক, মোরেইকো।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান: বান্দরবান, কক্সবাজার ও পটুয়াখালী
- প্রধান উৎসব: সাংগ্রাই (বর্ষবরণ)
- ধর্ম: বৌদ্ধ
- ভাষা: পালি
- দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি
- মগ উপজাতি পাহাড়ি এলাকায় পরিচিত মারমা নামে
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান : বৃহত্তর সিলেটের জৈন্তিয়া পাহাড়
- ধর্ম খ্রিষ্টান
- প্রধান উৎসব বড়দিন
- ভাষা: মন থেমে
- পারিবারিক কাঠামো: মাতৃতান্ত্রিক
- দেবতাদের নাম : উব্লাউ নামেউ, উব্লাউ মতং, উব্লাউ সংসপাহ
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতিসত্তার জনগোষ্ঠীর বাস রয়েছে। দেশের (41) সিলেট জেলায় (42) জনগোষ্ঠীর বাস। খ্যাং ও তঞ্চঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস (43) জেলায়। পটুয়াখালী ও বরগুনায় বাস করে (44) জনগোষ্ঠীর মানুষ। এদের একাংশ আবার (45) জেলায় রয়েছে। সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বাস করে (46) জেলায়। (47) জেলায় ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা জনগোষ্ঠী বসবাস করে। ময়মনসিংহ অঞ্চলে বাস করে (48) জনগোষ্ঠী।
- অবস্থান। পাবর্ত্য চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঢাকা।
- ধর্ম: সনাতন
- ভাষা: ককবরক
- প্রধান উৎসব : বৈসুক (বর্ষবরণ)
- দেবতাদের নাম : হিন্দুদের কিছু কিছু দেবতা
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান : বরগুনা, পটুয়াখালী ও কক্সবাজার ।
- ধর্ম : বৌদ্ধ
- ভাষা: পালি
- প্রধান উৎসব : সান্দ্রে, জলকেলি
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতিসত্তার জনগোষ্ঠীর বাস রয়েছে। দেশের (41) সিলেট জেলায় (42) জনগোষ্ঠীর বাস। খ্যাং ও তঞ্চঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস (43) জেলায়। পটুয়াখালী ও বরগুনায় বাস করে (44) জনগোষ্ঠীর মানুষ। এদের একাংশ আবার (45) জেলায় রয়েছে। সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বাস করে (46) জেলায়। (47) জেলায় ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা জনগোষ্ঠী বসবাস করে। ময়মনসিংহ অঞ্চলে বাস করে (48) জনগোষ্ঠী।
- অবস্থান : মৌলভীবাজার
- ধর্ম : ইসলাম
- প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতর ও আজহা
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান: সিলেট, মৌলভিবাজার ও হবিগঞ্জ
- ধর্ম : বৈষ্ণব
- প্রধান উৎসব: রাসোৎসব
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান : বান্দরবন
- ধর্ম বৌদ্ধ
- প্রধান উৎসব : সাংলান
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থান: রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী
- ধর্ম : সনাতন
- প্রধান উৎসব দূর্গাপূজা
- অবস্থান : বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ ।
- ধর্ম : সনাতন
- প্রধান উৎসব : সহরায়
- প্রধান উৎসব : মাঘীপূর্ণিমা
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- অবস্থানঃ ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও সুনামগঞ্জ ।
- ধর্মঃ সনাতন
- দেবতাদের নামঃ হিন্দুদের প্রায় সব দেবদেবী।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নেত্রকোণায় (Netrokona)
রংপুরে (Rangpur)
বান্দরবানে (Bandarban)
সিলেটে (Sylhet)
- অবস্থানঃ রংপুর, শেরপুর।
- ধর্মঃ প্রকৃতি পূজরি
- পেশাঃ কৃষিকাজ
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নাম | অবস্থান |
|---|---|
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমী | বিরিশিরি, নেত্রকোনা |
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র | রাঙ্গামাটি |
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট | বান্দরবান |
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট | খাগড়াছড়ি |
মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি | মৌলভীবাজার |
রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট | রামু, কক্সবাজার |
নোট: রাজশাহী ও কক্সবাজারে আরোও দুইটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটসহ মোট প্রতিষ্ঠান- ৮ টি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পার্বত্য অঞ্চলে অধিক টাকার বিনিময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বহিরাগতদের কাছে কার্পাস বা তুলার কর আদায়ের চুক্তি করে ইজারা দিতে থাকে। এহেন পরিস্থিতিতে চাকমাদের জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ে। প্রথম ১৭৭৬ সালে চাকমা দলপতি রাজা শের দৌলত ও তাঁর সেনাপতি রামু খাঁর নেতৃতে প্রথমবার চাকমা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- ১৭৮২ ও ১৭৮৪ সালে রামু খার পুত্র জোয়ান বকস খার নেতৃত্বে আরও দুটি বিদ্রোহ হয়।
- জোয়ান বকস খা বৃটিশ বণিকদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহের পতাকা উড়ানো নেতা।
- এই বিদ্রোহের একজন জুমিয়া নেতা ছিলেন জুম্মা খান।
- জুম্মা খাঁ বৃটিশ বিরোধী অন্যতম জুমিয়া বা জুম্মা (যারা জুম চাষ করেন) তাদের নেতা।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- পাহাড়ি চাকমা অধিকার অন্দোলন কর্মী।
- প্রথম প্রতিবাদ করেন কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ।
- জনসংহতি সমিতি ও শান্তি বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন।
মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ছোট ভাই। পাহাড়ি অধিকার অন্দোলন কর্মী ও জনসংহতি সমিতির বর্তমান সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর।
- পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় শেখ হাসিনার ও সন্তু লারমার যৌথ প্রচেষ্ঠায়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠাতাঃ মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা।
- গঠিত হয়- ১৯৭৩ সালে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে শান্তি বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ১৯৭৩ সালে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা ২৫ জন ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামভিত্তিক একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল।
- UPDF- United People & Democratic Front
- প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৯৮ সালে।
- দাবি: গণতান্ত্রিক ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ইংরেজ আমলে সূর্যাস্ত আইন ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে স্থানীয় মহাজন ও জমিদারদের অত্যাচারের শিকার হয়ে সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধভাবে অধিকার আদায়ে তাদের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন গড়ে তোলে, তাই সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
- সাঁওতাল বিদ্রোহ বা সান্তাল হুল সংঘটিত হয়- (১৮৫৫-৫৬) সালে।
- সান্তাল হুল সংঘটিত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বিহারের ভাগলপুর জেলায়।
- সিধু ও কানু দুই ভাই এই আন্দোলনের নায়ক। সিধু মাঝি নামেও পরিচিত।
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দক্ষিণ এশিয়ার স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচীর মান উন্নয়নের জন্য একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে। নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মনোভাব উন্নয়নে কাজ করে। এছাড়া প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির কার্যকারিতা মূল্যায়ন ও অপারেশনাল গবেষণা পরিচালনা করে এবং গবেষণার ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করে কর্মসূচি উন্নয়নে সহায়তা করে। নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি বিভাগীয় ও জেলা শহরে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI) এবং উপজেলা পর্যায়ে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC) পরিচালনা করছে। এদের সঙ্গে ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত। ভৌগোলিকভাবে এসব কেন্দ্র এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত যাতে দেশের সকল অঞ্চল থেকে প্রশিক্ষণার্থীরা সহজে অংশ নিতে পারেন এবং হোষ্টেল সুবিধায় অবস্থান করতে পারেন। নিপোর্টের গবেষণা ইউনিট প্রধান কার্যালয়ে অবস্থিত হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, মনিটরিং ও সেমিনার আয়োজনেও তাদের কর্মকাণ্ড বিস্তৃত থাকে।
একনজরেঃ
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ডিজেল ইলেকট্রিক এন্ড মাল্টিপল ইউনিট
ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড মেকানিক্যাল ইউনিট
ডিজেল ইলেকট্রিক এন্ড মেকানিক্যাল ইউনিট
ডিজেল ইঞ্জিয়ারিং এন্ড মেকানিক্যাল ইউনিট
Read more