মঙ্গোলীয়

বাংলাদেশ বিষয়াবলী - সাধারণ জ্ঞান -

2.1k

মঙ্গোলীয়রা (Sino- Tibetan) ইন্দোচীন হতে আগমন করে। কালের বিবর্তনে অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও মঙ্গোলীয় জাতির ত্রি-সংমিশ্রণ ঘটে। ত্রিপুরা, চাকমা, গারো, কোচ, ইত্যাদি এই গোষ্ঠীভুক্ত।

Page 2 | Mongolian People Stock Photos, Images and Backgrounds ...

উৎস ও বিস্তৃতি: মঙ্গোলীয়রা প্রধানত পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং উত্তর এশিয়ার অধিবাসী। তবে আমেরিকা মহাদেশের আদিবাসীরাও (রেড ইন্ডিয়ান) এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

শারীরিক বৈশিষ্ট্য:

গায়ের রং: সাধারণত হলদেটে বা তামাটে বর্ণের হয়।

চোখ: এদের চোখের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এপিক্যানথিক ফোল্ড (Epicanthic fold), যার কারণে চোখ কিছুটা ছোট বা তির্যক দেখায়।

চুল: সাধারণত সোজা, কালো এবং শক্ত হয়।

নাক: চ্যাপ্টা বা মাঝারি এবং নিচু নাসিকা থাকে।

মুখমণ্ডল: গালের হাড় (Cheekbones) চওড়া ও উঁচু হয়।

বাংলাদেশে মঙ্গোলীয় গোষ্ঠী: বাংলাদেশের অধিকাংশ উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। যেমন: চাকমা, মারমা, গারো, ত্রিপুরা, ও সাঁওতাল (সাঁওতালদের মধ্যে অস্ট্রিক প্রভাব বেশি থাকলেও মঙ্গোলীয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান)।

শাখা: এদের প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়:

উত্তর মঙ্গোলীয়: (যেমন- চীনা, মঙ্গোলীয়, জাপানি, কোরীয়)।

দক্ষিণ মঙ্গোলীয়: (যেমন- মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের উপজাতিরা)।

Content added By
Content updated By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...