বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেওয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বীরশ্রেষ্ঠ প্রাপ্ত সাতজন হলেন: সিপাহী হামিদুর রহমান, সিপাহী মোস্তফা কামাল, সিপাহী নূর মোহাম্মদ শেখ, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, ন্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ, স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন, এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, যাঁরা দেশ ও স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- জন্ম: ৭ মার্চ, ১৯৪৯ সালে বরিশাল জেলায়।
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
- বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ হন।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।
- মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর- ৭নং সেক্টর ।
- সমাধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- তিনি সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- জন্ম: ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী
- মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর- ৪ নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সাল।
- সমাধি: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সিপাহী
ল্যান্স নায়েক
লেফটেন্যান্ট
ক্যাপ্টেন
- জন্ম: ১৯৪৭ সালে ভোলা জেলার হাজিপুর গ্রামে।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।
- মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর ২ নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ সাল।
- সমাধি- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন
- জন্ম: ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বাগপাদুরা গ্রামে।
- কর্মস্থল: নৌবাহিনী।
- পদবিঃ স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার বা ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশার।
- মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর- ১০নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল।
- সমাধি: বাগমারা, রূপসা নদীরপার, খুলনা ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
- জন্ম: ১৯৪১ সালে ঢাকায় কিন্তু পৈতৃক বসতি নরসিংদী জেলায়।
- কর্মস্থল: বিমানবাহিনী।
- সেক্টর: মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি T-33 প্রশিক্ষণ বিমান, ছদ্ম নাম (Blue Bird) ছিনতাই করে নিয়ে দেশে ফেরার পথে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।
- মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১ সাল।
- সমাধি: পাকিস্তানের করাচির মাশরুর ঘাঁটি থেকে তাঁর দেহাবশেষ এনে ২০০৬ সালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ
মুন্সি আব্দুর রউফ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহিদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাঁদের অন্যতম। তিনি ১৯৬৩ সালের ৮ মে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে যোগদান করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি নিয়মিত পদাতিক সৈন্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বুড়িঘাট গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে ১৯৭১ সালের ৭/৮ এপ্রিল (মতান্তরে ২০ এপ্রিল) তিনি মর্টার শেলের আঘাতে শহিদ হন। তাঁকে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে একটি টিলার ওপর সমাহিত করা হয়।

একনজরেঃ
| জন্ম | ১৯৪০ সালে ফরিদপুর জেলায় | ||||||
| কর্মস্থল | ই.পি. আর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) | ||||||
| পদবী | ল্যান্স নায়েক | ||||||
| সেক্টর | ১ নং | ||||||
| মৃত্যু |
| ||||||
| সমাধি | রাঙামাটি জেলার নানিয়ার চরে |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ল্যান্স নায়েক নূর মুহাম্মদ শেখ
- জন্ম: ১৯৩৬ সালে নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামে।
- কর্মস্থল: ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)।
- মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর: ৮ নং সেক্টর।
- মৃত্যুঃ ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল।
- সমাধি: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।
Read more