ইবনে বতুতা ছিলেন মুসলিম পরিব্রাজক। তিনি ১৩০৪ সালে মরোক্কোয় জন্মগ্রহণ করেন এবং মোহাম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ১৩৩৩ সালে ভারতবর্ষে আগমণ করেন। তিনি বাংলায় আসেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে। ইবনে বতুতা প্রথমে বিদেশি পর্যটক হিসেবে বাঙ্গালা শব্দ ব্যবহার করেন। জীবনের নিত্যনৈমিত্তিক দ্রব্যের প্রাচুর্য ও স্বল্পমূল্য আর মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য বতুতাকে আকৃষ্ট করলেও এ দেশএর আবহাওয়া তার পছন্দ হয়নি। এজন্য তিনি বাংলার নামকরণ করেন ধনসম্পদপূর্ণ নরক। ইবনে বতুতার কিতাবুল রেহালা নামক গ্রন্থে বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ননা পাওয়া যায়।
- পরিচয়: তিনি ছিলেন মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম পর্যটক এবং একজন প্রখ্যাত মরোক্কান পন্ডিত। তাঁকে 'পর্যটকদের রাজপুত্র' বলা হয়।
- বিখ্যাত গ্রন্থ: তাঁর ভ্রমণকাহিনীর নাম 'কিতাব-উল-রেহলা' (Kitab-ul-Rihla)।
- ভারত আগমন: ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে ভারতে আসেন।সুলতান তাঁকে দিল্লির 'কাজী' (বিচারক) হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। সুলতান তাঁকে তাঁর দূত হিসেবে চীনে পাঠিয়েছিলেন।
- বাংলা ভ্রমণ: তিনি ১৩৪৫-১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় আসেন। সেই সময় সোনারগাঁওয়ে স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্ব চলছিল।তিনি বাংলাকে তাঁর বইতে 'দোযখপুর-আয-নিয়ামত' (নেয়ামতপূর্ণ নরক) বলে অভিহিত করেছেন (প্রচুর সম্পদ কিন্তু আবহাওয়া ও পরিবেশগত কারণে)।
- হযরত শাহজালাল (র.) এর সাথে সাক্ষাৎ: তিনি সিলেটে এসে বিখ্যাত সুফি সাধক হযরত শাহজালাল (র.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
- বাংলার সামাজিক বর্ণনা: তাঁর বর্ণনায় তৎকালীন বাংলায় দাস-দাসী কেনাবেচা এবং দ্রব্যমূল্যের সস্তা হওয়ার কথা উল্লেখ আছে (যেমন—একটি সুস্থ মোরগ এক দিরহামের ১/৮ অংশ দামে পাওয়া যেত)।
- ভ্রমণের বিস্তার: তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে আফ্রিকা, এশিয়া এবং ইউরোপের বিশাল অংশ ভ্রমণ করেছিলেন।
Content added By
Content updated By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ফা হীয়েন
হিউ এন সাং
ইবনে বতুতা
স্যার টমাস রো
ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৯ সালে
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৯ সালে
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৮ সালে
তিব্বতের
গ্রিসের
রোমের
মরক্কোর
নাইজেরিয়ার
মরক্কোর
ইতালির
গ্রীসের
Read more