যে ক্রিয়া পরিসমাপ্তি বা শেষ নির্দেশ করে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। অসমাপিকা ক্রিয়া দুভাবে গঠিত হয়।
১। ত্বা প্রত্যয় (Gerund)
ধাতুর উত্তর ত্বা, য প্রত্যয় যোগ করে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে Gerund বলে। এ জাতীয় অসমাপিকা ক্রিয়া দুটি ঘটনার ওপর নির্ভরশীল। যেমন- বাড়ি এসে আমি তাকে দেখলাম- ঘরং আগস্থা অহং তং পসিং। এ অসমাপিকা ক্রিয়া বাংলায় 'ইয়া' (যাইয়া, গিয়ে) এবং ইংরেজিতে 'ing' (going) থাকে। এ সমস্ত অসমাপিকা ক্রিয়াই পালিতে 'ত্বা' প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়।
ক. ত্বা প্রত্যয় যোগে (Gerund)
√গম = গন্থা; √পিচ = পচিত্বা; √লভ লভিত্বা, লম্বা; √দা = দত্বা; √নি = নেতৃা; √ভিজ = ভুত্বা ইত্যাদি।
খ. য প্রত্যয় যোগে:
√কম = কৰ্ম্ম; √গম = গম্ম; √চিন্ত = চিন্তিয়; √ভিজ = ভূজ্জেয্য।
২। তুং (তুম) প্রত্যয় (Infinitive)
ধাতুর সাথে তুং, তুন, তাবে, তুষে এবং তাযে প্রত্যয় যোগ করে ওহভরহরঃরাব গঠিত হয়। বাংলায় 'আসতে', 'আনতে' এবং ইংরেজিতে 'to come', 'to bring' প্রভৃতি যে অসমাপিকা ক্রিয়া থাকে সেগুলো পালিতে "তুং' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়।
যেমন- সে জল আনতে নদীতে গেল সো উদকং আনেতং নদিযং গচ্ছি।
ক. তুং প্রত্যয় যোগে:
√পচ = পচিতুং; √সু = সোতুং; √ছিদ = ছিন্দিতং ইত্যাদি।
খ. তাবে, তুয়ে এবং তায়ে প্রত্যয়যোগে:
√দা = দাতবে; √মির = মরিতযে; √দিস = দক্তৃিতাযে।
ক্রিয়াবাচক বিশেষণ
ধাতুর উত্তর অন্ত, মান, তব্ব ইত্যাদি প্রত্যয়যোগে ক্রিয়াবাচক বিশেষণ গঠিত হয়। এটা বিশেষ্য পদের বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্রিয়াবাচক বিশেষণ তিন প্রকার। যথা (১) বর্তমান ক্রিয়াবাচক বিশেষণ (২) অতীত ক্রিয়াবাচক বিশেষণ; (৩) ভবিষ্যৎ ক্রিয়াবাচক বিশেষণ।
১। বর্তমান ক্রিয়াবাচক বিশেষণ
ধাতুর সঙ্গে অন্ত, মান, আন, অং ইত্যাদি প্রত্যয়যোগে বর্তমান ক্রিয়াবাচক বিশেষণ গঠিত হয়। যেমন-√পচ- পচং, পচন্ত; √ভূ- ভবং, ভবন্ত; √কর- করং, করন্ত; √পা-পিবং, পিবন্ত; √গম- গচ্ছং, গচ্ছন্ত। √দা- দদমান, দদান; √সু-সুণমান, সুত্বান।
২। অতীত ক্রিয়াবাচক বিশেষণ
অতীত ক্রিয়াবাচক বিশেষণ ত, তবস্তু, তাবী প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। যথা-
√নিহা- এ্যাত; √জী-জীত; √ভূ- ভূত; √ভূজ- ভুত্ত; √বুধ- বুদ্ধ; √চির- ছিন্ন; √মির- মত; √দিন- দন্ত; √ভিজ- ভত্ত্বা;
√জি- জিতা; √হ- হ্রতা।
Read more