- স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৯৭ সালে। কার্যকর হয়- ২০০৫ সালে।
- স্বাক্ষরিত স্থান- কিয়োটো, জাপান
- কিয়োটো প্রটোকল- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি।
- ১৪৪ টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল প্রটোকলটি বাস্তবায়নের জন্য।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে- ২০০১ সালে।
- ২০১২ সালে কানাডা কিয়োটো প্রটোকল হতে নাম প্রত্যাহার করে।
- প্রথম স্তরের মেয়াদ ছিল- ১৫ বছর; ১৯৯৭-২০১২ সাল পর্যন্ত
- ২০১২ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাস করার কথা ছিল- ৫.২%।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
কিয়োটো প্রটোকল
মনট্রিল প্রটোকল
আর্থ সামিট
জি-৮ সামিট
জনসংখ্যা হ্রাস
দারিদ্র্য হ্রাস
উষ্ণতা হ্রাস
নিরস্ত্রীকরণ
জলবায়ু পরিবর্তন
পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
রিফ্যুজি অধিকার
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় - বি ইউনিট অ-বাণিজ্য সেট-১ ২০২৫-২৬
PSC
ACC Assistant Deputy Director-2010
Krishi Bank
BKB Officer (Cash)-2011
Premier Bank
Premier MTO-2012
Premier MTO-2012
MRA – Assistant Director-2023
MOEWOE UDA-2023
MHPW Assistant Engineer-2025
BPSC MoWR Assistant Director (Admin)-2026
সাধারণ জ্ঞান
কিয়োটো প্রটোকল
নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও
১৯৭২ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রথম জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন সুইডেনে অনুষ্ঠিত হয়। যার প্রেক্ষিতে পরিবেশ সম্মেলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু রক্ষার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে 'কিয়োটো প্রটোকল' পরিবেশ রক্ষায় 'কার্বন ট্রেডিং' ধারণার প্রবর্তন করে। কোন দেশ নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে কম কার্বন নিঃসরণ করলে দেশটির কার্বন ক্রেডিট জমা হয় এবং এই ক্রেডিট বিশ্ববাজারে বিক্রি করতে পারে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় তহবিল গঠন এবং অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে Vulnerable Twenty জোট গঠিত হয়।
কার্বন নিঃসরণের চেয়ে শোষণ বেশি হলে
কার্বন নিঃসরণের চেয়ে শোষণ কম হলে
কার্বন নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করলে
কার্বন নিঃসরণ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হলে
কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং ক্রেডিট লাভ
জলবায়ু ঝুঁকি কমানো
কার্বন নিঃসরণ কমানো, ক্রেডিট লাভ এবং বিশ্ববাজারে বিক্রি
ক্রেডিট লাভ এবং বিশ্ববাজারে বিক্রি
Read more