নিদানং
১. যসানুভাবতো যা নেব দসেস্তি ভিংসনং, যমহি চেবানুযুঞ্জন্তো রত্তিং দিবমতন্দিতো।
২. সুখং সুপতি সুত্তো চ পাপং কিঞ্চিং ন পস্সতি, এবমাদি গুণোপেতং পরিত্তং তং ভণাম হে।
সুত্তং
১. করণীযমত্থকুসলেন যন্তং সন্তং পদং অভিসমেচ্চ, সক্কো উজু চ সুজু চ সুবচো চস্স মৃদু অনতিমানী।
২. সন্তুস্সকো চ সুভরো চ অস্পকিচেচাচসল্লহুকবুত্তি সন্তিন্দ্রিযো চ নিপকো চ অপগক্কো কুলেসু অননুগিন্ধো।
৩. ন চ খুদ্দং সমাচারে কিঞ্চি যেন বিষ্ণু পরে উপবদেয্যুং সুখিনো বা খেমিনো হোন্তু সব্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতত্তা।
8. যে কেচি পানা ভূতথি তসা বা থাবরা বা অনবসেসা, দীঘা বা যে মহন্তা বা মঝিমা রসকানুকথুলা।
৫. দিষ্ঠা বা যেব অদিষ্ঠা যে চ দূরে বসন্তি অবিদূরে, ভূতা বা সম্ভবেসী বা সব্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতত্তা।
৬. ন পরো পরং নিকুব্বেথ, নাতিমঞথ কথচি নং কিঞ্চি ব্যারোসনা পটিঘসঞা নাঞঞমঞঞস দুখমিচ্ছেয্য।
৭. মাতা যথা নিযং পুত্তং আযুসা একপুত্তমনুরক্সে, এবম্পি সব্বভূতেসু মানসং ভাবযে অপরিমাণং।
৮. মেত্তঞ্চ সব্বলোকস্মিং মানসং ভাবযে অপরিমাণং, উদ্ধং অধো চ তিরিযঞ্চ অসম্বাধং অবেরমসপত্তং।
৯. তিষ্ঠং চরং নিসিন্নো বা সযনো বা যাবত বিগতমিদ্ধো, এতং সতিং অধিয্যে ব্রহ্মমেতং বিহারমিধমাতুহু।
১০. দিঠিঞ্চ অনুপগম্ম সীলবা দসনেন সম্পন্নো, কামেসু বিনেয্য গেধং নহি জাতু গল্পসেয্যং পুনরেতী'তি।
শব্দার্থ
যং তং সন্তং পদং - সেই যে শান্ত নির্বাণ পদ্ আছে; তং অভিসমেচ্চ - সেই পদ জ্ঞাত হয়ে; অথকুসলেন করণীযং - তা লাভেচ্ছুর কর্তব্য; সক্কো - দক্ষ; উজু জ্জ ঋজু; সুজু - অকুটিল; সুবচো - মিষ্টভাষি; মুদু - মৃদু; অনতিমানী চ অসূস - নিরভিমান হবে; সন্তুস্সকো - সন্তুষ্ট চিত্ত; সুভরো - সুখপোষ্য; অপকিচ্চো - অল্পকৃত্য; সল?হ্রককুত্তি - সংলঘুক বৃত্তি, অল্পে তুষ্ট হওয়া; সন্তিন্দ্রিযো - শান্তেন্দ্রিয়; নিপকো - প্রজ্ঞাবান; অস্পগন্ধা - অপ্রগল্প; কুলেসু অননুগিন্ধো - গৃহস্থদের প্রতি অনাসক্ত; ন চ কিঞ্চি খুদ্দং সমাচরে - কোন কিছু হীন আচরণ করবে না; যেন পরে বিষ্ণু উপবদেয়্যুং - যা দ্বারা অপর বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ অপবাদ করতে পারেন; সব্বে সত্তা - সকল প্রাণী; সুখিনো - সুখি; সুখিতত্তা ভবস্তু - সুখি হোক, সন্তুষ্টচিত্ত হোক; যে কেচি অনবসেসা - যে সমুদয়; তসা - তৃষ্ণাযুক্ত; থাবরা - তৃষ্ণা ও ভয়হীন; দীঘা - দীর্ঘ; মহন্তা - মহৎ; মজঝিমা - মধ্যমাকৃতি; রসকা - হ্রষা শরীরধারী; অণুকা - ক্ষুদ্রশরীর বিশিষ্ট; থুলা - খুল; পাণা ভূত'থি - জীব আছে; যে চ দিঠা - যে সমুদয় দৃষ্ট; যে চ অদিঠা - যে সমুদয় অদৃষ্ট; যে চ দূরে অবিদুরে বা বসন্তি - যারা দুরে বা নিকটে বাস করে; ভূতা - যারা জন্মেছে; সম্ভবেসী - যারা জন্মাবে; নহিজাতু - জন্মগ্রহণ করেন না; ন পরো পরং - একে অপরকে; নিকুব্বেথ - বঞ্চনা করবে না; কথচি নং কিঞ্চি নাতিমঞেথ - কাউকে অবজ্ঞা করবে না; ব্যারোসনা পটিঘসঞা - কায়মানোবাক্যের বিকৃতিবশত ক্রোধ উৎপাদন করে; অঞো অঞস - একে অপরকে; ন ইচ্ছেয্য - ইচ্ছা করবে না; নিযং স্বীয়; একপুত্তং - একমাত্র পুত্রকে; আযুসা - আয়ু দ্বারা; অনুরত্বে - রক্ষা করে; সব্বভূতেসু - সকল জীবের প্রতি; এবম্পি - এরূপ; অপরিমাণং - অপ্রমেয়; মানসং ভাবযে - মৈত্রী ভাবনা করবে; উদ্ধং অধো চ - ওপরে ও নিচে; তিরিযঞ্চ - তির্যকভাবে; সব্বলোকসিং - সর্বত্র; অসম্বাধং ভেদজ্ঞান রহিত; অবেরং - বৈরিতাহীন, শত্রুতাহীন; তিষ্ঠং - স্থিত অবস্থায়; চরং - বিচরণ করতে করতে; নিসিন্নো বা - উপবিষ্ট অবস্থায়; সযনো বা শায়িত অবস্থায়; যাবতা - যতক্ষণ; বিগতমিদ্ধো অস - মানসিক অলসতা বিগত হয়; এতং সতিং অধিয্যে - এ স্মৃতি অধিষ্ঠান করবে; ইদং ব্রহ্মবিহারমাহ্র - একে ব্রহ্মবিহার - বলে। দিঠিঞ্চি অনুপগস্ম - মিথ্যাদৃষ্টি পরিত্যাগ পূর্বক; সীলবা দস্সনেন সম্পন্না - শীলবান ও সম্যকদৃষ্টিসম্পন্ন - আর্যশ্রাবক; কামেসু - কামের প্রতি; গেধং বিনেয্য - লিপ্সা বিদূরিত করে; গর্ভসেয্যং - গর্ভাশয়; পুনরেতি - পুনরায় আসেন না।
করণীয় মৈত্রী সূত্রের ভূমিকা
এক সময় ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন। তখন বর্ষাবাসের প্রাক্কালে পাঁচশত ভিক্ষু ভগবানের নিকট থেকে কর্মস্থান গ্রহণ করেন। তারপর হিমালয়ের পাদদেশে মনোরম স্থানে বর্ষাবাস আরম্ভ করেছিলেন। পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে ভিক্ষাচরণ করে তাঁরা নির্বিঘ্নে শ্রামণ্যধর্ম পালন করছিলেন। নির্মল বায়ু সেবনে ও নিয়মিত ধর্মাচরণে তাঁদের শরীর ও মন প্রফুল্ল হয়েছিল। সেখানে বহু বৃক্ষদেবতা বাস করতেন। ভিক্ষুগণের শীলতেজে তাঁরা স্ব স্ব স্থানে অবস্থান করতে পারছিলেন না। ফলে আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ইতঃস্তত পরিভ্রমণ করছিলেন। ভিক্ষুগণ কখন সেই স্থান পরিত্যাগ করে যাবেন অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু বর্ষাবাস শেষ না করে তাঁরা স্থান ত্যাগ করবেন না বুঝতে পেরে বৃক্ষদেবতাগণ উৎপাত শুরু করেন। তাঁরা রাতে বিরাট আকৃতি ধারণ করে ভিক্ষুদের কাছে এসে চীৎকার করতেন। চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়াতেন। তাঁদের উৎপাতে ভিক্ষুদের শীলের ব্যাঘাত ঘটল। মানসিক দুশ্চিন্তায় তাঁদের শরীর কৃশ হল।
অতঃপর সকল ভিক্ষু পরামর্শ করে এর প্রতিকারের জন্য শ্রাবস্তীতে ভগবান বুদ্ধের নিকট উপস্থিত হলেন। বুদ্ধ তাঁদের দেখে জিজ্ঞেস করলেন-'ভিক্ষুগণ, তোমরা কেন বর্ষাবাসের মধ্যে দেশভ্রমণ করছ? বর্ষাবাসে দেশভ্রমণ বিধিবদ্ধ নয়। তখন ভিক্ষুগণ তাঁদের অসুবিধার কথা ভগবানকে জানালেন। বুদ্ধ তাঁদেরকে পুনরায় সেস্থানে যাবার জন্য আদেশ দিলেন। অতঃপর তাঁদেরকে মৈত্রীসূত্র শিক্ষা দিয়ে বললেন-'এটাই তোমাদের পরিত্রাণ ও কর্মস্থান হবে।' ভিক্ষুরা পুনরায় সেস্থানে গিয়ে সেই পরিত্রাণ ভাবনা আরম্ভ করলেন। সেই পরিত্রাণের প্রভাবে ভিক্ষুগণ পুনরায় শীলতেজ প্রাপ্ত হলেন। বৃক্ষদেবতাগণও তাঁদের প্রতি মৈত্রীভাবাপন্ন হলেন।
সেজন্য করণীয় মৈত্রী সূত্রের ভূমিকায় বলা হয়েছে:
১. যে পরিত্রাণের প্রভাবে যক্ষগণ ভয় দেখাতে পারেন না, সেই সূত্র দিন রাত আলস্যহীন হয়ে ভাবনা করবে।
২. মৈত্রী সূত্র ভাবনাকারী সুখে নিদ্রা যায়। কোন কুস্বপ্ন দেখেন না।
এরূপ গুণযুক্ত পরিত্রাণ আমি তোমাদের উদ্দেশ্যে পাঠ করব।
করণীয় মৈত্রী সূত্রের সারমর্ম
সাধকের মূল লক্ষ্য হবে নির্বাণ লাভ। তিনি সরল, শান্তস্বভাব ও অভিমানশূন্য হবেন। চঞ্চলতা পরিহার করে সাংসারিক জীবনের প্রতি অনাসক্ত হবেন। কোন পাপ কাজ করবেন না। ছোট-বড় সকল প্রাণীর প্রতি সর্বদা মৈত্রী চিত্তে অবস্থান করবেন। অল্পে তুষ্ট, শান্তেন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞাবান হবেন।
বঞ্চনা, অবজ্ঞা, ক্রোধ ও হিংসার বশবর্তী না হয়ে সকলের সুখ কামনা করাই ভাবনাকারীর একান্ত কর্তব্য। মা যেমন তার একমাত্র ছেলেকে নিজের জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করেন, অনুরূপভাবে সাধকও শত্রু-মিত্র ভেদাভেদ না রেখে সকলের প্রতি মৈত্রীভাবনা করবেন। স্থিত অবস্থায়, হাঁটতে হাঁটতে, উপবেশন অবস্থায়, শয়নে যতক্ষণ নিদ্রা যাবে না, ততক্ষণ এ স্মৃতি করবে। এর নাম 'ব্রহ্মবিহার'। মৈত্রীভাবনার মাধ্যমে যাঁরা কমপক্ষে স্রোতাপত্তি ফল লাভ করেন; তাঁদের ভোগ ও কামলালসা বিদূরিত হয়। তাঁরা এ পৃথিবীতে পুনরায় জন্মগ্রহণ করেন না। ব্রহ্মলোকে উৎপন্ন হয়ে সেখান থেকে নির্বাণ লাভ করেন।
টীকা
খুদ্দক পাঠ
খুদ্দক নিকায়ের প্রথম গ্রন্থ হল খুদ্দকপাঠ। 'ক্ষুদ্র পাঠ', 'অল্পতর পাঠ'- এ অর্থে গ্রন্থটির নামকরণ হয়েছে। নয়টি বিষয়বস্তু নিয়ে গ্রন্থটি সংকলিত হয়। যেমন সরণত্তযং, দসসিক্যাপদং, দ্বাত্তিংসাকারো, কুমারপঞহা, মঙ্গল সুত্তং, রতন সুত্তং, তিরোকুড্ সুত্তং, নিধিকন্ড সুত্তং ও করণীয় মেত্ত সুত্তং।
ত্রিশরণ গ্রহণ ও দশশীল পালন শ্রামণদের নিত্যকর্ম। মানবদেহের ৩২টি অংশ নিয়ে 'দ্বাত্তিংসাকার'- অনিত্যভাবনার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। দেহের ক্ষণস্থায়িত্ব বোঝাতে এবং এর প্রতি ঘৃণার উদ্রেক করার জন্যই এই পাঠ। চতুর্থ অংশ কুমার প্রশ্নে বৌদ্ধধর্মের মূল ধর্ম-দর্শন আলোচিত হয়েছে। পরবর্তী পাঁচটি সূত্র মাঙ্গলিক আচার-অনুষ্ঠান, ত্রিরত্ন, প্রকৃত সম্পদ প্রভৃতি নিয়ে বর্ণিত। গ্রন্থটি শিক্ষানবিসদের শিক্ষার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।
মেত্তা
জীবন সাধনার পরিপূর্ণতায় মেত্তা বা মৈত্রী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৈত্রী সাধনা দ্বারা মানুষ ইহজীবনে অস্থির মনকে শান্ত করে লক্ষ্যস্থলে সহজে পৌছতে পারে। শুধু আধ্যাত্মিক জীবনে নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনেও এর অনুশীলন একান্ত প্রয়োজন। অনাবিল সুখ-শান্তির একমাত্র পথ। মনে সর্বক্ষণ মৈত্রীভাব পোষণ করা পূর্ণ মনুষ্যত্ব বিকাশের প্রকৃষ্টতম উপায়। চিত্ত ও মনে মৈত্রীভাব পোষণ করে ভাবনা করার নাম 'ব্রহ্মবিহার'। সাধনার সেই চারটি স্তর হল মৈত্রী, করুণা, মুদিতা ও উপেক্ষা। সুতরাং, মৈত্রী হল বৌদ্ধ সাধনার প্রথম সতর। সাধক মনের উত্তেজনা ও হিংসাভাব বিদূরিত করে সুখে-শান্তিতে অবস্থান করেন।
মা যেমন তাঁর একমাত্র ছেলেকে নিজের জীবন দিয়ে রক্ষা করেন, তদ্রুপ সকল প্রাণীর প্রতি প্রেম বিতরণের নামই মৈত্রী। এ প্রেম মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক মধুর করে এবং পরিবেশকে বিশুদ্ধ রাখে। মৈত্রী ভাবনা দ্বারা আত্ম-পর ভেদজ্ঞান লোপ পায়। সাধক সকল প্রাণীর প্রতি মৈত্রী প্রসারিত করে শত্রুহীন, ভয়হীন ও বেদনাহীন হয়ে পরিপূর্ণ উদার মন নিয়ে অবস্থান করেন।
যিনি শত্রু-মিত্রের মধ্যস্থ ও আপনার মধ্যে বিভেদ দেখেন না তিনিই মৈত্রী ভাবনায় সফল হন। তিনি মনুষ্য-অমনুষ্য সকলের প্রিয়ভাজন হন। সুখে শয়ন করেন। দেবতা তাঁকে রক্ষা করেন। অগ্নি তাঁকে দহন করে না। শত্রু তাঁকে আক্রমণ করে না। তাঁর চিত্ত সমাহিত হয়। তিনি মৃত্যুকালে সজ্ঞানে মৃত্যুবরণ করেন। আর্যমার্গ ফল লাভ করে ব্রহ্মলোক প্রাপ্ত হন। পুনরায় জন্মগ্রহণ করেন না। নির্বাণ সাক্ষাৎ করে বিমুক্ত হন।
সুজন কাণ্ড
১. সবিভরের সমাসেথ, সবিভ কুব্বেথ সম্পরং, সতং সদ্ধম্মমঞাযসেয্যো হোতি ন পাপিযো।
'২. চজ দুজন সংসগ্গং, ভজ সাধু সমাগমং, কর পুঞমহোরন্ডিং, সর নিচ্চমনিচ্চতং।
৩. যথা উদুম্বর পক্কা বহিরওকমেব চ, অন্তো কিমিহি সম্পূন্না এবং দুজ্জনহদযা।
8. যথা'পি পনসপক্কা বহি কণ্টকমেব চ, অন্তো অমতসম্পন্না এবং সুজনহদযা,
৫. সুক্কো'পি চন্দনতরু ন জহাতি গন্ধং, নাগো গতো রণমুখে ন জহাতি লীলং, যস্তগতো মধুরসং ন জহাতি উচ্ছৃং; দুক্কো'পি পণ্ডিজনো ন জহাতি ধম্মং।
৬. সীহো নাম জিঘচ্ছা'পি পদ্মাদীনি ন খাদতি, সীহো নাম কিসো চাপি নাগমংসং ন খাদতি।
৭. কূলজাতো কুলপুত্তো কুলবংসো সুরকতো, অত্তনা দুস্পত্তো'পি হীনকম্বং ন কারযে।
৮. চন্দনং সীতলং লোকে, ততো চন্দ'ব সীতলং; চন্দন চন্দং-সীতম্হা সাধুবাক্যং সুভাসিতং।
৯. উদেয্য ভানু পচ্ছিমে, মেরুরাজা নমেয্য'পি, সীতলো যদি নরকল্পি'পি, পব্বতগুঙ্গে চ উপলং বিকসে, ন বিপরীতং সাধুবাক্যং কুদাচনং।
১০. সুখা রুস্স ছাযা'ব, ততো জ্ঞাতি মাতা-পিতু, ততো আচরিযো রঞো ততো বুদ্ধ'নেকধা।
১১.ভমরা পুঞ্চমিচ্ছন্তি, গুণমিচ্ছন্তি সজ্জনা, মক্সিকা পূতিমিচ্ছস্তি, দোসমিচ্ছপ্তি দুজনা।
১২. মাতাহীন দুর্ভাসা, পিতাহীন দুক্কিরিযা, উভো মাতা-পিতাহীনা দুর্ভাসা চ দুক্কিরিযা।
১৩. মাতাসেফ্টস সুভাসা, পিতাসেফ্টস সুক্কিরিষা, উভো মাতা-পিতাসেফ্ট সুভাসা চ সুক্কিরিযা।
১৪. সঙ্গামে সূরমিচ্ছস্তি, মন্তীসু অকুতূহলং, পিযঞ্চ অন্ন-পানেসু, অথকিচ্চেসু পণ্ডিতং।
১৫. সুনখো সুনখং দিস্তা দন্তং দস্সেতি হিংসিতুং, দুজ্জনো সুজনং দিস্বা রোসযং হিংসমিচ্ছতি।
১৬. মা চ বেগেন কিচ্চানি কারেসি কারাপেসি বা, সহসা কারিতং কম্বং মন্দো পচ্ছানুতস্পতি।
১৭. কোধং বিহিত্বা কদাচি ন সোচতি মষ্পহানং ইসযো বগ্নযক্তি, সব্বেসং ফরুসবাচং খমেথ এতং খস্তিং উত্তমমাহু সন্তো।
১৮ দুস্থো নিবাসো সম্বাধে ঠানে অসুচিসঙ্কতে, ততো অরিহি অপিযে, ততো'পি অকতঞ্জনা।
১৯. ওবদেয্য অনুসাসেয্য চ নিবারযে, সতং হি সো পিযো হোতি, অসতং হোতি অপিযো।
২০. উত্তমত্তনিবাতেন, সুরং ভেদেন নিজ্জযে, নীচং অস্পকদানেন, বীরিযেন সমং জযে।
২১. ন বিসং বিসমিচ্চাহু ধনং সঙ্ঘস্স উচ্চতে, বিসং একং'ব হনতি সব্বং সঙ্ঘস সম্ভকং।
২২. জবেন ভদ্রং জানাতি, বলিবদ্দঞ্চ বাহনা, দুহেন ধেনুং জানাতি, ভাসমানেন পণ্ডিতং।
২৩. ধনমস্পম্পি সাধুনং কূপে বারী'ব নিযো, বহুংবাপি অসাধুনং ন চ বারী'ব অগ্নবে।
২৪. অপথেয্য ন পথেয্য, অচিন্তেয্যাং ন চিন্তযে, ধম্মমেব সুচিন্তেয্য, কালং মোঘং ন অচ্চষে।
২৫. অচিন্তিতম্পি ভবতি, চিন্তিতম্পি বিনসস্তি, ন হি চিন্তমযা ভোগা ইথিযা পুরিসস্স বা।
২৬. অসন্তস্স পিযো হোতি, সন্তং ন কুরুতে পিযং, অসতং ধম্মং রোচেতি তং পরাভবতো মুখং।
২৭. আপং পিবস্তি নো নজ্জা, রুক্কা খাদন্তি নো ফলং, বসন্তি কুচি নো মেঘা, পরখায সতং ধনং।
শব্দার্থ
সবৃভিরের - সাধুর সঙ্গে; সমাসেথ - বাস কর; কুব্বেত্থ - মিত্রতা কর; সন্ধম্মমঞায় - সত্যধর্ম জানা থাকলে; চজ - ত্যাগ কর; দুজ্জনসংসর্গং - দুর্জনের (খারাপ লোকের) সংসর্গ; ভজ - ভজনা কর, উপাসনা কর; সাধুসমাগমং - সাধু সমাগম; সর - স্মরণ কর; নিচ্চমনিচ্চতং (নিচচং অনিচ্চতং) - নিত্য ও অনিত্যকে; যথা - যেমন; উদুম্বর - ডুমুর; বহিরত্ত - বহির্ভাগ; অন্তো - ভেতরভাগ; কিমিহিসম্পূন্না - কৃমিতে পরিপূর্ণ; দুজ্জনহদযা - দুর্জনের হৃদয়; - পনসপক্কা - পাকা কাঁঠাল; কন্টকমেব - কণ্টকময়, কাঁটায় পরিপূর্ণ; অমতসম্পন্না - অমৃতময়; সুজনহদযা - সুজনের (সৎব্যক্তির) হৃদয়; সুস্থো'পি - শুকালে; চন্দনতবু - চন্দনবৃক্ষ; ন জহাতি - ত্যাগ করে না; গতো - পতিত; নাগো - হাতি; যস্তগতো - যন্ত্র দ্বারা মাড়ালে (মর্দন করলে); উচ্ছুং - ইক্ষু, আখ; জিঘচ্ছা'পি - ক্ষুধার্ত হলে; পদ্মাদীনি - তৃণপত্রাদি; ন খাদতি - খায় না; কিসো - কৃশ; নাগমংসং - হাতির মাংস; কূলজাতো - কুলীন বংশে; কুলবংসো - চন্দন - চন্দ সীতমহা - চন্দন ও চন্দ্রকিরণের চেয়েও শীতল; সুভাসিতং - সুভাষিত; উদেয্য - উদিত হয়; ভানু - সূর্য; পচ্ছিমে - পশ্চিম দিকে; নমেয্য'পি - নমিত হয়; নরকল্পি'পি - নরকাগ্নিও; পব্বতন্নে - পর্বতাগ্রে; উপলং - পদ্ম; বিকসে - প্রস্ফুটিত হয়; কুদাচনং কদাচ, কখনও; রুস্স - বৃক্ষের; জ্ঞাতি - জ্ঞাতি; রঞ্জঞো - রাজা; সুখা - সুখদায়ক; বুদ্ধ'নেকধা - বুদ্ধের শরণগ্রহণ; দুর্ভাসা - দুর্বাক, কটুভাষি; দুক্কিরিযা - দুষ্কর্মকারি, অনাচারি; মন্ত্রীসু - মন্ত্রণাদাতার; অকুতূহলং - নিরানন্দের সময়; পিযঞ্চ - প্রিয়জনের; অথকিচ্চেসু - অর্থ জানতে হলে; দন্তং দস্সতি - দাঁত দেখায়; হিংসিতুং - হিংসা প্রকাশ করতে; রোসযং - আক্রোশ; মা চ কারেসি - কখনও করবে না; কারাপেসি করাবে না; কিচ্চানি - কার্য; পচ্ছানুতস্পতি - পরে অনুতপ্ত হয়। কোধং - ক্রোধ; বিহিত্বা - ত্যাগ করে - ন সোচতি - শোক করে না; মঙ্গস্পহানং - অপরের দোষকীর্তন ত্যাগ করেছেন যাঁরা; ফরুসবাচং পরষ বাক্য ।
সংক্ষিপ্ত অনুবাদ
সাধুর সঙ্গে বাস ও মিত্রতা করাই উত্তম। সত্যধর্ম জানা থাকলেই ভাল। দুর্জনের সংসর্গ ত্যাগ, সাধুর ভজনা, দিন-রাত পুণ্যকর্ম সম্পাদন ও নিত্য-অনিত্যকে স্মরণ করাই শ্রেয়।
কাঁঠালের বাইরের অংশ কাঁটাযুক্ত। ভেতরভাগ অমৃতময়। সেরূপ সুজনের বহির্ভাগ সুন্দর না হলেও হৃদয় কিন্তু গুণময়।
চন্দন বৃক্ষ শুকালেও সুগন্ধ থাকে। হাতি রণমুখে পতিত হলেও ক্রীড়া ত্যাগ করে না। সেরূপ পণ্ডিত ব্যক্তি দুঃখে পতিত হলেও ধর্ম ত্যাগ করে না।
সিংহ ক্ষুধার্ত হলেও ঘাস খায় না। সিংহ অনাহারে দুর্বল হলেও হাতির মাংস খায় না। কুলপুত্র বংশের মর্যাদা রক্ষা করে। সে নিজে দুঃখ পেলেও হীনকর্ম করে না।
এ জগতে চন্দন শীতল। তার চেয়ে চন্দ্রের কিরণ আরও শীতল। কিন্তু চন্দন ও চন্দ্রকিরণের চেয়ে সাধুর সুভাষিত বাক্য সর্বাপেক্ষা শীতল।
কোনদিন সূর্য পশ্চিম দিকে উদিত হতে পারে। মেরুরাজ নমিত হতে পারে। নরকের অগ্নি শীতল হতে পারে। পর্বতের অগ্রভাগে পদ্ম ফুল ফুটতে পারে। কিন্তু যাঁরা সৎপুরুষ, তাঁদের বাক্য বিপরীত হতে পারে না।
বৃক্ষের ছায়ায় শ্রান্তের সুখ লাভ হয়। তা অপেক্ষা মাতা-পিতা ও জ্ঞাতিগণের আশ্রয় সুখকর। তার চেয়ে আচার্য ও রাজার আশ্রয় সুখদায়ক। বহুগুণে গুণান্বিত বুদ্ধের শরণ সর্বাপেক্ষা সুখকর।
ভ্রমরেরা ফুল পেতে ইচ্ছা করে। সজ্জনেরা গুণ অর্জনে ব্যাপৃত থাকে। মাছি পচাগন্ধ ভালবাসে। আর দুর্জনেরা দোষ গ্রহণ করে।
নিচকূলে জন্মজাত পুত্র কর্কশভাষি হয়। অনুরূপ পিতার পুত্রও অনাচারে রত হয়। মাতা-পিতা উভয়েই নিচকুলের হলে পুত্র মুখরা ও অনাচারি হয়।
সংগ্রামে যোদ্ধার প্রয়োজন হয়। অসময়ে মন্ত্রদাতার পরামর্শ নিতে হয়। ভোজনে প্রিয়জনকে সাথে রাখতে হয়। আর দুরূহ বিষয় জানতে হলে পণ্ডিতের সান্নিধ্য দরকার।
এক কুকুর অন্য কুকুরকে দেখলে দাঁত বের করে হিংসা করে। সেরূপ দুর্জন সুজনকে দেখে আক্রোশ ও হিংসাপরায়ণ হয়। ক্রোধ ত্যাগ করলে কখনো শোক করতে হয় না। যারা অপরের দোষকীর্তন থেকে বিরত থাকে তাদেরকে ঋষিগণ প্রশংসা করেন। কর্কশ বাক্য বলা থেকে ক্ষান্ত থাকবে। সৎপুরুষেরা ক্ষান্তিগুণকে উত্তম বলে প্রশংসা করেছেন।
সংকীর্ণ ও অপবিত্র স্থানে বাস করা দুঃখজনক। তার চেয়ে শত্রু ও অপ্রিয় লোকের সাথে বাস করা দুঃখকর। অকৃতজ্ঞ লোকের সাথে বাস করা অধিক দুঃখজনক।
যে উপদেশ দেয়, অনুশাসন করে; অন্যায় কার্য থেকে নিবারণ করে; সে সৎ-এর প্রিয়পাত্র হয় বটে, কিন্তু অসৎ-এর অপ্রিয় হয়।
আত্মাভিমান ত্যাগ করে শ্রেষ্ঠজনকে জয় কর। ভেদ ব্যবহারে বীরপুরুষকে পরাজয় কর। নীচ-হৃদয়কে দান দিয়ে পরাভূত কর। প্রচেষ্টা বলে সমজনকে পরাজিত কর।
বিষ বিষ নয়। সঙ্ঘের ধনই প্রধান বিষ। বিষ একজনকে হত্যা করে। কিন্তু সঙ্ঘ-সম্পত্তি সকলকে বিনাশ করে।
দ্রুতগতি দেখে অশ্বকে জানা যায়। ভার বহনে বৃষের শক্তি বোঝা যায়। দোহনে ধেনুর পরিচয় পাওয়া যায়। বাক্যালাপে পণ্ডিতকে বুঝতে হয়।
কূপের জলের ন্যায় সাধু ব্যক্তির অল্প ধনেও উপকার হয়। সাগরের জলের মত অসাধু ব্যক্তিরবহু ধনেও হিতসাধন হয় না।
নদী কখনো জলপান করে না। বৃক্ষ কখনো ফল খায় না। মেঘ বারি বর্ষণে মানুষের উপকার করে। সেরূপ, সাধু পরুষের ধন পরহিতার্থে ব্যয় করা হয়। অপ্রার্থিত বস্তুর চিন্তা করবে না। অচিন্তনীয় বিষয়ের চিন্তা করবে না। ধর্মচিন্তাই সুচিন্তার বিষয়। অযথা সময় কাটাবে না।
যা চিন্তা করা হয় না, তাও ঘটে থাকে। যা চিন্তা করে ঠিক করা হয়েছে, তাও একদিন বিফল হয়। স্ত্রী-পুরুষ চিন্তানুরূপ ফল কখনো ভোগ করতে পারে না।
যে অসাধুর প্রিয় হয়, সাধুর সেবা করে না, অধর্মকে ভালবাসে; সে সর্বদা পরাজিত হয়।
টীকা
লোকনীতি
সর্বস্তরের মানুষ যে নীতি অনুসরণ করলে সর্বপ্রকার উন্নতি সাধিত হয় তার নাম লোকনীতি। গাথাগুলোর অধিকাংশ পালি ত্রিপিটকের বিভিন্ন গ্রন্থে হুবহু মিল আছে। যেমন সুজন কান্ডের ১নং গাথা ধম্মপদ-এ, ৩নং গাথা জাতকে, ২৬ নং গাথা সেল সুত্ত-এ, ২৭ নং গাথা পরাভব সুত্ত-এ বর্ণিত হয়েছে। এরকম আরও অনেক গাথা পালিগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। তবে সস্থান বিশেষে চাণক্য শ্লোকেরও পুনরাবৃত্তি আছে। শুধু পালিতে ভাষান্তর করা হয়েছে।
লোকনীতি গ্রন্থটি ক্ষুদ্রকায়। এর বিষয়বস্তুকে সাতটি কান্ডে বা শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা ১। পণ্ডিত কাণ্ড; ২। সুজন কার্ড; ৩। বাল-দুজ্জন কার্ড; ৪। মিত্ত কান্ড, ৫। ইথি কান্ড, ৬। রাজা-কান্ড, ৭। পকিন্নক কাণ্ড।
প্রত্যেকটি কান্ডের গাথাগুলো নামের সাথে সম্পৃক্ত। বলতে গেলে, মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের চলার পথে উপদেশগুলো মনে রেখে অগ্রসর হলে প্রভৃত মঙ্গল সাধিত হয়। তাই গাথাগুলো অনুবাদসহ মুখস্থ করতে পারলে ভাল হয়।
ক. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
১। বুদ্ধ কাদের উদ্দেশ্যে 'করণীয় মেত্ত সুত্ত' দেশনা করেছিলেন? এ সূত্রের পটভূমি সংক্ষেপে বিবৃত কর।
২। করণীয মেত্ত সুত্ত-এর সারমর্ম লেখ।
৩। করণীয মেত্ত সুত্ত-এর আলোকে 'মেত্তা' সম্বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ লেখ।
৪। লোকনীতি গ্রন্থের সুজন কান্ডের যে কোন তিনটি পালি গাথা বাংলা অনুবাদসহ উদ্ধৃত কর।
৫। সুজন কাণ্ডের বিষয়বস্তুর গুরুত্ব নির্ধারণ কর।
খ. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
১। ব্রহ্মবিহার কাকে বলে?
২। নির্বাণ লাভেচ্ছু ব্যক্তির করণীয় কী কী?
৩। 'সব্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতত্তা'। উদ্ধৃত অংশটির তাৎপর্য বাংলায় বুঝিয়ে লেখ।
৪। অনুবাদ করঃ
মাতা যথা নিযং পুত্তং আযুসা একপুত্তমনুরক্সে,
এবম্পি সববভূতেসু মানসং ভাবযে অপরিমাণং।
৫। খুদ্দক পাঠ গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দাও।
৬। লোকনীতি কী? লোকনীতির বিষয়বস্তু কয়টি কান্ডে বিভক্ত করা হয়েছে? সেগুলোর নাম লেখ।
৭। 'কুলপুত্র দুঃখ পেলেও হীনকর্ম করেন না।'- কথাটির তাৎপর্য কী?
গ. শূন্যস্থান পূরণ কর:
মেত্তঞ্চ _____ মানসং ভাবযে ______ ।
উদ্ধং ______ -চ তিরিযঞ্চ _______ ।
অসন্তস _______ হোতি, সন্তং ন ______ পিষং
অসতং _______ রোচেতি ______ তং পরাভবতো _______ ।
ঘ. সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও:
১। বর্ষাবাসের পূর্বে কয় শত ভিক্ষু কর্মস্থান গ্রহণ করেছিলেন?
ক. চারশত
খ. পাঁচশত
গ. ছয়শত
ঘ. সাতশত
২। কর্মস্থান গ্রহণকারী ভিক্ষুদের সামনে কারা দুর্গন্ধ ছড়াতেন?
ক. মানুষেরা
খ. নাগকন্যারা
গ. পাগলেরা
ঘ. বৃক্ষদেবতারা
৩। 'সুভরো' শব্দের অর্থ কী?
ক. সুখপোষ্য
খ. দুগ্ধপোষ্য
গ. ঘৃতপোষ্য
ঘ. যমজপোষ্য
৪। দাঁড়ানো অবস্থায়, গমনে, শয়নে, উপবেশনে যে ভাবনা করতে হয় তার নাম কী?
ক. প্রমোদবিহার
খ. নৌবিহার
গ. ব্রহ্মবিহার
ঘ. মৈত্রীবিহার
৫। 'সক্কো' শব্দের বাংলা অর্থ কোনটি?
ক. দক্ষ
খ. অকুটিল
গ. মিষ্টভাষী
ঘ. নিরভিমান
৬। বৌদ্ধ সাধকের মূললক্ষ্য কী?
ক. মোক্ষলাভ
খ. অর্থলাভ
গ. সম্পদ লাভ
ঘ. নির্বাণ লাভ
৭। সুজন কান্ড কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
ক. খুদ্দক পাঠ
খ. লোকনীতি
গ. সুত্তনিপাত
ঘ. বিমানবন্ধু
৮। সুজনের হৃদয় কীরূপ?
ক. ধ্যানময়
খ. প্রজ্ঞাময়
গ. গুণময়
ঘ. শ্রুতময়
৯। সাধুপুরুষের ধন কিভাবে ব্যয় করা হয়?
ক. রাষ্ট্রীয়কার্যে
খ. ব্যক্তি স্বার্থে
গ. সামাজিকতায়
ঘ. পরহিতার্থে
১০। 'জবেন' শব্দের অর্থ কী?
ক. দ্রুতগতির জন্য
খ. দুর্গতির জন্য
গ. জীবের জন্য
ঘ. জীবিকার জন্য
Read more