লিঙ্গ

ব্যাকরণ - পালি - সপ্তম শ্রেণি | NCTB BOOK

304

যে বিশেষ্য পদ দিয়ে সত্রী-পুরুষ-নপুংসক পার্থক্য করা যায় তার নাম লিঙ্গ। লিঙ্গ ধাতু, প্রত্যয় ও বিভক্তি বর্জিত হয়।
পালিতে লিঙ্গ তিন প্রকার। যথা পুংলিঙ্গ, ইথি লিঙ্গ (সত্রীলিঙ্গ) ও নপুংসক লিঙ্গ।
১। যেসব শব্দ পুরুষ জাতি বোঝায় তাকে পুংলিঙ্গ বলে। যথা- কুমারো, পিতা ইত্যাদি।
২। যেসব শব্দে সত্রী জাতি বোঝায় তাকে সত্রীলিঙ্গ বলে। যথা- মাতা, কুমারী, কঞা ইত্যাদি।
৩। যেসব শব্দে সত্রী বা পুরুষ কোনটাই বোঝায় না তার নাম ক্লীব লিঙ্গ। যেমন- ফল, বারি, বন ইত্যাদি।
নিম্নে লিঙ্গ পরিবর্তনের কিছু উদাহরণ দেওয়া হল:

ক. আ-কারান্ত পুংলিঙ্গ শব্দের সত্রীলিঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগ হয়।

পুংলিঙ্গ
খত্তিযো (ক্ষত্রিয়)
মানুস (মানুষ)
অস (অশ্ব)
কণিষ্ঠ (কনিষ্ঠ)

সত্রীলিঙ্গ
খত্তিযা
মানুসা
অসা
কণিঠা

খ. অ-কারান্ত শব্দের উত্তর কোন কোন ক্ষেত্রে 'ঈ' প্রত্যয় যোগ হয়।

পুংলিঙ্গ
মাণব
সুন্দর
ব্রাহ্মণ
দেব

স্ত্রীলিঙ্গ
মাণবী
সুন্দরী
ব্রাহ্মণী
দেবী

গ. কতকগুলো শব্দ স্ত্রীলিঙ্গে 'নী' প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়।

পুংলিঙ্গ
মালী
দন্ডী
তপসী
মেধাবী

মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
মাণব
Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...