- বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর - ৩ টি। চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা বন্দর।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর।
- বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয়- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে।
- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠা হয়- ১৮৮৭ সালে ব্রিটিশ আমলে।
- মংলা সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৫০ সালে পাকিস্তান আমলে।
- মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- বাগেরহাট জেলার পশুর নদীর তীরে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর- পায়রা সমুদ্র বন্দর (২০১৩)
- পায়রা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত রামনাবাদ চ্যানেলে, কলাপাড়া পটুয়াখালীতে ।
- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- চট্টগ্রামে, কর্ণফুলী নদীর তীরে।
- দেশে প্রস্তাবিত গভীর মাতাবাড়ী সমুদ্র বন্দর নির্মিত হবে- কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নোয়াখালী
টেকনাফে
পটুয়াখালী
বরিশালে
কক্সবাজারে
চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর। এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন। পরে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়। ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার গঠিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম বন্দরে দুটি মুরিং জেটি নির্মিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার কার্যকর হয়। ১৮৯৯-১৯১০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার ও আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে যুক্তভাবে চারটি স্থায়ী জেটি নির্মাণ করে । ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে রেলওয়ে সংযোগ সাধিত হয়। ১৯২৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মেজর পোর্ট ঘোষণা করা হয়। পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনারকে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-এ পরিণত করা হয়, বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটিতে পরিণত করা হয়। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পায়রা বন্দর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একটি সামুদ্রিক বন্দর। এটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত। ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে এর ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট সমুদ্র বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বরিশাল
পটুয়াখালী
চট্টগ্রাম
খুলনা
মোংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় পশুর নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও দ্বিতীয় ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দর। ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর ‘চালনা বন্দর’ নামে এর যাত্রা শুরু হয় এবং ভৌগোলিক ও নাব্যতার সুবিধার কারণে পরবর্তীতে মোংলায় স্থানান্তরিত হয়। বন্দরটি পশুর ও মোংলা নদীর সংযোগস্থলের নিকটে অবস্থিত হওয়ায় বড় আকারের সমুদ্রগামী জাহাজ সহজে নোঙর করতে পারে। খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এবং রেল, নৌ ও সড়কপথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমাতে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে মোংলা বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক জাহাজ এই বন্দর ব্যবহার করছে। বন্দরে জেটি, শেড, ওয়্যারহাউজ ও ভাসমান নোঙরস্থলসহ আধুনিক অবকাঠামো রয়েছে এবং এটি ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু রাখে। প্রতিবছর শত শত জাহাজের মাধ্যমে মিলিয়ন মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। ভবিষ্যতে বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে খনন ও নতুন জেটি নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পদ্মা
মেঘনা
ভৈরব
পশুর
Read more