মৌর্য যুগে বাংলা

বাংলাদেশ বিষয়াবলী - সাধারণ জ্ঞান -

4k

৩২৭-৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় থেকে প্রকৃত ইতিহাস পাওয়া যায়। গ্রিক লেখকদের কথায় বাংলাদেশে 'গঙ্গারিডাই' নামে একটি শক্তিশালী জাতির বাসস্থান ছিল ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যবর্তী অঞ্চলে। গ্রিক গ্রন্থকারগণ গঙ্গারিডই ছাড়াও প্রাসিতায় নামে অপর এক জাতির উল্লেখ করেছেন। আলেকজান্ডারের আক্রমণের সময় বাংলার রাজা মাধাদি দেশ জয় করে পাঞ্জাব পর্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। তিনি ছিলেন পাটালিপুত্রের নন্দবংশীয় কোন রাজা।

মহাস্থানগড় শিলালিপি ও দুর্ভিক্ষ মোকাবেলা:
পুণ্ড্রনগরে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, মৌর্য আমলে বাংলায় যখন দুর্ভিক্ষ হতো, তখন রাষ্ট্র থেকে প্রজাদের সাহায্য করা হতো। লিপিটিতে 'গণ্ডক' ও 'কাকনিক' নামক মুদ্রার উল্লেখ আছে, যা থেকে তৎকালীন বাংলার উন্নত মুদ্রা ব্যবস্থার প্রমাণ পাওয়া যায়।

বিন্দুসারের শাসন:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পুত্র বিন্দুসারও বাংলা অঞ্চল শাসন করেছিলেন। তিব্বতীয় ঐতিহাসিক তারানাথের মতে, বিন্দুসার ১৬টি নগর রাষ্ট্র জয় করে পূর্ব থেকে পশ্চিম সমুদ্র পর্যন্ত মৌর্য আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, যার মধ্যে বাংলার একাংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অশোকের সময় ধর্ম ও স্থাপত্য:
সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর বর্ণনা অনুসারে, তিনি বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন, সমতট এবং তাম্রলিপ্তে অনেকগুলো অশোক স্তম্ভ ও বৌদ্ধ বিহার দেখেছিলেন।

বাংলার মসলিন ও বস্ত্রশিল্প:
কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র' অনুযায়ী, মৌর্য আমলে বাংলার 'ব্ঙ্গ' ও 'পুণ্ড্র' অঞ্চলের ক্ষৌম (রেশম) ও দুকুল (মিহি সুতি) বস্ত্র পুরো ভারতজুড়ে সমাদৃত ছিল। বিশেষ করে পুণ্ড্রবর্ধনের সাদা ও মসৃণ সুতি বস্ত্রের কথা সেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উত্তর-কালো পালিশ করা মৃৎপাত্র (NBPW):
প্রত্নতাত্ত্বিক বিচারে মৌর্য আমলের বাংলার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো 'উত্তর-কালো পালিশ করা মৃৎপাত্র' বা North Black Polished Ware। মহাস্থানগড় ও চন্দ্রকেতুগড় (পশ্চিমবঙ্গ) খনন করে এই বিশেষ ধরণের পাত্র পাওয়া গেছে, যা মৌর্য সংস্কৃতির বিস্তারের সাক্ষ্য দেয়।

তাম্রলিপ্তের গুরুত্ব:
মৌর্য আমলে তাম্রলিপ্ত (বর্তমান মেদিনীপুর) শুধু একটি বন্দর ছিল না, এটি ছিল একটি 'নগর-রাষ্ট্র' সমতুল্য। সম্রাট অশোক তাঁর পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সংঘমিত্রাকে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য এই তাম্রলিপ্ত বন্দর থেকেই শ্রীলঙ্কায় পাঠিয়েছিলেন।

মগধের সাথে প্রশাসনিক সংযোগ:
পুণ্ড্রনগর ছিল মৌর্যদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রদেশ বা 'ভুক্তি'। এখান থেকে একজন উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী (মহামাত্র) শাসনকার্য পরিচালনা করতেন, যিনি সরাসরি মগধের কেন্দ্রীয় শাসনের সাথে যোগাযোগ রাখতেন।

আরও কিছু তথ্য জেনে নেই

  • প্রাচীন বাংলা মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। এটি সর্বভারতীয় প্রথম সাম্রাজ্য।
  • চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে বলা হয় ভারতের প্রথম সম্রাট। চন্দ্রতপ্ত মৌর্যের রাজধানী ছিল- পাটালিপুত্র।
  • মহাস্থানগড়ে মৌর্য বংশ প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নন্দবংশকে পরাজিত করে।
  • আলেকজান্ডারের ভারত ত্যাগের পর তার সেনাপতি সেলুকাসকে পরাজিত করেন- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
  • গ্রিক দূত মেগাস্থিনিসকে দূত হিসেবে চন্দ্রগুপ্তের রাজদরবারে প্রেরণ করেন- সেলুকাস।
  • গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস কয়েক বছর অবস্থান করে মৌর্য শাসন সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা ইন্ডিকা নামক গ্রন্থে লিপিবন্ধ করেন।
  • ইন্ডিয়া নামকরণ করেন- প্রাচীন গ্রীকরা।
  • মৌর্যবংশের মোট শাসক ছিলেন- ৯ জন।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
সম্রাট অশোক
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
কনিষ্ক
শশাঙ্ক
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সম্রাট অশোক
সমুদ্রগুপ্ত

বিন্দুসার মৌর্য বংশের দ্বিতীয় শাসক এবং রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পুত্র। পিতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে পিতৃ-রাজত্ব লাভ করেন বিন্দুসার। সিংহাসন আরোহণকালে তিনি অমিত্রঘাত' অর্থাৎ শত্রু নিধনকারী উপাধি লাভ করেন। বিন্দুসারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল তক্ষশীলার বিদ্রোহ (পাকিস্তান)। তক্ষশীলার এই বিদ্রোহ দমন করেছিলেন যুবরাজ অশোক। বিন্দুসারের রাজত্বকালে একমাত্র শ্রেষ্ঠ অর্জন ছিল- কলিঙ্গ জয়। সম্রাট অশোকও উত্তরাধিকার সূত্রে সিংহাসনের অধিকারী হয়েছিলেন।

অমিত্রঘাত উপাধি
বিন্দুসারের সবচেয়ে পরিচিত উপাধি হলো অমিত্রঘাত। এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হলো শত্রু হননকারী। গ্রিক ঐতিহাসিকরা তাকে অমিত্রোকেটস নামে ডাকতেন।

আজীবক সম্প্রদায়ের পৃষ্ঠপোষকতা
বিন্দুসার আজীবক নামক একটি বিশেষ দার্শনিক বা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুসারী ছিলেন। সেই সময়ে এই সম্প্রদায়ের জ্যোতিষী পিঙ্গলবৎস তাঁর রাজসভায় অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন।

বৈদেশিক কূটনৈতিক যোগাযোগ
সিরিয়ার তৎকালীন রাজা প্রথম অ্যান্টিওকাসের সাথে বিন্দুসারের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল। বিন্দুসার সিরিয়ার রাজার কাছে শুকনো ডুমুর, আঙ্গুর থেকে তৈরি মিষ্টি মদ এবং একজন সোফিস্ট বা গ্রিক দার্শনিক চেয়েছিলেন। অ্যান্টিওকাস দার্শনিক বাদে বাকি দুটি দ্রব্য পাঠিয়েছিলেন।

ডাইমেকাস ও ডায়োনিসিয়াস
বিন্দুসারের রাজসভায় মেগাস্থিনিসের উত্তরসূরি হিসেবে গ্রিক দূত ডাইমেকাস নিযুক্ত ছিলেন। এছাড়া মিশরের রাজা দ্বিতীয় টলেমি ফিলাডেলফাস ডায়োনিসিয়াস নামক একজন দূতকে তাঁর দরবারে প্রেরণ করেছিলেন।

তক্ষশিলার বিদ্রোহ
তাঁর শাসনামলে তক্ষশিলায় বিশাল গণবিদ্রোহ দেখা দিয়েছিল। এই বিদ্রোহ দমনের জন্য তিনি প্রথমে তাঁর পুত্র সুসীমকে পাঠিয়ে ব্যর্থ হন এবং পরবর্তীতে বড় পুত্র অশোককে পাঠান। অশোক অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই বিদ্রোহ দমন করেছিলেন।

সাম্রাজ্য রক্ষা ও কৌটিল্য
বিন্দুসারের রাজত্বকালের শুরুর দিকেও চাণক্য বা কৌটিল্য প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল ছিলেন। তাঁর প্রধান কাজ ছিল চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের গড়ে তোলা বিশাল সাম্রাজ্যের ঐক্য বজায় রাখা। তিনি দক্ষিণ ভারতের দাক্ষিণাত্য পর্যন্ত সাম্রাজ্য বিস্তারে বিন্দুসারকে সহায়তা করেছিলেন বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন।

Content added By
Content updated By

উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্রাট অশোকের (তৃতীয় শাসক) রাজত্বকালে। এসময় অঞ্চলটি মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল। এ প্রদেশের রাজধানী ছিল প্রাচীন পুণ্ড্রনগর। সম্রাট অশোকের একটি শিলালিপি পাওয়া যায় মহাস্থানগড়ে। সম্রাট অশোক সিংহাসন আরোহনে নিজ ভ্রাতাদের নির্মমভাবে হত্যা করেন ফলে তার উপাধি হয় চণ্ডাশোক। সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। সম্রাট অশোক বৌদ্ধধর্মকে বিশ্বধর্মে পরিণত করেন। এজন্য তাকে বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন (রোমান সম্রাট) বলা হয়।

উপাধি ও পরিচয়
শিলালিপিতে তাঁকে সাধারণত 'দেবনামপ্রিয়' (দেবতাদের প্রিয়) এবং 'প্রিয়দর্শী' (সুন্দর দর্শনের অধিকারী) নামে অভিহিত করা হয়েছে। অশোক ছিলেন বিন্দুসারের পুত্র এবং মৌর্য বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট।

কলিঙ্গ যুদ্ধ ও ধর্ম পরিবর্তন
২৬১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অশোক কলিঙ্গ জয় করেন। এই যুদ্ধের ভয়াবহ রক্তপাত দেখে তিনি মর্মাহত হন এবং চণ্ডাশোক থেকে ‘ধর্মাশোকে’ পরিণত হন। এরপর তিনি উপগুপ্ত নামক এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর কাছে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হন।

বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার
তিনি বৌদ্ধ ধর্মকে বিশ্বধর্মে রূপান্তরের জন্য তাঁর পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সংঘমিত্রাকে শ্রীলঙ্কায় পাঠান। এছাড়াও তিনি ভারতের বিভিন্ন স্থানে ধর্ম মহামাত্র নামক রাজকর্মচারী নিয়োগ করেছিলেন।

তৃতীয় বৌদ্ধ সংগীতি
অশোকের পৃষ্ঠপোষকতায় পাটালিপুত্রে তৃতীয় বৌদ্ধ সংগীতি (সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন মোগলিপুত্ত তিসা।

শিলালিপি ও লিপি
তিনিই প্রথম সম্রাট যিনি শিলালিপির মাধ্যমে সরাসরি প্রজাদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিতেন। তাঁর শিলালিপিগুলো মূলত ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী লিপিতে এবং প্রাকৃত ভাষায় লেখা। ১৮৩৭ সালে জেমস প্রিন্সেপ প্রথম অশোকের শিলালিপির পাঠোদ্ধার করেন।

জাতীয় প্রতীক ও স্থাপত্য
ভারতের বর্তমান জাতীয় প্রতীক ‘লায়ন ক্যাপিটাল’ সারনাথের অশোক স্তম্ভ থেকে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি মধ্যপ্রদেশের বিখ্যাত সাঁচি স্তূপ নির্মাণ করেন।

মহাস্থানগড় ও বাংলা
বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী শিলালিপি থেকে প্রমাণিত হয় যে, উত্তর বঙ্গ (পুণ্ড্রবর্ধন) তাঁর সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সম্রাট অশোক
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
শশাঙ্ক
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
গৌতম বুদ্ধ
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সম্রাট অশোক
শশাঙ্ক
ময়নামতি
মহাস্থনগড়ে
রোহিতগিরি
‎শালবন বৌদ্ধ বিহার

চাণক্য রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়ে একজন দিকপাল ছিলেন। চাণক্য ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও বিন্দুসারের প্রধানমন্ত্রী ও উপদেষ্টা। চাণক্যের ছদ্মনাম 'কৌটিল্য' আর উপাধি- ‘বিষ্ণুখণ্ড’। কৌটিল্য রচিত গ্রন্থের নাম- 'অর্থশাস্ত্র' । ভারত চলে চাণক্য নীতিতে।

তার একটি উক্তিঃ “যে রাজা শত্রুর গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা করতে পারে না এবং শুধু অভিযোগ করে যে তার পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে, তাকে সিংহাসনচ্যুত করাই উচিত।"

পরিচয় ও নাম
চাণক্যের প্রকৃত নাম ছিল বিষ্ণুগুপ্ত। তাঁর পিতার নাম চণক ছিল বলে তাঁকে চাণক্য বলা হয়। এছাড়া কূটনীতিতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি কৌটিল্য নামেও পরিচিত। তাঁকে 'ভারতের ম্যাকিয়াভেলি' বলা হয়।

তক্ষশিলার শিক্ষক
তিনি প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত শিক্ষা কেন্দ্র তক্ষশিলা মহাবিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির অধ্যাপক ছিলেন।

মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা
চাণক্য ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রী। তিনি নন্দ বংশের শেষ রাজা ধননন্দকে পরাজিত করে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন।

অর্থশাস্ত্র
তাঁর রচিত শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হলো 'অর্থশাস্ত্র', যা সংস্কৃত ভাষায় লেখা। এটি মূলত রাষ্ট্রশাসন, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামরিক কৌশল বিষয়ক একটি আকর গ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৫টি অধিকরণ বা খণ্ডে বিভক্ত।

সপ্তাঙ্গ তত্ত্ব
কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে রাষ্ট্রের সাতটি উপাদানের কথা বলেছেন, যা 'সপ্তাঙ্গ তত্ত্ব' নামে পরিচিত। এই উপাদানগুলো হলো— স্বামী (রাজা), আমাত্য (মন্ত্রী), জনপদ (ভূমি ও জনসংখ্যা), দুর্গ, কোষ (রাজস্ব), দণ্ড (সৈন্যবাহিনী) ও মিত্র।

গুপ্তচর ব্যবস্থা
তিনিই প্রথম রাষ্ট্রশাসনে একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী গুপ্তচর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তাঁর গ্রন্থে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

শামশাস্ত্রী ও অর্থশাস্ত্র আবিষ্কার
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে (১৯০৫ সালে) আর. শামশাস্ত্রী প্রথম কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন এবং ১৯০৯ সালে এটি প্রকাশ করেন।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...